ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চবি ছাত্রদল নেতাকে কাছে ডেকে নেতার সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী


চবি ছাত্রদল নেতাকে কাছে ডেকে নেতার সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজার সফরের সময়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখার ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমানকে দূর থেকে দেখে তিনি কাছে ডেকে নিয়ে খোঁজ-খবর নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে, জুলাই আন্দোলনের সময় চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত শেষে ফেরার সময়, প্রধানমন্ত্রী নোমানকে ডেকে নেন। এরপর তিনি নোমানকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে নিয়ে যান।

অতিথি সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্য যে, শহীদ ওয়াসিম আকরাম আবদুল্লাহ আল নোমানের কর্মী ছিলেন এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদ হওয়ার আগে পর্যন্ত ওয়াসিম নোমানের সঙ্গে আন্দোলনের রাজপথে অংশ নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: ক্যানসার সচেতনতায় বাকৃবিতে সিসিআরটিবির ক্যাম্পাস চ্যাপ্টার গঠনের উদ্যোগ, আবেদন ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত

জানা যায়, শহীদ ওয়াসিম আকরাম চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমানের কর্মী ছিলেন এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদ হওয়ার আগে তিনি নোমানের সঙ্গে আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

সাক্ষাৎ শেষে আবদullah আল নোমান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তার স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেওয়ার পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক নানা বিষয়ে জানতে চান।

তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষভাবে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম শাটল ট্রেনের সংকট, দীর্ঘকালীন দুর্ভোগ এবং আবাসন সমস্যার বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে অবহিত করা হয়েছে।

নোমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিষয়গুলো মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং তার একান্ত সচিবকে প্রয়োজনীয় নোট নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাসও দেন।

আরও পড়ুন: ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার অধিকার: প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় দোষ স্বীকার করে যা বললেন সোহেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় দোষ স্বীকার করে যা বললেন সোহেল

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা জেল আপিলে নিজের অপরাধকে স্বীকার করে আদালতের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি দাবি করেছেন, আর্থিক সংকট, পারিবারিক অশান্তি এবং মাদকাসক্তির কারণে তিনি এই ভয়াবহ ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

রোববার (১৪ জুন) হাইকোর্টে করা জেল আপিলে সোহেল রানা বলেন, তিনি অটোরিকশা গ্যারেজে মিস্ত্রির কাজ করতেন এবং নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। মাদকাসক্তির কারণে পরিবারের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জবানবন্দিতে সোহেল দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি মাদকাসক্ত ও নেশাগ্রস্ত ছিলেন। তিনি আদালতকে জানান, আর্থিক অভাব, পারিবারিক অশান্তি ও মাদকের প্রভাবে ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে।

সোহেল রানা বলেন, আমি ভুল করেছি, আমি ক্ষমা চাই। আমি একটি মাত্র ছেলে আছে। তার পড়াশোনা ও পরিবারের ভরণ-পোষণের জন্য আর কেউ নেই।

অন্যদিকে, একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বপ্না আক্তার জেল আপিলে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়েছেন।

এর আগে গত ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে হাইকোর্টে জেল আপিল করেন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার। রোববার (১৪ জুন) হাইকোর্ট তাদের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পল্লবীর বাসা থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। প্রতিবেশী স্বপ্না খাতুন তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন। পরে রামিসাকে খুঁজে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তার মা। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বালতির ভেতর তার কাটা মাথা দেখতে পান বাবা-মা। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মূল ঘাতক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।

এই ঘটনায় পরদিন ২০ মে রাতে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়াউর রহমানের জীবন ও আদর্শ নিয়ে গভীর গবেষণার আহ্বান জানালেন মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


জিয়াউর রহমানের জীবন ও আদর্শ নিয়ে গভীর গবেষণার আহ্বান জানালেন মির্জা ফখরুল

 শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম এবং বহুমুখী রাষ্ট্রনায়কোচিত অবদান নিয়ে অধিক বস্তুনিষ্ঠ এবং উচ্চমানের গবেষণাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি মন্তব্য করেন, ‘ইতিহাসের প্রতি যে অবিচার এবং কৃপণতা সংঘটিত হয়েছে, সেই অবিচার দূর করার লক্ষ্যে শহীদ জিয়ার পুরো জীবন, তাঁর চিন্তাভাবনা এবং কাজ নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হওয়া প্রয়োজন।’

আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে 'গণমাধ্যম ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এ বক্তব্য প্রদান করেন।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয় প্রেসক্লাব।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে এবং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিরূপে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

প্রধান অতিথি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, প্রয়াত বিশিষ্ট সাংবাদিক মাহফুজুল্লাহের লেখা বই ছাড়া শহীদ জিয়াকে নিয়ে তেমন কোনো তথ্যসমৃদ্ধ ও গবেষণালব্ধ কাজ চোখে পড়ে না।

তিনি উল্লেখ করেন, এই মহান নেতার অবদানকে নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বড় ধরনের গবেষণা পরিচালনার সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়া তাঁর শাসনামলে রাষ্ট্রের প্রতিটি মৌলিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং সফলতার সূচনা করেছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব মনে করিয়ে দেন, শহীদ জিয়ার সবচেয়ে বড় অবদান ছিল ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ দর্শনের মাধ্যমে এই ভূখণ্ডের মানুষের নিজস্ব এবং স্বতন্ত্র ভৌগোলিক পরিচয় তথা আইডেন্টিটি বা সত্তা প্রতিষ্ঠা করা।

শহীদ জিয়ার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অগাধ বিশ্বাসের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও মন্তব্য করেন, ৭৫-এর পটপরিবর্তনের পর ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে সকল রাজনৈতিক দলকে এক সুতায় গেঁথে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। এ ছাড়া তিনি মুসলিম লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করেছিলেন। একটি ‘লিবারেল ডেমোক্রেসি’ বা উদারপন্থি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

৭৪-এর মানবসৃষ্ট ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটকে সামনে এনে মির্জা ফখরুল বলেন, তখনকার আন্তর্জাতিক মহলে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হিসেবে পরিচিত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতিকে শহীদ জিয়া তাঁর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে টেনে তুলেছিলেন। তিনি দেশের আনাচে-কানাচে পায়ে হেঁটে, কৃষকদের কাছে গিয়ে মানুষের মনে আশার আলো জ্বালিয়েছিলেন।

নিজ অভিজ্ঞতার স্মৃতি স্মরণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দিনাজপুর সফরের সময় প্রেসিডেন্ট জিয়া আকস্মিকভাবে গাড়ি থামিয়ে এক অতি সাধারণ এবং দরিদ্র মায়ের কুটিরে ঢুকে পানি পান করেছিলেন।

রাষ্ট্রনায়ক হয়েও সাধারণ মানুষের সঙ্গে এমন একাত্মতা প্রকাশের ফলেই শাহাদাতের পর লাখ লাখ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর জানাজায় উপস্থিত হয়েছিল, কান্নায় ভেঙে পড়েছিল।

তৎকালীন ‘টাইম ম্যাগাজিন’ও তাদের প্রতিবেদনে শহীদ জিয়ার জনপ্রিয়তার এই অভূতপূর্ব এবং আবেগঘন চিত্রটি তুলে ধরেছিল বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

কৃষি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, খাল খনন কর্মসূচির পাশাপাশি রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট, এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও সুগারকেন ইনস্টিটিউটের আধুনিকায়নে জিয়াউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য।

এছাড়া তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমী করার লক্ষ্যে ‘হিজবুল বাহার’ জাহাজে করে বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশ ঘুরিয়ে দেখানোর অনন্য উদ্যোগ তিনিই নিয়েছিলেন।

বিগত শাসনামলে গণমাধ্যমের একাংশের চাটুকারিতার সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, মিডিয়া এখন করপোরেট বা বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে। বিগত রেজিমের চাটুকারিতা থেকে মুক্ত হয়ে মুক্ত সাংবাদিকতা এবং গণতন্ত্রের পক্ষে সাংবাদিকদের যে লড়াই, তাতে বর্তমান সরকার ও দেশপ্রেমিক জনগণের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহীদুল ইসলাম এবং দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার।

এ সময় বক্তারা শহীদ জিয়ার রাষ্ট্রদর্শন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা এবং দেশগঠনে তাঁর অবদানের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেশিতে টান লাগায় ফিফটির আগেই মাঠ ছাড়লেন লিটন দাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


পেশিতে টান লাগায় ফিফটির আগেই মাঠ ছাড়লেন লিটন দাস

হৃদয়ের সঙ্গে গড়েছিলেন গুরুত্বপূর্ণ একটি জুটি। বাংলাদেশ এখন মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন লিটন দাস। কিন্তু, গরম ও অতিরিক্ত আর্দ্রতার সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত পায়ের পেশিতে টান পড়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।

ইনিংসের মাঝামাঝি সময় থেকেই অস্বস্তিতে ভুগতে দেখা যায় লিটনকে। কখনও ভেজা তোয়ালে দিয়ে শরীর মুছেন, কখনও ঘাড়ে ভেজা রুমাল ঝুলিয়ে স্বস্তি খোঁজার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত পায়ের পেশিতে টান ধরার কারণে খুঁড়িয়ে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। তার পরিবর্তে বদলি ফিল্ডার হিসেবে মাঠে নামেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ ভালো শুরু করতে পারেনি। দলীয় মাত্র ২ রানে সৌম্য সরকার ফিরে যান। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম দ্বিতীয় উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন। কিন্তু পাওয়ার প্লের শেষ ওভারের শেষ বলে তামিম বিদায় নেয়ায় সেদিনের সেই জুটি ভাঙে।

অধিনায়ক শান্তও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তিনি ৫০ বলে ২৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে দলের পরিস্থিতি কিছুটা পরিবর্তন হয়। শুরুতে ধীরগতিতে খেললেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লিটন আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন এবং হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে গড়ে তোলেন ৯২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি।

কিন্তু ব্যক্তিগত অর্ধশতকের খুব কাছাকাছি পৌঁছে পেশিতে টান পড়ায় মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে। এতে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হলেও হৃদয় দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলের রান এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪০ দশমিক ৩ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২০৬ রান। তাওহীদ হৃদয় ৬২ রান এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ২৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন।

অন্যদিকে, ম্যাচটির জন্য বাংলাদেশ একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে। চোটে পড়া মেহেদী হাসান মিরাজের পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন শেখ মেহেদী হাসান। প্রায় তিন বছরের ব্যবধান পর তিনি ওয়ানডে দলে ফিরলেন। অন্যদিকে বিশ্রামে থাকা নাহিদ রানার জায়গায় একাদশে ফিরেছেন শরিফুল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মা-মেয়েকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মুন্সীগঞ্জে গ্রেপ্তার ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


মা-মেয়েকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মুন্সীগঞ্জে গ্রেপ্তার ১

মুন্সীগঞ্জ শহরের জমিদারপাড়া এলাকায় মা এবং তাঁর মেয়েকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় যুবক মো. শান্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার সময়, এই ঘটনাটি শহরের জমিদারপাড়া এলাকায় সৌদি আরব প্রবাসী জনি ইসলামের বাড়িতে সংঘটিত হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন— জনি ইসলামের স্ত্রী রিতা মণি ইসলাম (৩০) এবং তাঁদের মেয়ে জান্নাতুল ইসলাম রিধি (১১)। আহতদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য দ্রুত উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই, পুলিশ অভিযুক্ত মো. শান্তকে হেফাজতে নেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%