ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চীনের লাইনশাইন বিশ্বে দ্রুততম সুপারকম্পিউটার


চীনের লাইনশাইন বিশ্বে দ্রুততম সুপারকম্পিউটার

বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটারের তালিকায় আবারও শীর্ষ স্থান দখল করে নিয়েছে চীন। চীনের শেনজেনের জাতীয় সুপারকম্পিউটিং সেন্টারের লাইনশাইন নামের সুপারকম্পিউটার টপ৫০০-এর সর্বশেষ তালিকায় প্রথম স্থান পেয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) এক প্রতিবেদনে রয়টার্স এই তথ্য দেয়। তিন বছর পর চীন আবারও এই তালিকায় স্থান অর্জন করেছে। লাইনশাইন সম্পূর্ণরূপে চীনে তৈরি চিপ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। এটি দেশটির প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার বড় উদাহরণ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার হওয়ার মানে এই নয় যে, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কাজে সবচেয়ে শক্তিশালী। কারণ টপ৫০০-এর র‌্যাংকিং মূলত বৈজ্ঞানিক ও গবেষণামূলক কম্পিউটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে করা হয়, এআই সক্ষমতার ভিত্তিতে নয়।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

নতুন তালিকায় লাইনশাইন যুক্তরাষ্ট্রের এল ক্যাপিটান সুপারকম্পিউটারকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। এল ক্যাপিটান যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির বিভিন্ন গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে মাইক্রোসফট, অ্যামাজন, গুগল ও এক্সএআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এআই-ভিত্তিক আরও অধিক শক্তিশালী কম্পিউটিং সিস্টেম তৈরি করেছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠান সাধারণত টপ৫০০ তালিকায় অংশ নেয় না।

বিশ্লেষকদের ধারণা, চীনের এই সাফল্য মূলত দেশটির নিজস্ব চিপ প্রযুক্তির উন্নতির প্রচেষ্টা তুলে ধরছে। যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চীন যে উন্নত কম্পিউটিং প্রযুক্তি তৈরি করতে পারে, সেটি তারা বিশ্বকে দেখাতে চায়।

উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, লাইনশাইনে উন্নত এআই চিপ ব্যবহার করা হয়নি। ফলে এআই খাতে যুক্তরাষ্ট্র ও বেসরকারি প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে চীনের প্রতিযোগিতা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানিকগঞ্জে বাদামের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


মানিকগঞ্জে বাদামের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

চলতি মৌসুমে মানিকগঞ্জে রেকর্ড ৩৬৪২ হেক্টর জমির ওপর চিনা বাদাম আবাদ করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতে, উন্নত বীজ এবং সঠিক সময়ে বৃষ্টিপাতের কারণে এবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। পাশাপাশি, বাজারে বাদামের চমৎকার চাহিদা ও দামের জন্য চরাঞ্চলের কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক ফুটে উঠেছে। যার ফলে, আগামী দিনে এই অঞ্চলে বাদাম চাষের আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বর্তমানে বাদাম চাষের ভরা মৌসুম চলছে। কৃষক-কিষানি এবং শ্রমিকরা মিলে বাদাম সংগ্রহে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। জেলার শিবালয়, হরিরামপুর এবং দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চলে চিনা বাদামের ব্যাপক ফলন হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষজ্ঞ আলোকদিয়া, চর মধ্যনগর, বোষ্টমী, জাফরগঞ্জের চর, ত্রিশুন্ডি, দৌলতপুরের বাঘুটিয়া, চর কাটারী, হরিরামপুরের লেছড়াগঞ্জ এবং সুতালড়িসহ বিভিন্ন স্থানগুলিতে বাদাম চাষ হয়েছে।

বাদাম চাষীরা জানাচ্ছেন, এবারে সময়মতো বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং অন্যান্য বছরের তুলনায় রোগবালাইও কম ছিল। এ কারণে তুলনামূলকভাবে এবার বাদাম ভালো হয়েছে।

বাদাম চাষি মজিবর রহমান বলেন, ‘কয়েক বছরের মধ্যে এবারে বাদামের ফলন ভাল হয়েছে এবং দামও ভালো পাচ্ছি। বাজার এরকম থাকলে আগামীতে বাদাম আবাদ বেশি হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার এবং উন্নত বীজ রোপণের ফলে উৎপাদন বেড়েছে।’

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহজাহান সিরাজ জানান, ‘মানিকগঞ্জে মোট ৩৬৪২ হেক্টর জমিতে চিনা বাদাম আবাদ করা হয়েছে। এবারে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।’

গত বছরের তুলনায় ফলন বেশি হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে বাদাম চাষে আগ্রহ বেড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫০-১৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির স্বপ্ন দেখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


৫০-১৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির স্বপ্ন দেখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের রপ্তানি আয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সম্ভাবনা দেখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তার মতে, সম্ভাবনাময় মাত্র পাঁচ থেকে সাতটি খাতকে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিতে পারলে বর্তমান ৫০ থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় আগামী দিনে ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বেসরকারি খাতগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা মূল্যায়ন গবেষণা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কর্মশালায় গবেষণার ভিত্তিতে প্রস্তাবিত একটি বৃহৎ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপস্থাপন ও অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে উত্তরণের সব শর্ত পূরণ করেছে।

এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো উত্তরণ-পরবর্তী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং রপ্তানি বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করা।

এ জন্য শিল্প খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির সঙ্গে দ্রুত অভিযোজনের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, ‌‘পাঁচ-সাতটি খাতকে কেন্দ্র করে যদি আমরা সুনির্দিষ্ট কৌশল গ্রহণ করতে পারি, তাহলে দেশের রপ্তানি অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আসতে পারে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বিশেষভাবে চামড়া, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও পাটভিত্তিক শিল্পের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

তিনি জানান, চামড়া ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে ইতিমধ্যে গড়ে ওঠা অবকাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

এসব কেন্দ্র আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হলে দেশীয় শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে।

পাট খাতের বিষয়ে তিনি বলেন, শুধু কাঁচা পাট রপ্তানির পরিবর্তে মূল্য সংযোজিত পাটপণ্য ও জুট ফ্যাব্রিক উৎপাদনে জোর দিলে আয় কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব।

এ লক্ষ্যে গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিশেষ করে চীনের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

সরকার, বেসরকারি খাত ও একাডেমিয়ার মধ্যে কার্যকর অংশীদারি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে ফলাফল মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

একই সঙ্গে দীর্ঘসূত্রিতা কাটিয়ে সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাও জরুরি।

কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান জানান, এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্প নেওয়ার উদ্যোগ চলছে।

প্রকল্পটির দ্বিতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন শিল্পখাতের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী সংগঠনের মতামতের ভিত্তিতে খাতভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

তিনি বলেন, রপ্তানি খাতের পুনরুদ্ধার, পুনর্গঠন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে জাতীয় বাজেটের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

ব্যবসা সহজীকরণ, ডিজিটালাইজেশন, নীতিগত সহায়তা এবং প্রক্রিয়া সরলীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বাণিজ্য সচিব জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং প্রয়োজনে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-কে বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে সম্পৃক্ত করে প্রকল্পটি পরিচালনার বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে।

সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ অংশীদারির মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন সেখ মোহাম্মদ আব্দুর রহমান এবং হোসনা ফেরদৌস সুমি।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্পখাতের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা, নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ার উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তার জন্য তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


মালয়েশিয়ার উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তার জন্য তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিনী ড. জুবাইদা রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। গতকাল প্রায় ১৮ ঘণ্টার মালয়েশিয়ার সফর শেষে, তিনি বর্তমানে চীন সফরে রয়েছেন। মালয়েশিয়া সরকারকে প্রদত্ত এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কৃতজ্ঞতা জানান।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বার্তা প্রকাশ করে।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আমার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং আমি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং তার স্ত্রী ড. ওয়ান আজিজা বিনতি ওয়ান ইসমাইলকে তাদের অবিশ্বাস্য উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। মালয়েশিয়া সরকার এবং তার বন্ধুভাবাপন্ন জনগণের যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে আমরা গভীরভাবে অভিভূত। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে আমার আলোচনা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।’

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘আমার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং আমার মা বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন থেকে বহু দশক পুরনো এই সম্পর্ক রয়েছে। মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনি সুলতান ইস্কান্দারকে তার বৈঠকে সময় দেওয়ার জন্য আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।’

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্বipক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে অত্যন্ত মূল্য দেয়। মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগের জন্য আমরা গর্বিত, যা আমাদের দুই দেশকে বিভিন্ন ক্ষেত্র এবং সমাজের সর্বস্তরের মধ্যে একসূত্রে আবদ্ধ করেছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের পর, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের বহুমুখী অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ব্যাপারে আমি উন্মুখ।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনে অনুমতি দেবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০১ পি.এম


ইরান ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনে অনুমতি দেবে না

ইরান জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শন করার জন্য জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএর পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার, তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন যে, আইএইএর মহাপরিচালকের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো বৈঠক হয়নি। আরো উল্লেখ করেন যে, ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের জন্য আইএইএকে আমন্ত্রিত করার কোনো পরিকল্পনা বর্তমান নেই।

তবে, এর একদিন আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ব্যান্স অভিযোগ করেছেন যে, ইরান শিগগিরই জাতিসংঘের পারমাণবিক পরিদর্শকদের প্রত্যাবর্তনের অনুমতি দেবে। তিনি এটিকে ইরানকে স্থায়ীভাবে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

গত বছরের জুনে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের একটি যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রও এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। সেই সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ফোরডো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল।

ইরান দাবি করছে, সাম্প্রতিক মারাত্মক সংঘাতেও নাতাঞ্জে আবার হামলা হয়েছে। তবে, ইসরায়েল জানিয়েছে যে, এ বিষয়ে তাদের কোনো তথ্য নেই।

এর পাশাপাশি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ওই হামলা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। কিন্তু প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট হয়নি।

নিরাপত্তাজনিত কারণে, ইরান এসব স্থাপনায় আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবিশেষ অনুমতি দিচ্ছে না।

ইরান অভিযোগ করেছে যে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার নিন্দা না করায় আইএইএর ভূমিকা পক্ষপাতদুষ্ট ছিল। এ কারণে গ্রীষ্মের মাসে, দেশটি আইএইএর সঙ্গে সহযোগিতা স্থগিত করে। তবে সেপ্টেম্বর মাসে উভয় পক্ষ একটি নতুন কাঠামোয় সমঝোতায় পৌঁছালে সহযোগিতা পুনরায় শুরু হয়। কিন্তু হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো সেই চুক্তির আওতায় নয়।

বাঘাই আরো বলেন, এ ধরনের স্থাপনা পরিদর্শনের জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রোটোকল নেই। তবে, পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) ও বিদ্যমান সুরক্ষা চুক্তির আওতায় ইরান তার বর্তমান নীতি অনুসরণ করে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%