ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে গ্যাং লিডারকে হত্যা করা হয়েছে: ট্রাম্পের দাবি


ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে গ্যাং লিডারকে হত্যা করা হয়েছে: ট্রাম্পের দাবি

মার্কিন সামরিক বাহিনী বিমান হামলায় ভেনেজুয়েলার গ্যাং ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’র নেতা নিহত হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘোষণাটি দিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার নির্দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি বিশেষ হামলা পরিচালনা করে নিনো গেরেরোকে হত্যা করেছে। গেরেরোর আসল নাম হেক্টর রাস্টেনফোর্ড গেরেরো ফ্লোরেস। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’ নামে পরিচিত একটি অপরাধী চক্রের নেতা ছিলেন। এটি লাতিন আমেরিকার মধ্যে অন্যতম কুখ্যাত অপরাধী সংগঠন হিসেবে পরিচিত।

ট্রাম্পের অভিযোগ, এই গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম পালন করে আসছিল। তার প্রশাসন ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’কে ইসলামিক স্টেটের মতো একটি বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে। ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি সবুজ রঙের ভবন এবং তার পাশে একটি ছোট স্থাপনা বিস্ফোরণের ফলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

ট্রাম্প আরও বলেছেন, এই সামরিক অভিযানটি ভেনেজুয়েলার কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় পরিচালনা করা হয়েছে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা একটি বিষয় নিয়ে অত্যন্ত ভালোভাবে কাজ করে চলেছে।

জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী একটি বিশেষ অভিযানে তৎকালীন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তার বাসভবন থেকে আটক করে। পরে তাকে নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, তিনি ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’ গ্যাংয়ের সঙ্গে মিলিত হয়ে আমেরিকার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’ প্রথমে একটি কারাগারভিত্তিক গ্যাং ছিল। তার নেতা নিনো গেরেরো এটিকে পরে একটি আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্রে পরিণত করেছিলেন। গেরেরোকে গ্রেপ্তারে সহায়ক তথ্য দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র লাখ লাখ ডলার পুরস্কারের ঘোষণা করেছিল।

গেরেরোর নেতৃত্বে গ্যাংটি তাদের কার্যক্রম কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, পেরু এবং চিলিতে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের বিরুদ্ধে অভিবাসীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি, যৌন পাচার, ভাড়াটে খুন এবং অপহরণসহ গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

গেরেরো বহু বছর ধরে জেলে ছিলেন। ২০১২ সালে তিনি এক প্রহরীকে ঘুষ দিয়ে পালিয়ে যান এবং ২০১৩ সালে পুনরায় গ্রেপ্তার হন। ফিরে এসে তিনি উত্তর ভেনেজুয়েলার আরাগুয়া রাজ্যের টোকোরোন কারাগারকে একটি বিনোদন কেন্দ্রে রূপান্তর করেন, যেখানে চিড়িয়াখানা, রেস্তোরাঁ, নাইটক্লাব, জুয়া খেলার দোকান এবং সুইমিং পুল ছিল।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মাদুরো কারাগারটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে এবং তা দখল করতে ১১ হাজার সৈন্য পাঠান। গেরেরো আবারও পালিয়ে যান।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মতে, জেলের ভেতরে এবং বাইরের অবস্থান সত্ত্বেও তিনি তার গ্যাংয়ের প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন এবং বলিভার রাজ্যের সোনার খনি, ক্যারিবিয়ান উপকূলের মাদক করিডোর এবং ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার মধ্যে গোপন সীমান্ত পারাপারের পথগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন।

বেশিরভাগ বিবরণ অনুসারে, ২০১৪ সালে ভেনেজুয়েলা যখন মানবিক ও অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থার মুখোমুখি হয়, তখন অপরাধ কম লাভজনক হয়ে পড়লে ট্রেন দে আরাগুয়া দেশটির বাইরে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ আটটি দেশে এর শাখা-প্রশাখা রয়েছে বলে জানা যায়।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

‘ট্রেন দে আরাগুয়া’ বিভিন্ন দেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থানীয় অপরাধী চক্রগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, ইকুয়েডরে গ্যাংটি সিনালোয়া কার্টেলের সঙ্গে সচেতন করে গোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করে বলেও মনে করা হয়। আবার কলম্বিয়াতে তাদের সদস্যরা ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (ইএলএন) নামের একটি সশস্ত্র গেরিলা সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে কাজ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী সমুদ্রে বেশ কয়েক ডজন নৌকার বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই নৌকার বেশিরভাগই বড় মাপের মাদক পাচারের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। তাদের মতে, এসবের মধ্যে কিছু নৌকার সঙ্গে ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’র সম্পর্কও ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮৬ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ এম


মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮৬ জনের মৃত্যু

গত মে মাসে দেশে ৫৭৫টি সড়ক দুর্ঘটনার ফলে ৫৮৬ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আরও ৭০৫ জন আহত হয়েছেন।

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানের স্বাক্ষরিত সড়ক দুর্ঘটনা-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

গত ৯ জুন স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনটি ১১ জুন অনলাইনে প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। সেখানে ১৪৮টি দুর্ঘটনায় ১৫২ জন নিহত এবং ২৮০ জন আহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম বিভাগে ১৪৪টি দুর্ঘটনার মধ্যে ১৩৩ জন নিহত ও ১১৪ জন আহত হয়েছেন।

এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৭০টি দুর্ঘটনায় ৭৭ জন নিহত ও ৩৮ জন আহত হয়েছেন। খুলনা বিভাগে ৫৬টি দুর্ঘটনায় ৫৬ জন নিহত ও ৯৮ জন আহত হয়েছেন। বরিশাল বিভাগে ২৮টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে ৩৩টি দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত ও ৫৩ জন আহত হয়েছেন। রংপুর বিভাগে ৬৫টি দুর্ঘটনায় ৬৬ জন নিহত ও ৬২ জন আহত হয়েছেন। ময়মনসিংহ বিভাগে ৩১টি দুর্ঘটনায় ৪১ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন।

মে মাসের দুর্ঘটনাগুলোতে মোট ৮৯০টি যানবাহন জড়িত ছিল। এর মধ্যে মোটরকার বা জিপ ছিল ৩০টি, বাস বা মিনিবাস ছিল ১২১টি, ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান ছিল ১৮৩টি, পিকআপ ছিল ৪৪টি, মাইক্রোবাস ছিল ১৮টি, অ্যাম্বুলেন্স ছিল ৪টি, মোটরসাইকেল ছিল ১৭৮টি, ভ্যান ছিল ২৮টি, ট্রাক্টর ছিল ১৪টি, ইজিবাইক ছিল ২৭টি, ব্যাটারিচালিত রিকশা ছিল ৪০টি, অটোরিকশা ছিল ৫৪টি এবং ১৪৯টি অন্যান্য যানবাহন ছিল।

যানবাহনভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ১৫৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া মোটরকার দুর্ঘটনায় বা জিপ দুর্ঘটনায় ১০ জন, বাস বা মিনিবাস দুর্ঘটনায় ৫৪ জন, ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান দুর্ঘটনায় ৮৫ জন, পিকআপ দুর্ঘটনায় ৩০ জন, মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ৫ জন, অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় ৬ জন, ভ্যান দুর্ঘটনায় ১৬ জন, ট্রাক্টর দুর্ঘটনায় ৮ জন, ইজিবাইক দুর্ঘটনায় ১৭ জন, ব্যাটারিচালিত রিকশা দুর্ঘটনায় ৩৪ জন, অটোরিকশা দুর্ঘটনায় ৫০ জন এবং অন্যান্য যান দুর্ঘটনায় ১১২ জন নিহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫৮৬ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাজিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কাসিম অ্যাওয়ার্ড পেল সৌদির এসডিএআইএ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ এম


হাজিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কাসিম অ্যাওয়ার্ড পেল সৌদির এসডিএআইএ

হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক জনসমাগম ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে সৌদি ডেটা অ্যান্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অথরিটি (SDAIA) মর্যাদাপূর্ণ ‘কাসিম অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স অ্যান্ড ক্রিয়েটিভিটি’ লাভ করেছে। ‘বৈজ্ঞানিক গবেষণায় শ্রেষ্ঠত্ব’ বিভাগে প্রাপ্ত এই সম্মাননা সৌদি আরবের প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে নেতৃত্বের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ডেটা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে সৌদি আরবকে বৈশ্বিক নেতৃত্বের পর্যায়ে নিয়ে যেতে এসডিএআইএ দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জাতীয় প্রতিভা বিকাশে লিপ্ত রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় জনসমাগম ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকি শনাক্তকরণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে পরিচালিত একটি ফলিত গবেষণা প্রকল্পের জন্য এই সম্মাননা এসেছে।

কাসিম গভর্নরেটের সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কাসিম অঞ্চলের গভর্নর ও যুবরাজ ড. ফয়সাল বিন মিশাল বিন সৌদ বিন আব্দুল আজিজ এসডিএআইএ-এর ন্যাশনাল সেন্টার ফর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (NCAI) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সাত্তাম আল-সুবাইয়ের হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন।

পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য ছিল জনসমাগমের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য ঝুঁকি আগে থেকেই শনাক্ত করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করা। বিশেষকরে হজ ও ওমরাহ মৌসুমে লাখো হাজির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রযুক্তিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এসডিএআইএর গবেষকরা এই প্রকল্পে ‘ভেলোসিটিনেট’ (VelocityNet) ও ‘অ্যাটেনশন ইনভার্স’ (Attention Inverse)-এর মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। এই প্রযুক্তিগুলি ভিড়ের চলাচল পর্যবেক্ষণ করে অস্বাভাবিক আচরণ বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সঠিক ইঙ্গিত শনাক্ত করতে সক্ষম। এর ফলে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, জননিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং জরুরি সেবার কার্যকারিতা উন্নত করা সহজ হয়েছে।

গবেষণাটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি উল্লেখযোগ্য। এ প্রকল্পের ফলাফল আন্তর্জাতিক পর্যায়েও উপস্থাপন করা হয়েছে, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক সম্মেলন ICCV, ICML I ArabicNLP-এ। পাশাপাশি গবেষকরা নতুন মানসম্পন্ন ডেটা বেইস তৈরি করেছেন যা ভবিষ্যতে ক্রাউড অ্যানালিটিকস বা জনসমাগম বিশ্লেষণভিত্তিক গবেষণার মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পদচিহ্ন রাখবে। প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যত গড়ার লক্ষ্যে সৌদি আরবের দ্রুত অগ্রগতি এই এসডিএআইএর আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও সম্মাননার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের পথে শক্ত অবস্থানে পর্তুগাল, আত্মবিশ্বাসী রোনালদো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫০ এম


বিশ্বকাপের পথে শক্ত অবস্থানে পর্তুগাল, আত্মবিশ্বাসী রোনালদো

 ফ্লোরিডার পাম বিচে বিশ্বকাপের বেস ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে লিসবন ছাড়ার পূর্বে পর্তুগীজ অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো জানান যে তিনি খুবই ইতিবাচক অনুভব করছেন।

পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী রোনাল্ডো বলেন, ‘অনেক আশা নিয়ে আমরা বিশ^কাপে অংশ নিতে যাচ্ছি। আমাদের প্রস্তুতি খুব ভাল হয়েছে। যদিও সবাই বেশ পরিশ্রান্ত, কারণ আমরা গত কয়েকদিন কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমি খুবই পজিটিভ। আমার বিশ^াস এবারের বিশ^কাপে পর্তুগাল ভাল করবে, সবাইকে ভাল পারফরমেন্স উপহার দিবে। এই প্রজন্মটা অত্যন্ত মেধাবী। পর্তুগীজ জনগণের জন্য তারা অনেক খুশীর মুহূর্ত উপহার দিয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিশ^কাপে একটি ভাল সূচনা, প্রথম ম্যাচে জয়ী হওয়া, এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ নিয়ে চিন্তা করা। প্রথম গ্রুপে শীর্ষে থেকে নক আউট পর্বে যেতে হবে এবং পরবর্তীতে ম্যাচ-বাই-ম্যাচ এগিয়ে যেতে হবে।’

আগামী ১৭ জুন হিউস্টনে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসর শুরু করতে যাচ্ছে পর্তুগাল। এরপর গ্রুপ-কে’তে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে উজবেকিস্তান ও কলম্বিয়া রয়েছে।

৪১ বছর বয়সী রোনাল্ডো রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ^কাপ খেলতে মাঠে নামতে যাচ্ছেন। যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে তার অনুপস্থিতি রবার্তো মার্টিনেজের দলকে মাঠের পারফরমেন্সে এগিয়ে যেতে শঙ্কায় ফেলতে পারে বলে সমালোচকরা মন্তব্য করেছেন।

সম্প্রতি চিলি ও নাইজেরিয়ার বিপক্ষে পর্তুগাল দুটি প্রীতি ম্যাচে অংশ নিয়েছে। যদিও দুটি ম্যাচে পর্তুগাল ২-১ গোলে পরাজিত হয়েছে, তবুও রোনাল্ডো কোন ম্যাচেই গোল করতে সক্ষম হননি।

১৯৯৬ সালের বিশ^কাপে পর্তুগাল তৃতীয় স্থান ও গত চার বছর আগে কাতারে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত খেলেছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোনার পর এবার রুপার দাম বাড়ল দেশে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ এম


সোনার পর এবার রুপার দাম বাড়ল দেশে

টানা চার দফা কমানোর পর, দেশের বাজারে ফের রুপার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২৯১ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১৩২ টাকা। শনিবার (১৩ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৫ হাজার ১৩২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে সবশেষ গত ১১ জুন সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৯৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪৫ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ২৩ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২২ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।

এদিকে, ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৩৬ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%