ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নতুন ভিডিও প্রকাশ


ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নতুন ভিডিও প্রকাশ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডে আগুন লাগার ঘটনায় যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা সরকারের প্রাথমিক বর্ণনার চেয়ে বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিএনএনের হাতে আসা নতুন ভিডিওতে ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

ঘটনাটি ঘটে গত মার্চে, যখন ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা এবং সংঘাত চলছিল। যদিও তখন যুক্তরাষ্ট্র সরকার আগুন লাগার ঘটনাটিকে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করে।

নতুন ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রণতরির ভেতরের নাবিকদের থাকার জায়গা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শোয়ার খাটগুলো পুড়ে কালো হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় তা বাঁকানো ধাতবে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন: আবদুল আল-সাইয়েদের স্ত্রী সারা জুকাকু: দুই সংস্কৃতির অনন্য সংযোগ

ছাদ ও উপরের অংশ আগুনে প্রায় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে বলেও ভিডিওতে ফুটে উঠেছে। ছাদের ভেতর থেকে খোলা তার ঝুলতে দেখা যাচ্ছে এবং পুরো এলাকায় ছাই ও পোড়া ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে।

সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাহাজে থাকা এক নাবিক জানান, আগুন নেভানোর সময় তারা সত্যিই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন যে পুরো রণতরিটি হারিয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, 'আমি সত্যিই মনে করেছিলাম আমরা জাহাজটি হারাতে যাচ্ছি। তখন মনে হয়েছিল, হয় লড়তে হবে, না হলে মরতে হবে।'

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে, ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে এবং পুনরায় আগুন লাগা ঠেকাতে জাহাজের কর্মীদের প্রায় ৩০ ঘণ্টা সময় লেগেছিল।

এই ঘটনায় প্রায় ৬০০ নাবিক তাদের থাকার জায়গা ব্যবহার করতে পারেননি বলে জানা গেছে। এতে জাহাজের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমেও বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।

আরও পড়ুন: কংগ্রেসে ইতিহাস গড়লেন জেন-জি প্রার্থীরা: সবচেয়ে কম বয়সী রাজনীতিক হিসেবে জয়ী

আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি এবং এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

অন্যদিকে, ইরান দাবি করেছে যে তারা ওই বিমানবাহী রণতরিতে হামলা চালিয়েছিল। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো নিশ্চিত প্রমাণ এখনো প্রকাশিত হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গাদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


রোহিঙ্গাদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যা

কক্সবাজারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি হয়েছে বলে এক গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘রিসার্চ টু প্র্যাকটিস: এভিডেন্স-বেসড অ্যাপ্রোচেস টু ফ্যাসিলিটেট বিহেভিয়ার চেঞ্জ’ শীর্ষক একটি গবেষণা ফলাফল প্রকাশনা কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

গবেষণাটি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ব্র্যাক জেমস পি. গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ (জেপিজিএসপিএইচ), বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) এবং সুইস রেড ক্রসের (এসআরসি) যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয়।

গবেষণাটি ক্যাম্প ২-ইস্ট এবং ক্যাম্প ১৩-এ কম-বি ফ্রেমওয়ার্কের ওপর ভিত্তি করে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব এবং পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি, সদিচ্ছা ও চর্চার পরিবর্তনসমূহ মূল্যায়ন করা হয়। মাতৃস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রকল্পভুক্ত এলাকাগুলোতে দক্ষ প্রসব সহায়তাকারীদের বিষয়ে সচেতনতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, সন্তান প্রসবের জন্য বাড়িই সবচেয়ে নিরাপদ স্থান—এমন সনাতন ধারণাও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। ফলশ্রুতিতে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রসবের সদিচ্ছা যেমন প্রবল ছিল, তেমনি গবেষণাকালীন সময়ে প্রকৃত প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের হারেও দৃশ্যমান উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া, সন্তান প্রসবের স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে নারীরা নিজেদের জোরালো ভূমিকার কথাও জানিয়েছেন।

গবেষণায় পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তনের চিত্র উঠে এসেছে। তুলনামূলক অন্যান্য এলাকায় জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার কমলেও, প্রকল্পভুক্ত এলাকাগুলোতে এর হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির বিষয়ে পুরুষদের সচেতনতা ও সম্মতি বৃদ্ধি এবং সামগ্রিকভাবে কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা কার্যক্রমের প্রসার এই ইতিবাচক ধারাকে ত্বরান্বিত করেছে। নারী ও পুরুষ উভয়েই কমিউনিটি স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবকদের পরিবার পরিকল্পনার তথ্যের প্রধান ও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা মূলত স্থানীয় পর্যায়ে সমমনাদের মাধ্যমে পরিচালিত প্রচারণার গভীর প্রভাবকেই প্রমাণ করে।

এই আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি সত্ত্বেও গবেষণায় বেশ কিছু চলমান সামাজিক-সাংস্কৃতিক এবং কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা এখনও স্বাস্থ্যসেবার সর্বোত্তম ব্যবহারকে বাধাগ্রস্ত করছে। পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহার না করার পেছনে ধর্মীয় কারণ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে। অন্যদিকে গুণগত উপাত্ত থেকে দেখা গেছে যে, পর্দা প্রথা, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সন্তান প্রসবের সময় পুরুষ চিকিৎসকদের উপস্থিতির বিষয়ে দ্বিধাবোধের মতো গভীর সামাজিক-সাংস্কৃতিক রীতিনীতি এখনও প্রবল। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অপর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, পরিবহন সংকট, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ভিড়, ওষুধের ঘাটতি, ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা এবং সেবাদানকারীদের আচরণের মতো কাঠামোগত চ্যালেঞ্জসমূহ।

এসব দীর্ঘস্থায়ী বাধাগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য গবেষণায় কমিউনিটি স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবক এবং ধর্মীয় নেতাদের ইতিবাচক আচরণগত পরিবর্তনের মূল অনুঘটক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্বামী, ইমাম এবং স্থানীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করে বিশেষ সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ—যার পাশাপাশি নিয়মিত গৃহ পরিদর্শন, প্রসূতি সহায়তা প্যাকেজ (মামা কিট) বিতরণ, গর্ভবতী নারীদের জন্য কমিউনিটি পরিবহন ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সফল প্রসবের ইতিবাচক অভিজ্ঞতাগুলো সবার সঙ্গে বিনিময় করার মতো পদক্ষেপগুলো এই পরিবর্তনের পথে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বিডিআরসিএস-এর সেক্রেটারি জেনারেল ড. কবির মো. আশরাফ আলম, এনডিসি সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিল সামাজিক বাস্তবতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, মানবিক বিপর্যয়পূর্ণ পরিবেশে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের আচরণ মূলত সামাজিক রীতিনীতি, সাংস্কৃতিক বিশ্বাস, ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি, পারিবারিক গতিশীলতা, পারস্পরিক আস্থা এবং সেবাপ্রাপ্তির চ্যালেঞ্জগুলোর একটি জটিল সংমিশ্রণ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তিনি ব্যক্ত করেন, বিডিআরসিএস প্রমাণ-ভিত্তিক কর্মসূচি প্রণয়ন এবং সরাসরি জনমানুষের কাছ থেকে শেখার বিষয়ে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গবেষণা কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়, বরং তা সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কর্মসূচির মানোন্নয়ন এবং সেবাগ্রহীতাদের বাস্তব জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনে সক্রিয়ভাবে অবদান রাখবে।

বাংলাদেশে সুইস রেড ক্রসের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ পল ড্রসো এই পদ্ধতির কার্যকারিতার সম্পর্কে বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে কম-বি মডেলের প্রয়োগ থেকে এটি স্পষ্ট যে—সক্ষমতা, সুযোগ এবং প্রেরণা যখন একসঙ্গে জোরদার করা হয়, তখন প্রতিবন্ধকতাগুলোকেও ক্ষমতায়ন ও ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।

কর্মশালার সমাপনী অংশে বলা হয়, এই গবেষণা থেকে প্রাপ্ত ধারণাগুলোর পরিধি কেবল স্বাস্থ্য খাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বক্তারা জানান, এই ফ্রেমওয়ার্ক থেকে প্রাপ্ত আচরণগত ধারণাগুলো মানবিক সহায়তার অন্যান্য খাত—যেমন ওয়াশ কর্মসূচিতে হাত ধোয়া ও পরিচ্ছন্নতা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জলবায়ু সহনশীলতা, পুষ্টি এবং সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমে কমিউনিটির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ কর্মসূচির জন্য একটি টেকসই মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে। এটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করে যে, মানুষের আচরণকে বুঝতে পারাই যেকোনো কর্মসূচির সফলতার মূল চাবিকাঠি।

এই গবেষণা এবং ফলাফল প্রকাশনা অনুষ্ঠানের জন্য স্ট্যানলি জনসন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অর্থায়ন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটিতে সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, মানবিক সহায়তা সংস্থা, রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট মুভমেন্ট এবং বিভিন্ন একাডেমিক ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের বিশিষ্ট প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিডিআরসিএস-এর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল মেজর রেজা আহমেদ চৌধুরী, পিএসসি, সিপিপি (অব.); দুর্যোগ সাড়াদান ও মানবসম্পদ (অতিরিক্ত) বিভাগের পরিচালক জয়নাল আবেদীন; হেড অব অপারেশনস-পিএমও-এর পরিচালক আকরাম আলী খান; দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক মো. রেজাউল করিম; আইআর ও কমিউনিকেশন এবং ফান্ড রাইজিং (অতিরিক্ত) বিভাগের পরিচালক আরিফা মেহেরা সিনহা; এবং প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এস এম হুমায়ুন কবির (অব.)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহারে রাজনৈতিক পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহারে রাজনৈতিক পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার এবং ভুল প্রচারণায় রাজনৈতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি শুক্রবার (৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার এবং পরিকল্পিত কুরুচিপূর্ণ ভাষার কারণে আজ সুস্থ রাজনীতির পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের পর অর্জিত গণতান্ত্রিক সুযোগকে নস্যাৎ করতে এবং দেশে নৈরাজ্য ছড়াতে একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত চলছে। গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে এবং দেশের সংকটময় মুহূর্তে চক্রান্তকারীদের চিহ্নিত করা হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।

বিএনপিকে উদারপন্থি রাজনৈতিক দল দাবি করে মহাসচিব বলেন, বিএনপি কোনো বিপ্লবী দল নয়, বরং এটি জনগণের অধিকার ও কল্যাণে নিবেদিত একটি সম্পূর্ণ উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। কিন্তু দেশে গণতন্ত্র ও জনধিকারে অবিশ্বাসী একটি অশুভ শক্তির উত্থান ঘটেছে। এদের প্রতিহত করতে সরব হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

একই আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, চারিদিকে এখন শত্রু আর নানামুখী ষড়যন্ত্র। এই চক্রান্তের সঙ্গে নতুন যোগ হয়েছে বটবাহিনী। কিন্তু এতে কোনো লাভ হবে না, জনগণ সবসময় তারেক রহমানের সঙ্গে আছে। এই সরকারকে যেকোনো মূল্যে আমাদের রক্ষা করতে হবে। দেশবাসীকে গভীর ষড়যন্ত্র সম্পর্কে এখনই সচেতন করতে না পারলে সামনে বড় বিপদ আসন্ন বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে। শুক্রবার (৫ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) উল্লেখযোগ্য দরপতনের পর বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এর পেছনে লেবাননে নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং ওমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনালে বিস্ফোরণের ঘটনা ভূমিকা রেখেছে।

এদিন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট বা ০.৩৫ শতাংশ বেড়ে ৯৫.৩৬ ডলারে পৌঁছায়। বৃহস্পতিবার এর দাম প্রায় ২.৮৪ শতাংশ কমেছিল।

মার্কিন মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ সেন্ট বেড়ে ৯৩.০৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৩.১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

এদিকে, ব্রেন্ট ক্রুড ও ডব্লিউটিআই—উভয় ধরনের তেলই টানা তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো সাপ্তাহিক মূল্যবৃদ্ধির পথে রয়েছে। বিশেষ করে ডব্লিউটিআইয়ের দাম সপ্তাহজুড়ে ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে, যা বাজারে ক্রেতাদের আস্থা এবং সরবরাহ-সংক্রান্ত উদ্বেগের প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

দুই ধরনের তেলই টানা তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো সাপ্তাহিক মূল্যবৃদ্ধির পথে রয়েছে। এর মধ্যে ডব্লিউটিআই-এর দাম সপ্তাহজুড়ে ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে, যা বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা দীর্ঘায়িত হওয়া, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত থাকায় জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বেড়েছে। এর সাথে, বিশ্বব্যাপী তেলের মজুদ কমে আসার আশঙ্কা বাজারকে প্রভাবিত করছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বাজার বিশ্লেষক টনি সাইকামোরের মতে, ইতিবাচক কিছু ইঙ্গিত থাকলেও পরস্পরবিরোধী খবরের কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।

অন্যদিকে, ওপেকের মহাসচিব হাইথাম আল-গাইস জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ প্রণালির সীমিত কার্যক্রম সত্ত্বেও চলতি বছরে দৈনিক ১২ লাখ ব্যারেল তেল চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস বহাল রাখা হয়েছে।

জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে ইরানের তেল রপ্তানি ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। তবে চীনে দুর্বল চাহিদার কারণে তেলের দামের ওপর কিছুটা চাপও তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজালাল বিমানবন্দরের চারপাশ ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা ডিএনসিসি প্রশাসকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


শাহজালাল বিমানবন্দরের চারপাশ ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা ডিএনসিসি প্রশাসকের

ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাকে নীরব এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) গুলশান-২ গোল চত্বরে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ তথ্য জানান।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে শব্দ সচেতনতামূলক সমাবেশ ও শোভাযাত্রা আয়োজন করে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাকে একটি নীরব এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে এবং আজ থেকেই এই এলাকা নীরব এলাকা হিসেবে থাকবে। এখানে কোনো শব্দ দূষণ থাকবে না। যদি কেউ আইন অমান্য করে, তাহলে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করবে।

তিনি আরও বলেন, গুলশান, বনানী, নিকেতন ও বারিধারাকে নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকার সোসাইটির সহযোগিতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন শব্দ দূষণ ও বায়ু দূষণ মুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। তিনি বলেন, যদি আমরা আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হই এবং যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন, তাদের সহযোগিতায় একটা কিছুটা হলেও শব্দ দূষণ এবং বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএনসিসি প্রশাসক আরও জানান, ঢাকা মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ট্রাফিক সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণে এআই প্রযুক্তি সফলভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

সমাবেশে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ডিভাইডারে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সাইনবোর্ড টাঙানো, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ, বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে পিভিসি প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান বলেন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫ কার্যকর হওয়ার পর থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ব্যাপকভাবে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে এবং এর সুফল নগরবাসী ধীরে ধীরে পাবেন।

সমাবেশে গুলশান সোসাইটি, নিকেতন সোসাইটি, বনানী সোসাইটি এবং বারিধারা সোসাইটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%