প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভার উত্তর জনারদন্দী গ্রামে একটি পুরুষশূন্য বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাটের অভিযোগ উঠছে। ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে, গত ২২ আগস্ট সকালে এ ঘটনা ঘটে। তাদের অভিযোগ, জালাল মোল্লা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একটি মামলা থাকায় তারা বাড়িতে উপস্থিত না থাকার সুযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন এ হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার জানান, এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল, নগদ টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার লুট হয়েছে।
পরিবারটির অভিযোগ, জমিজমা নিয়ে জালাল মোল্লার ছেলেদের সঙ্গে ইসহাক সরদার, রাসেল সরদার, তানভীর ও সাহাদাত সরদারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এর মধ্যে ইসহাক সরদার আহত হওয়ার ঘটনায় জালাল মোল্লা এবং পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার পর থেকেই পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বাড়িতে উপস্থিত না থাকায় ওই সুযোগে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
জালাল মোল্লার মেয়ে রুনু বেগম বলেছেন, তাঁর ভাইয়েরা বিদেশ থেকে বিয়ে করার জন্য বাড়িতে এসেছিলেন এবং তাঁদের কাছে থাকা সোনা-গয়না ও নগদ টাকার খবর পেয়ে বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। জালাল মোল্লার অপর দুই মেয়ে মন্তব্য করেছেন, "বাড়িতে এখন কোনো পুরুষ নেই, শুধু মেয়েরা রয়েছি। আমাদের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ও ভাঙচুর করা হয়েছে। লুটপাটের পাশাপাশি আমাদের ভাইয়েরা বাড়িতে ফিরলে তাঁদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।"
অন্যদিকে, হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত রাসেল সরদার। মুঠোফোনে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর চাচা ইসহাক সরদারের পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং জালাল মোল্লাদের বাড়িতে হামলা বা লুটপাটের বিষয়ে তারা কিছু জানেন না এবং এ ধরনের ঘটনা ঘটাননি।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম মন্তব্য করেছেন, "এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন