মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:১৪ পি.এম
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে কার্যকর সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব স্পষ্ট করা এবং আইন বাস্তবায়নে জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়গুলোতে বক্তারা বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা)-এর উদ্যোগে ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন: বর্তমান প্রেক্ষিত ও সরকারের অঙ্গীকার’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিসচার মহাসচিব লিটন এরশাদ।
বৈঠকের শুরুতে কানাডা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নিসচার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিরাজুল মইন জয় বলেন, “সড়কে নিরাপত্তা সংহত করতে নিসচার স্বপ্নদ্রষ্টা ইলিয়াস কাঞ্চনের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই আইন। আমরা সরকারকে সাধুবাদ জানাই সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। আশা করি, আজকের গোলটেবিল বৈঠকের সারসংক্ষেপ ও অংশীজনদের মতামতের আলোকে ২০২৭ সালের মধ্যেই সড়ক নিরাপত্তা আইন বাস্তবায়িত হবে।”
এরপর লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন নিসচার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে লন্ডনে চিকিৎসাধীন থাকলেও নিরাপদ সড়কের আন্দোলনের প্রতি তাঁর মন পড়ে আছে জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রিয় দেশ থেকে দূরে থাকলেও আমার মন পড়ে আছে নিরাপদ সড়কের আন্দোলনের কাছে। আমার অসুস্থতার সময়ে যাঁরা খোঁজ নিয়েছেন এবং সুস্থতার জন্য দোয়া করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই।”
নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের ইতিহাসকে স্মরণে রেখে তিনি আরও বলেন, “নিসচার ইতিহাস কোনো ব্যক্তির একার নয়, এটি সড়কে স্বজন হারানো মানুষ ও দেশবাসীর সম্মিলিত ইতিহাস। তাই নিসচাকে তার ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন করা বা এর অবদান আড়াল করার যেকোনো প্রচেষ্টা আমি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। যারা ইতিহাস নিয়ে কথা বলবেন, তাঁরা যেন তথ্য, নথি ও সত্যের ভিত্তিতে কথা বলেন।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত ৩৩ বছর ধরে নিসচা জনসচেতনতা তৈরি ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধের দাবি জানিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ স্লোগান ধারণ করে ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাস্তবায়িত হয়। বর্তমানে প্রস্তাবিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের উদ্যোগকে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলে মনে করে নিসচা।
গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন— বিআরটিএ চেয়ারম্যান হাবীবুর রহমান, বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মীর আহমেদ তারিকুল ওমর, বিএফইউজে-এর মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, বুয়েটের অধ্যাপক ও সড়ক বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল হক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আইয়ুব ভুঁইয়া, হাইওয়ে পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অপারেশন্স) মুনতাসিরুল ইসলাম পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি, ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, সাবেক সচিব ড. শরীফুল আলম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব খালেদ মাহমুদ, সড়ক বিশেষজ্ঞ তাইফুর রহমান, আইইউবি-এর ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরান উল বাসেত এবং বিআরটিএর পরিচালক (রোড সেফটি) মো. জিয়াউর রহমানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
আলোচনায় বক্তারা উল্লেখ করেন, সড়ক দুর্ঘটনা একটি বিচ্ছিন্ন সমস্যা নয়; বরং এটি পরিবহন ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো, আইন প্রয়োগ, চালকের প্রশিক্ষণ, যাত্রীসচেতনতা এবং সংস্থাগুলোর পারস্পরিক সমন্বয় ও জবাবদিহির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। দুর্ঘটনা কমাতে বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপের পরিবর্তে একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।
বৈঠকে দুর্ঘটনা রোধে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
শক্তিশালী ডেটা সেল গঠন: দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা, কারণ, হতাহতের সংখ্যা, যানবাহনের ধরন ও আইন লঙ্ঘনের তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের জন্য একটি কার্যকর ‘রোড সেফটি ডেটা সেল’ গড়ে তোলা।
প্রশাসনিক সমন্বয়: বাংলাদেশ ও ভারত ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো সড়কপথ, নৌপথ, রেলপথ ও বিমানপথ একই মন্ত্রণালয়ের আওতায় এনে সমন্বিত পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিবেচনা করা।
নিরাপদ ব্যবস্থা পদ্ধতি (Safe System): জাতিসংঘের ঘোষিত নিরাপদ ব্যবস্থা পদ্ধতি অনুসরণ করে গতি নিয়ন্ত্রণ, চালকের প্রশিক্ষণ ও কর্মপরিবেশ, যানবাহনের নিরাপত্তা এবং পথচারী সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
আইনের বাস্তবায়ন ও তদারকি: সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮-এর বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করে প্রস্তাবিত আইনে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, নিয়মিত তদারকি এবং অগ্রগতি প্রকাশের ব্যবস্থা রাখা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নিসচার পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিগত ৩৩ বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবং প্রস্তাবিত সড়ক নিরাপত্তা আইন পর্যালোচনা ও অংশীজনদের মতামত বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে নিসচা সবসময় সমন্বিতভাবে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার বটিয়াঘাটায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়েছেন সোহেল শেখ (৩৬) নামে একজন সাবেক ছাত্রদল নেতা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২টার সময় বটিয়াঘাটা থানাধীন বড় কড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
সোহেল শেখ গনি শেখের ছেলে এবং তিনি ৭ নম্বর আমিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোহেল শেখ একটি মোটরসাইকেলে বসেছিলেন। সেই সময়ে দুটি মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। গুলির আঘাতে সোহেলের ডান হাত এবং পেটের ডান পাশে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র এই বিষয়ে জানান, আহত সোহেল পারভেজ ওরফে সোহেল শেখের বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টাসহ মোট ১১টি মামলা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ী শহরের পান্না চত্বরসংলগ্ন পৌর ইউ মার্কেটের সামনে প্রকাশ্যে দিবালোকে আমির হোসেন লিটন নামে এক ব্যবসায়ী নেতাকে গুলি করে পালিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। গুলিবিদ্ধ লিটনকে প্রথমে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
লিটন রাজবাড়ী সদর উপজেলার বৃচাত্রা গ্রামের আবুল হোসেনের পুত্র। তিনি বাণীবহ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছেন।
লিটন জানিয়েছেন, রাজবাড়ী আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিয়ে সঙ্গী হাসুকে নিয়ে রিকশাযোগে কাপড় বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পান্না চত্বর পার হয়ে ইউ মার্কেটের কাছে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি অটোরিকশা তাদের রিকশার গতিরোধ করে। এ সময় অটোরিকশার ভেতর থেকে তার দিকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এর মধ্যে একটি গুলি তার ডান হাতে লাগে এবং অন্যটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
ঘটনাস্থলের পাশে অবস্থিত এক দোকানদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, গুলি করে সন্ত্রাসী ইংলিশ মার্কেটের দিকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
আহত লিটনের সঙ্গী হাসু জানিয়েছেন, একটি গুলি তার পেট ঘেঁষে চলে গেছে।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস জানিয়েছেন, এক্স-রে করে দেখা গেছে, গুলিটি লিটনের হাতের মাংসপেশিতে আটকে রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রাজবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সুমন মিয়া জানিয়েছেন, লিটনকে হত্যার উদ্দেশ্যে কেউ সন্ত্রাসী ভাড়া করেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের কয়েকটি দল মাঠে কাজ করছে। তিনি আরো বলেন, ‘যে চিহ্নিত সন্ত্রাসী তাকে গুলি করেছে, তার নাম আমরা পেয়েছি। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই তা প্রকাশ করা যাচ্ছে না।’
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) পরিবহন সংকটের সমাধানে আগামী ১ নভেম্বর থেকে বিআরটিসি’র দুটি ডাবল ডেকার বাস চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন এবং বিআরটিসির বরিশাল ডিপোর ম্যানেজার মো. জুলফিকার আলী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. সাইফুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, পরিবহন পরিচালক মো. আব্দুর রহিম, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক ড. রাহাত মাহমুদ এবং বিআরটিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর বরিশাল ডিপো থেকে একটি ডাবল ডেকার বাস পরীক্ষামূলকভাবে পবিপ্রবিতে আনা হয়। বরিশাল-পবিপ্রবি রুটে বাস চলাচলের উপযোগিতা যাচাইয়ের পর নিয়মিত পরিবহনসেবা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগে শিক্ষার্থীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশা, বাস দুটি চালু হলে যাতায়াতের ভোগান্তি কমবে এবং দীর্ঘদিনের পরিবহন সংকটের সমাধানে অগ্রগতি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইল, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : চলতি মওসুমে জেলার ৩ উপজেলায় রোপা আমন ধানের ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া এবং কৃষকদের কঠোর পরিচর্যায় কৃষকরা ইতোমধ্যে পাকা আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু করেছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, চলতি মওসুমে ৩ উপজেলায় রোপা আমন ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৩ হাজার ৪শ’ ৬৫ হেক্টর জমিতে। কৃষি বিভাগের তৎপরতা এবং কৃষকদের আগ্রহের ফলে ৪৩ হাজার ৬শ’ ৭৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের চাষাবাদ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২শ’ ১০ হেক্টর বেশি জমিতে আমন আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭শ’ ৯১ মেট্রিক টন চাল।
নড়াইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিপু মজুমদার বাসসকে জানান, সদর উপজেলায় ২০ হাজার ১শ’ ৪০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, কিন্তু আবাদ হয়েছে ২০ হাজার ১শ’ ৬৩ হেক্টর জমিতে। লোহাগড়া উপজেলায় ১১ হাজার ২শ’ ৬৫ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে ১১ হাজার ৪শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে। কালিয়া উপজেলায় ১২ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে ১২ হাজার ৬২ হেক্টর জমিতে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের উপ-পরিচালক (ডিডি) মুহাম্মদ আরিফুর রহমান বাসসকে বলেন, কৃষকদের বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা দেয়ার ফলে প্রতিবছর তারা রোপা আমন চাষাবাদে আগ্রহী হচ্ছেন। আমন ধান কাটা শেষে কৃষকরা বোরো ধান ও সরিষাসহ অন্যান্য রবি শস্য চাষাবাদের প্রস্তুতি নেবেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে আমনের অধিক ফলন হবে বলে জানান ডিডি মুহাম্মদ আরিফুর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ