ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

'ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য : নেতানিয়াহু


দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরান সরকারের মূল ভিত্তিগুলোতে ফাটল ধরেছে।

তিনি বলেছেন, এই শাসনব্যবস্থার পতন এখন অনিবার্য।

নেতানিয়াহু মঙ্গলবার (২ জুন) গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের বিদায়ী প্রধান ডেভিড বার্নিয়ার বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন। ইসরাইন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তাঁর বক্তব্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

বিদায়ী অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু উল্লেখ করেন, "ইরানকে ইতোমধ্যে তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য অত্যন্ত ভারী মূল্য দিতে হয়েছে।" তিনি বলেন, "দেশটির বর্তমান সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থার ভিত নড়ে গেছে এবং এটি আর কখনোই আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারবে না।"

তিনি জোর দিয়ে বলেন, "ইরানের এই শাসনব্যবস্থার পতন নিশ্চিত।" একই সাথে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী যেকোনো শত্রুকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেছেন, "তাদের সব পরিকল্পনা ব্যর্থ হবে এবং এর জন্য তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।"

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় বৈরুতে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে পরিকল্পিত হামলা থেকে পিছু হটবার পরপরই নেতানিয়াহুর এই হুঁশিয়ারি সামনে এলো।

অনুষ্ঠানে মোসাদের বিদায়ী প্রধান ডেভিড বার্নিয়ার পাঁচ বছরের মেয়াদের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, "বার্নিয়ারের মেয়াদকাল ছিল ইসরাইলের ইতিহাসের অন্যতম সবচেয়ে ভাগ্যনির্ধারক সময় এবং তার নেতৃত্বে মোসাদ অসংখ্য স্মরণীয় সাফল্য অর্জন করেছে।"

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

মোসাদে ৩০ বছরের নিবেদিত সেবা এবং বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরার জন্য তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য তিনি বার্নিয়াকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

ডেভিড বার্নিয়ারের বিদায়ের পর মোসাদের নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন নেতানিয়াহুর বিদায়ী সামরিক সচিব মেজর জেনারেল রোমান গফম্যান।

সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুমের অভাব নয়, চোখের নিচে কালি জমার রয়েছে অন্যান্য কারণও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ এম


ঘুমের অভাব নয়, চোখের নিচে কালি জমার রয়েছে অন্যান্য কারণও

চোখের নিচের কালো দাগ কেবল ঘুমের অভাবের ফল নয়; বরং পানিশূন্যতা, অ্যালার্জি, ভিটামিনের অভাব এবং দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের ফলেও এটির সৃষ্টি হতে পারে। তবে, আমরা অনেকেই ভাবি— চোখের নিচে কালি? নিশ্চয়ই ভালো ঘুম হয়নি। কিন্তু এটি সঠিক নয়; চোখের নিচে কালি হওয়ার নেপথ্যে আরও বিভিন্ন কারণ রয়েছে, যেসব কারণে ছোপের ধরন পরিবর্তিত হয়। সুতরাং কারণগুলো জানলে সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া সহজ হয়। তাই আমাদের জানা প্রয়োজন যে, কার চোখের নিচে কেন এবং কী কারণে কালি পড়ে।

এ বিষয়ে চর্মরোগ চিকিৎসক প্রণীতা জৈন কিছু কারণ উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে প্রধান কারণ হল— দাগ-ছোপের কারণে চোখের নিচে কালি পড়া। এই কালি কালো বা বাদামি রঙের হতে পারে। অতিরিক্ত মেলানিন উত্পাদনের জন্য এই কালি চোখের নিচে অবস্থান করতে পারে। এই উপসর্গের কারণ হতে পারে জিনগত, রোদের তাপ, অ্যালার্জি কিংবা প্রদাহ।

দ্বিতীয়ত, চোখের গর্তের কারণে কালি পড়ে। যদি চোখের নিচের অংশ গর্ত হয়ে যায় অথবা বসে যাওয়ার মতো দেখায়, তখন সেই ছায়ার কারণেও কালো দাগ চোখে পড়তে পারে। বয়স বাড়ার সাথে বা ওজন কমলে চোখের নিচে চর্বির স্তর সঙ্কুচিত হয়ে যাওয়ার ফলে সেখানে সুনির্দিষ্ট একটি গর্ত তৈরি হয়। ছায়ার কারণে এটি কালো দেখায়। যদি চোখের ওপরের দিকে তাকানোর পর এই কালো ছোপ বিশ্রাম পায়, তবে বুঝতে হবে যে এটি দাগ নয়, বরং ছায়া।

তৃতীয়ত, ত্বকের রঙের বৈচিত্র্যের কারণে চোখের নিচে কালি পড়তে পারে। ত্বকে কিছুকাল রেখা তৈরি হয়ে যায়, যার ফলে মুখের একেক জায়গায় আলাদা রঙ তৈরি হয়। চোখের নিচের অংশ এবং গালের মাঝে স্পষ্ট রেখা তৈরি হতে পারে। অনেকেই এটিকে চোখের নিচের কালি ভেবে ভুল করেন। এটি কোন রোগ নয়; বরং ত্বকের গঠনের কারণেই এমনটি ঘটে। অতিরিক্ত রোদ, হরমোনের পরিবর্তন বা কিছু প্রসাধনীর ব্যবহার এই দাগকে আরও স্পষ্ট করতে পারে।

চতুর্থত, সূক্ষ্ম রেখার জন্য ছায়া তৈরি হয়। বয়স বাড়ার কারণে চোখের নিচের ত্বক কুঁচকে বা ঝুলে যায় এবং ভাঁজ তৈরি হয়। ত্বকে কোলাজেনের অভাবের কারণে চোখের নিচে এই ছাপ পড়তে পারে। ভাঁজগুলোর কারণে সৃষ্টি হওয়া ছায়া অনেকেই ভুলবশত ডার্ক সার্কল মনে করেন।

পঞ্চমত, রক্তনালির কারণে চোখের নিচে কালি সৃষ্টি হয়। এর ফলে চোখের তলায় হালকা বেগুনি ও গোলাপি রঙের ছাপ দেখা যায়। এটি ক্লান্তির সময় বেশি নজরে আসে। ত্বকের রঙ যদি হালকা হয়, তবে এটি আরো বেশি বোঝা যায়। চোখের তলার ত্বক অত্যন্ত পাতলা হওয়ায় রক্তনালিগুলো দৃশ্যমান হয়। ফলে রক্তনালির ফুটে ওঠা রঙ চোখের তলায় দেখা যায়। ক্লান্তির সময় যখন রক্ত সঞ্চালনের গতি কমে, জলশূন্যতা দেখা দেয়, এবং ঘুমের অভাব থাকে; তখন এই রঙ আরো স্পষ্ট হয়ে উঠে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেবাচিম হাসপাতালের ওষুধের স্টোররুমে অগ্নিকাণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ এম


শেবাচিম হাসপাতালের ওষুধের স্টোররুমে অগ্নিকাণ্ড

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ওষুধের স্টোররুমে অগ্নিকাণ্ডের একটি ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২ জুন) দিবাগত রাত ১১টার দিকে, হাসপাতালের নিচতলায় এই অগ্নিকাণ্ডের শুরু হতে দেখা যায়।

তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের আধা ঘণ্টার কঠোর চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাতে হাসপাতালের নিচতলার ওষুধের স্টোররুমে হঠাৎ করে আগুন এবং ধোঁয়া দেখতে পান উপস্থিত রোগীর স্বজনরা। তাদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন এবং এর ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বরিশাল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।

এ বিষয়ে বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. সেলিম বলেন, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। সেখানে তখন চারদিকে শুধু ধোঁয়া উড়ছিল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।

শেবাচিম হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (অর্থ ও ভান্ডার) ডা. আব্দুল মুনায়েম সাদ জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণে স্টোররুমে থাকা কিছু ওষুধ এবং বৈদ্যুতিক তার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ এবং আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খলিলুর রহমান দেশে ফিরবেন বৃহস্পতিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫২ এম


খলিলুর রহমান দেশে ফিরবেন বৃহস্পতিবার

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আগামী ৪ জুন দেশে ফিরবেন, এই তথ্যটি জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, তিনি টেলিফোনের মাধ্যমে ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এছাড়াও, এ ব্যাপারে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে আলাপ করেছেন তিনি। দুইজনেই নিশ্চিত করেছেন যে, ড. খলিলুর রহমান আগামী বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে ফিরবেন।

তিনি বলেন, তার নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে, যা একটি অসাধারণ অর্জন। বাংলাদেশ গর্ব অনুভব করছে।

ড. খলিলুর রহমানের এই সাফল্যে সংশ্লিষ্টরা পুনরায় অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার জন্য দোয়া কামনা করেছেন। আগামী এক বছর তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আপেলের বীজে কি মৃত্যু লুকিয়ে আছে? বিজ্ঞান কী বলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০২ এম


আপেলের বীজে কি মৃত্যু লুকিয়ে আছে? বিজ্ঞান কী বলছে

আপেলের বীজে কি মৃত্যু লুকিয়ে আছে? বিজ্ঞান কী বলছে

সাম্প্রতিক সময়ে ‘মায়াপাখি’ নামের একটি নাটকের একটি দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। নাটকের মধ্যে দেখা যায়, আপেলের বীজ খাওয়ার পর নায়িকার মৃত্যু ঘটছে। এরপর থেকেই অনেকের মনে প্রশ্ন এসেছে—আসলেই কি আপেলের বীজ এতটাই বিষাক্ত? যদি কেউ ভুলবশত কয়েকটি বীজ খেয়ে ফেলেন, তাহলে কি তার জীবন সংকটের মুখে পড়তে পারে?

সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ক নানা আলোচনা এবং বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়লেও বিজ্ঞান এই বিষয়ে কী বলছে, সেটি জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চলুন, সহজ ভাষায় আপেলের বীজের প্রকৃত তথ্য জানি।

আপেলের বীজে আসলে কী উপাদান রয়েছে?

আপেলের বীজে একটি প্রাকৃতিক রাসায়নিক যৌগ থাকে, যার নাম অ্যামিগডালিন (Amygdalin)। এটি এমন একটি যৌগ যা শুধু আপেলে নয়, চেরি, এপ্রিকট, পিচসহ আরো অনেক ফলের বীজেও পFound হয়।

অ্যামিগডালিন নিজে সরাসরি বিষাক্ত নয়। তবে এটি শরীরে হজমের সময় ভেঙে গিয়ে হাইড্রোজেন সায়ানাইড তৈরি করে, যা অত্যন্ত বিষাক্ত একটি রাসায়নিক যৌগ হিসেবে পরিচিত।

তাহলে কি আপেলের বীজ খাওয়া বিপজ্জনক?

এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি রয়েছে। আপেলের বীজ থেকে ক্ষতির ঝুঁকি মূলত তার পরিমাণ এবং কীভাবে বীজটি খাওয়া হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে। সাধারণত বেশ কিছু বীজ ভুলবশত গিলে ফেললে কোনো সমস্যা হবে না। কারণ বীজের বাইরের খোসা যথেষ্ট শক্ত, তাই সহজে হজম হয় না। ফলস্বরূপ, বীজের অন্তর্গত উপাদান বের হওয়ার আগেই এটি শরীর থেকে বের হয়ে যায়।

তবে যদি বীজগুলো চিবিয়ে অথবা গুঁড়ো করে খাওয়া হয়, তখন অ্যামিগডালিন মুক্ত হয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারে এবং সেখান থেকে সায়ানাইড তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। কিন্তু সাধারণত অল্প পরিমাণে এমন হলেও তা ক্ষতিকর অবস্থায় পৌঁছায় না।

কতটা খেলে বিপদ হতে পারে?

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য বিষক্রিয়ার ঝুঁকি তৈরির জন্য অনেক বেশি পরিমাণ বীজ খেতে হবে। গবেষকদের মতে, বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছাতে প্রায় ১৫০ থেকে কয়েক হাজার চিবানো বীজ খেতে হতে পারে। অন্য রকমভাবে, প্রায় ২০ থেকে ৪০টি আপেলের বীজ একসঙ্গে গুঁড়ো করে খেলে ঝুঁকি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

এদিকে, একটি আপেলে সাধারণত ৫ থেকে ৮টি বীজ থাকে। তাই স্বাভাবিকভাবে আপেল খেতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।

সায়ানাইড শরীরের জন্য কীভাবে ক্ষতিকর?

যদি শরীরে অতিরিক্ত পরিমাণ সায়ানাইড প্রবেশ করে, তবে এটি কোষের অক্সিজেন ব্যবহারের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে শরীর এক ধরনের ‘অভ্যন্তরীণ শ্বাসরোধ’ অবস্থায় চলে যায়। এর ফলে দেখা দিতে পারে—

> মাথা ঘোরা

> বমি বমি ভাব অথবা বমি

> শ্বাসকষ্ট

> দুর্বলতা

> গুরুতর ক্ষেত্রে মৃত্যু

কিন্তু এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জন্য যে পরিমাণ সায়ানাইড প্রয়োজন, তা সাধারণত আপেলের কয়েকটি বীজ খাওয়ার মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব নয়।

তাহলে কি আপেল খাওয়া নিরাপদ?

অবশ্যই নিরাপদ। আপেল বিশ্বব্যাপী অন্যতম স্বাস্থ্যকর ফল বলে বিবেচিত। এতে প্রচুর ফাইবার, ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিভিন্ন উপকারী পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা হৃদ্‌স্বাস্থ্য, হজমশক্তি ও সামগ্রিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপেল খাওয়ার কারণে কোনো ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই।

সতর্কতা

যদিও সাধারণভাবে আপেলের বীজ ক্ষতির কারণ হয় না, তথাপি কিছু সতর্কতা মেনে চলা উচিত—

✔ ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি পরিমাণ বীজ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

✔ শিশুদের আপেল খাওয়ানোর সময় বীজ আলাদা করে দেওয়া ভালো।

✔ বীজ চিবিয়ে বা গুঁড়ো করে খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা পরিহার করা উচিত।

এতে অসঙ্গতিপূর্ণ খবর পাওয়া যায় যে, আপেলের বীজে বিষাক্ত যৌগ রয়েছে। কিন্তু এই তথ্যের ভিত্তিতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ বাস্তবে কয়েকটি আপেলের বীজ খেয়ে বিষক্রিয়া বা মৃত্যুর ঝুঁকি রাখতে পারে না এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত কম।

সুতরাং আপেল খাওয়ার সময় ভুল করে একটি-দুটি বীজ চলে গেলেও উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই। বরং পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা স্বাস্থ্যসম্মত। নাটক অথবা সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক সত্যকে গুরুত্ব দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

তথ্যসূত্র: হেলথলাইন, মেডিক্যাল নিউজ টুডে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%