০১:৫৮ পি.এম
অডিওর মাধ্যমে অবস্থান ফাঁস হতে পারে, সেজন্য মোজতবা খামেনি রেকর্ড করা বার্তা দিচ্ছেন না, এমন রিপোর্ট দিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
ইরানের দৈনিক আল-মাশহারি উল্লেখ করেছে যে, অডিও রেকর্ডিং বিশ্লেষণ করে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মোজতবা খামেনির অবস্থান শনাক্ত করতে পারে—এমন আশঙ্কায় তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রবিবার পত্রিকাটি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানায়, খামেনির কোনো অডিও বার্তা এখন প্রকাশিত হচ্ছে না, এই কারণেই।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের প্রাণহানি
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, একটি অডিও রেকর্ডিং থেকেই অন্তত পাঁচটি ভিন্ন উপায়ে বক্তার অবস্থান চিহ্নিত করা সম্ভব।
প্রথমত, কক্ষের নিজস্ব শব্দগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে বোঝা যায় বক্তা কী ধরনের কক্ষে কথা বলছিলেন।
প্রতিটি স্থানের আলাদা আলাদা অ্যাকুস্টিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা বিশ্লেষণ করে বক্তার অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
এছাড়া, বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের বৈদ্যুতিক সংকেতও বিশ্লেষণ করা যায়। এটি রেকর্ডিংটি কখন করা হয়েছে এবং এটি কোন বিদ্যুৎ গ্রিডের আওতায় ছিল, তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন: ট্রাম্পের কিউবা পরিকল্পনা, ইরান থেকে ফেরার পথে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর ইঙ্গিত
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, প্রতিটি মাইক্রোফোন এবং রেকর্ডিং যন্ত্র অডিওতে আলাদা প্রযুক্তিগত ছাপ ফেলে। উদাহরণ হিসেবে, মোবাইল ফোনের মাইক্রোফোন সাধারণত নিম্ন কম্পাঙ্কের শব্দকে দুর্বল করে এবং স্বল্পমূল্যের যন্ত্রাংশ বিশেষ ধরনের বিকৃতি সৃষ্টি করে।
এই তথ্যগুলো ব্যবহার করে ব্যবহৃত যন্ত্র সম্পর্কে ভিত্তি করা সম্ভব।
এছাড়া, ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা, জেনারেটর, কুলিং সিস্টেম কিংবা আশপাশের অন্যান্য যন্ত্রপাতির শব্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে রেকর্ডিংয়ের সম্ভাব্য স্থান শনাক্ত করা সম্ভব বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সবশেষে, পত্রিকাটির দাবি করা হয়েছে যে, কণ্ঠস্বরের অনুরণন বিশ্লেষণ করে বক্তার শ্বাস-প্রশ্বাসের ধরন, শব্দের মধ্যে বিরতি, শারীরিক অবস্থা, হৃদস্পন্দন এবং মানসিক চাপের মাত্রা সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া সম্ভব।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বাবা-মেয়ের মৃত্যুর পর পুলিশের গাড়িতে হামলা ও বাসে আগুন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন