নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০১:২৩ পি.এম
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের মেসন্ডা গ্রামে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ও দীর্ঘদিনের ভোগদখলে থাকা জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ উঠেছে, জমির বিএস রেকর্ডীয় মালিকদের চাচাতো ভাই আল আমীন ও জিহাদ ওই জমিতে দখল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। এ নিয়ে জাহাঙ্গীর কবির, আলমগীর কবির ও আনোয়ার হোসেনের পরিবারের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জাহাঙ্গীর কবির ও আলমগীর কবির ঢাকায় বসবাস করেন এবং আনোয়ার হোসেন প্রবাসে থাকেন। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তারা এলাকায় না থাকার সুযোগে তাদের জমি দখলের চেষ্টা ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
জমির কেয়ারটেকার মো. জামাল হোসেন বলেন, প্রায় ৪০ বছর ধরে তিনি ওই সম্পত্তি দেখাশোনা করছেন। তার দাবি, বিরোধপূর্ণ জমির দলিল ও বিএস রেকর্ড মালিকদের পরিবারের নামে রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, আল আমীন ও জিহাদ জমিতে বাধা সৃষ্টি করে দখলের চেষ্টা করছেন। এমনকি তাদের একটি কাচারি ঘর দখল করে সেখানে মাদকের আসর বসানোর অভিযোগও করেন তিনি।
তবে মাদক ব্যবসা কিংবা কাচারি ঘর দখলসহ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আল আমীন ও জিহাদ।
স্থানীয় কৃষক মো. জুয়েল বলেন, প্রায় ১৩ বছর ধরে তিনি জাহাঙ্গীর কবিরের কাছ থেকে জমি নিয়ে চাষাবাদ করে আসছেন। সম্প্রতি তাকে জমিতে চাষাবাদে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি তার ট্রাক্টর ভাঙচুরেরও অভিযোগ করেন এই কৃষক।
অন্যদিকে আল আমীন বলেন, মেসন্ডা গ্রামে তাদেরও পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। তার দাবি, চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর কবির ও আলমগীর কবির নিজেদের ইচ্ছামতো ওই সম্পত্তি বিএস রেকর্ড করে নিয়েছেন। তিনি তাদের উত্থাপিত জমি দখলের অভিযোগও অস্বীকার করেন।
জাহাঙ্গীর কবিরের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমি তাদের মায়ের নামে এবং বিএস রেকর্ডীয় সম্পত্তি। দীর্ঘদিন তারা এলাকায় না থাকায় স্থানীয় কৃষক জুয়েলকে জমি চাষাবাদের জন্য দেওয়া হয়েছে। অপর পক্ষ জমির মালিকানা দাবি করলেও তাদের কাছে বৈধ দলিল নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবিতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বিষয়টির দ্রুত আইনগত সমাধান না হলে বিরোধ আরও জটিল হতে পারে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জমির কাগজপত্র যাচাই করে আইনানুগভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাটের পুরানাপৈল এলাকায় বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি কয়েল স্প্রিং বডি ভেঙে যাওয়ার কারণে উত্তরাঞ্চল রুটে প্রায় তিন ঘণ্টা ট্রেনের চলাচল ব্যাহত হয়েছে। পরে সান্তাহার থেকে রিলিফ ট্রেন এনে মেরামতের পর ট্রেনের চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে পৌনে ৯টার দিকে, চিলাহাটি থেকে রাজশাহীগামী ‘বরেন্দ্র এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি পুরানাপৈল রেলগেট এলাকা পার হওয়ার পরপরই ট্রেনটি বিকল হয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও রেলওয়ে সূত্রে জানায়, জয়পুরহাট অতিক্রম করার পর হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে চালক ট্রেনটি থামিয়ে দেন। পরে ট্রেনের একটি কয়েল স্প্রিং বডি ভেঙে গেছে বলে পরীক্ষা করা হয়।
প্রধান লাইনে ট্রেনটি দীর্ঘ সময় আটকে থাকার কারণে সান্তাহার, পার্বতীপুর, রাজশাহী ও ঢাকাগামী একাধিক ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে।
এতে হাজারো যাত্রী তীব্র ভোগান্তির মধ্যে পড়েন। তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এই বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সান্তাহার ও পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। পরে সান্তাহার থেকে উদ্ধারকারী (রিলিফ) ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করলে বেলা পৌনে ১২টার দিকে রেল যোগাযোগ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়।
বরেন্দ্র এক্সপ্রেসের পরিচালক ছানোয়ার হোসেন জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ট্রেনটি কিছু সময় আটকে ছিল। দ্রুত রিলিফ ট্রেনের সহায়তায় উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করে শিডিউল সচল করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে দেশের সামরিক বাহিনী শুক্রবার জানিয়েছে যে, ৪৯ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে।
সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে পৃথক অভিযানে ১২ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে চালানো আরেকটি অভিযানে আরো ৩৭ জন নিহত হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে কিছু সদস্যকে সামরিক বাহিনী ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ ও ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। পাকিস্তান সরকার এই নাম ব্যবহার করছে নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর জন্য।
পাকিস্তান সরকার দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, টিটিপি ও বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আফগানিস্তানে থাকা নিরাপদ আশ্রয়স্থল থেকে হামলা চালায় এবং এই বেলুচ গোষ্ঠীগুলো ভারত থেকেও সমর্থন পায়। তবে আফগানিস্তান ও ভারত উভয়েই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপি একটি আলাদা সংগঠন হলেও তাদের আফগানিস্তানের তালেবানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। পাকিস্তানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সহিংসতা বেড়েছে এবং এসব হামলার বেশিরভাগের জন্য টিটিপি ও বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করা হয়।
এছাড়া, পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় কিন্তু সবচেয়ে কম জনবহুল প্রদেশ বেলুচিস্তান দীর্ঘদিন ধরে বেলুচ জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলোর বিদ্রোহের কেন্দ্র হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এ সমস্ত গোষ্ঠী পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আরো বেশি স্বায়ত্তশাসন বা স্বাধীনতা দাবি করে থাকে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, আফগানিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত থাকা বেলুচিস্তানে টিটিপি ও ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীও বিভিন্ন সময় হামলা চালিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধে ছয় মাসের মধ্যেই ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে ইরান। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং নৌ অবরোধের কারণে বিদেশে তেল রফতানি করা কঠিন হয়ে পড়েছে, ফলে বৈদেশিক আয় কমছে। এর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যে ১০ লাখের বেশি মানুষ চাকরি হারিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইরানের শ্রম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা।
ইরানের রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে ক্রেতারা কম দামে নিত্যপণ্য কিনতে আসছেন। কিন্তু যুদ্ধের প্রভাবে সেখানে স্বস্তি মিলছে না। মুদি দোকানে চালের দাম বেড়ে গেছে প্রায় ৬০ শতাংশ, আর গরুর মাংসের দাম বেড়েছে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত। নির্দিষ্ট বেতনে থাকা পরিবারগুলোর জন্য খাবার, ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাও এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।
একজন ক্রেতা মন্তব্য করেছেন, যুদ্ধের পূর্বের তুলনায় ওষুধের দাম অনেক বেড়ে গেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যেরই দাম বৃদ্ধির ফলে সমস্যায় পড়েছেন তারা। কখনো কখনো এক সপ্তাহের মধ্যেই দামের পরিবর্তন ঘটে। যারা নির্দিষ্ট বেতনে জীবনযাপন করেন, তাদের জন্য পরিস্থিতি দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।
যুদ্ধের পর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধে ইরানের অর্থনীতি বেশি চাপে পড়েছে। দেশটির প্রধান রফতানি পণ্য তেল বিদেশে পাঠানো এখন কঠিন হয়ে গিয়েছে, যার ফলে বৈদেশিক আয় কমছে এবং বেকারত্ব বাড়ছে। ইরানের শ্রম মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র তিন মাসেই ১০ লাখের বেশি মানুষ চাকরি হারাতে হয়েছে।
এমন অবস্থায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের পূর্বাভাস জানাচ্ছে যে, বছরের শেষ নাগাদ ইরানে মূল্যস্ফীতি ৭০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। অর্থনীতিও সংকুচিত হতে পারে। উৎপাদনের তুলনায় বেশি জ্বালানি ব্যবহার করার কারণে পেট্রোলের দাম বাড়ানোর চাপ বাড়ছে। অর্থনৈতিক সংকটে ক্ষুব্ধ ইরানিরা আগেই ছিলেন, ফলে দাম বৃদ্ধি ঘটলে নতুন করে বিক্ষোভ ছড়াতে পারে।
অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আরো কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন। ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশ ও কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। ইতোমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত তেহরানের সঙ্গে বাণিজ্য স্থগিত করেছে। তবে দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞার অভিজ্ঞতায় বিকল্প বাণিজ্যপথ ও ছায়া নৌবহর ব্যবহার করে টিকে থাকার কৌশল গড়ে তুলেছে তেহরান।
অন্যদিকে, অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ করার পক্ষে থাকলেও, দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী শত্রু পক্ষের যেকোনো হামলার জবাব দিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার পাশাপাশি, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বড় ছাড় চাওয়ার দাবি তাদের। ফলে অর্থনৈতিক চাপ যত বৃদ্ধি পাক, যুদ্ধ শেষ করতে তেহরান কতটা ছাড় দেবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভারে, জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে, তিনি বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরব থাকেন। এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে এবং বিউগলে করুণ সুর বাজতে শুরু করে। শ্রদ্ধা নিবেদন ও আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লেখেন এবং স্বাক্ষর করেন।
পরিদর্শন বইয়ে রাষ্ট্রপতি যা লেখেন–
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
জাতীয় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সকল বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। তাঁদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ, অসীম সাহস ও অকৃত্রিম দেশপ্রেমের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি– স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।
এই পবিত্র জাতীয় স্মৃতিসৌধ আমাদের জাতীয় গৌরব, আত্মত্যাগ, ঐক্য ও দেশপ্রেমের চিরন্তন স্মারক, যা চিরকাল দেশপ্রেম ও দেশগঠনে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া-কে স্মরণ করছি। তাদের দেশপ্রেম, নেতৃত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম আমাদের জাতীয় ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।
মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংবিধানের আদর্শ এবং বীর শহিদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা সমুন্নত রেখে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক, কল্যাণমুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো– এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
মহান আল্লাহ তায়ালা বীর শহিদদের রুহের মাগফিরাত দান করুন এবং প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের ওপর অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বর্ষণ করুন। আমিন। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ