মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৩:৪০ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মো: তৌহিদ আহম্মেদ শামীম (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ সোমবার (২০ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন দ্বারিয়াপুর খরবোনা গ্রামস্থ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেফতারকৃত শামীম চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের দ্বারিয়াপুর খরবোনা গ্রামের মো: ইউসুফ আলী বিশুর ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (ডিডি) চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা কার্যালয়ের একটি আভিযানিক দল দ্বারিয়াপুর খরবোনা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আসামিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালের ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।
মাত্র ১৯ বছর বয়সে এই বিস্ময় বালক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। তবে শিরোপা জয়ের আনন্দের পাশাপাশি তার এক মজার প্রতিশ্রুতি ভক্তদের মাঝে আলোচনার সৃষ্টি করেছে, যা বিশ্বকাপ শুরুর আগে তিনি দিয়েছিলেন।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে একটি ভিডিওতে ইয়ামাল বলেছিলেন, "স্পেন যদি বিশ্বকাপ জেতে, তাহলে তিনি টানা তিন সপ্তাহ দাড়ি-গোঁফ কাটবেন না।" তিনি আরও বলেন, "শিরোপা জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ভক্তদের জন্য ১০০টি দামি বিটস হেডফোন উপহার দেবেন।"
স্পেন বিশ্বকাপ জিতেছে, তাই এখন ভক্তদের সামনে কেবল একটি প্রশ্ন, কবে ইয়ামাল তার সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করবেন।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের জয়ে ইয়ামালের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। শিরোপা জয়ের পাশাপাশি তিনি একাধিক রেকর্ড স্থাপন করেছেন। মাত্র ১৯ বছর ৬ দিন বয়সে তিনি বিশ্বকাপজয়ী ইতিহাসের চতুর্থ সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হয়েছেন।
বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলারও বর্তমানে ইয়ামাল। তার আগে রয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলে, যিনি ১৯৫৮ সালে ১৭ বছর ২৪৯ দিন বয়সে ফাইনাল খেলেছিলেন এবং ইতালির জুসেপ্পে বারগোমি, যিনি ১৮ বছর ২০১ দিন বয়সে ১৯৮২ সালে এই কীর্তি গড়েন।
স্পেনের এই তরুণের হাতে রয়েছে আরও একটি অনন্য রেকর্ড। ইতিহাসের প্রথম টিনএজার হিসেবে একই সঙ্গে উয়েফা ইউরো ও ফিফা বিশ্বকাপ দুই শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব তিনি দেখিয়েছেন।
চলতি বিশ্বকাপে শুরুতে চোটের সঙ্গে লড়াই করলেও পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে তিনি তার সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করে দলের শিরোপা জয়ে ইয়ামাল গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
এখন মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ভক্তদের মনোযোগ মাঠের বাইরেও। তিন সপ্তাহ দাড়ি-গোঁফ না কাটার প্রতিশ্রুতি এবং ১০০টি বিটস হেডফোন উপহার, এই দুটি ঘোষণার বাস্তবায়ন কবে করবেন, সেটিই ফুটবলপ্রেমীদের জন্য দেখার অপেক্ষার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের উৎসবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন লামিন ইয়ামাল নন, বরং তাঁর তিন বছর বয়সী ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষে যখন স্পেনের ফুটবলাররা ট্রফি নিয়ে উদযাপনে ব্যস্ত, তখন স্টেডিয়ামের অসংখ্য ক্যামেরা ঘুরে যায় ছোট্ট কেইনের দিকে।
টুর্নামেন্টজুড়েই গ্যালারিতে কেনের নানা অভিব্যক্তি ও দুষ্টুমির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফাইনালের পর মাঠে নেমে খেলোয়াড়দের সঙ্গে উদযাপন, ফুটবল নিয়ে ছোটাছুটি এবং বিভিন্ন মজার মুহূর্তে দর্শকদের মন জয় করে নেয় সে।
এক পর্যায়ে মাঠে দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে খুনসুটিতে মেতে ওঠে কেন। ওই কর্মকর্তা নিজের টুপিটি খুলে ছোট্ট ভক্তের মাথায় পরিয়ে দিলে মুহূর্তটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই মজা করে বলছেন, বিশ্বকাপ জয়ের রাতে লামিন ইয়ামালের জনপ্রিয়তাকেও ছাপিয়ে গেছে তাঁর ছোট ভাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ তাকে আখ্যা দিচ্ছেন ‘ফ্যান অব দ্য ম্যাচ’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ঘোষিত ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’ কর্মসূচির কারণে। সোমবার (২০ জুলাই) হাজারো শিক্ষার্থী ও তরুণ বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে নিষেধাজ্ঞা ও নিরাপত্তা ব্যারিকেড অতিক্রম করতে গেলে পুলিশকে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করতে হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে।
আন্দোলনের মূল কারণ হলো মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় ‘নিট’-এ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি। সকালে সেন্ট্রাল দিল্লির যন্তর মন্তরে হাজার হাজার তরুণ আন্দোলনকারী জড়ো হতে শুরু করেন। তারা মিছিল নিয়ে পার্লামেন্টের দিকে এগোতে চাইলে, নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হন।
পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য মধ্য দিল্লির বেশ কিছু এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। পরিস্থিতি বেশি উত্তপ্ত হলে ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে একটি জরুরি বার্তায় সমর্থকদের শান্ত ও অহিংস থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, আপনাদের যদি বিভিন্ন পয়েন্টে আটকে দেওয়া হয়, তবুও শান্ত থাকুন এবং শান্তি বজায় রাখুন। কারণ আমরা কেবল শান্তি ও ভালোবাসার পথেই জয়ী হতে পারবো।
এর আগে রোববার (১৯ জুলাই) দিল্লি পুলিশ এই পদযাত্রার অনুমতি বাতিল করে এবং পুরো এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েতের ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বার্তা প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, অনুমোদিত যন্তর মন্তর এলাকা ছাড়া কোথাও মিছিল, শোভাযাত্রা বা বিক্ষোভ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নির্দেশ অমান্য করলে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দিল্লি পুলিশ দেশের সব নাগরিককে আইন মেনে চলতে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতার আহ্বান জানায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায়, শিক্ষক ইমাম হোসেন রাজনকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মিলন মোল্লা (৩৮)-কে যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮ এবং কালকিনি থানা পুলিশ। শনিবার (১৯ জুলাই) রাতে, রাজধানী ঢাকার একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ এবং কালকিনি থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল যৌথ অভিযান পরিচালনা করে রাজধানীর একটি এলাকায়। অভিযানে, মামলার প্রধান আসামি মিলন মোল্লাকে সফলভাবে গ্রেপ্তার করা হয়।
স্থানীয় সূত্র এবং মামলার তথ্য থেকে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে কালকিনি উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ইমাম হোসেন রাজনের ওপর পূর্ব শত্রুতা এবং স্থানীয় বিরোধের কারণে, ওত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা শিক্ষককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এরপর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার পর, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠতে থাকে। এ ঘটনায়, আহত শিক্ষকের পরিবারের পক্ষ থেকে কালকিনি থানায় মিলন মোল্লাকে প্রধান আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর থেকেই আসামি আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কালকিনি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বেলাল হোসেন বলেন, “শিক্ষক ইমাম হোসেন রাজনের ওপর হামলার ঘটনার পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর ছিল। র্যাব-৮-এর সহযোগিতায় পরিচালিত যৌথ অভিযানে প্রধান আসামিকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে, তাকে মাদারীপুর জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ