ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে আন্তরিক নয় যুক্তরাষ্ট্র: ইরানি গবেষক


সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে আন্তরিক নয় যুক্তরাষ্ট্র: ইরানি গবেষক

ইরানের গবেষক আলী আকবর দারেইনি দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড়ার ক্ষেত্রে কোনো শর্ত থাকার কথা নয়।

তিনি তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষক এবং কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর রয়েছে দায়িত্ব যে, তারা দ্রুত ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত করবে, কোনো শর্ত ছাড়াই। কিন্তু, ওয়াশিংটন সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

দারেইনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র কোনো শর্ত ছাড়াই ইরানের জব্দ করা সম্পদ অবিলম্বে ছাড়তে বাধ্য, কিন্তু তারা নিজেদের অঙ্গীকার পালন করেনি।”

আরও পড়ুন: মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে

তিনি জানান যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি দুটি ধাপে বিভক্ত। প্রথম ধাপে পারস্পরিক আস্থা তৈরির পদক্ষেপ রয়েছে এবং দ্বিতীয় ধাপে একটি চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা থাকতে পারে।

এই ইরানি গবেষক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ওই সমঝোতা স্মারক অনুসারে নিজেদের দায়িত্ব পালন করছে না। এর ফলে চলমান আলোচনা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

তিনি আরও যোগ করেন, “যুক্তরাষ্ট্র কী করছে তা লক্ষ্য করুন। সমঝোতা স্মারকের প্রথম ধারায় বলা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের পক্ষ থেকে এবং ইসরায়েলের পক্ষ থেকেও সব ফ্রন্টে যুদ্ধ ও সামরিক অভিযান বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে, তারা ইসরায়েল ও লেবাননের সঙ্গে আলাদা একটি চুক্তি করেছে, যা ওই সমঝোতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।”

তার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ প্রমাণ করছে যে, যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকটি আন্তরিকতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করছে না।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

দারেইনি আরও অভিযোগ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থ আটকে রেখেছে এবং সেই অর্থকেই আলোচনার একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি উল্লেখ করেন, “যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থ নিয়েছে এবং বর্তমানে সেই একই অর্থকে জিম্মি করে রেখেছে।”

তবে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ বিষয়টি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ওয়াশিংটন এর আগে বলেছে যে, ইরানের জব্দ সম্পদ, নিষেধাজ্ঞা এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক বিষয়গুলো বৃহত্তর কূটনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের অর্থ ছাড়, আঞ্চলিক সামরিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ - এই তিনটি বিষয় বর্তমানে চলমান আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বার্ড ফ্লুর প্রকোপে নেপালের একমাত্র চিড়িয়াখানা বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৫ পি.এম


বার্ড ফ্লুর প্রকোপে নেপালের একমাত্র চিড়িয়াখানা বন্ধ

দেশটিতে কোভিড-১৯ মহামারির পর এই প্রথমবারের মতো বন্ধ এটি।

এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ৯৬ হাজারের বেশি হাঁস-মুরগিকে নিধন করা হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার এ তথ্য জানান।

হিমালয়ঘেরা নেপালে গত বছরের বিভিন্ন সময়ও বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। তবে চলতি বছরে প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হয় ১৮ মার্চ।

সরকারি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে ব্যাপকভাবে মুরগি ও অন্যান্য গৃহপালিত পাখি নিধন করা হয়েছে। একই সময়ে ধ্বংস করা হয়েছে ১০ লাখেরও বেশি ডিম।

কাঠমান্ডু থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

প্রাণিসম্পদ সেবা বিভাগের মহাপরিচালক উমেশ দাহাল বলেন, কাঠমান্ডু উপত্যকার তিনটি জেলাসহ দেশের ১১টি জেলায় বার্ড ফ্লুর সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে কাঠমান্ডু উপত্যকাতেই পরিস্থিতি বিশেষভাবে গুরুতর।

তিনি আরও বলেন, কর্তৃপক্ষের অভ্যেস অনুসারে, কাকের মাধ্যমে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।

দাহাল বলেন, ‘আমরা উদ্বিগ্ন। কারণ সংক্রমণে কাকের মৃত্যুর ঘটনা পাওয়া গেছে। বন্য পরিবেশে বসবাস করায় তাদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন।’

২০০৯ সালের জানুয়ারিতে নেপালে প্রথমবার বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

গুয়ানিলেট-বাইন্ডিং প্রোটিন ৫ ধরণের ভাইরাস বিশ্বজুড়ে হাঁস-মুরগি ও বন্য পাখির মধ্যে গুরুতর রোগ ও উচ্চ মৃত্যুহারের জন্য দায়ী। তবে নেপালে এখন পর্যন্ত বার্ড ফ্লুতে কোনো মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

রাজধানী কাঠমান্ডুর চিড়িয়াখানাটি চলতি জুন মাসের শুরুতে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

চিড়িয়াখানার মুখপাত্র গণেশ কৈরালা এএফপিকে জানান, ‘রোগটি বেশ কয়েকটি পাখি ও প্রাণী সংক্রমিত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে সিভেট বিড়াল, পেঁচা, শকুন ও কবুতরসহ কয়েকটি প্রজাতির পাখি মারা গেছে।

তিনি আরো জানান, ‘ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য চিড়িয়াখানাটি বন্ধ থাকবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আনচেলত্তির ড্রেসিং রুম বার্তায় বদলে যায় ব্রাজিলের পারফরম্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৫ পি.এম


আনচেলত্তির ড্রেসিং রুম বার্তায় বদলে যায় ব্রাজিলের পারফরম্যান্স

নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে শুরুর দিকে পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেই কামব্যাক করে সেলেসাওরা। ক্যাসেমিরো দলকে সমতায় ফেরালেও এখানে পেছনের মাস্টার মাইন্ড হিসেবে কোচ কার্লো আনচেলত্তির ভূমিকা ছিল বিশেষ।

প্রথমার্ধ শেষে ড্রেসিং রুমে তিনি ধৈর্যের বার্তা দিয়ে খেলোয়াড়দের বলেছিলেন, ‘আমরা সঠিক পথেই আছি এবং এই পথেই এগিয়ে যেতে হবে।’

কোচের প্রশংসা করে ক্যাসেমিরো বলেন, প্রথমার্ধের বিরতিতে কোচ আমাদের অনেক কিছু বলেছিলেন। তবে সবচেয়ে বড় বার্তাটি ছিল—শান্ত থাকতে হবে। আমাদের মাথা ঠাণ্ডা রেখেছিলাম বলেই আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি। দলের প্রত্যেকে এই প্রশংসার দাবিদার।

এদিকে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আনচেলত্তি জানান, শুরুতে আমরা মাঝমাঠে আধিপত্য তৈরি করতে চেয়েছিলাম এবং আক্রমণাত্মকভাবে প্রবেশ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তাদের টাইট মার্কিংয়ের কারণে তা সম্ভব হয়নি। তারা খুবই সংগঠিত ছিল এবং স্পেস বন্ধ করে রেখেছিল।

তিনি বলেন, বিরতির পর কৌশল বদলে ক্রস এবং আক্রমণে অতিরিক্ত খেলোয়াড় যুক্ত করার মাধ্যমে ব্রাজিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নিয়ে আসে। পরিস্থিতি জটিল হলে নেইমারকে নামানোর পরিকল্পনাও ছিল বলেও জানান কোচ। তবে শেষ পর্যন্ত বদলি কৌশলই ম্যাচ জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়ে ওঠে।

কোচের মতে, এটি এখন পর্যন্ত দলের সবচেয়ে পরিপূর্ণ পারফরম্যান্স না হলেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ধাপ। তিনি উল্লেখ করেন, ফুটবলে চাপ ও কষ্ট দুইই অংশ। সেই চাপ সামলাতে পারা যে পার্থক্য গড়ে দেয়, সেটিই এখানে মুখ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৬ পি.এম


বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও অর্থনৈতিক খাতের সক্ষমতা উন্নয়নে কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে আর্থিক খাতের আধুনিকায়ন, জ্ঞান বিনিময় এবং সক্ষমতা উন্নয়নে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে উভয় পক্ষেও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলের নেতৃত্বে দেশটির হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন এবং নির্বাহী পরিচালক মো. সরওয়ার হোসেনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ব্যাংকিং খাতের চলমান সংস্কার, খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে চলমান সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে কয়েকটি ব্যাংকের পুনর্গঠন কার্যক্রম সম্পর্কেও মতবিনিময় করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার পূর্ববর্তী কারিগরি সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ‘বাংলা কিউআর’-এর সাম্প্রতিক প্রচারণা কার্যক্রমের প্রশংসাও করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ আরও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আর্থিক খাতের আধুনিকায়ন, জ্ঞান বিনিময় এবং সক্ষমতা উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে একমত হয়। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস কর্মসূচির আওতায় অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের পেশাগত অবদান এবং দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে তাদের ভূমিকার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ আশাবাদী যে, বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮৮ বছর পর ইতিহাস গড়ল ব্রাজিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


৮৮ বছর পর ইতিহাস গড়ল ব্রাজিল

অবিশ্বাস্য, রোমাঞ্চকর এবং দীর্ঘ ৮৮ বছরের এক আক্ষেপ ঘুচানোর গল্প লিখল ব্রাজিল। বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের নকআউট পর্বে জাপানের বিপক্ষে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়লেও সবশেষে ২-১ গোলের মহাকাব্যিক জয় তুলে নিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল। এটি ১৯৩৮ সালের পর প্রথমবার, যখন বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বিরতির সময় পিছিয়ে থেকেও ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ল সেলেসাওরা। সেবার সেটি চেকোস্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে ২-১ ব্যবধানে জয় লাভ করেছিল, আর দীর্ঘ আট দশক পর যেন সেই ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি ঘটল। এই জয়ের মাধ্যমে লাতিন আমেরিকার পরাশক্তিরা টানা ১১ বার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করল।

ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তবে সব নাটকীয়তার অবসান ঘটে একদম শেষ মুহূর্তে, ম্যাচের ৯৫ মিনিটে। গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির একটি চমৎকার গোলে ব্রাজিলের জয় নিশ্চিত হয়। এই গোলটি কেবল দলটিকে জেতায়নি, বরং বিশ্বকাপের ইতিহাসে নির্ধারিত সময়ের নকআউট পর্বে ব্রাজিল বা যেকোনো দলের জন্যই সবচেয়ে দেরিতে করা ম্যাচজয়ী গোলের নতুন রেকর্ড গড়েছে। এর আগে ২০০২ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ব্রাজিল জিতেছিল, তবে সেবার বিরতির আগেই সমতায় ফিরেছিল তারা। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে এটি ষোড়শ বারের মতো পিছিয়ে পড়েও জয়ের স্বাদ পেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা, যা জার্মানির সাথে যৌথভাবে একটি বিশ্বরেকর্ড।

এই ঐতিহাসিক ম্যাচে ব্রাজিলের অভিজ্ঞ এবং তরুণদের মধ্যে এক চমৎকার সমন্বয় দেখা গেছে। ১৯৬৬ সালের পর থেকে হিসাব করলে, ২৯ বছর ২৪৫ দিনের গড় বয়সের এই একাদশটি ছিল বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ব্রাজিলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়স্ক দল। অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরো ৩৪ বছর ১২৬ দিন বয়সে গোল করে ব্রাজিলের ইতিহাসে বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সবচেয়ে বয়স্ক গোলদাতার কীর্তি গড়েন। তবে রেকর্ড বুকে কাসেমিরোর আরেকটি ছায়াও রয়েছে; ২০১৮ সালে অভিষেকের পর বিশ্বকাপে এটি ছিল তার পঞ্চম কার্ড, যা এই সময়ে যেকোনো ফুটবলারের জন্য সর্বোচ্চ।

অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণরাও আলো ছড়িয়েছেন। মাত্র ১৯ বছর ৩৩০ দিন বয়সে মাঠে নেমে পেলের মতো কিংবদন্তিদের পাশে ব্রাজিলের হয়ে নকআউট পর্বে খেলা তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হয়ে উঠেছেন তরুণ তুর্কি হায়ান। মাঝমাঠে ব্রুনো গিমারেসও ছিলেন দুর্দান্ত, চলতি আসরে এটি ছিল তার চতুর্থ অ্যাসিস্ট, যা ১৯৭০ বিশ্বকাপে পেলের করা ৬ অ্যাসিস্টের রেকর্ডের দিকেই ইঙ্গিত করছে। পুরো ম্যাচজুড়ে জাপানের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রেখে ব্রাজিল তাদের আক্রমণভাগে ২১০টি সফল পাস দিয়েছে, যা বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে দলটির সর্বোচ্চ পাসের নতুন রেকর্ড। সব মিলিয়ে মাঠের আক্রমণাত্মক ফুটবল আর রেকর্ডের পাতায় এক নতুন অধ্যায় লিখে মাঠ ছেড়েছে আনচেলত্তির ব্রাজিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%