নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৬:১৩ পি.এম
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নের বরছাকাঠী গ্রামে ১০-১২টি পরিবারের দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে।এ ঘটনায়, মো. মাসুদুর রহমান (৪৬) নামের এক ব্যক্তি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন যাতে চলাচলের রাস্তা উন্মুক্ত করা এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও করা হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) নেছারাবাদ থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে স্থানীয় সরোয়ার হোসেন (৫২), ফরদিনসহ অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।আদালতে বাদী ও অভিযুক্তরা একই বাড়ির বাসিন্দা।সম্প্রতি একটি ডকইয়ার্ড থেকে স্টিলের প্লেট চুরির অভিযোগের জেরে স্থানীয়ভাবে বিচার-সালিশ অনুষ্ঠিত হয়।সালিশে অভিযুক্ত সরোয়ার হোসেনকে ২৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।সালিশে মাসুদুর রহমান সাক্ষী ছিলেন।এরপর থেকেই অভিযোগ করা হয়েছে যে, সরোয়ার হোসেন মাসুদুর রহমানের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন।
মাসুদুর রহমান অভিযোগ করছেন যে, এই ঘটনার জেরে প্রায় ৪০ বছর ধরে যে হাঁটার রাস্তা স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যবহার করে আসছেন, সেটি শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলস্বরূপ ১০-১২টি পরিবারের সদস্যদের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে, স্থানীয়রা বেড়া সরানোর চেষ্টা করলে তাদের বাধা দেওয়া হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি অভিযুক্তের স্ত্রী দা হাতে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন বাদী।একই দিন বিকেলে, তার শিশু ছেলে দোকানে যাওয়ার সময় গালিগালাজ ও লোহার খুন্তি দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত ও তার পরিবারের সদস্যরা মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে ক্ষতি করার হুমকি দিয়েছেন।এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলে অভিযুক্ত পক্ষ রাজি হয়নি বলেও জানিয়েছেন মাসুদুর রহমান।
অভিযুক্ত সরোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি আমাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি।ঘরের পেছনের রাস্তা ও পুকুরপাড়ের জায়গা বেড়া দিয়ে মাছ চাষ করা হবে।এ রাস্তা দিয়ে কেউ চলাচল করতে পারবে না।তবে স্থানীয়দের ব্যবহৃত হাঁটার রাস্তা বন্ধ করার আইনগত অধিকার আছে কি না, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো সন্তোষজনক উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ২২ দিনের মধ্যে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২১৪ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৭১ কোটি ১০ লাখ ডলার। এই হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে আগস্টের ২২ দিন পর্যন্ত রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৫ দশমিক ৬ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০ থেকে ২২ আগস্ট-এই তিন দিনে দেশে এসেছিল ১১ কোটি ৭০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৫০০ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৪১৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এই হিসেবে, চলতি অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের একটি যুব ফুটবল টুর্নামেন্টে না যাওয়ার জন্য ফিফার ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তাগলিয়ানি অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু সেই অনুরোধকে উপেক্ষা করে ইনফান্তিনো ডোমিনিকান রিপাবলিকের পুন্টা কানায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৪ টুর্নামেন্টে উপস্থিত হন।
গতকাল শনিবার ইনস্টাগ্রামে টুর্নামেন্টের বিভিন্ন ছবি প্রকাশ করেছেন ফিফা সভাপতি। যেখানে দেখা যায়, তিনি ডোমিনিকান রিপাবলিকের রাজনৈতিক ও ফুটবল কর্মকর্তাদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন।
আজকালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনফান্তিনোর উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয় এবং শুক্রবার চিঠি দিয়ে মন্তাগলিয়ানি আপত্তি জানান। তার উদ্বেগ ছিল যে, ফিফার সাম্প্রতিক বিতর্কের কারণে সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি যুব টুর্নামেন্টের পরিবর্তে ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব ও ফিফার অভ্যন্তরীণ সংকটের দিকে চলে যাবে।
মন্তাগলিয়ানি চিঠিতে লিখেছিলেন, ফিফার ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত গভর্ন্যান্স সংকটের কারণে ইনফান্তিনোর উপস্থিতি টুর্নামেন্টটির মূল উদ্দেশ্য ও যুব উন্নয়ন কার্যক্রমকে আড়াল করে দিতে পারে। এই প্রেক্ষিতে তিনি ‘ফুটবলের স্বার্থে’ ইনফান্তিনোকে সফর পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন।
ফিফা মন্তাগলিয়ানির অনুরোধ সম্পর্কে সরাসরি মন্তব্য করেনি; তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশ্বকাপের প্রতিটি চার বছরের চক্র থেকে ক্যারিবিয়ান ফুটবল ইউনিয়নের মতো আঞ্চলিক সংগঠনগুলোকে সর্বোচ্চ ৫ কোটি ডলার পর্যন্ত অর্থায়ন করা হয়।
এদিকে ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে বিভিন্ন মহলে অসন্তোষ ক্রমেই প্রকাশিত হচ্ছে। মন্তাগলিয়ানি ছাড়াও উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফেরিন এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তিন ফিফা ভাইস প্রেসিডেন্ট ইনফান্তিনোর ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ পরিকল্পনা নিয়ে তাকে ‘প্রতারণা’র অভিযোগও করেছেন।
প্রকাশ্যে আসা তথ্য অনুযায়ী, ইনফান্তিনো ফিফার বহু বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যিক কার্যক্রম একটি নতুন প্রতিষ্ঠানের অধীনে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। ঐ প্রতিষ্ঠানের ২০ শতাংশ মালিকানা বিনিয়োগকারীদের দেওয়ার কথা ছিল, যাদের নেতৃত্বে ছিলেন জ্যারেড কুশনারের ভাই জোশুয়া কুশনার।
বিশ্বজুড়ে ফুটবল কর্মকর্তাদের তীব্র বিরোধিতার মুখে, ১ আগস্ট ইনফান্তিনো ওই প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে নেন। পরে ফিফার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা কেভিন লামর প্রকাশ্যে প্রস্তাবটির পাশাপাশি ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের ধরন নিয়েও সমালোচনা করেন। এর পর চলতি সপ্তাহে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
ইনফান্তিনোকে ঘিরে ক্ষমতার এই দ্বন্দ্বে ক্যারিবিয়ান অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সংশ্লিষ্ট ফেডারেশনগুলোকে ইনফান্তিনোর সম্ভাব্য সমর্থক হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল কনফেডারেশন কনমেবলও ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। ২০৩০ বিশ্বকাপে ম্যাচের সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৮ থেকে ৬৪টি করার পরিকল্পনায় ইনফান্তিনোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
২৮ জুলাই ২০ বিলিয়ন ডলারের ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ প্রকল্পের খবর প্রকাশ হওয়ার পর থেকে ইনফান্তিনো এখনো প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হননি। শুক্রবার পুন্টা কানায় স্কাই নিউজের সাংবাদিক জেমস ম্যাথিউজ তাকে প্রশ্ন করেন, তিনি ফুটবলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন কি না এবং তার পদত্যাগ করা উচিত কি না। ইনফান্তিনো সরাসরি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে সাংবাদিককে ধন্যবাদ জানান এবং দুজনেরই টাক মাথা নিয়ে রসিকতা করেন।
ফিফা সভাপতি হিসেবে চতুর্থ ও শেষ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে চান ইনফান্তিনো। এতে তিনি ২০৩১ সাল পর্যন্ত পদে থাকার সুযোগ পাবেন। আগামী মার্চে মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ফিফা কংগ্রেসে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। প্রার্থিতা জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ নভেম্বর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশে হামের সঙ্গে সঙ্গে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে ডেঙ্গু। এডিস মশাবাহিত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত একটি দিনের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে ৮৩৯ জন নতুন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
রোববার (২৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে নিয়মিত বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।
সেখানে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু বরণ করা পাঁচজনের মধ্যে চারজন ঢাকা বিভাগের এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা।
এখন পর্যন্ত চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগের কারণে দেশে ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৯২৯ জনে। এদের মধ্য থেকে হাসপাতাল থেকে ২৬ হাজার ৮৯৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরত গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৯৫১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসানাধীন রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভার উত্তর জনারদন্দী গ্রামে একটি পুরুষশূন্য বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাটের অভিযোগ উঠছে। ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে, গত ২২ আগস্ট সকালে এ ঘটনা ঘটে। তাদের অভিযোগ, জালাল মোল্লা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একটি মামলা থাকায় তারা বাড়িতে উপস্থিত না থাকার সুযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন এ হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার জানান, এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল, নগদ টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার লুট হয়েছে।
পরিবারটির অভিযোগ, জমিজমা নিয়ে জালাল মোল্লার ছেলেদের সঙ্গে ইসহাক সরদার, রাসেল সরদার, তানভীর ও সাহাদাত সরদারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এর মধ্যে ইসহাক সরদার আহত হওয়ার ঘটনায় জালাল মোল্লা এবং পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার পর থেকেই পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বাড়িতে উপস্থিত না থাকায় ওই সুযোগে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
জালাল মোল্লার মেয়ে রুনু বেগম বলেছেন, তাঁর ভাইয়েরা বিদেশ থেকে বিয়ে করার জন্য বাড়িতে এসেছিলেন এবং তাঁদের কাছে থাকা সোনা-গয়না ও নগদ টাকার খবর পেয়ে বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। জালাল মোল্লার অপর দুই মেয়ে মন্তব্য করেছেন, "বাড়িতে এখন কোনো পুরুষ নেই, শুধু মেয়েরা রয়েছি। আমাদের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ও ভাঙচুর করা হয়েছে। লুটপাটের পাশাপাশি আমাদের ভাইয়েরা বাড়িতে ফিরলে তাঁদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।"
অন্যদিকে, হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত রাসেল সরদার। মুঠোফোনে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর চাচা ইসহাক সরদারের পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং জালাল মোল্লাদের বাড়িতে হামলা বা লুটপাটের বিষয়ে তারা কিছু জানেন না এবং এ ধরনের ঘটনা ঘটাননি।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম মন্তব্য করেছেন, "এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ