প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি মানচিত্রের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন, যেখানে হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ছবিটিতে এই জলপথটিকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখানো হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, ছবিটি ওই জলপথের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার গুরুত্বকে আরও জোরালো অংশ হিসেবেই বুঝানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে বিতর্কিত এই মানচিত্রের ছবিটি শেয়ার করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রকাশিত ওই মানচিত্রে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম ব্যস্ত ও সংবেদনশীল এই জলপথটিকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
এছাড়া, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নেমে গেছে সর্বনিম্ন পর্যায়ে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশই প্রবাহিত হয় এই হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে, যা মূলত ইরান ও ওমানের জলসীমায় অবস্থিত। এর আগে গত শুক্রবার সর্বপ্রথম হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডভুক্ত করার অভিনব ধারণার কথা জানান ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছিলেন যে, কঠোর অবরোধের মাধ্যমে কৌশলগত এই জলপথটি বর্তমানে মার্কিন নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবির তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘অলীক কল্পনা’ আখ্যা দিয়ে তেহরান জানিয়েছে যে, পরাজয়ের বাস্তবতা থেকে নজর ঘোরাতেই মার্কিন প্রশাসন এমন বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অত্যন্ত কঠোর ভাষায় জানিয়েছে যে, এই প্রণালি অতীতেও ইরানের ছিল, বর্তমানেও রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ইরানেরই থাকবে। একই সঙ্গে তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক এই জলপথটি কেবল ইরানের নির্দেশেই বন্ধ কিংবা উন্মুক্ত করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন