ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অহংকারী ব্যক্তি চেনার ১০ উপায়


অহংকারী ব্যক্তি চেনার ১০ উপায়

 

আরবি ভাষায় ‘কিবর’, ‘তাকাব্বুর’ ও ‘ইস্তিকবার’ শব্দগুলো কাছাকাছি অর্থ বহন করে। এই শব্দগুলোর অর্থ হচ্ছে অহংকার করা।

ইমাম রাগিব আল-আসবাহানি বলেন, ‘কিবর বা অহংকার হলো এমন একটি অবস্থা, যেটির মাধ্যমে মানুষ নিজের প্রতি মুগ্ধ হয়ে পড়ে। অর্থাৎ ব্যক্তি নিজেকে অন্যদের তুলনায় বড় ও শ্রেষ্ঠ মনে করে। আর সবচেয়ে ভয়াবহ অহংকার হলো আল্লাহর প্রতি অহংকার করা, অর্থাৎ সত্য গ্রহণ করতে অস্বীকার করা এবং তাঁর ইবাদতের নিকট আত্মসমর্পণ না করা।’ (গারিবুল কোরআন, পৃষ্ঠা : ৪২১)

আরও পড়ুন: নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দোয়া বেশি পড়তেন

ইস্তিকবার বা অহংকার প্রকাশের দুটি ধরনের উল্লেখ করা যায়—

১. নিজেকে বড় করার চেষ্টা করা, যখন তা যথাযথ স্থান, সময় ও অবস্থার মধ্যে হয়, তখন তা প্রশংসনীয় হতে পারে।

২. নিজের মধ্যে যা নেই, তা আছে বলে প্রকাশ করা, অর্থাৎ মিথ্যা বড়ত্ব দেখানো।

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন, ‘সব নিন্দনীয় চরিত্রের মূল হলো অহংকার, হীনতা ও নীচতা। আর সব প্রশংসনীয় চরিত্রের মূল হলো বিনয় ও উচ্চ আকাঙ্ক্ষা। গর্ব, ঔদ্ধত্য, আত্মপ্রশংসা, হিংসা, সীমা লঙ্ঘন, অহংকারপূর্ণ আচরণ, জুলুম, কঠোরতা, দাম্ভিকতা, উপদেশ গ্রহণে অনীহা, নিজের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া, মর্যাদা ও নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষা, যা করেনি তার জন্য প্রশংসা কামনা করা—এসবই অহংকার থেকে জন্ম নেয়।’ (আল-ফাওয়ায়িদ, পৃষ্ঠা : ১৪৩)

আরও পড়ুন: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি: ২২ অক্টোবর ২০২৬

অহংকারের বিভিন্ন রূপ রয়েছে, যার সব গণনা করা সম্ভব নয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো—

১. সত্যকে প্রত্যাখ্যান করা: সত্য জেনে তা গ্রহণ না করা, অহংকারের অন্যতম বড় নিদর্শন। আল্লাহ বলেন, ‘তারা তা অস্বীকার করল, যদিও তাদের অন্তর তা নিশ্চিতভাবে জানত—অন্যায় ও অহংকারবশত।’ (সুরা : আন-নামল, আয়াত : ১৪)

২. মানুষের প্রাপ্ত নিয়ামতের প্রতি হিংসা করা: মহান আল্লাহ কাকে কোন নিয়ামত দান করবেন, এটি সম্পূর্ণ তাঁর এখতিয়ারাধীন। তবে মানুষ অন্যের প্রাপ্ত নিয়ামত নিয়ে হিংসা করে, যেভাবে ইবলিস আদম (আ.)-এর প্রতি হিংসা করেছিল। আল্লাহ বলেন, ‘যখন আমি ফেরেশতাদের বললাম, তোমরা আদমকে সিজদা করো, তখন সবাই সিজদা করল, শুধু ইবলিস ছাড়া। সে অস্বীকার করল, অহংকার করল এবং কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হলো।’ (সুরা : আল-বাকারাহ, আয়াত : ৩৪)

৩. প্রবৃত্তির কারণে সত্যের বিরোধিতা করা: আল্লাহ বলেন, ‘যখনই তোমাদের কাছে কোনো রাসুল এমন কিছু নিয়ে এসেছে যা তোমাদের মন চায়নি, তখনই তোমরা অহংকার করেছ। ফলে কাউকে মিথ্যা বলেছ এবং কাউকে হত্যা করেছ।’ (সুরা : আল-বাকারাহ, আয়াত : ৮৭)

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

৪. মিথ্যা, প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা: সত্যের বিরোধিতা ও অহংকারের কারণে মানুষ এসব কাজে লিপ্ত হয়। আল্লাহ বলেন, ‘তারা পৃথিবীতে অহংকার ও মন্দ ষড়যন্ত্র করেছিল। অথচ মন্দ ষড়যন্ত্র তার মালিকদেরই ঘিরে ফেলে।’ (সুরা : ফাতির, আয়াত : ৪২-৪৩)

৫. শক্তি ও ক্ষমতার কারণে গর্ব করা: শক্তি ও ক্ষমতার কারণে গর্ব করা অন্যতম অহংকারমূলক কাজ। যেমন—আদ জাতি করেছিল। আল্লাহ বলেন, ‘আদ জাতি পৃথিবীতে অন্যায়ভাবে অহংকার করেছিল এবং বলেছিল, আমাদের চেয়ে শক্তিশালী কে আছে?’ (সুরা : ফুসসিলাত, আয়াত : ১৫)

৬. দুর্বল মানুষকে অবহেলা ও পথভ্রষ্ট করা: আল্লাহ বলেন, ‘যারা অহংকার করেছিল তারা দুর্বলদের বলবে—আমরা কি তোমাদের হেদায়েত থেকে বাধা দিয়েছিলাম? বরং তোমরাই অপরাধী ছিলে।’ (সুরা : সাবা, আয়াত : ৩২)

৭. নিজের আমল ও কর্ম নিয়ে অহংকার করা: নিজের কাজকে সব সময় সঠিক মনে করা অহংকারীর স্বভাব। আল্লাহ বলেন, ‘তাদের বলা হবে—জাহান্নামের দরজায় প্রবেশ করো, সেখানে চিরকাল থাকবে। অহংকারীদের জন্য এটি কতই না নিকৃষ্ট আবাস!’ (সুরা : আন-নাহল, আয়াত : ২৯)

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা প্রতিহত, দুই বিদেশির মৃত্যু

৮. জুলুম, অন্যায় ও ভ্রষ্টতার পথ অনুসরণ করা: আল্লাহ বলেন, ‘আমি আমার নিদর্শন থেকে তাদের ফিরিয়ে রাখব, যারা পৃথিবীতে অন্যায়ভাবে অহংকার করে।’ (সুরা : আল-আরাফ, আয়াত : ১৪৬)

৯. চলাফেরা ও বেশভূষায় অহংকার প্রকাশ করা: আল্লাহ বলেন, ‘পৃথিবীতে দম্ভভরে বিচরণ কোরো না। তুমি কখনো জমিন বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং পাহাড়ের সমান উচ্চতাও অর্জন করতে পারবে না।’ (সুরা : আল-ইসরা/বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৩৭)

১০. পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠত্ব ও আধিপত্য কামনা করা: আল্লাহ বলেন, ‘এ আখিরাতের আবাস আমি তাদের জন্য নির্ধারণ করি, যারা পৃথিবীতে বড়ত্ব ও বিশৃঙ্খলা কামনা করে না।’ (সুরা : আল-কাসাস, আয়াত : ৮৩)

অন্য একটি বিষয় হলো নিজের সম্মানে দাঁড়িয়ে থাকা পছন্দ করা: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে মানুষ তার জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে, সে যেন জাহান্নামে নিজের আসন প্রস্তুত করে নেয়।’ (সুনান আবু দাউদ, কিতাবুল আদব, হাদিস : ৫২২৯)

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে, অংশ নেবেন সরকারি কর্মসূচিতে

অহংকারী ব্যক্তি চেনার আরো কিছু উপায় রয়েছে।

ঘরের বাইরে, বিশেষ করে বাজারে বা জনসমক্ষে একা চলতে অপছন্দ করা; বরং নিজের সঙ্গে লোকজনকে অনুসারী হিসেবে রাখতে চাওয়া।

অন্যদের বাড়িতে যেতে অপছন্দ করা, বিশেষ করে নিজের সমমানের লোকদের জন্য।

অন্য কেউ নিজের পাশে বসলে অস্বস্তি বোধ করা, যেন মর্যাদা সমান হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: ইশরাক ‘পোষ্য কোটায়’ রাজনীতিতে এসেছেন, অভিজ্ঞতা কম: নিলোফার মনি

অসুস্থ ও দুর্বল মানুষের সঙ্গে বসতে অপছন্দ করা (সংক্রমণের ভয় ছাড়া শুধু মর্যাদার কারণে)।

ঘরের কোনো কাজ নিজ হাতে করতে অপছন্দ করা।

নিজের জিনিসপত্র নিজে বহন করতে লজ্জাবোধ করা।

সাধারণ বা নিম্ন মানের পোশাক পরতে অপছন্দ করা।

গরিব মানুষের দাওয়াত গ্রহণ করতে অনীহা প্রকাশ করা।

আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের প্রয়োজনীয় ছোটখাটো কাজ বাজার থেকে করে দিতে অপছন্দ করা।

সমবয়সী বা সমপর্যায়ের কেউ আগে হাঁटলে বা আগে বসলে কষ্ট পাওয়া।

বিতর্কে সত্য প্রকাশ পাওয়ার পরও তা গ্রহণ না করা, যাতে মানুষ তাকে কম জ্ঞানী মনে না করে।

নিজের ভুল জানা সত্ত্বেও তা স্বীকার না করা এবং যে ব্যক্তি তাকে ভুল দেখিয়ে দিয়েছে তাকে ধন্যবাদ না দেওয়া।

সারকথা হলো, অহংকার হলো নিজের বড়ত্বের মিথ্যা অনুভূতি, যা মানুষকে সত্য গ্রহণ, বিনয় ও আল্লাহর আনুগত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। এর সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ হলো আল্লাহ ও সত্যের প্রতি অহংকার করা। আর এর প্রতিকার হলো বিনয়, সত্য গ্রহণ, নিজের দুর্বলতা উপলব্ধি এবং আল্লাহর সামনে আত্মসমর্পণ করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইকুয়েডরের বিপক্ষে দুই গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে মেক্সিকো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ এম


ইকুয়েডরের বিপক্ষে দুই গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে মেক্সিকো

মেক্সিকো এবারের বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক দেশ হিসেবে উড়ন্ত ফর্মে রয়েছে। গ্রুপ পর্বে কোনো ম্যাচ না হেরে তারা শেষ ৩২-এ উঠেছে। নকআউট পর্বেও তারা খেলছে দারুণ। শেষ ৩২-এর ম্যাচে তারা ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে থাকার পর বিরতিতে গেছে।

মেক্সিকোর দ্বিতীয় গোলটি করেন রাউল হিমেনেজ। ছবিটি দেওয়া হয়েছে রয়টার্সের মাধ্যমে।

ম্যাচের শুরু থেকেই মেক্সিকো আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। যার ফলে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডর শুরু থেকে চাপের মধ্যে থাকে। মেক্সিকোর একের পর এক আক্রমণের ফল আসে ২২ মিনিটেই।

কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল করেন জুলিয়ান কুইনোনেস। বাঁদিক থেকে মাঠের অনেকাংশ দৌড়ে এসে তিনি ইকুয়েডরের ডি-বক্সে ঢুকে একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল জালে জড়ান।

এর পরের গোলেরও অবদান ছিল কুইনোনেসের। ৩১তম মিনিটে তার পাস থেকে গোল করেন রাউল হিমেনেজ। এই দুই গোলের পরে মেক্সিকো আরও কিছু সুযোগ পেয়েছিল, তবে তারা তা কাজে লাগাতে পারেনি।

এবারের বিশ্বকাপে মেক্সিকো এখন পর্যন্ত কোনো গোল হজম করেনি। তারা দারুণ ছন্দে রয়েছে এখন পর্যন্ত। এখন দেখা যাক শেষ ১৬-তে উঠতে পারে কিনা তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ এম


শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় আজ

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার আলোচিত শিশু আসমা আক্তার (৫) হত্যা মামলার রায় আজ ঘোষণা হবে। ৪ বছরের বিচারিক কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর নিহত শিশুর পরিবার অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছে।

বুধবার (১ জুলাই) নোয়াখালীর বিশেষ শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তারের আদালতে এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুক্লা সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এর আগে মামলার রায় ঘোষণার তারিখ দুই দফা পরিবর্তন করে ১ জুলাই নির্ধারণ করা হয়।

নিহত আসমা বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাসিন্দা মাওলানা মো. শাহজাহানের মেয়ে। এই মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাত (২৬) একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নিহতের চাচাতো ভাই।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আসমা। ঘটনার নয় দিন পর জাতীয় পুলিশ আসামির তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় ভিকটিমের চাচাতো ভাই শাহাদাতকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালীন শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, ধর্ষণের পর ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, ঘটনার পর পুরো নোয়াখালীজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়রা শুরু থেকেই দ্রুত বিচার ও আসামির ফাঁসির দাবি জানিয়ে আসছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘শুধু ক্ষমা চাওয়া নয়, জামায়াতে ইসলামীর বিচারও হতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ এম


‘শুধু ক্ষমা চাওয়া নয়, জামায়াতে ইসলামীর বিচারও হতে হবে’

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতার বিরোধিতার জন্য একাধিকবার প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে দেওয়া ক্ষমা চাওয়ার ইঙ্গিত দিলেও, দলগতভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অনুশোচনা প্রকাশ’ বা ‘ক্ষমা প্রার্থনা’ করেনি। স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান এবং হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে দলটির ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও জনপরিসরে অনেক দিন ধরেই বিতর্ক উঠেছে।

বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের পর এই বিষয়টি নতুনভাবে আলোচনায় এসেছে। তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকার জন্য জামায়াতের জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল।’ এর জবাবে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আমরা অপরাধ করিনি, ক্ষমা চাইব কেন?’

এদিকে, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিভিন্ন দলের নেতারা মনে করছেন, জামায়াতের অতীতের দায়, ক্ষমা প্রার্থনা, বিচার এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ—সবকিছুই পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। কেউ বলছেন, নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা জরুরি; আবার কেউ মনে করছেন, শুধু ক্ষমা নয়, বিচারও হতে হবে। কেউ কেউ বলছেন, দলটির নামই তাদের ঐতিহাসিক দায় বহন করছে।

জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বিএনপি নিয়ে সমালোচনার আগে আপনাদের নিজেদের দিকে একবার ফিরে তাকানো দরকার। এজন্য তাকানো দরকার যে ১৯৭১ সালের ভূমিকার জন্য একবারও তো ক্ষমা প্রার্থনা করলেন না। জাতির সামনে আপনাদের ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত ছিল। এটা করলে কিন্তু আজকের এই সমস্যা হয় না।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা নিজেদের দিকে তাকান, আর বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করুন। জামায়াতের নেতা প্রফেসর গোলাম আজম তখন বলেছিলেন, ১৯৭১ সালে আমরা ভুল করিনি। আমার মনে হয় এখনো সময় আছে। আপনারা এখনো ভাবতে পারেন। বাংলাদেশ সম্পর্কে আপনাদের ধারণাটা পরিষ্কার করে আমাদের জানানো উচিত, বাংলাদেশকে জানানো উচিত। আমি এর বেশি যেতে চাই না। কারণ বারবার আপনারা এই কথাগুলো বলতেই থাকেন।’

তার ভাষ্য, ‘১৯৭১ সম্পর্কে আপনাদের ধারণা খুব পরিষ্কার করে আপনারা বলেন না। আমি আজ পর্যন্ত শুনিনি। এই কথাটা আমরা এজন্য বলছি যে, আজ যদি আপনারা এটা স্বীকার করে নেন, তাহলে আপনাদের জন্য রাজনীতি অনেক সহজ হয়ে যাবে।’

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা ইস্যুতে বিএনপির মহাসচিবের বক্তব্যের সমালোচনা করে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও এগারো দলীয় জোটের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আয়নায় নিজের চেহারা দেখুন। ক্ষমা আপনার বাবাকে কবর থেকে চাইতে বলেন।’

তার মতে, ‘অতীতে বিভাজনের রাজনীতির কারণে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। বর্তমান সরকারও সেই বিভাজনের রাজনীতি শুরু করেছে। বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, স্বাধীনতার বিরোধিতার জন্য জামায়াত ক্ষমা চায়নি। ফ্যাসিবাদীরা যে সুরে কথা বলেছে, সেটি বাংলাদেশের জনগণ জুলাই আন্দোলনের সময় রিজেক্ট (বাতিল) করে দিয়েছে। পুরোনো কাসুন্দি ঘেঁটে লাভ হবে না।’

হামিদুর রহমান আযাদের বলেন, ‘আমরা অপরাধ করি নাই, ক্ষমা চাইবো কেন? সেই হিসেবে আপনার বাবাও অপরাধী। তাই আপনাদের কথা সতর্কভাবে বলা উচিত।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বাংলা বলেন, ‘জামায়াত বিভিন্ন সময় বক্তব্য দিয়েও আনুষ্ঠানিকভাবে দলের পক্ষ থেকে একাত্তরের ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট অবস্থান নেয়নি।’

তার ভাষ্য, ‘পাকিস্তানের হানাদারদের তারা রাজনৈতিক সহায়ক ছিল, সামরিক সহায়ক ছিল এবং হত্যাকাণ্ডেও তাদের সহায়ক ভূমিকার একটি প্রামাণিক ইতিহাস বা দলিলপত্র রয়েছে, যা মানুষ জানে। সুনির্দিষ্টভাবে এই অপরাধের সহায়তার ব্যাপারে এবং গণহত্যার সহায়ক হিসেবে বা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে তাদের যে অবস্থান, এটি যে ভুল ছিল, অন্যায় ছিল, তার জন্য যে ক্ষমা প্রার্থনা করা—এটার কোনো “যদি-কিন্তু” দেওয়া যাবে না। নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।’

সাইফুল হক মনে করেন, শুধু ক্ষমা প্রার্থনা করলেই বিষয়টির সমাপ্তি হবে না। তার মতে, এরপর কীভাবে দলটি প্রায়শ্চিত্ত করবে, সেটিও তাদের নির্ধারণ করতে হবে। দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের প্রশ্ন যেমন উঠেছে, তেমনি জামায়াতেরও বিচারের প্রশ্ন রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি মানুষের বিচারের মুখোমুখিও তাদের হতে হবে।

তার ভাষায়, ‘এর মাধ্যমে একাত্তরকে ধারণ করা, লালন করার একটি বিষয় রয়েছে। এটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়ার প্রশ্ন নয়। জামায়াতের বিচারের প্রশ্নটি কোনো শোধ-প্রতিশোধের বিষয় নয়। এটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন।’

বর্তমান নেতৃত্বের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের অনেক নেতা ব্যক্তিগতভাবে ওই সময়ের অপরাধে যুক্ত ছিলেন না। তবে তাদের বহু আগেই দলীয়ভাবে এ বিষয়ে পরিষ্কার অবস্থান নেওয়া উচিত ছিল।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স মনে করেন, জামায়াতের ক্ষেত্রে শুধু ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্ন তুলে বিষয়টিকে সীমাবদ্ধ করা ঠিক নয়।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় আলবদর ও আলশামস বাহিনীর মাধ্যমে যে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তার সঙ্গে জামায়াতের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তাই শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না, বিচারও চলমান রাখতে হবে। জামায়াত যদি রাজনৈতিকভাবে এই যুক্তিতে একমত হয় যে পাকিস্তানকে রাখার পক্ষে তারা সংগ্রাম করেছিল, এইটি যদি তাদের ভুল ছিল—তাহলে ভুল স্বীকারের প্রশ্ন আসবে। তখন কিভাবে বলবে, না বলবে, তা সরকার এবং রাষ্ট্র নির্ধারণ করবে।

তিনি বলেন, ‘যে মনে করে না, হত্যা করেছে, জোর-জুলুম করেছে, তাহলে শুধু ক্ষমা চাইলে তো হবে না।’

রুহিন হোসেন প্রিন্স আরও বলেন, পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের দলিলে ‘উইথ দেয়ার অল অক্সিলারি ফোর্স’ উল্লেখ ছিল, যার মধ্যে আলবদর ও আলশামস অন্তর্ভুক্ত। তার মতে, সেই বিবেচনায় জামায়াতে ইসলামীর বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার নেই। তিনি বলেন, জনগণ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত রাজনৈতিকভাবে এই শক্তিকে মোকাবিলার পথ খুঁজে বের করা।

রাজনীতি বিশ্লেষক ড. বদিউল আলম মজুমদার মনে করেন, জামায়াত নামটাই দলটির সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক দায়।

তিনি বলেন, ‘জামায়াত নামটা তো ওই যে পাকিস্তানপন্থীদের পক্ষ নিয়েছে, সেইরকম ইতিহাস। জামায়াত নামটা যতদিন থাকবে, ততদিন তাদের এই দায় বহন করে যেতেই হবে। যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে যুক্ত অনেকের বিচার হয়েছে, অনেকের শাস্তিও হয়েছে। কিন্তু দল হিসেবে অতীতের দায় থেকে মুক্তি পেতে চাইলে নিজেদের নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে।’

তার ভাষ্য, ‘তাদের তো রি-ইনভেন্ট করতে হবে নিজেদের। তারা যদি একাত্তরের দায়মুক্ত হতে চায়, জামায়াত নাম যতদিন থাকবে, একাত্তরের সেই দায় তারা এড়াতে পারবে না।’

আলোচনা শেষে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতার কারণে জামায়াত সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে বলেও মনে করেন কবি নজরুল কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সামিয়া আক্তার। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে জামায়াতের আমিরকে বলতে শোনা গেছে, ‘আমাদের ক্ষমা করে দিন, আমাদের একটি সুযোগ দিন।’ কিন্তু তার মতে, ক্ষমা চাইতে হলে আগে স্পষ্টভাবে ভুল স্বীকার করতে হয়।

সামিয়া বলেন, ‘আমি আজ পর্যন্ত কোনো জামায়াতের পক্ষ থেকে অকপটে বলতে দেখিনি বা শুনিনি যে, ১৯৭১ সালে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ভুল ছিল বা তারা জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। অনেক নেতাকর্মী ও সমর্থককে মুক্তিযুদ্ধের প্রতিষ্ঠিত ইতিহাস, শহীদের সংখ্যা বা যুদ্ধকালীন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা যায়। এতে মানুষের মনে ধারণা তৈরি হয় যে দলটি এখনো অতীতের অবস্থান থেকে স্পষ্টভাবে সরে আসেনি।

তিনি আরও বলেন, ‘ক্ষমা চাওয়ার প্রথম শর্ত হলো সত্য স্বীকার করা। আর সত্য স্বীকার না করে শুধু “ক্ষমা করে দিন” বলা রাজনৈতিক বক্তব্য হতে পারে, কিন্তু প্রকৃত অনুশোচনা নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে ট্রাম্পের ১ বিলিয়নেরও বেশি ডলার আয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ এম


ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে ট্রাম্পের ১ বিলিয়নেরও বেশি ডলার আয়

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর ক্রিপ্টোকারেন্সি (ডিজিটাল মুদ্রা) ব্যবসা থেকে ১ বিলিয়ন ডলারেরও (প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন পাউন্ড) বেশি আয় অর্জন করেছেন। ২০২৫ সালের আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। সম্প্রতি প্রকাশিত ৯২৭ পৃষ্ঠার এক ঘোষণাপত্রে ট্রাম্প তার এই বিশাল আয়ের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের এই বিপুল আয়ের একটি বড় অংশ তার নিজস্ব মিম কয়েন ও পারিবারিক ক্রিপ্টো ফার্ম থেকে এসেছে। তবে হোয়াইট হাউস স্পষ্ট জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কোন ব্যক্তিগত সুবিধা নিচ্ছেন না। আর্থিক বিবরণী অনুসারে, ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র তিন দিন আগে চালু হওয়া একটি ‘ট্রাম্প মিম কয়েন’ থেকে তিনি রয়্যালটি বাবদ ৬৩৫ মিলিয়ন ডলার পেয়েছেন, যদিও বর্তমানে এর বাজারমূল্য অনেকটাই কমে গেছে।

তদুপরি, তার সন্তান এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিনান্সিয়াল’ থেকে ট্রাম্প ৫০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করেছেন। যদিও এক সময় ট্রাম্প ক্রিপ্টোকারেন্সির তীব্র সমালোচনা করে বিটকয়েনকে প্রতারণা বলেছিলেন, বর্তমানে তার আয় রিয়েল এস্টেট ব্যবসাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

ঐতিহ্যবাহী রিয়েল এস্টেট ও গলফ ক্লাব থেকেও ট্রাম্পের আয় ছিল নজরকাড়া। ফ্লোরিডার ডোরোলে অবস্থিত গলফ ক্লাব থেকে ১২২ মিলিয়ন ডলার এবং মার-এ-লাগো ক্লাব থেকে প্রায় ৭৭ মিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে। এছাড়া নিউ জার্সির বেডমিনস্টার, ফ্লোরিডার জুপিটার ও স্কটল্যান্ডের টার্নবেরির গলফ ক্লাবগুলো থেকে প্রত্যেকটি ৩০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করেছেন তিনি। পাশাপাশি ট্রাম্প ব্র্যান্ডের বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ ডলারও এসেছে। এর মধ্যে ট্রাম্প ব্র্যান্ডের ঘড়ির রয়্যালটি থেকে ৪৭ লক্ষ ডলার এবং ট্রাম্প-থিমযুক্ত বাইবেল, স্নিকার, সুগন্ধি ও গিটার বিক্রি থেকে প্রাপ্ত আয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও তার আয়ের হিসাব দিয়েছেন। একজন তথ্যচিত্রের লাইসেন্স চুক্তি থেকে তিনি ১০.৭ মিলিয়ন ডলার এবং অনলাইনে ডিজিটাল ছবি বা এনএফটি বিক্রি করে আরো ৬ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে করা আইনি মামলার নিষ্পত্তির মাধ্যমেও ট্রাম্পের ঝুলিতে এসেছে মোটা অঙ্কের অর্থ। এর মধ্যে এবিসি নিউজ থেকে ১৬ মিলিয়ন, সিবিএস থেকে ১৬ মিলিয়ন, মেটা থেকে ২৪.৫ মিলিয়ন, ইউটিউব থেকে ২২ মিলিয়ন এবং এক্স (সাবেক টুইটার) থেকে ৮ মিলিয়ন ডলার পেয়েছেন তিনি। তবে হোয়াইট হাউস ঘোষণা করেছে, এই অর্থের বড় অংশই ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্টিয়াল লাইব্রেরি এবং ওয়াশিংটনের পার্ক রক্ষণাবেক্ষণ সংস্থায় দান করা হয়েছে। এদিকে ট্রাম্পের এই আয়ের বৃদ্ধিতে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস। ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আনা কেলি মন্তব্য করেছেন, প্রেসিডেন্ট তার ব্যবসা ছেলেদের পরিচালিত ট্রাস্টের অধীনে রেখেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে বিশ্বের ক্রিপ্টো রাজধানী উপহার দিয়েছেন এবং তার সব পদক্ষেপ দেশভর মঙ্গলার্থেই নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%