প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আদালতে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হওয়ার কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষককে পদোন্নতি দেওয়ার পাশাপাশি ৩৮ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সক্ষমতা আমরা পেয়েছি, বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শুধু প্রাথমিক নয়, মাধ্যমিকেও শিক্ষক সংকট রয়েছে। আজকেই রিকুইজিশন তৈরি করতে সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন।’
তিনি জানান, দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট সকল দফতরে নিয়োগ চালু করার জন্য মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করবে।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক থেকেই আনন্দময় এবং নৈতিক শিক্ষাকে সমন্বয় করে নতুন কারিকুলামের ব্যাপারে কাজ করছে সরকার। সবসময় এসএসসির পরে এইচএসসিতে ড্রপআউট ঘটে। এটি সামাজিক ও পারিবারিক নানা কারণে হতে পারে। তবে হঠাৎ করে বড় ধরনের ড্রপআউট অবশ্যই ভেবে দেখার বিষয়। এটা নিশ্চিতভাবেই একটি খারাপ সূচক।’
এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা। ৩৬ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক ছাড়া অচল ছিল। আমরা বড় জটিলতা থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি।’
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আদালতের রায়ে আইনি বাধা দূর হয়েছে। বিপুল সংখ্যক যে নিয়োগ আটকে ছিল, সেটিকে সরকারের সব মহল থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সমাধানের কাজ চলছে। দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা এই মুহূর্ত থেকেই দূর হয়ে গেছে। মন্ত্রণালয় আজ থেকেই কাজ শুরু করতে পারবে, কোনো আইনি জটিলতা থাকবে না।’
২০১৩ সালের এক বিধিমালায় বলা হয়েছিল, সদ্য জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান হবে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে। একদল শিক্ষকের রিট আবেদনে বিধিমালার ওই ধারা অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ আটকে যায়।
রাষ্ট্রপক্ষের আপিল গ্রহণ করে হাইকোর্টের ওই রায় উল্টে দিয়েছে আপিল বিভাগ। যার ফলে ২০১৩ সালের বিধিমালার ওই ধারা বহাল থাকবে। সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আর আইনি কোনো বাধা নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন