ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিএনজি অটোরিকশা চলাচলে সিএমপির ৫ নির্দেশনা


সিএনজি অটোরিকশা চলাচলে সিএমপির ৫ নির্দেশনা

চট্টগ্রাম নগরের সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরানোর পাশাপাশি যানজট নিরসনে পাঁচটি নির্দেশনা জারি করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকালে নগরীর বিভিন্ন সড়কের পাশে, টুলবক্সে ও ওভারব্রিজে ব্যানার এবং ফেস্টুন টাঙিয়ে এসব নির্দেশনা প্রচার করতে দেখা যায় ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের।

সিএমপির পাঁচটি নির্দেশনা হলো:

আরও পড়ুন: বাবুর খালে নৌকার লড়াই, দুই পাড়ে মানুষের ঢল

প্রথমত, পুলিশের নাম ব্যবহার করে কোনো সিএনজিচালিত অটোরিকশায় টোকেন বিক্রি করা যাবে না। যদি টোকেন বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ মেলে, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দ্বিতীয়ত, যদি কোনো ধরনের টোকেন প্রদর্শন করা হয়, তাহলে সেই গাড়ি আটক করা হবে।

তৃতীয়ত, সড়কে চলাচলের জন্য টাকার বিনিময়ে কোনো ধরনের টোকেন গ্রহণ না করার জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকদের অনুরোধ করা হয়েছে।

চতুর্থত, অটোরিকশায় টোকেন প্রদানের সঙ্গে পুলিশের কোনো সম্পৃক্ততার বিষয় নেই।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও কারখানা খোলার দাবিতে বিক্ষোভ

পঞ্চমত, যাত্রী ওঠানামার জন্য নির্ধারিত স্থান ছাড়া যেখানে-সেখানে সিএনজিচালিত অটোরিকশা পার্কিং করে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে গাড়ি আটক করা হবে।

শুধু তাই নয়, গ্রামে সিএনজি অটোরিকশা ও ‘অনটেস্ট’ সিএনজি অটোরিকশা মেট্রোপলিটন এলাকায় চলাচল করতে পারবে না। যদি প্রয়োজনীয় হালনাগাদ কাগজপত্র প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়, তাহলে গাড়ি আটক করা হবে।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা যদি মূল সড়কে প্রবেশ করে, উল্টো পথে চলাচল করে কিংবা সেতুতে ওঠার চেষ্টা করে, তাহলে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য গাড়ি আটক করা হবে।

সিএমপির ট্রাফিক-বন্দর বিভাগ জানিয়েছে, এসব নির্দেশনা অমান্য বা নিয়ম ভঙ্গ করলে গাড়ি আটক করার পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: চরকাউয়ায় সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে নদীতে গোসলে নামলেন বর্ণা, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ এম


বাবার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে নদীতে গোসলে নামলেন বর্ণা, অতঃপর...

যশোরের ভৈরব নদে গোসলে নামার পর নিখোঁজ হয়েছেন এক গৃহবধূ। নিখোঁজ ফাতেমা আক্তার বর্ণা নামের ওই মহিলার বয়স ২৮ বছর।

এটি ঘটে শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নওয়াপাড়ার সরদার মিলসংলগ্ন মালোপাড়া মহিলা ঘাটে। ফাতেমা আক্তার বর্ণা হাবিবুর রহমানের মেয়ে, যিনি উপজেলার মশরহাটি গ্রামের বাসিন্দা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুদিন আগে বর্ণা স্বামী রবিউল ইসলামের বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বর্ণার ছোট ভাই মেহেদী হাসান জানান, শুক্রবার দুপুরের দিকে বর্ণা ও তার ভাই একসঙ্গে ভৈরব নদে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে বর্ণা নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর হঠাৎ পানির নিচে তলিয়ে যান। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে খুঁজে না পেয়ে পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে খুলনা থেকে আসা ডুবুরি দলও উদ্ধারকাজে যুক্ত হয়। কিন্তু সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালানো সত্ত্বেও বর্ণার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এব্যাপারে নৌ-পুলিশের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। নওয়াপাড়া নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনজিত কুমার গণমাধ্যমকে জানান, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, নদীর স্রোতে তিনি ভেসে গেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ইউনিসেফের সঙ্গে বৈঠকে তিতুমীর

ঋণসংকট মোকাবেলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে বৈশ্বিক ব্যবস্থার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ এম


ঋণসংকট মোকাবেলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে বৈশ্বিক ব্যবস্থার আহ্বান

মধ্যপ্রাচ্য সংকটসহ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর বাড়তে থাকা ঋণ ও রাজস্ব চাপ মোকাবেলায়, জাতিসংঘের নেতৃত্বে একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। সরকারের মতে, ঋণ পুনর্গঠন, ঋণ-ভার লাঘব, ঋণ পরিশোধ স্থগিত এবং টেকসই ঋণসমাধানের মতো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে উন্নয়নশীল দেশগুলো নারী, শিশু, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখতে পারবে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের গতি ধরে রাখা সম্ভব হবে।

শুক্রবার নিউইয়র্কে ইউনিসেফ সদর দপ্তরে সংস্থাটির মানবিক কার্যক্রম ও সরবরাহ বিভাগের উপনির্বাহী পরিচালক টেড শেইবানের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ আহ্বান জানান। বৈঠকটিতে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকিও উপস্থিত ছিলেন।

ড. তিতুমীর বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান ঋণের চাপ বাংলাদেশের রাজস্ব সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত করেছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ দর্শনের আলোকে নারী, শিশু ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি জানান, নতুন সরকার নারীকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে। এই লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে গর্ভাবস্থা, শিশুর বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, প্রতিবন্ধিতা ও বার্ধক্যসহ জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সহায়তা দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি সরকারের ‘এক শিশু, এক কার্ড, এক নম্বর ও এক ওয়ালেট’ কৌশলের কথা তুলে ধরে বলেন, এর মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন, বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং সরকারি সেবাপ্রাপ্তি আরো সমন্বিত ও কার্যকর হবে। তিনি শিক্ষকদের ডিজিটাল প্রশিক্ষণ, আধুনিক শিক্ষাসামগ্রী এবং বহুভাষাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে ইউনিসেফের সহযোগিতাও কামনা করেন।

জবাবে ইউনিসেফের উপনির্বাহী পরিচালক টেড শেইবান সীমিত রাজস্ব সক্ষমতার মধ্যেও নারী, শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের কল্যাণে বাংলাদেশের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি শিক্ষা, প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুকেন্দ্রিক তথ্যব্যবস্থা উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউনিসেফের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ এম


ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়াল

ভেনেজুয়েলায় গত মাসে আঘাত হানা পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

ঘটনার পর ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর পুনর্গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ৩৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা নেওয়া হয়েছে বলেও কর্মকর্তারা ঘোষণা করেছেন।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র। গত ২৪ জুন মাত্র এক মিনিটের ব্যবধানে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প দেশের রাজধানী কারাকাসের উত্তরে অবস্থিত উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঙ্গরাজ্যে আঘাত হানে। এর ফলে এলাকাটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

দেশটির জাতীয় পরিষদের প্রধান হোর্হে রদ্রিগেস টেলিগ্রামে জানান, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৫ হাজার ৬৯ জন। নিহতদের বেশিরভাগ উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দা।

তিনি আরও জানান, ভূমিকম্পে ১৬ হাজার ৭৪০ জন আহত হয়েছে এবং আহতদের অধিকাংশ ইতোমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।

দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেস জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর পুনর্গঠনের জন্য আইএমএফ থেকে ৩৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নেওয়া হয়েছে।

আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জরুরি মানবিক প্রয়োজনে ভেনেজুয়েলাকে আইএমএফে থাকা নিজেদের অর্থ ব্যবহারের সুযোগ দিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে কাজ করেছে সংস্থাটি। তিনি জানান, এই অর্থ দেশটির ‘রিজার্ভ ট্রাঞ্চ’ থেকে নেওয়া হয়েছে।

ভূমিকম্পে গৃহহীন হওয়া প্রায় ২০ হাজার মানুষ এখনও অস্থায়ী ও জনাকীর্ণ আশ্রয়শিবিরে বসবাস করছেন। এসব শিবিরের অনেকগুলোতে নিরাপদ পানির সরবরাহ ও যথাযথ স্যানিটেশন ব্যবস্থা নেই।

বর্তমানে আইএমএফে ভেনেজুয়েলার ৩ দশমিক ৫৬৮ বিলিয়ন ‘স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর)’ রয়েছে, যা প্রায় ৫.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান। তবে, নিকোলাস মাদুরোকে বৈধ প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এর আগে এই অর্থ ব্যবহারে বাধা ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে চলতি বছরের জানুয়ারিতে মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গত এপ্রিলে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক ভেনেজুয়েলার সঙ্গে সম্পর্ক পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে ২০১৯ সাল থেকে সংস্থা দুটির সঙ্গে ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক স্থগিত ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রাজপথে নামায় আন্দোলন পায় নতুন গতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪২ এম


১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রাজপথে নামায় আন্দোলন পায় নতুন গতি

১৮ জুলাই: রাজপথে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে সক্রিয় হন, নতুন মোড় নেয় আন্দোলন।  রক্তাক্ত জুলাইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন ১৮ জুলাই। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল বন্ধ হয়েছে, এই কারণে আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কিন্তু সেদিন রাজপথে নেমে আসেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে আন্দোলন নতুন গতি পায় এবং শিক্ষার্থীদের ঘোষিত কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি সফল হয়। সেদিন পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে ২৯ জন নিহত হন, সাংবাদিকসহ। আহত হয়েছেন অন্তত তিন হাজার মানুষ। আবু সাঈদ ও ওয়াসিমসহ নিহতদের হত্যার বিচার এবং বৈষম্যের অবসানের দাবিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বন্ধ হওয়ার পর আন্দোলন কিছুটা থমকে গেলেও, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন শক্তি নিয়ে রাজপথে নামেন। এক শিক্ষার্থী বলেন, 'রংপুরে আবু সাঈদকে হত্যার পর রাজপথে নামা আমাদের দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছিল।' আরেক শিক্ষার্থী বলেন, 'পুলিশের গুলির মুখেও তারা আন্দোলন থেকে সরে যাননি।' ১৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে কিছু পুলিশ সদস্য কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনে আশ্রয় নেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে শব্দবোমা এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনটি ঘিরে ফেললে, সেখানে ছাদ থেকে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ৬০ জন পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে রামপুরা, নতুনবাজার ও প্রগতি সরণিসহ বিভিন্ন এলাকাতেও শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি রেজাউল করিম জানান, 'অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমেছিলেন।' বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আবু হুরাইয়া বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংগঠনিক সমন্বয়ের মাধ্যমে এদিন বড় প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে দেশের ৪৭ জেলার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। স্কুল ও কলেজের অনেক শিক্ষার্থীও রাজপথে নামেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষ ওই সময় সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করে। সংঘর্ষের ফলে যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, আজিমপুর, উত্তরা, বাড্ডা, ধানমন্ডি, সাভার, চট্টগ্রাম, নরসিংদী, মাদারীপুর ও সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৯ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত তিন হাজার মানুষ। দুপুরে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার শেখ হাসিনা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিলেও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, 'শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে কোনো সংলাপ নয়।' রাতে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার শেখ হাসিনা সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গুজব ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দিনভর সংঘর্ষের পরেও রাতে শনির আখড়া, কাজলা, সাইনবোর্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা অভিভাবকদের আন্দোলনের পাশে থাকার আহ্বান জানান এবং পরবর্তী কর্মসূচির প্রস্তুতি নেন। জুলাইয়ের শুরু থেকেই আন্দোলনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী সক্রিয় থাকলেও, ১৮ জুলাইয়ের মধ্য দিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ শুরু হয়। আবু সাঈদ ও ওয়াসিমদের মৃত্যুর প্রতিবাদে সেদিন রামপুরা, নতুনবাজার, প্রগতি সরণি, উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসেন। সেই প্রতিরোধই পরবর্তী সময়ে আন্দোলনের গতি আরও ত্বরান্বিত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%