০৬:২৪ পি.এম
রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলার কারণে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। আইনজীবীরা জানান, সবশেষ মামলায় জামিন পাওয়ার কারণে এখন তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই জামিনের আদেশ প্রদান করে।
এই মামলায় খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী এবং অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।
আরও পড়ুন: বিয়ে করে ঋণ শোধের জন্য কৃষি ব্যাংকে চুরি চেষ্টা যুবকের
এটার আগে, গত ২ জুলাই রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা খোয়াইব হত্যা মামলায় জামিন বহাল রাখেন চেম্বার আদালত। পরে বনানী থানায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। আজ হাইকোর্ট এই মামলায় জামিন প্রদান করেছে।
আরও পড়ুন
সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান বর্তমানে ৩ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন। এর আগে বিচারপতি খায়রুল হক মোট ৭ মামলায় বিভিন্ন সময় জামিন পেয়েছেন।
সবশেষ গত ৩০ জুন যাত্রাবাড়ী থানায় খোয়াইব হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে জামিন দেয় হাইকোর্ট। সেই সময় বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ এই আদেশ দিয়েছিল। পরে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে সম্মানিত আপিল বিভাগে ওই আদেশ স্থগিত চাওয়া হয়।
আরও পড়ুন: প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে এক্সপ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ
গত ২৩ মে পৃথক সাত মামলায় জামিন পাওয়ার পর সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে নতুন করে যাত্রাবাড়ী থানায় খোয়াইব হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত এই আদেশ দেন।
১৬ মে উপপরিদর্শক মো. ইব্রাহিম খলিল এই মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিলেন।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে যাত্রাবাড়ী পদচারী সেতুর নিচে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন খোয়াইব। ওই দিন বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে যাত্রাবাড়ী মোড়ের দিকে অগ্রসর হন। পুলিশ, র্যাবসহ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের অস্ত্রধারীরা আন্দোলনরত ছাত্র–জনতার ওপর অতর্কিত গুলি চালায়। এতে গুরুতর আহত হন খোয়াইব। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সেই ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর নিহত খোয়াইবের ভাই জোবায়ের আহম্মেদ যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। সেখানে শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করা হয়।
আরও পড়ুন: মিরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হোতা তিন ভাই গ্রেফতার
গত বছরের ২৪ জুলাই সকালে ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর একে একে আটটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন