ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদের জানাজা অনুষ্ঠিত


বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদের জানাজা অনুষ্ঠিত

রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রবীণ রাজনীতিক আবুল কালাম আজাদের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে বুধবার সকালে পীরগঞ্জ সরকারি হাই স্কুল মাঠে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জড়ো হন।

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১০টায় পীরগঞ্জ সরকারি হাই স্কুল মাঠে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকাল ৮টায় উপজেলার মিঠিপুর ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামে তার নিজ বাড়িতে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

দ্বিতীয় জানাজায় রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুন নবী চৌধুরী পলাশসহ বিএনপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিপুলসংখ্যক মানুষ জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।

জানাজায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা আবুল কালাম আজাদের রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জানাজা শেষে তার মরদেহ ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে। বুধবার রাত ৮টায় রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কালাম আজাদ মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৭৬ বছর।

 

দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তিনি আসনটি ছেড়ে দিলে ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আবুল কালাম আজাদ।

আরও পড়ুন: দুমকীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ র‍্যালিতে মোঃ কামরুল ইসলাম মুন্না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই: ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই: ত্রাণমন্ত্রী

দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই উল্লেখ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, সারের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বাস্তবে যতটা না সংকট রয়েছে, তার চেয়ে অসত্য রটনাই বেশি ছড়ানো হচ্ছে।

বুধবার দুপুরে লালমনিরহাটে সার বিতরণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, কৃষক পর্যায়ে সারের সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থা আরও সহজ ও গতিশীল করতে সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়নে আরও একজন করে নতুন সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি দ্রুত সার পৌঁছাতে খুচরা বিক্রেতার সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

কৃষিখাতে সরকারের নীতিগত সমর্থনের কথা উল্লেখ করে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, সরকার সারে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে। তাই কৃষকদের ভোগান্তি সৃষ্টি করে অসৎ ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি বা সার মজুত করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি সতর্ক করে জানান, কৃত্রিম সংকটকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মজুতকৃত সার উদ্ধার করা হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে মন্ত্রী ঈদে মিলাদুন্নবী ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এসময় লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হকসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানি হামলার ভয়ে কেন কাঁপছে বুলগেরিয়ার গ্রামটি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


ইরানি হামলার ভয়ে কেন কাঁপছে বুলগেরিয়ার গ্রামটি?

বুলগেরিয়ার বেজমির বিমানঘাঁটি থেকে মার্কিন বিমানবাহিনীর দুটি জ্বালানিবাহী বিমান চলে যাওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা কিছুটা স্বস্তি পেলেও গ্রামজুড়ে আতঙ্ক কমেনি। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী দিমিতার স্তোয়ানভ গত শনিবার নিশ্চিত করেছেন, মার্কিন বিমানবাহিনীর ট্যাংকারগুলো বুলগেরিয়া ত্যাগ করেছে। একই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি ইলিয়ানা ইয়োতোভা উল্লেখ করেন, আপাতত এই বিশেষ মিশনটি শেষ হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অন্যান্য পরিচালনগত চাহিদা মেটাতে বোয়িং কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকারগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের ইরানকেন্দ্রিক অভিযানের জের ধরে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিজেদের দোরগোড়ায় এসে পড়ার যে আশঙ্কা গ্রামে দেখা দিয়েছিল, তা এখনো কাটেনি।

ইরান সরকার আগে থেকেই বুলগেরিয়াকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা না করার বিষয়ে সতর্ক করে আসছিল। পরবর্তীতে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস একাধিক সূত্রের বরাতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি আরও সংঘাতময় করে তুললে বুলগেরিয়ার বেজমির বিমানঘাঁটি মার্কিন বিমান ব্যবহারের অনুমোদনের জবাবে সেখানকার মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার মূল্যায়ন করেছে ইরানি বাহিনী। এই পরিস্থিতির মধ্যে স্থানীয় একজন মুদি দোকানদার আল জাজিরাকে জানান, বিমানগুলো যাওয়ার আগেই গ্রামবাসী চরম ভয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন এবং সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তাদের প্রার্থনা করা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না। 

প্রায় এক হাজার জনসংখ্যার বেজমির গ্রামে বিমানঘাঁটির কার্যক্রম ও উড়োজাহাজের বিকট শব্দ নিত্যদিনের পরিচিত ঘটনা। স্থানীয় মেয়র রসেন রুসেভের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রামের বহু মানুষই দীর্ঘ দিন ধরে এই বিমানঘাঁটিতে কর্মরত। কিন্তু গত জুলাই মাসের শেষদিকে সরকার বিমানঘাঁটিতে আটটি পর্যন্ত মার্কিন স্ট্র্যাটোট্যাংকার এবং ২৫০ জন সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দেওয়ার পরপরই প্রতিবাদে নামেন স্থানীয়রা। পরিস্থিতি বিবেচনা করে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে গ্রামবাসী ও আশপাশের মানুষ মিলে তিন হাজারেরও বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন এবং বিমানঘাঁটির পাশে শান্তিপূরণ বিক্ষোভ শুরু করেন। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল এই যুদ্ধসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড থেকে নিজের গ্রামকে রক্ষা করা।

ট্যাংকারগুলো চলে যাওয়ার সংবাদে শুক্রবারে গ্রামে স্বস্তির আবহ ছড়িয়ে পড়ে বলে জানান মেয়র রুসেভ। তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত গ্রামবাসী মনে করছেন যে তাঁদের দাবি ও উদ্বেগ সরকারের কানে পৌঁছেছে। অন্যদিকে বুলগেরীয় সরকার বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করে বলেছিল, সামরিক গোয়েন্দা তথ্যে কোনো নিরাপত্তা হুমকির প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং যুক্তরাজ্যের এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনেও আক্রমণের ঝুঁকি অত্যন্ত কম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবুও সাধারণ মানুষের আতঙ্ক পুরোটা কাটে না। গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা ডিঙ্কা তোদোরোভা এবং গাঙ্কা ভ্লায়েভা তীব্র উদ্বেগের সাথে জানান, বিমানঘাঁটিতে তাদের সন্তানরা কাজ করায় প্রতিদিন তারা চরম আতঙ্কে থাকেন। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজনীতিবিদরা সাধারণ মানুষের কথা না শুনে নিজেদের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, যার মাশুল দিতে হতে পারে শিশুসহ নিরীহ মানুষদের।

তবে গ্রামের সবার ভাবনা একরকম নয়। ৩৩ বছর বয়সী ইভান নামের এক যুবক মনে করেন, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই এই আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে এবং বেজমির গ্রামের জন্য বড় কোনো বাস্তবিক আশঙ্কা নেই। তার মতে, কৃষ্ণসাগর পেরিয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্য কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঝুঁকি নিয়েই আলোচনা করা উচিত। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে বাচ্চাদের মানসিক চাপ কমাতে আন্তোনিয়া ইভানোভা নামের এক নারী একটি সাদা কাপড় টাঙিয়ে ভূ-আলোকচিত্র ঢেকে প্রজেক্টরের মাধ্যমে সিনেমা দেখানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। একই এলাকার আরেক মা চনকা মস্কোভা বলেন, সংবাদের প্রচারণায় বিষয়টি খানিকটা বাড়িয়ে বলা হলেও সব সিদ্ধান্ত তো সরকারের হাতেই থাকে।

পুরো সময়টিতে মেয়র রুসেভ গ্রামবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চায়তা ও সরকারি তথ্যের স্বচ্ছতা আনার জন্য কাজ করেছেন। তিনি স্পষ্ট করেন, এই প্রতিবাদের লক্ষ্য সরকার ফেলে দেওয়া নয় বরং সঠিক তথ্য পাওয়া। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন গ্রামবাসীর মনে ভয় বাড়াতে ভূমিকা রাখে, তবে এলাকায় টহল দেওয়া সামরিক পুলিশ কাউকে নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছে, আবার কারো ক্ষেত্রে বেড়েছে উদ্বেগ। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালের মধ্যে বুলগেরিয়া থাকলেও ইউরোপের বুকে বাস্তবিক সামরিক হামলা চালানোর ইচ্ছা বা সক্ষমতা ইরানের কতটুকু আছে তা নিয়ে সংশয় থেকে যায়।

সম্প্রতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভ স্পষ্ট করেছেন, মার্কিন ট্যাংকারগুলো কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়নি বরং ন্যাটো সহযোগীদের সাথে মহড়ায় যুক্ত থেকেছে। কিন্তু ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি পদক্ষেপকে সমর্থন করে এমন যে কোনো ভূমিকার জবাব দেওয়ার অধিকার ইরানের রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বুলগেরিয়ার জনগণের সাথে তাদের কোনো বিরোধ নেই, তবে সামরিক সহায়তা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। বর্তমানে ঘাটিতে বুলগেরীয় সামরিক হেলিকপ্টারের ওঠানামা যথারীতি চললেও বেজমির গ্রামবাসীর মনে একটাই প্রার্থনা, কোনো স্বার্থের সংঘাত যেন তাদের স্বাভাবিক জীবনকে আর কখনো এভাবে বিপর্যস্ত না করে।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিসির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিসির

রাজশাহীর গুদামগুলোতে বর্তমানে ২ হাজার ৪৬৯ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুত আছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। 

তিনি বলেন, সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সেপ্টেম্বর মাসের বরাদ্দও ডিলারদের দেওয়া হয়েছে এবং কৃত্রিম সংকট, অবৈধ মজুত বা কালোবাজারির চেষ্টা করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

আজ বুধবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর চৌদ্দপাই এলাকার সারের ডিলার মেসার্স মোসলেম মোল্লা এবং পবা উপজেলার কাটাখালীর সমসাদিপুর এলাকার ডিলার মেসার্স নাহার এন্টারপ্রাইজ পরিদর্শন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী। 

এসময় তিনি ডিলারদের গুদামে সারের মজুত, সরবরাহ ও বিক্রয় পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজশাহীর উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন, পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনুল আবেদীন এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এমএ মান্নান।

সারের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, চলতি আগস্ট মাসে রাজশাহীতে পর্যাপ্ত সার মজুত আছে। ডিলারদের মাধ্যমে এসব সার কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। কৃষকদের চাহিদা বিবেচনায় আরও অতিরিক্ত সারের বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। 

তিনি বলেন, আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকেই ডিলাররা সেপ্টেম্বর মাসের নির্ধারিত সার উত্তোলন করতে পারবেন। ইতিমধ্যে ডিলারদের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে সারের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। 

জেলা প্রশাসক বলেন, রাজশাহীতে ইতিমধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ আমন ধান রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে নন-ইউরিয়া সারের চাহিদা এখন তেমন বেশি নেই। আমন ধানে উপরি প্রয়োগের জন্য ইউরিয়া সার প্রয়োজন। এ মুহূর্তে জেলায় ২ হাজার ৪৬৯ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুত আছে।

তিনি আরও বলেন, জেলার প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কৃষি কর্মকর্তা ও ব্লক সুপারভাইজারদের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে ডিলার পয়েন্ট থেকে কৃষকদের কাছে সার বিক্রি নিশ্চিত করা হচ্ছে। কোনো পর্যায়েই যাতে কৃষকেরা হয়রানি বা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য না হন, সে বিষয়ে প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নজরদারি করছেন।

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, একজন ডিলার সরকারি বরাদ্দ থেকে কতটুকু সার উত্তোলন করেছেন, কতটুকু গুদামে মজুত রেখেছেন এবং দিন শেষে কতটুকু সার বিক্রি করেছেন- এর হিসাব প্রতিদিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। এর মাধ্যমে সার বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, কালোবাজারি ও অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভিজিল্যান্স টিমের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এসব অভিযানে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৯৩ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। অনিয়মের দায়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানাও আদায় করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং বাজারে সারের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে উপজেলাগুলোতে মোবাইল কোর্ট ও ভিজিল্যান্স টিমের নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অবৈধভাবে সার মজুত, কালোবাজারি কিংবা নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আনসার-ভিডিপির দোয়া ও মোনাজাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আনসার-ভিডিপির দোয়া ও মোনাজাত

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আনসার-ভিডিপির দোয়া ও মোনাজাত

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরসহ দেশের সব ইউনিটে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) জোহর নামাজের পর মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও মানবিক শিক্ষার স্মরণে দেশ, জাতি ও বাহিনীর সার্বিক কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

 

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে বাহিনীর সদর দপ্তরসহ সব ইউনিটে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। এরপর জোহরের নামাজ আদায়ের পর সদর দপ্তরের মসজিদে আয়োজিত বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ, উপমহাপরিচালকরা এবং সদর দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। দিবসটির তাৎপর্য উপলক্ষে আনসার-ভিডিপি একাডেমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।

 

দোয়া অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ ও সালাম পেশ করা হয় এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুপম চরিত্র, মানবিকতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, ন্যায়বিচার, সততা ও শান্তির শিক্ষা অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিশেষ মোনাজাতে মহান আল্লাহর নিকট দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সার্বিক উন্নতি এবং বাহিনীর সব সদস্য ও তাদের পরিবারের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করা হয়। এ সময় দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং অসুস্থ ও বিপদগ্রস্তদের দ্রুত সুস্থতার জন্যও বিশেষ দোয়া করা হয়।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ সততা, আমানতদারি, ন্যায়পরায়ণতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার অনন্য শিক্ষা প্রদান করে।

 

তার আদর্শ অনুসরণ করে কর্মজীবনে দায়িত্বকে আমানত হিসেবে গ্রহণ করা, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কর্তব্য পালন করা এবং সহকর্মী ও সেবাপ্রার্থীদের প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা সম্ভব। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মহানবী (সা.)-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশ ও জনগণের সেবায় দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সদর দপ্তরের পাশাপাশি বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অধীনস্থ সকল ইউনিটে দিবসটি পালিত হয়েছে। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী এর তাৎপর্য স্মরণ, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের প্রত্যয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে সম্মিলিতভাবে দোয়া করার মাধ্যমে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের ধর্মীয় ও নৈতিক চেতনার বন্ধন আরো সুদৃঢ় হয়।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%