০৬:৫৫ পি.এম
ঢাকার পশ্চিম রামপুরায় একটি ৬ বছরের শিশু ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় নিরাপত্তা প্রহরীর নাম রাসেল মৃধাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান রিমান্ডের এ আদেশ প্রদানের পরিপ্রেক্ষিতে এই ঘটনা ঘটে।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মারুফ রেজা রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আরও পড়ুন: ‘সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, সবাই নাগরিক’ : আহমেদ সোহেল
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৯ টার দিকে পশ্চিম রামপুরার তাহেতি আক্তার তাসনিম ওরফে তাহেতি আক্তার তাসলিন নিখোঁজ হয়। রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বাসার পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে লিফটের নির্মাণাধীন ফাঁকা জায়গা থেকে পানির মধ্যে উপুর অবস্থায় তাসনিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় শিশুর বাবা লিটন পরদিন হাতিরঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর পুলিশ রাসেলকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে এবং তাকে কারাগারে পাঠায়। পরে তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫ মার্চ তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে তাসনিমকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়।
গত ১৩ জুন, রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মোহাম্মদপুর জোনাল টিমের এসআই জাহাঙ্গীর আলম।
আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য দিন ধার্য করে সোমবার।
আরও পড়ুন: দুদকের মামলায় সাবেক ফার্মাস ব্যাংক পরিচালক সিদ্দিকী নাজমুল আলম
এইদিন শুনানির সময় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। রাসেলের পক্ষে তার আইনজীবী জহির হোসেন রিমান্ড বাতিলের আবেদন করে জামিন প্রার্থনা করেন। এরপর আদালত তার তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, পাশের বাসার জিহাদের সাথে খেলতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হয় তাসনিম। শিশুটি ফিরে না আসায় তার মা খোঁজাখুঁজিতে লিপ্ত হন। পরে মাইকিংও করা হয়। রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বাসার কাছে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লিফটের নির্মাণাধীন ফাঁকা জায়গা থেকে পানির মধ্যে উপুর অবস্থায় তাসনিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এলাকাবাসীর উত্তেজিত লোকজন রাসেল মৃধাকে আটক করে। রাত ৯ টা থেকে রাত সাড়ে ১১ টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি/ব্যক্তিরা তাসনিমকে হত্যা করে লাশ ফেলে রাখে বলে অভিযোগ করেন শিশুটির বাবা লিটন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন