প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রেমিট্যান্স প্রবাহে বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে তুলনামূলক স্থিতিশীলতার মাঝে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখাচ্ছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দিন শেষ হওয়ার পর দেশের মোট বা গ্রস রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে ৩৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাবেও রিজার্ভ বেড়ে ৩২ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলারে উঠেছে।
চলতি মাসের শুরুতে, ২ আগস্ট দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। সেসময় বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ১ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ হিসাবেও বেড়েছে ৬১ কোটি ডলার।
তবে মোট রিজার্ভের পুরো অর্থ সরাসরি ব্যবহারযোগ্য নয়। স্বল্পমেয়াদি দায় ও বিভিন্ন আর্থিক বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে, সেটি দেশের বৈদেশিক লেনদেনের সক্ষমতা বিবেচনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংক অভ্যন্তরীণভাবে এই অর্থকে ‘ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ’ হিসেবে হিসাব করে।
এই হিসাবের ক্ষেত্রে আইএমএফের বিশেষ উত্তোলন অধিকার (এসডিআর), ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাব এবং এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিলসহ বিভিন্ন খাত বাদ দেওয়া হয়। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার। মাসে গড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হলে, এই রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে পাঁচ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।
সাধারণভাবে, একটি দেশের তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে ন্যূনতম নিরাপদ মাত্রা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই হিসাবে, বর্তমান ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ দেশের বৈদেশিক লেনদেনের সক্ষমতায় তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক অবস্থান নির্দেশ করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন