০৫:২৭ পি.এম
দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল সেলমে হিজবুল্লাহ শনিবার বহু মানুষের গণজানাজার আয়োজন করেছে। এই গণজানাজায় অংশগ্রহণকারী বেশিরভাগই ইসরাইলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে নিহত যোদ্ধা।
ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ২ মার্চ ইসরাইলে হামলা চালিয়ে লেবাননকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে। কিন্তু সংঘাতে তাদের নিহত যোদ্ধাদের সংখ্যা তারা এখনো প্রকাশ করেনি।
লেবাননের মাজদাল সেলম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এর রিপোর্ট অনুযায়ী,
আরও পড়ুন: জানাজা থেকে ফেরার পথে গ্রেপ্তার ইউপি চেয়ারম্যান, অসন্তোষ জানালেন প্রতিমন্ত্রী
১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর সংঘাতে যে বিরতি এসেছে, সেই সময়ের মধ্যে হিজবুল্লাহ কয়েকটি জানাযার আয়োজন করেছে।
মাজদাল সেলম গ্রামে শনিবার ৪৪ জনকে দাফন করা হয়। এদের মধ্যে ৩৯ জন যোদ্ধা এবং চারজন বেসামরিক ব্যক্তি দাফন করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি অভিযানে নিহত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া একজন স্বাভাবিক কারণে মারা গেছেন।
এএফপির একজন প্রতিবেদক দেখেছেন, কফিন বহনকারী ট্রাকগুলো দাফনস্থলের দিকে যাচ্ছিল। এই সময় শোকাহত নারীরা নিহতদের ছবি ধরে রেখেছিল এবং ফেব্রুয়ারিতে তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতিকৃতিও তারা বহন করছিলেন।
সংঘাত চলাকালে অনেক লেবাননবাসী শহরে তাদের স্বজনদের দাফন করতে পারেননি।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হলো যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ‘থিওডোর রুজভেল্ট’
শিয়া মুসলিমদের ধর্মীয় রীতিতে, যথাযথ জানাজা আয়োজন সম্ভব না হলে অথবা মৃত ব্যক্তিকে তার ইচ্ছামতো স্থানে দাফন করা না গেলে, অস্থায়ীভাবে দাফনের বিধান রয়েছে।
হিজবুল্লাহর সমর্থকদের উদ্দেশে একটি ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘মাজদাল সেলমের শহীদদের বরকতময় জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য আপনাদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।’
ঘোষণায় নিহতদের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে অনলাইনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ঘোষণায় ১২৯ জনের নাম ছিল। কিন্তু মাজদাল সেলম পৌরসভা এ সংখ্যাকে ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
আরও পড়ুন: ডেমোক্র্যাটদের নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ, চাক শুমারের চাপে বৃদ্ধি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন