ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান রাসিক প্রশাসকের


জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান রাসিক প্রশাসকের

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন।

আজ বুধবার দুপুরে নগরীর একটি হোটেলে দ্য আর্থ সোসাইটি আয়োজিত গ্রিন ভয়েস প্রকল্পের আওতায় উচ্চ পর্যায়ের সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাসিক প্রশাসক বলেন, বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অবক্ষয়। এই বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সরকার, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ, যুব সমাজ এবং বেসরকারি খাতকে একযোগে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

অনুষ্ঠানে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এক বছরে আড়াই লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বর্তমানে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এর পাশাপাশি পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে বনায়ন ও পাখির অভয়ারণ্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতের বিকাশ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরো বলেন, রাজশাহীকে কেবল নামেই ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ নয়, বরং সত্যিকার অর্থে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন এবং পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়ক বিভাজকগুলোতে বৃক্ষরোপণ, সৌন্দর্যবর্ধন এবং সড়কবাতির উন্নয়নসহ নানামুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তবে, এসব উদ্যোগ সফল করতে জনসচেতনতা ও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করলে রাজশাহী আরো বেশি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরীতে পরিণত হবে। পরিবেশ ও জলবায়ু সুরক্ষায় সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

জলবায়ু নীতিতে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ নিয়ে নীতিনির্ধারক ও যুব নেতাদের মধ্যকার এই বিভাগীয় সংলাপে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি প্রণয়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারী ও তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে গ্রিন ভয়েস প্রকল্পের অর্জন, অভিজ্ঞতা এবং নীতিগত সুপারিশ তুলে ধরার পাশাপাশি জলবায়ু নীতিতে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে দ্য আর্থ সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেনসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীতিমালা মেনে চলতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য অধিদফতরের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২২ পি.এম


নীতিমালা মেনে চলতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য অধিদফতরের আহ্বান

তথ্য অধিদফতর নিবন্ধনকৃত গণমাধ্যমসমূহকে নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

এ ক্ষেত্রে তা ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে প্রচলিত বিধি-বিধানের আওতায় আনতে সরকার বাধ্য হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

বুধবার এক তথ্য বিবরণীতে এ আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, যে কোনো সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই, পেশাদারী দায়িত্বশীলতা নিশ্চিতকরণ এবং ফ্যাক্ট চেক করা গণমাধ্যমের জন্য একটি অবশ্য পালনীয় কর্তব্য।

তথ্য বিবরণীতে আরও বলা হয়, দেশের সকল গণমাধ্যমকে (সংবাদপত্র, টেলিভিশন, বেতার, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, দৈনিক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, আইপি টিভি) তাদের স্বাক্ষরিত ডিক্লারেশন ও নিবন্ধনের নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

সম্প্রতি লক্ষ্য করা গেছে, সরকারি নিবন্ধন ও ডিক্লারেশনপ্রাপ্ত কিছু গণমাধ্যম ভুল তথ্য, অপতথ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্টসহ অসত্য খবর পরিবেশন করছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

এ ধরনের কর্মকাণ্ড বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মূলনীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ইতোমধ্যে অসত্য সংবাদ প্রকাশের জন্য কিছু গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষ ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমে সংশোধনী প্রকাশ করা হয়েছে।

তথ্য অধিদফতর মনে করে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনির্ভরযোগ্য উৎসকে সংবাদের সূত্র হিসেবে ব্যবহার করার কারণে অনেক গণমাধ্যম বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছে।

ফলে অপতথ্য ও বিকৃত কনটেন্ট মূলধারার গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। এ কারণেই যেকোনো সংবাদ প্রচারের আগে ফ্যাক্ট চেক করা বৈধ গণমাধ্যমের জন্য অপরিহার্য ও অবশ্য পালনীয় বলে। তাই বেনামী, ভুয়া কিংবা অনিবন্ধিত কোনো মাধ্যমকে সংবাদের উৎস হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সকল বৈধ গণমাধ্যমকে তথ্য অধিদফতর সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন ইরানের ‘রহস্যময়’ পিকঅ্যাক্স পর্বতকে লক্ষ্যবস্তু করতে চান ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৫ পি.এম


কেন ইরানের ‘রহস্যময়’ পিকঅ্যাক্স পর্বতকে লক্ষ্যবস্তু করতে চান ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা নতুন এবং অনিশ্চিত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের রহস্যময় পারমাণবিক স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এর ওপর হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছেন।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর, আন্তর্জাতিক মহলে স্থাপনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। নানা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এটিকে ইরানের অন্যতম সুরক্ষিত এবং দুর্ভেদ্য পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন কোথায় অবস্থিত? ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত একটি পাহাড়ি এলাকা, যেখানে দুটি ভূগর্ভস্থ টানেল কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়েছে পাহাড়ের গভীরে। এই স্থাপনাটি শত শত মিটার পুরু কঠিন গ্রানাইট শিলার নিচে অবস্থিত, যার কারণে প্রচলিত বাঙ্কার-ভেদী শক্তিশালী বোমা দিয়েও এটি পুরোপুরি ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন বলে মনে করা হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, পাহাড়ের গভীরে এই স্থাপনা নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য হলো বিমান হামলা থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে সুরক্ষা দেওয়া।

এই স্থাপনা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-মনিটর-এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সন্দেহ রয়েছে যে ইরান এখানে একটি গোপন, ঘোষণাবহির্ভূত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নির্মাণ করছে, যা দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য কৌশলগত বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

তবে তেহরান এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। তাদের দাবি, ২০২০ সালে শুরু হওয়া নির্মাণকাজের উদ্দেশ্য হলো উন্নতমানের সেন্ট্রিফিউজ সংযোজন ও উৎপাদনের জন্য একটি নিরাপদ শিল্প স্থাপনা তৈরি কৰা; সেখানে গোপন পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে না।

ট্রাম্পের হুমকি সম্পর্কিত বক্তব্যে, মার্কিন রেডিও উপস্থাপক হিউ হিউইটকে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমরা পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন ধ্বংস করব। ইরানিদের প্রস্তুত থাকতে বলুন।” এরপর তিনি দাবি করেন, “আমরা পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের ওপর খুব নিবিড় নজর রাখছি। সেখানে এখন কোনও উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম দেখছি না। তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। যখনই আমরা কিছু শুনি, তখনই সেটি ধ্বংস করে দিই। তাই তারা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চায় না। খুব শিগগিরই পিকঅ্যাক্সেও হামলা হতে পারে।”

তবে ট্রাম্প তার দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

ট্রাম্পের এই হুমকির সাথে সাথে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় সামরিক অভিযান শুরু করে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, টানা তৃতীয় রাতের মতো পরিচালিত এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা। সেন্টকমের দাবি, পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে ‘নির্ভুল নির্দেশিত’ অস্ত্র ব্যবহার করে উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি এবং নৌ-সামরিক স্থাপনায় হামলা করা হয়েছে।

অন্য দিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যে আবার অস্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনছে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা কেবল আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

এছাড়া ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যেমন কিশ দ্বীপ, কেশম দ্বীপ, আবু মুসা দ্বীপ, বন্দর আব্বাস এবং জাম এলাকা। বার্তা সংস্থা ফার্স স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, এসব এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। মেহর নিউজ এজেন্সিও কিশ এবং কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর নিশ্চিত করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ইরনা জানায়, বন্দরে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন কিশ দ্বীপে দুটি বিস্ফোরণের কথা জানালেও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক তথ্য দেয়নি। মেহরের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের ওমিদিয়েহ শহরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। এছাড়া নূর নিউজ জানিয়েছে, সোমবার রাতের হামলার পর কিশ দ্বীপের বন্দরে তিনটি নৌযানে আগুন ধরে যায়।

কূটনীতির পথ কি এখনও খোলা? সামরিক উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে, ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি। হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুদ্ধ বন্ধে তেহরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা ‘অবশ্যই সম্ভব’। তবে, একই সময়ে ওয়াশিংটন নতুন সামরিক হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং ইরানের বন্দরের ওপর অবরোধও পুনর্বহাল করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে সামরিক চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি আলোচনার দরজা খোলা রাখার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ‘চাপ সৃষ্টি করে সমঝোতায় বাধ্য করার’ কৌশল অনুসরণ করছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা অধিক বলেই মনে করছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি সব সুবিধা মিলবে ‘ইউনিভার্সাল কার্ডে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৯ পি.এম


সরকারি সব সুবিধা মিলবে ‘ইউনিভার্সাল কার্ডে’

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘রাষ্ট্র যদি তার নাগরিকদের দায় মেটাতে ব্যর্থ হয়, তবে জনগণ এবং রাষ্ট্র উভয়ই দুর্বল হয়ে পড়ে।’ তাই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড, প্রবাসী কার্ড কিংবা ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় গুরুদের জন্য প্রদান করা বিশেষ কার্ডের মতো সুযোগ-সুবিধাগুলো জনগণের প্রতি রাষ্ট্রের কোনো করুণা বা দয়া নয়। বরং এটি রাষ্ট্রের পরম দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবেই ভবিষ্যতে আলাদা আলাদা সব কার্ডের সমন্বয়ে এই সর্বজনীন বা ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালু করা হবে। এটির মাধ্যমে নাগরিকরা একক পরিচয় ও কার্ডে সমস্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন।

বুধবার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এবং প্রথম বাজেট সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠিত অধিবেশনটির সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে দেশের কৃষিখাত, প্রান্তিক কৃষকদের অধিকার ও যন্ত্রণার কথা বিশদভাবে তুলে ধরেন। নিজেই একজন কৃষকের সন্তান হিসেবে স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এ দেশের অধিকাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত।’ এই বিশাল জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তি ছাড়া সামগ্রিক উন্নয়ন অসম্ভব। সে কারণেই বিগত জাতীয় নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দেশের আপামর কৃষকদের কাছে একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। প্রতিশ্রুতিটি ছিল, ‘যদি দলটি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠনে সক্ষম হয়, তবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বকেয়া থাকা সব কৃষকের কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করে দেওয়া হবে।’

প্রধানমন্ত্রী সংসদকে অবহিত করে বলেন, সরকার গঠন করার পর প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়েই এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রথম ও প্রধান সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সমগ্র বাংলাদেশে প্রায় ১৩ লাখ প্রান্তিক কৃষক, যাদের ঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ছিল, তাদের সুদসহ সম্পূর্ণ বকেয়া ঋণ সম্পূর্ণভাবে মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো কাগুজে পরিকল্পনা নয়, বরং ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে এর সুফল কৃষকরা ভোগ করতে শুরু করেছেন। সরকার পরিচালনার মূল লক্ষ্যই যে দেশের সাধারণ মানুষ, এই পদক্ষেপ তারই চাক্ষুষ প্রমাণ।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের একটি বড় অংশজুড়ে সামাজিক সুরক্ষামূলক কর্মসূচির গুরুত্ব এবং এই প্রক্রিয়ায় দেশের সব রাজনৈতিক শক্তির ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি সংসদকে জানান, ‘গতকাল যখন একজন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য দাঁড়িয়ে তার নিজ এলাকায় কবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে তা জানতে চান, তখন তিনি অত্যন্ত আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।’ ফ্যামিলি কার্ডের মতো কল্যাণমুখী সামাজিক পলিসিকে সমর্থন জানানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ বিরোধী দলের সব সংসদ সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাওলানা মামুনুল হকের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তার সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩১ পি.এম


মাওলানা মামুনুল হকের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তার সাক্ষাৎ

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা জেমস স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় বুধবার বেলা ১১টায় মাওলানা মামুনুল হকের কার্যালয়ে।

সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়। এসময় মামুনুল হক বাংলাদেশের রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কোন্নয়নে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-বিকেএমের ভূমিকা ও দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরেন।

আলোচনায় বিশেষভাবে বাংলাদেশের যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের সম্ভাব্য ক্ষেত্র এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ, চলমান সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং পারস্পরিক সম্মান, সমতা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে মতবিনিময় হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির আলোকে সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও গঠনমূলক সংলাপের ভিত্তিতে বিশ্বের সকল দেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমীন, আমিরে মজলিসের পররাষ্ট্র বিষয়ক সচিব ফারিদ খান এবং মার্কিন দূতাবাসে কর্মরত কামরুল হাসান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%