ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা জালাল মাতুব্বর গ্রেপ্তার


চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা জালাল মাতুব্বর গ্রেপ্তার

রাজধানীর চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা জালাল মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এর আগে, একই অভিযোগে তার বড় ভাই ও আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বড় ভাইয়ের গ্রেপ্তারের পর ছোট ভাইয়ের গ্রেপ্তার নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ডিবির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ আজ মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে চাঁদাবাজির একটি মামলায় জালাল মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, জালাল মাতুব্বর রাজধানীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক। সম্প্রতি আদাবরে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে উঠেছে।

আগে গ্রেপ্তার হন বড় ভাই নয়ন

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

জালাল মাতুব্বরের বড় ভাই নয়ন হোসেন আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ছিলেন। গত ২২ অক্টোবর চাঁদাবাজির মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। অভিযোগ রয়েছে, আদাবরে সিটি করপোরেশনের ড্রেনেজ ও নালা নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে ভবনমালিকদের কাছে চাঁদা দাবি করছিলেন তিনি। গ্রেপ্তারের পর নয়ন হোসেনের সাংগঠনিক পদ স্থগিত করে ছাত্রদল।

গত ২৪ অক্টোবর ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তার পদ স্থগিত করা হয়েছে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।

যুবদল থেকেও বহিষ্কার জালাল

বড় ভাইয়ের গ্রেপ্তারের পর এবার জালাল মাতুব্বরকেও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে যুবদলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চাঁদাবাজির অভিযোগ ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

স্থানীয় সূত্রগুলো জানাচ্ছে, দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ নতুন নয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, তারা দীর্ঘদিন ধরে আদাবর এলাকায় বিভিন্ন নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে চাঁদা আদায় করে আসছিলেন। ভয়ের কারণে ভবনমালিক ও ঠিকাদারেরা মুখ খুলতেন না। সম্প্রতি কয়েকজন ভুক্তভোগী ডিবির কাছে অভিযোগ দিলে তদন্ত শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমে নয়ন এবং পরে জালালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের আশ্বাসে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, এসআইকে প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ এম


বিয়ের আশ্বাসে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, এসআইকে প্রত্যাহার

বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এক উপপরিদর্শক (এসআই) বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার রাতে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে অভিযুক্ত এসআই মো. আনছার আলী জেলা পুলিশ লাইনসে যোগদান করেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. আলমাস আলী।

জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর মাসে ওই তরুণীর স্বামীর দায়ের করা একটি অভিযোগের তদন্ত করতে এসআই আনছার আলী তার বাড়িতে যান। এরপর তাদের মধ্যে মুঠোফোনে যোগাযোগ ও সখ্য গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ওই তরুণীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

পরবর্তীতে তরুণী তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি এড়িয়ে চলতে শুরু করেন এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। কোনো উপায় না পেয়ে গত ৮ অক্টোবর জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ওই তরুণী।

অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে শিবগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) অভিযোগকারী তরুণীর বিস্তারিত জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি প্রমাণ হিসেবে কিছু ভিডিও ও কথোপকথনের স্ক্রিনশট জমা দিয়েছেন। এ ছাড়া প্রাথমিক অনুসন্ধানে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ওই তরুণীর নিয়মিত যাতায়াত বা উপস্থিতির তথ্যও পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় বিভাগীয় ও আইনি পরবর্তী পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লার আদালতে মহিলা আ.লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ এম


কুমিল্লার আদালতে মহিলা আ.লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, আটক

কুমিল্লার একটি আদালত প্রাঙ্গণে মামলার বাদী হিসেবে উপস্থিত থাকা এক নারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী মহিলা লীগের এক নেত্রীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিচারক আবিদা সুলতানা মলির নির্দেশে অভিযুক্ত শাহনাজ আক্তার সুমনাকে আটক করে আদালতের হাজতখানায় পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ১ নম্বর আমলি আদালতে এই ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শাহনাজ আক্তার সুমনা কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরসভার নূরপুর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি।

জানা গেছে, হাজিরা দিতে আদালতে উপস্থিত ছিলেন সুমনা। হাজিরা শেষে আদালত থেকে বের হওয়ার পর বিচারক আবিদা সুলতানা মলির এজলাসের সামনে মামলার বাদী সালমা আক্তারের সঙ্গে তার দেখা হয়। এ সময় সালমাকে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ ওঠে সুমনার বিরুদ্ধে। এতে সালমা আক্তার আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে বিচারকের নির্দেশে পুলিশ সুমনাকে আটক করে আদালতের হাজতখানায় (কোর্ট লকআপ) পাঠায়।

ঘটনার পর আদালতে উপস্থিত আইনজীবীরা সুমনার জামিন বাতিলের আবেদন করেন। শুনানিতে তারা আদালতকে জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আরো তিনটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানান আইনজীবীরা।

ভুক্তভোগী সালমা আক্তারের দাবি, আদালত প্রাঙ্গণে হামলার ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ঘটনার প্রকৃত চিত্র জানতে আদালতের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করারও দাবি জানান তিনি।

কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহবুব বলেন, আদালত হচ্ছে বিচার পাওয়ার জায়গা। বিচার চলাকালে আদালতের এজলাসে এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরো বলেন, মানুষ ন্যায়বিচারের আশায় আদালতে আসে। এমন ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত। ন্যায়বিচারের স্বার্থে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানো প্রয়োজন।

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪০ এম


সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনের notorious বনদস্যু ‘দাদা ভাই বাহিনী’র সঙ্গে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের সময় দস্যুদের দ্বারা জিম্মি করে রাখা পাঁচ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, ছয় রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। তবে কোস্ট গার্ডের অভিযানের মুখে দস্যুরা জিম্মিদের ফেলে সুন্দরবনের গভীরে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার বিকেলে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যু বাহিনীগুলো নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার মধ্যরাতে কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রা ও দোবেকী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা অতর্কিতভাবে সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ড সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। উভয় পক্ষের গোলাগুলির এক পর্যায়ে দস্যুরা জিম্মি জেলেদের ফেলে সুন্দরবনের গহীনে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি একনলা বন্দুক, ছয় রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন—সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রবিউল ইসলাম (৩৫) ও বিল্লাল হোসেন (২৬) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার আলাউল ইসলাম (৩২), নওশেন মোড়ল (৪১) ও শাহিনুর রহমান (২৮)।

কোস্ট গার্ড জানায়, জব্দ করা অস্ত্র ও কার্তুজের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধার হওয়া জেলেদের তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রমও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অভিযান সম্পর্কে ব্রিফিং করেন বিসিজিএস সোনার বাংলার নির্বাহী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ কবীর শামিত।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাঈদীর মামলার বাদীকে দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন জামায়াতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪১ এম


সাঈদীর মামলার বাদীকে দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন জামায়াতের

পিরোজপুরে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার বাদী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনার তদন্তের জন্য জামায়াতে ইসলামী একটি দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। এই তদন্ত কমিটি আগামী তিন দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মগবাজারের জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বিশেষ বৈঠকে এই কমিটি গঠন করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এবং সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল। জামায়াতের সূত্র থেকে জানা যায়, বৈঠকে পিরোজপুরে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। গঠিত কমিটি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করবে এবং সংগঠনের কেউ এতে জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখবে। তদন্ত কমিটিকে সার্বিক সহায়তা প্রদানের জন্য স্থানীয় নেতাদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

মানিক পশারী (৮৭) পিরোজপুর সদরের শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা। মানিক পশারী জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলার বাদী এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম সাক্ষী। ২০০৯ সালের ১২ আগস্ট মানিক পশারী পিরোজপুর থানায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অপরাধের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে এই অভিযোগটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মূল মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

এছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর বিরুদ্ধে বিচার চলাকালীন মানিক পশারী রাষ্ট্রপক্ষের ৬ নম্বর সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন। তিনি নিজেকে ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে দাবি করেছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে মানিক পশারী পলাতক ছিলেন। পরে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় মেয়ের জামাতার কাছে চলে যান। দুই মাস ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। গত ২৪ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে মেয়ের বাড়িতেই মানিক পশারীর মৃত্যু ঘটে। দুপুর ১২টার দিকে তার পরিবারের সদস্যরা মরদেহ পিরোজপুরে নিয়ে যান। তবে তার মরদেহ দাফনে বাধা দেয়ার অভিযোগ স্থানীয় জামায়াতের বিরুদ্ধে উঠেছে।

তার স্বজনদের অভিযোগ, জামায়াত নেতাদের বাধার কারণে তাকে প্রকাশ্যে গার্ড অব অনার দেয়া সম্ভব হয়নি। পরে শনিবার বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ লাইনসের ভেতরে গোপনে গার্ড অব অনার দিয়ে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে প্রশাসন। মরদেহ দাফনের জন্য প্রথমে খোঁড়া কবর একদল ব্যক্তি ভরাট করে ফেলে। পরে মানিক পশারীর মেয়ে তার ফুফুদের নিয়ে নতুন করে বাড়িতেই কবর খুঁড়ে মরদেহ দাফন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%