ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাজেট ডিব্রিফিং সেশন সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে : স্পিকার


বাজেট ডিব্রিফিং সেশন সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে : স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম আজ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে ‘বাজেট হেল্পডেস্ক-২০২৬’-এর আওতায় আয়োজিত বাজেট বিষয়ক ডিব্রিফিং সেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তার বক্তৃতায় বলেছেন, বাজেট ডিব্রিফিং সেশনের আয়োজন সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ। তিনি এ ধরনের উদ্যোগকে জাতীয় বাজেট ও সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন।

আজ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে ‘বাজেট হেল্পডেস্ক-২০২৬’-এর আওতায় আয়োজিত বাজেট বিষয়ক ডিব্রিফিং সেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

স্পিকার আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে রাজস্ব আহরণ, ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, তথ্য ও উপাত্তভিত্তিক বাজেট বিশ্লেষণে বাজেট হেল্পডেস্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বলেন, সরকার যে আর্থিক নীতি ও কৌশল গ্রহণ করেছে সে সম্পর্কে সংসদ সদস্যরা সুস্পষ্ট ধারণা পাবেন। সংসদ সদস্যরা সংসদ লাইব্রেরির বিভিন্ন তথ্যভাণ্ডার ও গবেষণা উপকরণ ব্যবহার করে নিজেদের আরো সমৃদ্ধ করার সুযোগ রয়েছে।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, বাজেট বিষয়ে সংসদ সদস্যদের আগ্রহ এবং সংসদীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ জাতির জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে। তিনি জনগণের বর্তমান সংসদের কার্যক্রমের দিকে গভীর আগ্রহ নিয়ে তাকানোর বিষয়টিও উল্লেখ করেন। কারণ, দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও অগ্রগতির রূপরেখা এখানেই নির্ধারিত হবে।

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের এমন ধরনের কর্মসূচি সংসদীয় প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে সংসদ সদস্যদের কার্যকর অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের মাধ্যমে জনপ্রত্যাশা পূরণে সহায়তা করছে। পরে তিনি বাজেট ডিব্রিফিং সেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে সংসদ নিয়ে জনগণের ব্যাপক প্রত্যাশা ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী এই সংসদ একটি ব্যতিক্রমী সংসদ। দেশব্যাপী প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার মানুষ সংসদের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি বলেন, অর্থনীতি, সমাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দু হলো সংসদ। তথ্যভিত্তিক সংসদ গড়ে তুলতে বাজেট ডিব্রিফিং সেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ও সুশৃঙ্খল ব্যবহারের মাধ্যমে একটি যুগোপযোগী ও বাস্তবমুখী বাজেট উপস্থাপন করেছে। বাজেট হেল্পডেস্ক সংসদ সদস্যদের তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: জনগণের বিরুদ্ধে অবৈধ সাম্রাজ্য রক্ষার দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ

তিনি আরও জানান, অতীতে বাজেট-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে সংসদ সদস্যদের নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় পরিচালিত এ উদ্যোগের জন্য এখন প্রয়োজনীয় তথ্য সহজেই পাওয়া যাচ্ছে এবং বাজেটের গভীর বিশ্লেষণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
গাইবান্ধা

নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে ট্রাফিক সার্জেন্ট ক্লোজড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে ট্রাফিক সার্জেন্ট ক্লোজড

নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগের কারণে গাইবান্ধার ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করা হয়েছে। গত ১৯ জুন রাতে তাকে ক্লোজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে গাইবান্ধার ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় ও ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে খবর, সম্প্রতি ট্রাফিকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর ফেসবুকে ট্রাফিক ব্যবস্থার বিষয়ে কনটেন্ট বানাচ্ছিলেন। এই সূত্র ধরেই তার সখ্যতা তৈরি হয় নিঝুম নামক এক নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে। অভিযোগ রয়েছে, গত ১৭ জুন রাতে গাইবান্ধা পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমারী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিঝুম নামের ওই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরসহ স্থানীয়দের হাতে তিনি অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন।

ওই দিন রাতেই জানানো হচ্ছে যে, স্থানীয় লোকজন সেই বাসায় সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর এবং নিঝুমের অবস্থান বুঝতে পেরে বাসাটি ঘিরে ফেলেন এবং তাদের বের হতে বাধা দেন। পরে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তাদের কাছ থেকে মাদক (ইয়াবা) উদ্ধারও হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন জানান, পলাশবাড়ীর ওই ঘটনায় সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং একই সাথে বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত-বাংলাদেশজুড়ে জিয়াউলের ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ ছিল: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ পি.এম


ভারত-বাংলাদেশজুড়ে জিয়াউলের ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ ছিল: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, সেনাবাহিনীর চাকরি থেকে অব্যাহতি পাওয়া আলোচিত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে একটি ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ সক্রিয় ছিল।

রবিবার (২১ জুন) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ এক সেনা কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন। তার সাক্ষ্যগ্রহণ এখনো চলমান রয়েছে এবং এতে বেশ কয়েকটি আলোচিত ঘটনার বিবরণ উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, সাক্ষ্য দেওয়া সেনা কর্মকর্তা ট্রাইব্যুনালের সামনে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর বর্ণনা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে একটি ছিল জিয়াউলের জাফলং অপারেশন। অর্থাৎ র‍্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুজন আসামিকে নিয়ে জিয়াউলের নেতৃত্বে জাফলংয়ে গিয়েছিলেন সাক্ষীসহ আরো কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা। জাফলংয়ে যাওয়ার পর আরো দুজন আসামিকে নিয়ে আসেন ভারত থেকে আসা সাদা পোশাকের কিছু লোকজন। এরপর এসব আসামিদের বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।

সাক্ষীর বিবরণের বরাতে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ভারত থেকে আনা দুজনকে রাস্তায় মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করেন জিয়াউল আহসান। এভাবে তিনি হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন। ভারতের লোকজনকে জিয়াউল আহসানের অনুসারীরাই হয়তো নিয়ে আসতেন। তারা কোনো দলের বা কোনো বাহিনীর হতে পারে। অর্থাৎ জিয়াউলের এই কিলিং নেটওয়ার্ক ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল। তবে ভারত থেকে সাদা পোশাকে আসা লোকজন যে দুজন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করেছিলেন, তারা কি ভারতের নাকি বাংলাদেশের নাগরিক তা যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি।

তিনি উল্লেখ করেন, বিডিআরের বিভিন্ন সদস্যদের ধরে এনে দুটো পদ্ধতিতে হত্যা করেছেন জিয়াউল আহসান। এর মধ্যে কাউকে ইনজেকশন পুশ করে, আবার কাউকে মাথায় গুলি করে হত্যার পর নদীতে ফেলে দিতেন। এই দুই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্যকে তিনি হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন সাক্ষী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৬০৬ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৬০৬ মামলা

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিপুল সংখ্যক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার ৬০৬ টি মামলা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

আজকের এ অভিযানের বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে আরও জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৫ টি বাস, ৩ টি কাভার্ডভ্যান, ৮ টি সিএনজি ও ২০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একইভাবে, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে পরিমাপ অনুযায়ী ১৫টি বাস, ৬টি ট্রাক, ২৭টি সিএনজি ও ৭০টি মোটরসাইকেল সহ ১৪২টি মামলা করা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২১টি বাস, ২৮টি কাভার্ডভ্যান, ৮৫টি সিএনজি ও ২১৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪০৬টি মামলা দায়ের হয়েছে।

এছাড়া, ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১৩টি বাস, ৮টি ট্রাক, ১৫টি কাভার্ডভ্যান, ১৭টি সিএনজি ও ৩৫টি মোটরসাইকেলসহ ১২৫টি মামলা দায়ের হয়েছে। অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৩টি বাস, ১০টি কাভার্ডভ্যান, ২৬টি সিএনজি ও ৩৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১০৬টি মামলা করা হয়েছে।

এছাড়া, ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১৩টি বাস, ১৩টি ট্রাক, ১৩টি কাভার্ডভ্যান, ৫১টি সিএনজি, ১৮১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩২৩টি মামলা করা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৩০টি বাস, ৬টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ৬৯টি সিএনজি ও ১৩৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩২৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগেও ১৪টি বাস, ২টি ট্রাক, ৫টি কাভার্ডভ্যান, ২০টি সিএনজি ও ৪৪টি মোটরসাইকেলসহ ১১৮টি মামলা হয়েছে।

এছাড়াও, অভিযানকালে মোট ৩৫৮টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৩৮০টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবীদের ফি আরো বাড়ানো হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবীদের ফি আরো বাড়ানো হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবীদের ফি যুক্তিসঙ্গতভাবে আরো বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আজ রবিবার (২১ জুন) সংসদ অধিবেশনে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই তথ্য জানান।

সরকারি খরচে আইনি সহায়তার ক্ষেত্রে প্রচারণার অভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, প্যানেল আইনজীবীদের কম ফি এবং এনজিওগুলোর সঙ্গে ডিজিটাল ইন্টিগ্রেশনের সুনির্দিষ্ট বাধাগুলো সম্পর্কে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

আইনমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের দরিদ্র, অসচ্ছল ও নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ জনগণের জন্য আইনি সহায়তা ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) সেবা দিতে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’কে ‘বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর’ এ উন্নীত করা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী জানান, সরকার নির্ধারিত ফি কম হওয়ায় অনেক সময় দক্ষ ও অভিজ্ঞ আইনজীবীরা লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী হন না। পাশাপাশি, মামলা ফাইলিং, কোর্ট ফি বা দলিলের জাবেদা নকল সংগ্রহের মতো প্রাথমিক আনুষঙ্গিক ব্যয়ের জন্য সরকারিভাবে কোনো অগ্রিম বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় আইনজীবীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়।

আইনজীবীদের এই বাস্তব সমস্যাগুলো বিবেচনা করে সরকার ইতিমধ্যে প্যানেল আইনজীবীদের ফি ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে এবং এই ফি আরো যুক্তিসঙ্গতভাবে বাড়ানোর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রান্তিক জনগণের কাছে এই সেবা পৌঁছে দিতে এবং সচেতনতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সরকার ও ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে ডিজিটাল লিগ্যাল এইড প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে ৩০০টি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপনের পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপ ও আধুনিক অনলাইন পোর্টাল চালু হয়েছে। ‘১৬৬৯৯’ টোল-ফ্রি লিগ্যাল এইড হেল্পলাইনের সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

এছাড়া, তৃণমূলে সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত উঠান বৈঠক, গণশুনানি, পথনাটক, সেমিনার, লিফলেট বিতরণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশব্যাপী জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর কার্যপদ্ধতি, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং জবাবদিহির কাঠামো ভিন্ন হয়ে থাকায় এই সমন্বয়ের বিষয়টি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। বিশেষত একটি সমন্বিত ডেটা-শেয়ারিং নীতিমালার অভাব, পৃথক কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং বিচারপ্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি এখানে প্রধান বাধা হিসেবে কাজ করছে।’

তবে তিনি জানিয়েছেন যে, এসব সীমাবদ্ধতা দূর করে একটি নিরাপদ, সমন্বিত ও কার্যকর ডিজিটাল লিগ্যাল এইড ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি এনজিও ও অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%