০২:৩৯ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) নিশ্চয়ই আশা করেছিল, কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে দর্শকের ভিড় হবে প্রচুর।
কিন্তু ভারতের কিছু সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ৭০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে উপস্থিত ছিলেন ৫১ হাজার ৪০২ জন। এর মানে, প্রায় ১৯ হাজার আসন খালি ছিল।
ভারতের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ম্যাচেও দর্শকদের আগ্রহের অভাব কেন দেখা গেল, সেটি বিশ্লেষণ করা হলো।
[১] টিকিটের দাম আকাশচুম্বী
ম্যাচের টিকিটের দাম ছিল অত্যন্ত বেশি। সর্বনিম্ন (লোয়ার ক্লাস) টিকিটের দাম ছিল ৯৯৯ রুপি। সিলভার ক্যাটাগরির টিকিটের সর্বোচ্চ দাম ছিল ২ হাজার রুপি। গোল্ড ক্যাটাগরির টিকিটের জন্য সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৫০০ রুপি দিতে হয়েছে। রেগুলার ক্যাটাগরির টিকিটের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার রুপি। এছাড়া ভিআইপি টিকিট ১৫ হাজার এবং ভিভিআইপি টিকিট ২৫ হাজার রুপিতে বিক্রি হয়েছে। এই চড়া দামের টিকিটগুলোর বেশিরভাগই বিক্রি হয়নি।
[২] ইস্ট বেঙ্গল ও মোহনবাগানও ব্যর্থ
কলকাতার শীর্ষ দুই ফুটবল ক্লাব ইস্ট বেঙ্গল ও মোহনবাগানের জন্য ১০ হাজার টিকিট বরাদ্দ ছিল। তবে অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, মোহনবাগান মাত্র ৯০টি টিকিট বিক্রি করতে পেরেছে। ইস্ট বেঙ্গল কত টিকিট বিক্রি করতে পেরেছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
[৩] মেসিকে দেখতে না পারার অতৃপ্তি
গত বছরের ডিসেম্বরে কলকাতা সফরে আসেন লিওনেল মেসি। প্রিয় তারকাকে দেখতে চড়া দামে টিকিট কিনেছিলেন অন্তত ২২ হাজার দর্শক। কিন্তু আয়োজকদের অব্যবস্থাপনার কারণে মেসিকে দেখা দূরে থাক, দর্শকদের রীতিমতো বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা ও ক্ষোভের কারণে এবার ব্রাজিলের ম্যাচ নিয়ে কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ কম ছিল।
গত ৩ অক্টোবর ভারত-ব্রাজিল মুখোমুখি হয়েছিল। ছবি: রয়টার্স
[৫] সামনে দূর্গাপুজা
বর্তমান ব্রাজিল দলে ‘গ্লোবাল সুপারস্টারের’ অভাব রয়েছে। ভিনিসিয়ুস ও রাফিনিয়া ছাড়া বড় মাপের তারকা নেই, যাদের গোটা বিশ্ব এক নামে চেনে। রাফিনিয়া অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে গিয়ে চোট পেয়ে ভারতে আসতে পারেননি। এছাড়া ভিনিসিয়ুসের ফর্মও পড়ে গেছে।
এ মাসে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দূর্গাপুজা। কলকাতাবাসী এই উৎসবটি খুব জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালন করেন। অনেকেই কয়েক মাস ধরে টাকা জমিয়ে পূজার সময় বিভিন্ন কেনাকাটা করার পরিকল্পনা করেন। তারা বাড়তি দামে টিকিট কিনে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ দেখার চেয়ে পূজায় খরচ করাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলমান। বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে, যা এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখার জন্য অপরিহার্য।
গত মাসে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়নের জন্য পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বাড়ানো এবং টাকার মান কমানো হয়েছিল, যদিও বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান ছিল। বর্তমানে ডলারের দাম ওঠানামার মধ্যে রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল। বর্তমানে এটি ১২২ টাকা ৯২ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (০৫ অক্টোবর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৯২ পয়সা
ইউরো : ১৩৮ টাকা ৩২ পয়সা
পাউন্ড : ১৬২ টাকা ৭৫ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ২৩ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ৪৬ পয়সা
চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৩২ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ০৩ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৭ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ০৬ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৭৯ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭৩ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৭ টাকা ৪১ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৪৫ পয়সা
*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।
আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে মাস খানেক আগে ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে বর্তমানে সেটি কিছুটা কমে এসেছে।
এটি আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত মন্তব্য করেছেন, ‘ভারতে আর শান্তি খুঁজে পাই না’, যা তাকে তুমুল সমালোচনার সম্মুখীন করেছে। নেটপাড়ায় অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ায়, ‘খলনায়ক’খ্যাত এই তারকা এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা প্রদান করলেন।
এক সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় দত্তকে প্রশ্ন করা হয়েছিল—এক দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি দেশবাসীকে কী বার্তা দেবেন? এর জবাবে, তার জনপ্রিয় ‘মুন্নাভাই’ চরিত্রের ঢঙে তিনি বলেন, ভারতীয়দের ভালোবাসা ও আতিথেয়তা তার কাছে অমূল্য, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে আগের মতো শান্তি খুঁজে পাচ্ছেন না। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সমাজমাধ্যমে বিতর্ক শুরু হয়।
বিতর্কের প্রেক্ষিতে, সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি জারি করে সঞ্জয় দত্ত জানান, তার কথাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, কোনো ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা তার উদ্দেশ্য ছিল না।
মন্তব্যের প্রেক্ষাপট জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কথাটি আগে থেকেই একটি লিখিত স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী এবং হালকা মেজাজে রসিকতা করে বলা হয়েছিল।’ তার ‘মুন্নাভাই’ সিনেমার ‘গান্ধীগিরি’র প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরো যোগ করেন, মূল প্রেক্ষাপট বাদ দিয়ে বিষয়টি তুলে ধরায় এই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, কাজের দিক থেকে সঞ্জয় দত্তকে সামনে তার ১৯৯৩ সালের সুপারহিট ছবি ‘খলনায়ক’-এর সিক্যুয়েল ‘খলনায়ক রিটার্নস’-এ দেখা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আজ থেকে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে দুস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য দুইদিনব্যাপী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সহায়তা ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সোমবার সকালে সেনাবাহিনীর ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড ও বান্দরবান রিজিয়নের উদ্যোগে রাজার মাঠে এ চিকিৎসা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
মেডিসিন, চক্ষু, গাইনি, শিশু, চর্মরোগ এবং নাক-কান-গলা সহ বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের মধ্যে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়।
দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা অসহায় ও দরিদ্র রোগী এবং তাদের স্বজনরা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানে বসবাসরত বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের জীবনমান উন্নয়ন ও সুস্বাস্থ্য রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়বে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে তারা উপকৃত হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বাসস’কে জানিয়েছেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার অসহায় মানুষের জন্য বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা ভবিষ্যতেও বান্দরবানের মানুষের পাশে থেকে এ ধরনের মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
বান্দরবানের প্রান্তিক জনগণের বিপুলসংখ্যক মানুষ সেনাবাহিনীর দুইদিনব্যাপী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রমে চিকিৎসা সেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ গ্রহণ করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ