০৮:২৫ পি.এম
কুড়িগ্রামে অবস্থিত ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তবে এমন পরিস্থিতিতে এখনও সবকটি নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে, মঙ্গলবার দুপুর থেকে আবারো তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এটা দেখে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র নদ-নদীর অববাহিকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে।
স্থানীয় পাউবো জানাচ্ছে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গত ৪ দিন ধরে জেলার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি ক্রমাগত বাড়ছে। পানি বৃদ্ধি ও হ্রাসের মধ্যে থাকলেও গত রাতের পর আজ বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৬টা থেকে দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিকেলের দিকে নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে।
অন্যদিকে একই সময়ে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি ৭ থেকে ৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়ে গেছে। তবে বিকেলের দিকে তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করে এবং সেটিও এখন স্থিতিশীল আছে। যদি পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, তবে জেলার তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের অধিবাসীরা নতুন করে জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করছে।
আরও পড়ুন: শেরপুরে ‘প্রেসক্লাব নকলা’র কমিটি গঠন: সভাপতি রানা, সম্পাদক রিজন
পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জেলার ৩৬টি পয়েন্টে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। পাশাপাশি, নদীর অববাহিকার কিছু পাটক্ষেত ও ভুট্টা ও শাকসবজি ক্ষেতে পানি প্রবেশ করায় কৃষকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। এমনকি তিস্তা নদীর চরের উঠতি বাদাম খেতেও কিছু পানি উঠে গেছে, ফলে কৃষকরা তাদের নৌকায় করে সে ফসল ঘরে তুলছেন।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানাচ্ছেন, উজানে ও জেলায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আগামী তিন দিন জেলার নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনাও রয়েছে। এর ফলে এই নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন