বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:১৬ এম
১৯৯৯ সালের পর ব্রিটেনের আকাশে প্রথমবারের মতো দেখা গেল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। গতকাল বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যটি উপভোগ করেছেন হাজারো মানুষ।
ব্যতিক্রম ছিল না খেলার মাঠও। ক্রিকেট, ফুটবল ও অ্যাথলেটিকসের দর্শকেরা কিছু সময়ের জন্য খেলাধুলা থেকে চোখ সরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়েছেন।
কাল ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের এজবাস্টনে চলছিল দ্য হান্ড্রেডের ম্যাচ। মুখোমুখি হয়েছিল বার্মিংহাম ফিনিক্স ও এমআই লন্ডন।
ম্যাচ দেখতে আসা দর্শকেরা স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকেই সূর্যগ্রহণের দৃশ্য দেখার সুযোগ পান। অনেক পর্যবেক্ষক চোখের সুরক্ষায় বিশেষ চশমা ব্যবহার করেছেন।
চাঁদ সূর্যের ৯০ শতাংশেরও বেশি অংশ ঢেকে ফেলায় চারপাশের আকাশে অস্বাভাবিক অন্ধকার নেমে আসে। সূর্যকে তখন সরু এক টুকরো বাঁকা রেখার মতো দেখা যাচ্ছিল।
এই বিশেষ দৃশ্য তৈরি করে এক ভিন্ন পরিবেশ।
বার্মিংহামে চলছিল ইউরোপিয়ান অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপও। সূর্যগ্রহণের আগে আলেকজান্ডার স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইট উজ্জ্বল করা হয়।
বিশেষ চশমা পরে দর্শকরা সূর্যগ্রহণের দৃশ্য উপভোগ করেন। ছবি: সংগৃহীত
স্টেডিয়ামের পশ্চিম গ্যালারির নিচের অংশে ছোট ছোট দলে জড়ো হন কয়েকজন দর্শক এবং অ্যাথলেট।
তাদের মধ্যে ছিলেন সুইডেনের অ্যাথলেট এরিকা ওয়ার্ফ ও টিলডে বিজেরাগার। কেউ বিশেষ কাগজের চশমা ব্যবহার করেছেন, আবার কেউ মোবাইল ফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে দৃশ্যটি ধারণ করেছেন।
তবে যখন গ্রহণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন মেঘের আড়ালে চলে যায় এই বিরল দৃশ্য। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে গ্রহণের সর্বাধিক পর্যায় ছিল।
অস্ট্রিয়ার সালজবুর্গে সূর্যগ্রহণের দৃশ্য উপভোগ করেন ফুটবলপ্রেমীরা। শতাংশ সেখানে উয়েফা সুপার কাপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল অ্যাস্টন ভিলা ও পিএসজি।
ম্যাচ শুরুর প্রায় ৩০ মিনিট আগে সূর্যগ্রহণ ঘটে। ফলে স্টেডিয়ামে থাকা দর্শকদের বড় একটি অংশ খেলা শুরুর আগে আকাশের দিকে তাকানোর সুযোগ পান।
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে সূর্যগ্রহণ দেখার জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় জায়গা ছিল মাদরিং ফর্মুলা-১ সার্কিটের লা মনুমেন্তাল। বিশাল গ্যালারি এবং মাদ্রিদ শহরের আকাশরেখাকে পেছনে রেখে সেখানে সূর্যগ্রহণের দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
সার্কিটের উত্তর অংশে অবস্থিত ১২ নম্বর বাঁকটি এ জন্য ছিল বিশেষ একটি স্থান। প্রকৃতির এই বিরল দৃশ্য এবং মোটরস্পোর্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মেলবন্ধন দর্শকদের জন্য একটি ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর লন্ডনের টটেনহাম হটস্পারের সঙ্গে পাঁচ বছরের দীর্ঘ সম্পর্কের ইতি টেনে স্প্যানিশ ক্লাব অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দিতে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন তারকা ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। ২৮ বছর বয়সী এই সেন্টার-ব্যাককে দলে ভেড়াতে স্পার্সদের সঙ্গে ৩৪.২ মিলিয়ন পাউন্ডের (প্রায় ৫৪৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা) একটি সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছেছে অ্যাতলেতিকো।
চুক্তির আওতায় ভবিষ্যতে রোমেরোকে অন্য ক্লাবে বিক্রি করা হলে তার প্রাপ্ত অর্থের ১৫ শতাংশ টটেনহাম পাবে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালও এই তারকা ডিফেন্ডারকে পেতে যথেষ্ট আগ্রহ দেখিয়েছিল। তবে নিজেদের কট্টর নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে দলের অধিনায়ককে বিক্রি করতে না চেয়েছে টটেনহ্যাম কর্তৃপক্ষ। ২০২১ সালে ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্টা থেকে ধারে এসে টটেনহামে যাত্রা শুরু হয়েছিল রোমেরোর।
পরবর্তীতে ৪২.৫ মিলিয়ন পাউন্ডের স্থায়ী চুক্তিতে তিনি দলের রক্ষণভাগের মূল স্তম্ভ হয়ে ওঠেন। পাঁচ মৌসুমে স্পার্সদের হয়ে ১৫৬টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ১৩টি গোলের অবদান রেখেছেন এই আর্জেন্টাইন সতীর্থ।
সদ্য সমাপ্ত উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার রানার্সআপ হওয়ার মিশনে রোমেরোর ভূমিকা ছিল অনন্য। টুর্নামেন্টে মাত্র একটি ম্যাচ ছাড়া বাকি সব কটিতে মাঠে নেমেই মাঠে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ বিশ্বকাপ যাত্রা শেষে অতিরিক্ত ছুটি কাটানো রোমেরোর চলতি সপ্তাহে টটেনহ্যামের প্রাক-মৌসুম অনুশীলনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল।
তবে তার আগেই ক্লাব বদলের চূড়ান্ত বার্তা পৌঁছেছে। উল্লেখ্য, গত মৌসুমে রোমেরোর অধিনায়কত্বেই টটেনহাম চরম টানটান উত্তেজনার মাঝে প্রিমিয়ার লিগে অবনমন এড়িয়েছিল।
রোমেরোর ক্লাব ছাড়ার খবর স্পার্স সমর্থকদের জন্য একটি বড় ধাক্কা। তার ওপর ইংল্যান্ডের তরুণ ফুল-ব্যাক জেড স্পেন্সকেও হারানোর দ্বারপ্রান্তে ক্লাবটি। ২৫.৬ মিলিয়ন পাউন্ডে (৩০ মিলিয়ন ইউরো) ইন্টার মিলানে তার যোগ দেওয়ার বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এই দাম আজ সকালে ১০টা থেকে কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্যের আওতায়, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়াবে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। অন্যদিকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া, সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে, সর্বশেষ ১১ আগস্ট সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
আসন্ন দাম সমন্বয়ের মধ্যে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
এখন পর্যন্ত চলতি বছরে দেশে ১০২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৫১ বার বাড়ানো হয়েছে, ৫০ বার কমানো হয়েছে এবং ১ বার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আগের বছর ২০২৫ সালে দেশে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছে; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রেমিট্যান্স প্রবাহে বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে তুলনামূলক স্থিতিশীলতার মাঝে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখাচ্ছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দিন শেষ হওয়ার পর দেশের মোট বা গ্রস রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে ৩৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাবেও রিজার্ভ বেড়ে ৩২ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলারে উঠেছে।
চলতি মাসের শুরুতে, ২ আগস্ট দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। সেসময় বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ১ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ হিসাবেও বেড়েছে ৬১ কোটি ডলার।
তবে মোট রিজার্ভের পুরো অর্থ সরাসরি ব্যবহারযোগ্য নয়। স্বল্পমেয়াদি দায় ও বিভিন্ন আর্থিক বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে, সেটি দেশের বৈদেশিক লেনদেনের সক্ষমতা বিবেচনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংক অভ্যন্তরীণভাবে এই অর্থকে ‘ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ’ হিসেবে হিসাব করে।
এই হিসাবের ক্ষেত্রে আইএমএফের বিশেষ উত্তোলন অধিকার (এসডিআর), ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাব এবং এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিলসহ বিভিন্ন খাত বাদ দেওয়া হয়। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার। মাসে গড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হলে, এই রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে পাঁচ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।
সাধারণভাবে, একটি দেশের তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে ন্যূনতম নিরাপদ মাত্রা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই হিসাবে, বর্তমান ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ দেশের বৈদেশিক লেনদেনের সক্ষমতায় তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক অবস্থান নির্দেশ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে জামালপুরের সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকরা জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে সকাল ৬টা থেকে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের জাবেদ ফিলিং স্টেশনের সামনে এই অবরোধের কার্যক্রম শুরু হয়।
অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং এ অবস্থায় কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে সাধারণ যাত্রী ও কর্মস্থলগামী মানুষ ভোগান্তির শিকার হন।
চালকরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরেও তারা প্রয়োজনীয় গ্যাস পাচ্ছেন না। এর ফলে তাদের দৈনন্দিন আয় ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিবার নিয়ে তারা চরম সংকটে পড়েছে। তারা গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং সিএনজিচালিত যানবাহনের জন্য পর্যাপ্ত গ্যাসের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
সকালে অবরোধের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে মহাসড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকে যায়। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, পিকআপ এবং ছোট যানবাহনের যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন। অনেককে যানবাহন ছেড়ে হেঁটে গন্তব্যের দিকে যেতে দেখা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ