বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:০৩ পি.এম
আদালতে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হওয়ার কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষককে পদোন্নতি দেওয়ার পাশাপাশি ৩৮ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সক্ষমতা আমরা পেয়েছি, বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শুধু প্রাথমিক নয়, মাধ্যমিকেও শিক্ষক সংকট রয়েছে। আজকেই রিকুইজিশন তৈরি করতে সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন।’
তিনি জানান, দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট সকল দফতরে নিয়োগ চালু করার জন্য মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করবে।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক থেকেই আনন্দময় এবং নৈতিক শিক্ষাকে সমন্বয় করে নতুন কারিকুলামের ব্যাপারে কাজ করছে সরকার। সবসময় এসএসসির পরে এইচএসসিতে ড্রপআউট ঘটে। এটি সামাজিক ও পারিবারিক নানা কারণে হতে পারে। তবে হঠাৎ করে বড় ধরনের ড্রপআউট অবশ্যই ভেবে দেখার বিষয়। এটা নিশ্চিতভাবেই একটি খারাপ সূচক।’
এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা। ৩৬ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক ছাড়া অচল ছিল। আমরা বড় জটিলতা থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি।’
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আদালতের রায়ে আইনি বাধা দূর হয়েছে। বিপুল সংখ্যক যে নিয়োগ আটকে ছিল, সেটিকে সরকারের সব মহল থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সমাধানের কাজ চলছে। দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা এই মুহূর্ত থেকেই দূর হয়ে গেছে। মন্ত্রণালয় আজ থেকেই কাজ শুরু করতে পারবে, কোনো আইনি জটিলতা থাকবে না।’
২০১৩ সালের এক বিধিমালায় বলা হয়েছিল, সদ্য জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান হবে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে। একদল শিক্ষকের রিট আবেদনে বিধিমালার ওই ধারা অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ আটকে যায়।
রাষ্ট্রপক্ষের আপিল গ্রহণ করে হাইকোর্টের ওই রায় উল্টে দিয়েছে আপিল বিভাগ। যার ফলে ২০১৩ সালের বিধিমালার ওই ধারা বহাল থাকবে। সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আর আইনি কোনো বাধা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামকে বদলিপূর্বক প্রেষণে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক পদে পদায়ন করেছে।
বুধবার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামকে তার বর্তমান কর্মস্থল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে বদলি করে প্রেষণে দুদক এর মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলম।
এই প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) শিক্ষার্থীদের সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে এবং ঝরে পড়া রোধে ছবি আঁকা, মাটির কাজ ও বিভিন্ন উপকরণ তৈরির মাধ্যমে ‘খেলার ছলে শেখা’ কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছে।
সম্প্রতি, ডিপিই’র পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে, যা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস (আনন্দময় শিক্ষা)’ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রণীত প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির চারু ও কারুকলা বিষয়ে শিক্ষক সহায়িকা রয়েছে। এই সহায়িকার আলোকে শ্রেণিভিত্তিক বিভিন্ন ছবি আঁকতে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে হবে।
পাশাপাশি, মাটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের উপকরণ তৈরি করাতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি শিল্পকর্ম শ্রেণিকক্ষে প্রদর্শনের ব্যবস্থাও করতে হবে, যাতে তারা উৎসাহিত ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে।
এতে আরও বলা হয়, শ্রেণিকক্ষে আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশে শিক্ষকরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়কে প্রিয় ও নিরাপদ স্থান হিসেবে অনুভব করবে। বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত থাকার প্রতিও তাদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।
এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, বিভাগীয় উপ-পরিচালক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়ার হার কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার কার্যক্রম সচল রাখার উদ্দেশ্যে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বেসরকারি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ রোধ করতে একটি ‘রেগুলেশন’ বা আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষকরা শিক্ষকতার পেশায় থাকবেন, কিন্তু নির্বাচনে গেলে তারা রাজনীতির পেশায় চলে যাবেন- দুইটি বিষয় একসাথে চললে শিক্ষার মানের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এর আগে বাংলাদেশে ‘জিপিই সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট (এসটিজি) এবং মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্টের’ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়। গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই), ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, এডিবি, এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শিক্ষকদের নির্বাচনমুখী হওয়ার বিষয়ে নিজ অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৪ হাজারের বেশি চেয়ারম্যান পদে এবং ৪৯৩টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে大量 শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। এতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার মারাত্মক ক্ষতি হয়। নির্বাচন কমিশনের একটি মুক্ত রেগুলেশন বা নিষেধাজ্ঞা থাকা উচিত যাতে শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন। যদি যেতে হয়, তবে তাদের চাকরি ছেড়ে যেতে হবে। রাষ্ট্র যে বিনিয়োগ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে, তা দেশ গঠনে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে।’
আজ থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রেক্ষিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আজ সকাল ১০টা থেকে আমাদের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আমাদের ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা ও মনিটরিং সেল রয়েছে। ফলে কেন্দ্রে গিয়ে প্রত্যক্ষ পাহারা দিতে হচ্ছে না। শিক্ষকরা সজাগ আছেন, অভিভাবকরা সতর্ক এবং পুলিশ বিভাগ বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করছে। শিক্ষার্থীরাও সচেতন এবং তারা আর কোনো ‘আনফেয়ার’ (অসদুপায়) অনুসরণ করবে না বলে আমাদের বিশ্বাস।’
এইচএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত শিক্ষার্থীদের একটি অংশের ঝরে পড়ার (ড্রপ আউট) হার বাড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে এসএসসি বা এইচএসসির পর মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়া বা ছেলেদের কাজে চলে যাওয়ার একটি স্বাভাবিক প্রবণতা ছিল। আমরা এই ড্রপ আউটের বিষয়টি খুব গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। আগামীতে ক্লাসরুমের শিক্ষা এবং শিক্ষকদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে এবং সিলেবাস আরও সুন্দরভাবে সাজানো হবে।’
প্রাথমিকের সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষকের মামলার বিষয়ে ড. মিলন বলেন, ‘বিষয়টি আদালতের আপিল বিভাগের নজরে এসেছে এবং তারাও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে কোর্টের আদেশটি এখনও আমাদের কাছে আসেনি। এর সম্পর্কে আমরা আজ বিস্তারিত জানাব।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জিপিই সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট (এসটিজি) এবং মাল্টিপ্লায়ার মিলে মোট ৯৮.৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার গ্রান্টের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন।
এছাড়া আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের পক্ষে ইউনিসেফ বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি ইমানুয়েল আব্রিউ, ইউনেস্কো বাংলাদেশের প্রতিনিধি ড. সুসান ভাইজ, এডিবি’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি (অফিসার ইনচার্জ) আকিরা মাতসুনাগা এবং ব্রিটিশ হাই কমিশনের মানবসম্পদবিষয়ক টিমের নেতা গোলাম কিবরিয়া সহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য আহ্বান জানিয়েছে। ছাত্রসংগঠনটির পক্ষ থেকে ফুয়াদকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ছাত্রদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির এ আহ্বান জানান।
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় এসেছে। এই বক্তব্যে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রাসঙ্গিকতা, শিক্ষার মান এবং শিক্ষকদের আদর্শিক অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। বক্তব্যে তিনি প্রশ্ন তুলে ধরেছেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে সচল থাকার কোনো প্রয়োজন আছে কি না।
ছাত্রদল ফুয়াদের বক্তব্যকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আক্রোশ হিসেবে দাবি করেছে। ওই পোস্টে বলা হয়েছে যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসের যেসব বাঁকে বাংলাদেশের পক্ষে অবদান রেখেছে, সেই বাঁকে ফুয়াদ সাহেবের পছন্দের সংগঠন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
১৯৪৭-এর দেশভাগ, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১-এর মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ ও বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন—এই সমস্ত ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসের ঠিক প্রান্তে ছিল বলে দাবি করেছে ছাত্রদল। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাছির মন্তব্য করেন, 'ফুয়াদ সাহেবের প্রিয় জামায়াতে ইসলামী ছিল দেশ ও জনগণের বিপক্ষে, ইতিহাসের ভুল প্রান্তে। এই ভুলের গ্লানি ও ক্ষোভ ফুয়াদ সাহেবরা মননে লালন করেন।'
ঢাবি নিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদের এই বক্তব্যকে নাছির ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ছাত্রদল দাবি করছে, ফুয়াদের এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ইতিহাসকে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা করছেন। সুতরাং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অবমাননাকর ও অসত্য বক্তব্য দেওয়ার জন্য তাকে অবশ্যই ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে এবং অতিদ্রুত তাকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ