ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জ্বালানি সংকট ও উৎপাদন খরচের চাপেও এপ্রিল-জুনে তৈরি পোশাক খাতে নিট আয় বেড়েছে ১০%


জ্বালানি সংকট ও উৎপাদন খরচের চাপেও এপ্রিল-জুনে তৈরি পোশাক খাতে নিট আয় বেড়েছে ১০%

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মাঝে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত রপ্তানি আয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে তৈরি পোশাকের নিট রপ্তানি আয় আগের প্রান্তিকের তুলনায় ১০ দশমিক ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত তৈরি পোশাক খাতের ত্রৈমাসিক পর্যালোচনার তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল-জুন সময়ে তৈরি পোশাকের নিট রপ্তানি আয় ৬২৩ কোটি ডলার হয়েছে। জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে এই আয় ছিল ৫৬৪ কোটি ডলার। এছাড়া, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় নিট রপ্তানি আয় ২০ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৫১৭ কোটি ডলার।

মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ও আগের প্রান্তিকের তুলনায় ৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেড়ে চতুর্থ প্রান্তিকে ১ হাজার ১০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এক বছরের তুলনায় এই আয় ১০ দশমিক ৭৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরও পড়ুন: কওমি মাদরাসায় শিশু নির্যাতন রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির দাবি

নিট পোশাক রপ্তানি আগের প্রান্তিকের ৪৬১ কোটি ডলার থেকে ১৯ দশমিক ২১ শতাংশ বেড়ে ৫৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, বোনা পোশাক রপ্তানি ৪৫৮ কোটি ডলার থেকে মাত্র শূন্য দশমিক ৩১ শতাংশ বেড়ে ৪৬০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। নিট পোশাক রপ্তানির শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির কারণে তৃতীয় প্রান্তিকে তুলনামূলক দুর্বল অবস্থার পর পোশাক খাত আবার ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে।

জুন মাসে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিও উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এ মাসে রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৬ শতাংশ বেড়ে ৪২০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। তবে বছরের শেষের দিকে এই প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও পুরো ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয় কিছুটা কমে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

রপ্তানিকারকেরা জানিয়েছেন, জুনে রপ্তানি প্রবৃদ্ধির বড় একটি কারণ ছিল আগের বছরের তুলনামূলক কম ভিত্তি। গত বছরের জুনে ঈদুল আজহার ছুটি দীর্ঘ হওয়ার কারণে রপ্তানি কম ছিল। অন্যদিকে, এ বছর ঈদের বেশিরভাগ ছুটি মে মাসে পড়ায় জুনে রপ্তানি বেড়েছে।

ত্রৈমাসিক হিসাবে রপ্তানি পুনরুদ্ধার হলেও রপ্তানিকারকেরা জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাদের আশঙ্কা, আগামী কয়েক মাসে এ সংকট পোশাক রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন: শ্রমিক আন্দোলনে আ.লীগ ও বিরোধী দলের ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ মুজিবুরের

সামনে চাপ

বাংলাদেশ গার্মেন্ট প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেছেন, জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি উচ্চ সুদের হার এবং সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশকে আরও কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। তিনি বলেন, "তবে দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো সমাধান করা গেলে নতুন অর্থবছরে আগের অর্থবছরের তুলনায় দেশের রপ্তানি ভালো করবে।"

শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরকার গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর আশ্বাস দিলেও গ্যাসের সংকট এরই মধ্যে বস্ত্র উৎপাদনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল জানিয়েছেন, সংগঠনটির ১ হাজার ৮০০টির বেশি সদস্য কারখানার মধ্যে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের কারণে ৯০০টির বেশি কারখানা বন্ধ রয়েছে। তিনি বলেন, "শুধু বস্ত্রকল নয়, গ্যাসনির্ভর ইস্পাত, কাগজ, পার্টিকেল বোর্ড ও সিরামিক শিল্পও দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদনে মারাত্মক বিঘ্নের মুখে পড়েছে।"

আরও পড়ুন: বিদেশে বিএনপির কোনো প্রভু নেই, তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবে: রিজভী

বেশি মূল্য সংযোজন

চতুর্থ প্রান্তিকে তৈরি পোশাক খাত ৩৮৭ কোটি ডলারের কাঁচামাল আমদানি করেছে। এর মধ্যে ছিল তুলা, কৃত্রিম ও ভিসকোজ তন্তু, সুতা, কাপড় এবং পোশাক তৈরির বিভিন্ন উপকরণ।

এসব আমদানি মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ের ৩৮ দশমিক ৩২ শতাংশের সমান। এর ফলে খাতটিতে মূল্য সংযোজন হয়েছে ৬১ দশমিক ৬৮ শতাংশ, যা আগের প্রান্তিকের ৬১ দশমিক ৩৫ শতাংশের তুলনায় সামান্য বেশি।

তবে পুরো অর্থবছরের হিসাবে তৈরি পোশাক খাতের পরিস্থিতি ছিল অনেকটাই মন্থর। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে মোট আয় হয়েছে তিন হাজার ৮৯৭ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় মাত্র শূন্য দশমিক ৯৬ শতাংশ বেশি।

আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার হরণ করে সংসদে গণতন্ত্রের বয়ান দেবেন—এ বক্তব্য মেনে নেবেন না: ফরহাদ

২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের নামমাত্র মোট দেশজ উৎপাদনে তৈরি পোশাক খাতের অবদান ছিল ৭ দশমিক ৮২ শতাংশ। এতে অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে খাতটির অব্যাহত গুরুত্বই প্রতিফলিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, কানাডা ও বেলজিয়াম বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান বাজার হিসেবে রয়ে গেছে। চতুর্থ প্রান্তিকে এসব দেশে ৭২৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা ওই প্রান্তিকে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ের ৭১ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে তৈরি পোশাক খাতকে সহায়তা করতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে রপ্তানির আগে ঋণ পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচি, পাঁচ হাজার কোটি টাকার ঘূর্ণায়মান গ্রিন ট্রানস্ফরমেশন তহবিল, ১০ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি সহায়তা অগ্রিম অর্থায়ন তহবিল এবং রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নিকট ভবিষ্যতে তৈরি পোশাক রপ্তানির সম্ভাবনা মাঝারি মাত্রায় ইতিবাচক রয়েছে। চাহিদা পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা এবং বিধিবিধান মেনে চলার ক্ষেত্রে উন্নতি পোশাক রপ্তানিতে সহায়ক হবে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় জামায়াতের কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় ২ নেতাকে অব্যাহতি

সূত্র : টিবিএস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন শ্রীলঙ্কার স্পিনার জয়সুরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২০ পি.এম


আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন শ্রীলঙ্কার স্পিনার জয়সুরিয়া

ভারতের বিপক্ষে চলমান টেস্টে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে শাস্তি পেয়েছেন শ্রীলঙ্কার বাঁহাতি স্পিনার প্রভাত জয়সুরিয়া। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে তিরস্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার নামের পাশে যোগ হয়েছে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট।

কলম্বো টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দিনের শেষ বলে আউট হন জয়সুরিয়া। এরপর মাঠ ছাড়ার সময় ব্যাট দিয়ে সীমানার পাশে থাকা একটি বিজ্ঞাপনী কাঠামোয় আঘাত করেন তিনি। ক্রিকেট সরঞ্জাম বা মাঠের স্থাপনা অপব্যবহারের অভিযোগে আইসিসির আচরণবিধির ২.২ ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এটি গত ২৪ মাসের মধ্যে জয়সুরিয়ার প্রথম আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা। নিজের ভুল স্বীকার করে ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটের প্রস্তাবিত শাস্তিও মেনে নেন তিনি। ফলে এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।

মাঠের আম্পায়ার আহসান রাজা ও শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ, তৃতীয় আম্পায়ার রড টাকার এবং চতুর্থ আম্পায়ার প্রগীত রামবুকওয়েলা জয়সুরিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন।

ভারত-শ্রীলঙ্কার এই দ্বিতীয় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে জয়সুরিয়াসহ এখন পর্যন্ত তিনজন ক্রিকেটার আইসিসির শাস্তির মুখে পড়েছেন। এর আগে ভারতের যশস্বী জয়সওয়াল ও শ্রীলঙ্কার পেসার আসিথা ফার্নান্দোকে ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ করে জরিমানা করা হয়। তাদের দুজনের নামের পাশেও একটি করে ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হয়।

টেস্টের প্রথম দিন ভারতের ইনিংসের ১৭তম ওভারে জয়সওয়াল ও ফার্নান্দোর মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ফার্নান্দোর বলে আউট হওয়ার পর জয়সওয়াল শ্রীলঙ্কান পেসারের দিকে এগিয়ে গিয়ে কথা বলেন। একপর্যায়ে দুজনই একে অপরের দিকে ঝুঁকে পড়লে তাদের মাথায় সংঘর্ষ হয়। পরে ওই ঘটনার জেরে দুজনের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয় আইসিসি।

ফলে কলম্বো টেস্টে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি শৃঙ্খলাজনিত ঘটনাও আলোচনায় এসেছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞ স্পিনার প্রভাত জয়সুরিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তর্বাসে দুই জীবন্ত কচ্ছপ নেওয়ার চেষ্টা, মায়ামি বিমানবন্দরে ধরা নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


অন্তর্বাসে দুই জীবন্ত কচ্ছপ নেওয়ার চেষ্টা, মায়ামি বিমানবন্দরে ধরা নারী

যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা তল্লাশির সময় এক নারীর অন্তর্বাসের ভেতর থেকে দুটি জীবন্ত কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়েছে। বিমানে ওঠার আগে নিরাপত্তা স্ক্যানারে তার বুকের অংশে অস্বাভাবিক কিছু ধরা পড়ার পর তল্লাশি চালিয়ে কচ্ছপ দুটির সন্ধান পান কর্মকর্তারা।

ঘটনাটি ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ঘটলেও বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে কয়েক মাস পর। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন নিরাপত্তা প্রশাসন পরে ঘটনাটির ছবি প্রকাশ করে। তবে ওই নারীর পরিচয় জানানো হয়নি।

প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, কচ্ছপ দুটিকে কাপড় ও প্লাস্টিক দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় রাখা হয়েছিল। কচ্ছপগুলোর কোন প্রজাতির ছিল, তা জানানো হয়নি।

নিরাপত্তা স্ক্যানারে প্রথমে নারীর বুকের অংশে সন্দেহজনক কিছু শনাক্ত হয়। এরপর তাকে আলাদা করে তল্লাশি করা হলে পোশাকের ভেতর থেকে দুটি কচ্ছপ বের করা হয়।

তবে ঘটনার পর দুঃখজনকভাবে কচ্ছপ দুটির একটি মারা যায়। বেঁচে যাওয়া কচ্ছপটিকে ফ্লোরিডার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঘটনার পর যাত্রীদের সতর্ক করে পরিবহন নিরাপত্তা প্রশাসন জানায়, ছোট পোষা প্রাণী নিয়ে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশি পার হওয়া সম্ভব হলেও শরীরের পোশাকের নিচে লুকিয়ে তা নেওয়া যাবে না।

নিরাপত্তা সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, ছোট পোষা প্রাণী নিয়ে ভ্রমণ করলে নিরাপত্তা তল্লাশির সময় প্রাণীটিকে বহনকারী খাঁচা বা ব্যাগ থেকে বের করে হাতে রাখতে হয়। পাশাপাশি বিমানে পোষা প্রাণী নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার নিয়মও জেনে নিতে হয়।

মায়ামির এই ঘটনাই অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে প্রাণী লুকিয়ে নেওয়ার প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে নিউ জার্সির নিউয়ার্ক লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ব্যক্তির প্যান্টের ভেতর থেকে একটি জীবন্ত কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই কচ্ছপটি অবশ্য জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া ২০২৩ সালে মায়ামি বিমানবন্দরে একটি ব্যাগ থেকে পাখির ডাক শোনার পর অ্যামাজন প্রজাতির পাখির ডিম ও জীবন্ত পাখি উদ্ধার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালেও এক ব্যক্তিকে ব্যাগে সাপ নিয়ে বিমানে ওঠার চেষ্টা থেকে আটক করা হয় বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা মূলত যাত্রী, বিমান ও অন্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তৈরি। তাই প্রাণী পরিবহনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিশেষ করে শরীরের সঙ্গে প্রাণী লুকিয়ে নেওয়ার চেষ্টা যাত্রীর পাশাপাশি প্রাণীটির জন্যও বিপজ্জনক হতে পারে। মায়ামির ঘটনায় একটি কচ্ছপের মৃত্যুর ঘটনাটি সেই ঝুঁকিই সামনে এনেছে।

সূত্র: সিবিএস নিউজ, যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন নিরাপত্তা প্রশাসন (টিএসএ)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হালদা নদীতে বিশেষ অভিযান, ২০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


হালদা নদীতে বিশেষ অভিযান, ২০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ

চট্টগ্রামের হালদা নদী সংলগ্ন বিভিন্ন পয়েন্টে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু ও বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোর পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমের নেতৃত্বে ফটিকছড়ির বিভিন্ন পয়েন্টে এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্যাহ, ভূজপুর থানা পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সহযোগিতা প্রদান করেন।

অভিযান চলাকালে প্রায় ২০ হাজার ঘনফুট বালু এবং বালু উত্তোলনের বিভিন্ন সরঞ্জাম আটক করা হয়। পরে জব্দকৃত বালু ফ্ল্যাশিং আউট করে পুনরায় হালদা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি বিনষ্ট করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার দেশজুড়ে বিদ্যুৎ নিয়ে সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


এবার দেশজুড়ে বিদ্যুৎ নিয়ে সুখবর

জ্বালানি ঘাটতি, বিদ্যুৎকেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণ, সঞ্চালন ও গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত বেড়ে চলা বিদ্যুতের চাহিদার কারণে দেশে বর্তমান বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লোডশেডিং পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে কারিগরি সমস্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে উৎপাদন কমে যাচ্ছে।

এর সঙ্গে সঞ্চালন ও গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এ অবস্থায় লোডশেডিংয়ের চাপ কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্নতা এড়াতে ঢাকার দুই বিতরণ সংস্থা ডিপিডিসি ও ডেসকোর আওতাধীন এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী লোডশেডিং সমন্বয় করা হচ্ছে।

এভাবে ঢাকায় লোডশেডিং সমন্বয়ের মাধ্যমে সাশ্রয় করা বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ঢাকার বাইরে শিল্প-কারখানাসহ গুরুত্বপূর্ণ গ্রাহক শ্রেণিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। একই সঙ্গে গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের চাপও কমানো সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিভাগের ভাষ্য, এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিংয়ের চাপ তুলনামূলকভাবে সুষমভাবে বণ্টন করা যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্য বজায় রাখা এবং কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা গ্রাহক শ্রেণিকে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎবঞ্চিত না রাখাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা এবং গ্রিডের সীমাবদ্ধতা দূর করা গেলে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

এদিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রীয় সংস্থা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে দেশে লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ২৫৯ মেগাওয়াট। ওই সময় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ১৭৬ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৩ হাজার ৯১৭ মেগাওয়াট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%