বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:১৪ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে মেডিসিন্স স্যান্স ফ্রন্টিয়ার্স (এমএসএফ) এর আন্তর্জাতিক সভাপতি ড. মোহাম্মদ জাভিদ আবদেলমোনেইমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আলোচনা হয় বাংলাদেশে এমএসএফ’র চলমান মানবিক ও চিকিৎসা কার্যক্রম, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, মানবিক সংকটে চিকিৎসা সহায়তা এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশে এমএসএফ’র কার্যক্রম আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে।
বৈঠকে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বাংলাদেশের মানবিক ও চিকিৎসাসেবা প্রদানে এমএসএফ’র ভূমিকার দীর্ঘস্থায়ী প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, মানবিক সংকটের সময়ে মানুষের জীবন রক্ষা এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতার ওপর নির্ভর করে।
আলোচনায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে জরুরি চিকিৎসাসেবা ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে দুর্যোগ, বাস্তুচ্যুতি, রোগের প্রাদুর্ভাব এবং অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতির জন্য কার্যকর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
এমএসএফ’র বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম এবং তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা, মানবিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাস্তবতা এবং ভবিষ্যতের কার্যক্রমের সম্ভাবনা সম্পর্কে উপদেষ্টাকে অবহিত করে।
বৈঠকে মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনায় ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য ও মানবিক খাতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করা, জরুরি চিকিৎসাসেবায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংকটকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা উন্নয়নের বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
এমএসএফ’র আন্তর্জাতিক সভাপতি ড. মোহাম্মদ জাভিদ আবদেলমোনেইম বাংলাদেশে এমএসএফ’র কার্যক্রম এবং মানবিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে সংস্থাটির অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশে এমএসএফ’র কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে এমএসএফ’র আন্তর্জাতিক সভাপতি ড. মোহাম্মদ জাভিদ আবদেলমোনেইম, বাংলাদেশ মিশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ এলকো ব্রুমেলম্যান, মালয়েশিয়া মিশনের রিজিওনাল হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স লিড আনা আনসারি এবং বাংলাদেশ মিশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাডভাইজার ইমামুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের শেষ পর্যায়ে বাংলাদেশে মানবিক ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে এমএসএফ’র কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বঙ্গভবন থেকে বিদায় নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে তিনি বঙ্গভবন ত্যাগ করেন।
এই সময় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে ফুল দিয়ে বিদায় জানান।
বিদায় অনুষ্ঠানের শুরুতে সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি গার্ড পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। এরপরে তিনি উপস্থিত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিদায়ী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
বঙ্গভবনে আয়োজিত বিদায় অনুষ্ঠানে দেশের তিন বাহিনীর প্রধান, রাষ্ট্রপতির সামরিক ও বেসামরিক সচিবসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিদায় নেওয়ার আগে হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সরকারের সাফল্য কামনা করেন। পরে তিনি নির্ধারিত প্রটোকল অনুযায়ী গাড়িবহর নিয়ে বঙ্গভবন এলাকা ত্যাগ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কূটনৈতিক উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নয়াদিল্লিতে অবস্থিত পাকিস্তান হাই কমিশনের বাইরে গড়ে ওঠা একাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে। নিরাপত্তা বেষ্টনী সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি, মিশন প্রাঙ্গণের অনুমোদিত সীমানার বাইরে তৈরি করা অস্থায়ী কাঠামো বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটিকে সংশ্লিষ্ট মহল পাকিস্তানের সাম্প্রতিক এক পদক্ষেপের বিপরীতে ভারতের সরাসরি জবাব হিসেবেই দেখছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনিক সংস্থাগুলো একটি জেসিবি বুলডোজার নিয়ে পাকিস্তান হাই কমিশন এলাকায় অভিযানে নামে। তারা মিশনটির বাইরের সুরক্ষামূলক মেটাল ট্রাফিক বোলার্ড, ব্যারিকেড এবং বিশেষ করে ভিসা সেকশনের সামনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর জন্য তৈরি কিউ-ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। অভিযানের পর পর দেখা যায়, হাই কমিশনের পেছনের ও পাশের গলি জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ভাঙা ধাতব রিলিং, দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ফ্রেম ও কংক্রিটের টুকরো। বেশ কিছু সেবামূলক জানালার পাশের প্ল্যাস্টার খসে পড়েছে এবং ঢাকা টিন ও তারের বেড়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। তবে পাকিস্তান হাই কমিশনের মূল গেট এবং তার ঐতিহ্যবাহী গম্বুজবিশিষ্ট স্থাপত্য অক্ষত রয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এর ঠিক তিন দিন আগে ইসলামাবাদে অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনের বাইরের সুরক্ষামূলক নিরাপত্তা ব্যারিকেড অপসারণ করেছিল পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ। সেই ঘটনারই সরাসরি প্রতিক্রিয়ায় নয়াদিল্লি এই পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে কাশ্মীর ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্য নিয়েও ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েন তীব্র আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর শ্রীনগর সফরকালে জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে আখ্যা দেন এবং স্থানীয় সার্বিক পরিস্থিতির প্রশংসা করেন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই বক্তব্যে ইসলামাবাদ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। পরদিনই পাকিস্তান মার্কিন ভারপ্রাপ্ত চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স ন্যাটালি বেকারকে তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ লিপি পাঠায়। কূটনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির সেই একই সময়ে ভারতীয় প্রশাসনিক সংস্থাগুলো পাকিস্তান হাই কমিশনের সীমানা বহির্ভূত বেষ্টনী ভাঙতে উদ্যোগ নেয়। যদিও ভারতের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে একে শুধুই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বলে দাবি করা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা খোয়ানোর এক মাস পূর্ণ হয়েছে গতকাল (১৯ আগস্ট)। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্ল Claudio তাপিয়া ফাইনাল ম্যাচের পর জাতীয় দলের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে ‘জঘন্য প্রচারণা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাপিয়া একই সঙ্গে মিথ্যা বয়ান প্রচার করা ব্যক্তিদের তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য দায় স্বীকার করার আহ্বান করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক চিঠিতে তাপিয়া মূলত সেইসব বক্তব্যের সমালোচনা করেন, যেখানে ম্যাচে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। তিনি বলেন, মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালের পর এমন একটি ‘ঘৃণ্য প্রচারণা’ চালানো হচ্ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল বোঝানো যে আর্জেন্টিনা ইচ্ছাকৃতভাবে ম্যাচটি পরিত্যাগ করেছিল।
কয়েক দিন আগে ডিফেন্ডার ফাকুন্দো মেদিনা মন্তব্য করেছিলেন, ফাইনালের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে এমনকি তার নিজের মা-ও তাকে প্রশ্ন করেছিলেন।
তাপিয়া অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি আঙুল তোলেন, যারা পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ ধরে এসব বক্তব্য প্রচার করে গেছেন। তিনি লেখেন, ‘সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এক মাস পেরিয়ে গেলেও তাদের কেউ ক্ষমা চায়নি। কেউ এসে বলেনি, “আমরা ভুল করেছি।” নিজেদের দায় স্বীকার করার মতো সততা, মর্যাদা কিংবা নিছক সাহস কোনোটিই তাদের ছিল না।’
তিনি আরও বলেন, যখন আর্জেন্টিনা মাঠে বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলছিল, তখন মাঠের বাইরে ভিন্ন একটি বয়ান নির্মাণ করা হচ্ছিল। কিন্তু এই প্রসঙ্গে তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি।
তাপিয়ার ভাষায়, ‘যখন আমাদের খেলোয়াড়রা মাঠে নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিচ্ছিল, তখন বাইরে কেউ কেউ ঠিক তার বিপরীত কাজ করছে, ঘৃণা ছড়াচ্ছে, বিভাজন তৈরি করছে, অপমানজনক প্রচারণা চালাচ্ছে এবং এমন একটি জাতীয় দলের ভাবমূর্তি ধ্বংসের চেষ্টা করছে, যে দলটি লাখো মানুষের সম্মান অর্জন করেছে।’
আর্জেন্টাইন ফুটবলের উচ্চপদস্থ কর্তা জোর দিয়ে বলেন, সময় পেরিয়ে যাওয়ায় এই বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত নয়। তিনি লেখেন, ‘শুধু নীরব থাকাই যথেষ্ট নয়। সময় পার হওয়ার অপেক্ষা করাও যথেষ্ট নয়। বিষয় পরিবর্তন করে এমন আচরণ করাও যথেষ্ট নয়, যেন কখনো কিছু বলা হয়ইনি।’
তিনি সতর্ক করে দেন, এসব অভিযোগের বাস্তব পরিণতিও রয়েছে।
তাপিয়ার বক্তব্যের সবচেয়ে কঠোর অংশগুলোর একটি ছিল খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ নিয়ে। তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলার পর আর পেছনে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।’ কোনো প্রমাণ ছাড়াই দলের খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা ব্যক্তিদের কাছে তিনি ব্যাখ্যা দাবি করেন।
যারা এসব অভিযোগ তুলেছেন, তাদের মূল্যবোধ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাপিয়া। তিনি বলেন, ‘এসব করার পর তারা কীভাবে বাড়ি ফেরে? কীভাবে নিজেদের সন্তানদের চোখের দিকে তাকিয়ে তাদের সততা, সম্মান ও মর্যাদার কথা বলে?’
সবশেষে বিশ্বকাপ ফাইনালে অংশগ্রহণকারী পুরো দল, কোচিং স্টাফ, সাপোর্ট স্টাফ এবং খেলোয়াড়দের প্রতি সমর্থন জানান তাপিয়া। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, ‘যারা নিজেদের সবটুকু দিয়েছে, তাদের কিছুই ব্যাখ্যা করার নেই। যারা মিথ্যা বলেছে, ব্যাখ্যা তাদেরই দিতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জাতীয় সংসদে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। দুপুর ২টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এর পর ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় সংসদ সচিবালয় কর্তৃক সরবরাহ করা আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে। ভোট দিয়ে ব্যালটটি সংসদ কক্ষে সংরক্ষিত ব্যালট বাক্সের ভেতরে রাখতে হবে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই গণনা শুরু হবে। সব ভোট আগে শেষ হলে নির্ধারিত সময়ের আগেও গণনা শুরু করা যেতে পারে। এমপিরা যেভাবে ভোট দেবেন, সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে সংসদ সচিবালয় থেকে সরবরাহ করা পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। নিজের আসনে বসার পর, সহকারী নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছ থেকে নাম ও নির্বাচনী সংখ্যা-সংবলিত ব্যালট পেপার সংগ্রহ করতে হবে। ব্যালট পেপারের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়িতে নির্ধারিত স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে তা সহকারী নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে ফেরত দিতে হবে। এরপর ব্যালটের নির্ধারিত অংশে পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে নির্দিষ্ট স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে ভোট দিতে হবে। ভোট দেওয়া শেষে ব্যালট পেপার সংসদকক্ষে রাখা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে। কোনো কারণে ব্যালট পেপার লেখার সময় নষ্ট হয়ে গেলে সেটি ব্যালট বাক্সে দেওয়ার আগে নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। এরপর নির্বাচন কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। ভোটকক্ষে যেসব নিয়ম রয়েছে, ভোটগ্রহণের সময় সংসদ সদস্যদের বৈঠকে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচার চালানো যাবে না। এ সময় কোনো বক্তব্য বা ভাষণও দেওয়া যাবে না। ভোট দেওয়ার সময় কোনো সমস্যা দেখা দিলে চিফ হুইপ ও বিরোধী দলের চিফ হুইপের সহায়তা নিতে হবে। এ ছাড়া, ব্যালট পেপারে ভোটারের পূর্ণ স্বাক্ষরের কথা উল্লেখ থাকলেও সংসদ সদস্যদের সেখানে স্বাক্ষরের পরিবর্তে পূর্ণ নাম লিখতে হবে। যেভাবে গণনা হবে, বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গণনা শুরু হবে। প্রথমে কতজন সংসদ সদস্য ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ ও কতটি বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে—এসব হিসাব করা হবে। এরপর প্রার্থীদের পাওয়া বৈধ ভোট গণনা করা হবে। সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন নির্বাচন কর্মকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ৩৪৯টি ভোট রয়েছে। সংসদ ভবনের নির্ধারিত বুথে আসন নম্বর অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা ভোট দেবেন। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরই গণনা শুরু হবে এবং গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ