০১:১২ পি.এম
প্রথম শ্রেণির পৌরসভা নাটোর। শহরের ডিভাইডার সড়কে ২৫০টি সড়ক বাতি স্থাপন করার পর ৬ মাসের মধ্যেই এক তৃতীয়াংশ বিকল হয়ে পড়ে। সড়কবাতির আওতায় ৯ কিলোমিটার এলাকা থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার এলাকায় প্রায় চার মাস ধরে অন্ধকার। এতে বিরাট ওই এলাকায় ভুতুড়ে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, সন্ধ্যা নামলেই ঘুটঘুটে অন্ধকার নেমে আসে নাটোর পৌর এলাকায় প্রবেশের প্রধান দুটি পথ দিঘাপতিয়া ও হরিশপুর এলাকায়। ফলে অন্ধকারাচ্ছন্ন ওই এলাকাগুলোতে প্রায়ই ঘটছে ছিনতাইসহ সড়ক দুর্ঘটনা। অথচ এই এলাকাগুলো আলোকিত করতে ২৫০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ডিভাইডার সড়কের মাঝখানে স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বসানো হয়েছে ৩০০ ওয়াটের এলইডি বাতি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ২৫ সালের নভেম্বরে এলইডি লাইট স্থাপনের এক মাসের মাথায় দিঘাপতিয়া থেকে মাদ্রাসা মোড় পর্যন্ত এবং হরিশপুর থেকে চকরামপুর এলাকা পর্যন্ত অধিকাংশ লাইট বিকল হয়ে পড়ে। এই সাড়ে ৩ কিলোমিটার এলাকায় ৬৮টি খুঁটির লাইট সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে জেলা প্রশাসকের বাসভবন এলাকা ও সদর উপজেলা পরিষদ এলাকাও অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে।
আরও পড়ুন: নাসিরনগরে দুই বছর ধরে নিখোঁজ মাওলানা আজিজুল হক, সন্ধান চায় পরিবার
উপজেলা পরিষদ এলাকার আবু সাঈদ বলেন, ‘অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকাগুলোতে অধিকাংশ সময় ছিনতাইয়ের খবর শোনা যায়। সরকারি টাকা খরচ করে পৌরবাসীর সুবিধার জন্য সড়কবাতি স্থাপন করা হয়েছে। অথচ সেই সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।
একই এলাকার শামীম বলেন, দিঘাপতিয়া এলাকায় উত্তরা গণভবনসহ বগুড়া মহাসড়ক রয়েছে। গণভবন থেকে লিংক সড়ক থেকে বগুড়া মহাসড়ক ওঠার সময় রাতে প্রায় দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রায় ৪ মাস ধরে এই এলাকার সড়কবাতি বিকল থাকায় এমনটা হচ্ছে।
এ দিকে প্রায় ৪ মাস ধরে সড়কের বাতিগুলো বন্ধ থাকার বিষয়টি অবগত হয়েও নাটোর পৌরসভা কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। দেড় মাস আগে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে চিঠি দেয় পৌরসভা।
এ বিষয়ে নাটোর পৌরসভার বিদ্যুৎ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘ঠিকাদারকে আবার চিঠি দেয়া হবে। দ্রুত এগুলো মেরামত না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
আরও পড়ুন: শেরপুরে ড্রামে নারীর লাশ পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই
শহরবাসীর নিরাপত্তার জন্য প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নাটোর পৌরসভার ৯ কিলোমিটার এলাকায় সড়কবাতি স্থাপন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন