ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শান্তি প্রচেষ্টার ঘোষণার মধ্যেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা, একদিনে প্রাণ গেল ১৯ জনের


শান্তি প্রচেষ্টার ঘোষণার মধ্যেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা, একদিনে প্রাণ গেল ১৯ জনের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন শান্তি উদ্যোগের ঘোষণা দিলেও গাজায় থামেনি ইসরায়েলের সামরিক অভিযান। স্থানীয় সময় রোববার (০২ আগস্ট) ভোর থেকে অবরুদ্ধ উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর একাধিক বিমান ও ড্রোন হামলায় নির্বিচারে অন্তত ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে নারী ও শিশুও।

পশ্চিম গাজা সিটির আল-সৌসি টাওয়ারের একটি আবাসিক ভবনে চালানো বিমান হামলায় নিহত হন ৩৩ বছর বয়সী আবদুল্লাহ আবু তাইফ, তার ২৯ বছর বয়সী অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আবির আনান এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে আযযাম। এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছে আল-শিফা হাসপাতালের চিকিৎসা সূত্র।

হামলার ফলে অনেকেই আহতও হয়েছেন। খান ইউনিস শহরের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আল-কারারা এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় আল-হামস পরিবারের তিন সদস্য নিহত হন। তারা হলেন ৩৮ বছর বয়সী মাহমুদ আল-হামস, তার ৩৭ বছরের স্ত্রী ফাতিমা এবং তাদের কন্যাসন্তান। এ ঘটনাটিও নিশ্চিত করেছেন নাসের হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

আরও পড়ুন: কিশোর গ্যাংয়ের হামলার শিকার সাংবাদিক রুহেল, ঢামেক আইসিইউতে

মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকার কাছে নিজ বাড়িতে হামলার ফলে নিহত হয় ৬৮ বছর বয়সী কামু আবু মুয়াইলিক এবং তার ৫৯ বছরের স্ত্রী হুদা। একই এলাকায় মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় মারা যান দুই ভাই। উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে সরাসরি লক্ষ্য করে চালানো হামলায় আরো একজন ফিলিস্তিনি নিহত হন।

বিভিন্ন স্থানে হামলার ফলে আহতের সংখ্যাও বেড়ে গেছে। খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকার বাস্তুচ্যুতদের একটি তাঁবুতে হামলায় একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। গাজা সিটির পশ্চিম এলাকায় রেমাল নামক এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের একটি তাঁবুতে ড্রোন হামলায় দুজন নিহত হন। এছাড়া গাজা সিটিতে একটি গাড়িতে হামলায় আরো চারজনের প্রাণহানি ঘটে।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, ভোর থেকে শুরু হওয়া এসব হামলায় গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একদিনে সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দেইর আল-বালাহর আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের ওষুধের গুদামে ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বারশ জানান, চিকিৎসা সামগ্রী ধ্বংস করে ‘ওষুধ এবং রোগকেই যুদ্ধের অস্ত্রে পরিণত করা হচ্ছে।’ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছেন, হামলায় দুটি স্থাপনা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরো দুটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর জন্মদিনে জেরুজালেমে বিক্ষোভ, গাড়িবহরে বোতল নিক্ষেপ

গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান গাজার বিভিন্ন এলাকায় নিচু দিয়ে উড়ে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। এ হামলাগুলোর আগে বাসিন্দাদের কোনো সতর্কতা বা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়নি।

বেশিরভাগ হামলার লক্ষ্য ছিল আবাসিক ভবন, অ্যাপার্টমেন্ট এবং সাধারণ মানুষের সমাবেশস্থল। ইসরায়েলের দাবি, এসব স্থানে হামাস বা অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা অবস্থান করছিলেন। গত শনিবারও গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলায় অন্তত আটজন নিহত হন। শুক্রবারও পৃথক হামলায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ২০ দফা গাজা শান্তি পরিকল্পনার তত্ত্বাবধায়ক সংস্থা বোর্ড অব পিস এবং ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স শুক্রবার জানিয়েছে, হামাস যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নের একটি বিস্তারিত রূপরেখা গ্রহণ করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এ বিষয়ে ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এ প্রস্তাব নিয়ে ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, যুদ্ধবিরতির ঘোষণা থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলা এবং মানবিক সহায়তার ওপর বিধিনিষেধের কারণে যুদ্ধবিরতি কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়ছে।

আরও পড়ুন: কাতালোনিয়ায় ইসলামফোবিয়ার উত্থানে রাজনীতির সমীকরণ বদলে যাচ্ছে

তাদের মতে, এটি লেবানন ও গাজায় আগের যুদ্ধবিরতিগুলোর মতোই—যেগুলো কাগজে থাকলেও বাস্তবে কার্যকর হয়নি। কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ২০২৫ সালের অক্টোবরে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পর থেকে এখন পর্যন্ত গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, অন্তত ১ হাজার ২২২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং ৪ হাজার ৫৩ জন আহত হয়েছে।

প্রস্তাবিত চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। বিশেষ করে হামাসের নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে ধাপে ধাপে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের মুখপাত্র ডোরন স্পিলম্যান জানিয়েছেন, হামাস সম্পূর্ণভাবে অস্ত্র সমর্পণ না করা পর্যন্ত ইসরায়েল সেনা প্রত্যাহার করবে না। তাদের দাবি, হামাস ভবিষ্যতে আবারও সামরিক শক্তি পুনর্গঠনের চেষ্টা করবে।

এছাড়াও ইসরায়েল চায়, প্রয়োজনে গাজার ওপর সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নিশ্চয়তা থাকুক। কাতার ও তুরস্কের তদারকির ভূমিকা এবং হামাসের জব্দ করা অস্ত্র ধ্বংস করা হবে নাকি নতুন ফিলিস্তিনি প্রশাসনের কাছে সংরক্ষিত থাকবে-এসব বিষয়েও তাদের আপত্তি রয়েছে।

আরও পড়ুন: পশ্চিম তীরে বন্দুকযুদ্ধে দুই ফিলিস্তিনি নিহত, আহত ছয় ইসরায়েলি সেনা

অন্যদিকে, ইসরায়েলের জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন বলেছেন, আলোচনার সময় হামলা বন্ধ রাখার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তার দাবি, হামাস নিরস্ত্রীকরণে আন্তরিক নয়। প্রক্রিয়া ব্যর্থ হলে গাজার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া উচিত বলে তিনি মতামত দিয়েছেন।

হামাস অভিযোগ করেছে, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের পথে বাধা সৃষ্টি করতেই ইসরায়েল হামলা বাড়িয়েছে। সংগঠনটির দাবি, রোববার সকালে হামলায় ১৮ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং বহু পারিবারিক বাড়ি ধ্বংস হয়েছে। তারা মধ্যস্থতাকারী ও যুদ্ধবিরতির গ্যারান্টিদাতা দেশগুলোর কাছে ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আসছে।

গাজার জন্য বোর্ড অব পিস-এর প্রধান দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ বলেছেন, উত্তেজনা কমিয়ে শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে মধ্যস্থতাকারীরা ‘দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: ১ নভেম্বর থেকে ফোনে কলারের নাম-পরিচয় দেখা যাবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে অটোচালকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০২ পি.এম


নোয়াখালীতে পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে অটোচালকের মৃত্যু

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একটি মাছবাহী পিকআপ এবং অটোরিকশার মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় অটোরিকশার চালক নিহত হয়েছে। এছাড়া, যশোর ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত এক সেনাবাহিনীর সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।

এটি ঘটে সোমবার (৩ আগস্ট) ভোর বেলায়, যখন উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের কবিরহাট টু সোনাপুর সড়কের ইতালি মার্কেট এলাকায় প্রথমে মাছবাহী পিকআপটি সোনাপুরের দিকে যাচ্ছিল। সকাল সাড়ে ৫টার দিকে, পিকআপটি ইতালি মার্কেট এলাকায় পৌঁছানোর পর কবিরহাট থেকে আসা অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ দুর্ঘটনায় অটোরিকশাটি সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়ে যায়।

নিহত অটোরিকশা চালক মো. আমিনুল হক (৩০) ছিলেন। তিনি উপজেলা ঘোষবাগ ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাদিয়া গ্রামের নুর নবীর ছেলে। এই দুর্ঘটনায় আহত সেনাসদস্য সৈকত স্থানীয় বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি যশোর ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের পরে দ্রুত স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে সকাল ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমিনুল হককে মৃত ঘোষণা করেন। সৈকত এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া জানান, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্থানীয়দের আটক করে দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। তবে হতাহতের ঘটনার পর পিকআপের চালক ও তার সহকারী স্থান ত্যাগ করেছেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেরালায় ভারী বৃষ্টিতে প্রাণ গেল ১৫ জনের, নিখোঁজ ৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৬ পি.এম


কেরালায় ভারী বৃষ্টিতে প্রাণ গেল ১৫ জনের, নিখোঁজ ৭

ভারতের কেরালা রাজ্যে ভারী বৃষ্টি ও বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন ঘটনায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। 

এখনও নিখোঁজ রয়েছেন সাতজন। 

সোমবার (৩ আগস্ট) কেরালার মুখ্যমন্ত্রী ভি ডি সতীশান এ তথ্য জানিয়েছেন। রাজ্যের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। 

মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোট্টায়াম জেলায় তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। তাদের মধ্যে পুঞ্জার বিধানসভা কেন্দ্রের দুজন এবং পানির ট্যাঙ্কে পড়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

এ ছাড়াও এর্নাকুলামে দুজন, ইডুক্কি ও মুভাত্তুপুঝায় একজন করে, কোল্লামে দুজন, মালাপ্পুরমে চারজন, কান্নুরে একজন এবং কোঝিকোড়ে একজন মারা গেছেন। 

এখনও সাতজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে কোল্লামে দুজন, কান্নুরে দুজন, মালাপ্পুরমে একজন এবং ইডুক্কি ও মুভাত্তুপুঝায় একজন করে নিখোঁজ রয়েছেন। 

মুখ্যমন্ত্রী জানান, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে ৩১৬টি ত্রাণশিবির খুলে দেওয়া হয়েছে। এসব শিবিরে বৃষ্টি ও বন্যায় বাস্তুচ্যুত ১১ হাজার ১৮ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে বিশেষ অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৭ পি.এম


কাউখালীতে বিশেষ অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

পিরোজপুরের কাউখালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫০ গ্রাম গাঁজা ও ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) ভোর রাতে উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের পূর্ব বেতকা গ্রামের আবু সুফিয়ানের বাড়ির সামনের পাকা সড়ক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাউখালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ রহমত উল্লাহর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আমরাজুরী ইউনিয়নের সোনাকুর গ্রামের মৃত রমেশ চন্দ্র মাঝির ছেলে রণজিৎ চন্দ্র মাঝি (৫৫)-কে আটক করে। এই সময় তার কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা ও ১০ পিস হালকা কমলা রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত রণজিৎ চন্দ্র মাঝি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে সোমবার তাকে পিরোজপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাদকের কারণে যুবসমাজ বিপথগামী হচ্ছে। পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। তারা মাদক নির্মূলে কাউখালী থানা পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে কাউখালী থানা পুলিশের 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী কিংবা মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। মাদকমুক্ত কাউখালী গড়ে তুলতে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও কেরানীগঞ্জে আরও দুই ইয়াবা কারখানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও কাঁচামাল উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রতিবেদক মোঃ সাকিব ঢাকা

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও কেরানীগঞ্জে আরও দুই ইয়াবা কারখানার সন্ধান, বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও কাঁচামাল উদ্ধার

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এবং ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-২) আরও দুটি ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে। পৃথক অভিযান পরিচালনা করে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি ইয়াবা তৈরির মেশিন, ১৭ কেজি ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল এবং ৩১ হাজার ২৭২টি ইয়াবা।

এসময় আটক হয় একটি কেমিস্ট ও একজন ডিলার। কিন্তু তাদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। রোববার (২ আগস্ট) র‍্যাব-২ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুর এবং কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব ইয়াবা কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। অভিযানে ইয়াবা উৎপাদনে ব্যবহৃত দুটি মেশিন, বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল এবং বাজারজাতের প্রস্তুত অবস্থায় থাকা ৩১ হাজার ২৭২টি ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় মাদক উৎপাদন এবং সরবরাহ চক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%