ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হলুদ কার্ডের কারণে ব্রাজিলের বিপুল জরিমানা, নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় দুই তারকা


হলুদ কার্ডের কারণে ব্রাজিলের বিপুল জরিমানা, নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় দুই তারকা

২০২৬ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জন্য লড়াই শুধুমাত্র মাঠের মধ্যে নয়, বরং আর্থিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খেলোয়াড়দের দেওয়া হলুদ কার্ডের কারণেই ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) ইতোমধ্যেই ফিফার কাছে ৭০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানা পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমান বিনিময় হার অনুসারে, এই জরিমানার পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৭ লাখ টাকারও বেশি হয়ে গেছে।

ফিফার শৃঙ্খলা বিধির ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিশ্বকাপে কোনো খেলোয়াড় যদি হলুদ কার্ড দেখেন, তবে সংশ্লিষ্ট জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে ১০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানা দিতে হয়। এই নিয়ম ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ থেকেই কার্যকর হয়েছে।

ফিফার দ্বারা নির্ধারিত জরিমানার হার হচ্ছে: হলুদ কার্ডের জন্য ১০,০০০ সুইস ফ্রাঁ (যার বাংলাদেশি প্রায় ১৫ লাখ ৩৪ হাজার টাকা), দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের কারণে লাল কার্ডের জন্য ১৫,০০০ সুইস ফ্রাঁ (বাংলাদেশি প্রায় ২৩ লাখ ১ হাজার টাকা), এবং সরাসরি লাল কার্ডের জন্য ২০,০০০ সুইস ফ্রাঁ (বাংলাদেশি প্রায় ৩০ লাখ ৬৮ হাজার টাকা)।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

রাউন্ড অব ১৬ নিশ্চিত করার আগে ব্রাজিল মোট সাতটি হলুদ কার্ড পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে মরক্কোর বিপক্ষে ইবানিয়েজ ও কাসেমিরো, হাইতির বিপক্ষে ডগলাস সান্তোস এবং স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দানিলো ও ফাবিনিহো হলুদ কার্ড দেখেছেন। পরে রাউন্ড অব ৩২-এ জাপানের বিপক্ষে কাসেমিরো ও দানিলো আরও একটি করে হলুদ কার্ড পান।

তবে এই হলুদ কার্ডগুলোর কারণে ব্রাজিলের কোনো খেলোয়াড়কে রাউন্ড অব ১৬-এর ম্যাচ মিস করতে বাধ্য হতে হবে না। কারণ, এসব কার্ডের জন্য শুধুমাত্র আর্থিক শাস্তি প্রয়োগ হবে।

তবে দানিলো ও কাসেমিরো এখন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রয়েছেন। তারা যদি রাউন্ড অব ১৬ বা কোয়ার্টার ফাইনালে আরেকটি হলুদ কার্ড দেখেন, তবে তাদের পরবর্তী ম্যাচে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে।

৪৮ দলের নতুন বিশ্বকাপ ফরম্যাটে হলুদ কার্ডের নিয়মেও পরিবর্তন এসেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপ পর্ব শেষে এবং কোয়ার্টার ফাইনালের পরে সব হলুদ কার্ডের হিসাব মুছে ফেলা হবে। এর ফলে নকআউট পর্বের শুরুতে সমস্ত খেলোয়াড় নতুনভাবে কার্ডের হিসাব নিয়ে খেলবে। আবার, যদি কোনো দল সেমিফাইনালে পৌঁছে, তবে তাদের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত পাওয়া হলুদ কার্ড আর থাকবে না।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

উল্লেখ্য, ফিফার এই জরিমানার অর্থ সংশ্লিষ্ট জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে পরিশোধ করতে হয়। এটি বিশ্বকাপে দলের অর্জিত পুরস্কারের অর্থ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাটানো হয় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সব উপজেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৫ পি.এম


সব উপজেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানিয়েছেন, সব উপজেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট স্থাপন করা হবে।

তিনি শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে কৃষকদের মাঝে বীজ, লেবুর চারা ও সার বিতরণ শেষে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, "শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নয়, জনগণের সার্বিক কল্যাণে সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয়ও সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সেলাই মেশিন, হুইলচেয়ার বিতরণসহ জনগণের সার্বিক উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর।"

তিনি আরো বলেন, "আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের সব ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। কিডনি রোগের চিকিৎসার জন্য যেন আর কাউকে ঢাকায় যেতে না হয়, সে লক্ষ্যে দেশের সব উপজেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট স্থাপন করা হবে।"

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম. এ. মুহাইমিন আল জিহান, জেলা বিএনপির সহসভাপতি সরদার তোফাজ্জল হোসেন লিয়াকত, উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজিব মিয়া, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুনা আক্তারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

পরে উপজেলা মিলনায়তনে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে আর্থিক প্রণোদনা, ঢেউটিন ও শুকনো খাবার বিতরণ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির কফিনের ওপর লাল পতাকার অর্থ কী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ পি.এম


খামেনির কফিনের ওপর লাল পতাকার অর্থ কী

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কফিনের ওপর ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারের লাল পতাকা আচ্ছাদন করা হয়েছে। এই লাল পতাকাটি ইমামের পবিত্র মাজার থেকে আনা হয়েছে এবং এটি শোকানুষ্ঠানের অন্যতম প্রতীকী অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) সাতদিনব্যাপী শোক ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। এর আগে, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে খামেনির লাশ গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয়েছিল। আজ আনুষ্ঠানিকতার শুরুতেই খামেনির কফিনে লাল পতাকা রাখা হয়। ঘোষিত কর্মসূচির অধীনে, আগামী ৯ জুলাই মাশহাদের ইমাম রেজা (আ.)-এর পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে খামেনির দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। লাল পতাকাটি সম্পর্কে মধ্যপ্রাচ্য ও ইসলামি রাজনীতি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এবং যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাদের হাশেমি বলেন, শিয়া বিশ্বাসে লাল পতাকাটি ইমাম হুসাইন (আ.)-এর আত্মত্যাগ ও শাহাদাতের প্রতীক। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইমাম হুসাইন (আ.), যিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র, ৬৮০ খ্রিস্টাব্দে কারবালার যুদ্ধে শহীদ হন। শিয়া মুসলিমদের কাছে তার শাহাদাত ন্যায়বিচার, আত্মত্যাগ ও জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সর্বোচ্চ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। নাদের হাশেমির মতে, খামেনির কফিনে ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারের লাল পতাকা রাখা মানে হলো ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র তার মৃত্যুকে কারবালার শাহাদাতের ঐতিহাসিক বর্ণনার সঙ্গে প্রতীকীভাবে যুক্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ‘কারবালায় ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শাহাদাত শিয়া মুসলমানদের জন্য একটি গভীর নৈতিক ও ধর্মীয় অনুপ্রেরণার উৎস। তাই ইসলামি প্রজাতন্ত্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর সঙ্গে সেই ঐতিহাসিক শাহাদাতের একটি প্রতীকী তুলনা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।’ ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত হন। একই হামলায় তার মেয়ে, নাতনি, জামাতা ও পুত্রবধূও নিহত হন। ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরে সামরিক উত্তেজনা ও সংঘাত চলতে থাকায় খামেনির দাফন অনুষ্ঠান কয়েকবার পিছিয়ে দেয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোটরসাইকেলে এসে তরুণীকে গু'লি করে পালাল তিন দুর্বৃত্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ পি.এম


মোটরসাইকেলে এসে তরুণীকে গু

খুলনা সদর থানাধীন রূপসা বেড়িবাঁধ এলাকায় ইতি (১৫) নামে একজন কিশোরীকেই লক্ষ্য করে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ ইতি রূপসা বেড়িবাঁধ এলাকায় বাস হৃদয়াদির জুলফিকার এর মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, মোটরসাইকেলে করে আসা হেলমেট পরিহিত দুই যুবক ইতিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিটি তার বাম পায়ে বিদ্ধ হয়ে অপর পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ঘটনাটির পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। তবে হামলার কারণ বা হামলাকারীদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

খুলনা থানার এসআই আব্দুস সাত্তার জানান, আহত ইতি নিজ বাড়ির সামনে অবস্থান করছিল। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে চড়ে আসা তিন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিটি সরাসরি তার পায়ে গিয়ে বিদ্ধ হয়। ঘটনার পরপরই দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে যায়। ঘটনাটির সাথে যারা জড়িত তাদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন ইরানের শীর্ষ নেতারা, তেহরানে লাখো মানুষের ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন ইরানের শীর্ষ নেতারা, তেহরানে লাখো মানুষের ঢল

 যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি শুক্রবার শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দেশটির শীর্ষ নেতারা। পাশাপাশি তাঁর মরদেহ যেখানে শায়িত রয়েছে, সেই তেহরানে শোকাহত মানুষ ও মিত্র দেশগুলোর প্রতিনিধিরা সমাগম করছেন।

তেহরান থেকে এএফপি জানায়, কর্তৃপক্ষের ধারণা, দাফনের আগে রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান ও শোভাযাত্রায় কয়েক কোটি মানুষ অংশগ্রহণ করবেন। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের শুরুতে চার মাস আগে নিজ বাসভবনে হামলায় ৮৬ বছর বয়সে খামেনি নিহত হন।

এএফপির প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, রাজধানীর বিশাল গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে শোকাহত মানুষ কাঁধে করে খামেনির কফিন বহন করছেন। তিন দশকের বেশি সময় ধরে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া খামেনির কফিন দেশটির জাতীয় পতাকায় মোড়ানো হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ফুটেজে শুক্রবার বিকেলে প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের কালিবাফকে খামেনির কফিনে শ্রদ্ধা জানাতে দেখা যায়।

সামরিক বাহিনীর আদর্শিক শাখা ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)’র প্রধান আহমাদ বাহিদিও ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিত হন।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের অবসানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ এবং আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।

শনিবারের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের আগে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস ও লেবাননের হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদলও শোকানুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছে।

প্রায় ৩০টি দেশের প্রতিনিধিরা শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার আশা করা হচ্ছে। চীন এবং ককেশাস অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলোও প্রতিনিধি পাঠানোর কথা বলেছে।

দেশপ্রেম ও খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এ বিশাল আয়োজন উপলক্ষে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিয়েছে তেহরান।

৬১ বছর বয়সী শিক্ষক এজ্জাত শোআই এএফপিকে বলেন, ‘রাজধানীর বাইরে থেকে যারা আসছেন, তাদের স্বাগত জানাতে আমরা আমাদের বাড়িঘর প্রস্তুত করেছি।’

তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আমরা সবাই মিলে আমাদের প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে যাব।’

‘প্রতিশোধের আহ্বান’

বৃহস্পতিবার কালিবাফ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সমস্ত ইরানি জনগণ তাদের উপস্থিতির মাধ্যমে ইসলামি ইরানের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় রচনা করুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিশোধের জন্য জাতির আহ্বান যেন পুরো বিশ্বের কানে পৌঁছে যায়।’

শেষকৃত্য উপলক্ষে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গ্র্যান্ড মোসাল্লার দেয়ালজুড়ে খামেনির প্রতিকৃতি ও উদ্ধৃতিসংবলিত ব্যানার টাঙানো হয়েছে।

রাজধানীর অন্য একটি বড় পার্ককে অস্থায়ী শিবিরে রূপান্তর করা হয়েছে। সেখানে রেড ক্রিসেন্টের শত শত তাঁবু স্থাপন করা হয়েছে।

খামেনির শেষযাত্রা যে আজাদি অ্যাভিনিউ দিয়ে যাবে, সেই সড়ক থেকে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকও সরানো হয়েছে।

শোকযাত্রীদের গরম থেকে স্বস্তি দিতে রাস্তায় পানি ছিটানোর জন্য ট্যাংকার মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি লাল পতাকায় সজ্জিত একটি প্রতীকী নৌকাও স্থাপন করা হয়েছে, যা শিয়া ঐতিহ্যের একটি প্রতীক।

খামেনির মরদেহ তিন দিন সাধারণ জনগণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। তার হামলায় নিহত পরিবারের সদস্যদের মরদেহও সেখানে রাখা হয়েছে।

তাদের মধ্যে রয়েছে তাঁর তিন বছর বয়সী নাতনির মরদেহও, যার কফিনও ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো।

তেহরানে ছুটি, শহর ছাড়ছেন অনেক বাসিন্দা

শেষকৃত্য ও দাফনের বিভিন্ন ধাপ উপলক্ষে তেহরান ছাড়াও পবিত্র শহর কোম ও মাশহাদে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত তেহরানের সরকারি ও বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে যান চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে শহরের কেন্দ্রীয় অংশের বড় এলাকা ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার থেকে তেহরানের আকাশসীমা আংশিক এবং সোমবার পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

তেহরানের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খামেনির মরদেহ ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। এরপর ৯ জুলাই তাঁর জন্মস্থান উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরের ইমাম রেজার মাজারে তাঁকে দাফন করা হবে।

সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে জনসমক্ষে না আসা খামেনির ছেলে ও উত্তরসূরি মোজতবা খামেনি মূল রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

অনুষ্ঠানের আগে এএফপির প্রতিনিধিরা জানান, সাধারণ সময়ের তুলনায় তেহরান অনেকটাই শান্ত। ব্যস্ত সড়কগুলোতেও স্বাভাবিক যানজট দেখা যায়নি।

প্যারিসে অবস্থানরত এএফপির সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা কয়েকজন তেহরানবাসী জানান, তারা শহর ছেড়ে যাচ্ছেন।

২৯ বছর বয়সী প্রযুক্তিকর্মী সাঈদ বলেন, ‘তেহরান থেকে বের হওয়ার সড়কগুলো গাড়িতে ভরে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘অনেকেই ইতোমধ্যে উত্তরাঞ্চলে চলে গেছেন। আমিও যাচ্ছি, কারণ শহরে থাকা এখন সত্যিই খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%