ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দিনাজপুরে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল


দিনাজপুরে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

দিনাজপুরের একটি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এই ঘটনাটি ঘটে শনিবার (১৩ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে, যখন ২ মিনিট ৩ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয় এমন দেখা যায়।

ভিডিওটি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একটি অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে প্রচারিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: শ্বশুরের মৃত্যুর এক দিন পর মারা গেলেন পুত্রবধূ

ইতিমধ্যে ভিডিওতে দেখা গেছে, দিনাজপুর জেলা ছাত্রলীগের সদস্য ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ফেরদৌস আলমের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী মুখে মাস্ক ও মাথায় সাদা টুপি পরে ব্যানার হাতে মিছিল করছেন। ব্যানারে লেখা ছিল, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর নিষেধাজ্ঞা মানি না, মানব না’, ‘আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ সব সহযোগী সংগঠনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে’, ‘পুলিশ হত্যার বিচার চাই’, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও বিক্ষোভ মিছিল’।

ভিডিওতে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’, ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ এবং ‘চলছে লড়াই, চলবে; ছাত্রলীগ লড়বে’সহ বিভিন্ন প্রকার স্লোগান শোনা যায়।

ভিডিওটি বর্তমানে ফেসবুকের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট ও পেজে ছড়িয়ে পড়েছে।

ছাত্রলীগের একাধিক সূত্র জানাচ্ছে, শনিবার সকালে সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে শহরের মির্জাপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সড়কে এ ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: নেছারাবাদে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় দুজন

এই বিষয়ে জানতে চাইলে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর নবী বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা নেই।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেনের হামলায় অর্থনীতির ক্ষতি হলেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে রাশিয়া : পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩৬ পি.এম


ইউক্রেনের হামলায় অর্থনীতির ক্ষতি হলেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে রাশিয়া : পুতিন

ইউক্রেনের হামলা রাশিয়ার অর্থনীতির ক্ষতি করছে, কিন্তু রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শুক্রবার বলেছেন যে তারা সেই ক্ষতি থেকে দ্রুত উঠে আসতে পেরেছেন। এটি তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া সামরিক কর্মীদের সঙ্গে এক বৈঠকে বলেছিলেন।

 

তিনি আরও বলেন, ‘তারা (ইউক্রেন) অবশ্যই আমাদের কিছু ক্ষতি করছে, কিন্তু আমরা দ্রুত সামলে উঠছি। তারা আমাদের কোনো গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারবে না।’

 

রাশিয়া যে ইউক্রেন যুদ্ধকে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ হিসেবে উল্লেখ করে, সেই প্রসঙ্গে পুতিন জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে রুশ সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি ৭ লাখেরও বেশি। তিনি আরো বলেন, পশ্চিমাদের বিরোধিতার মুখে রাশিয়া কার্যত একাই।

 

পুতিন আরো বলেছেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে তার দেশের বাহিনী যত দ্রুত তারা চাইছে, তত দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে না। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে তারা ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ধীরে ধীরে আমরা আমাদের অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছি। আমরা এটি অর্জন করব, এ নিয়ে কারও কোনো সন্দেহ নেই।’

 

তিনি উল্লেখ করেছেন, ইউক্রেনকে রাশিয়ার বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা থেকে বিরত রাখতে রাশিয়া ধাপে ধাপে তাদের প্রতিশোধমূলক হামলার তীব্রতা বাড়াবে।

 

ইউক্রেন যুদ্ধের শুরু সম্পর্কে ন্যাটোর বিরুদ্ধে রাশিয়ার অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি পুতিন ন্যাটো দেশগুলোর প্রযুক্তিগত ও বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন এবং তাদের ‘অত্যন্ত উন্নত অর্থনীতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটকে কনভেনশনাল বলা সমীচীন নয় : প্রতিমন্ত্রী নুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ পি.এম


বাজেটকে কনভেনশনাল বলা সমীচীন নয় : প্রতিমন্ত্রী নুর

বিরোধী দল বাজেটে সমর্থন জানালেও টেবিল চাপড়িয়ে বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই বাজেটকে কনভেনশনাল (গতানুগতিক) বলা যুক্তিসঙ্গত নয়। এই মন্তব্য করেছেন প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

শনিবার (১৩ জুন) দিনটি ছিল রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘দেশ পুনর্গঠনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের বাস্তবায়ন’ শীর্ষক সেমিনারের। সেখানেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী বাজেটের ইতিবাচক দিক তুলে ধরে বলেন যে, অতীতের তুলনায় এবারের বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে এবং দেশীয় উৎপাদন ও শিল্পখাতকে বিশেষ প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। তিনি যোগ করেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করতে গিয়ে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ছোট-বড় মিছিল শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এতে কিছু লোক ইন্ধন জোগাচ্ছে।’

ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘ফ্যাসিস্টরা আমাদের কমন শত্রু, সেই প্রশ্নে কোনো আপস নেই।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থায়নের উৎস বৈচিত্র্যময় করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


অর্থায়নের উৎস বৈচিত্র্যময় করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ব্যাংক ঋণ ও সরকারি কোষাগারের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে অর্থায়নের উৎস বৈচিত্র্যময় করার আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় প্রচলিত অর্থায়ন কাঠামো কার্যকর নয়। তাই ‘ব্লেন্ডেড ফাইন্যান্সিং’ বা সমন্বিত অর্থায়ন ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) যৌথ আয়োজনে ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনীতিক কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক সম্মেলনে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে অর্থায়নের নানা বিকল্প উৎস রয়েছে। সিন্ডিকেটেড ফাইন্যান্সিং, বিভিন্ন ফান্ড ম্যানেজার ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ব্যাংকের বাইরেও অর্থায়নের সুযোগ দিচ্ছে। তাই শুধু ব্যাংক ঋণ বা সরকারি কোষাগারের ওপর নির্ভর করার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এই পরিবর্তনের প্রয়োজন শুধু বেসরকারি খাতের জন্য নয়, ব্যাংক খাত ও সরকারের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। নতুন আর্থিক কাঠামো, নতুন অর্থায়ন পদ্ধতি এবং নতুন চিন্তার দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

এছাড়া, সরকারের ঋণ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অতীতে বহুপাক্ষিক ও দ্বিপাক্ষিক উৎস থেকে নেয়া ঋণের ব্যয় এখন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যখন সরকার স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নেয়, তখন তার চাপও বাড়ে। গত এক দশকে এই প্রবণতা ঋণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শুধু সুদ পরিশোধের জন্য প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখতে হয়েছে। ফলে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বা ‘ফিসকাল স্পেস’ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে।

মূলধন বাজারকে অর্থায়নের প্রধান উৎস হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বড় বড় বিনিয়োগের অর্থায়ন মূলধন বাজার থেকেই আসা উচিত। ইক্যুইটি এবং ঋণ; উভয় ধরনের অর্থই মূলধন বাজার থেকে সংগ্রহ করতে হবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ সুদে ঋণ নেয়, অথচ বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ৭ থেকে ৮ শতাংশ খরচে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে, তাহলে ব্যয়ের পার্থক্য বিশাল। ব্যবসার ক্ষেত্রে ঋণের খরচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তিনি বলেন, বিশ্বের অধিকাংশ সৎ ও পেশাদারভাবে পরিচালিত ব্যবসা নিয়মিতভাবে ৪ থেকে ৬ শতাংশের বেশি নিট মুনাফা করতে পারে না। কিন্তু উচ্চ সুদের ঋণের কারণে সেই মুনাফার বড় অংশ ব্যয় হয়ে গেলে ব্যবসার টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।

সরকারি অর্থায়ন কাঠামো পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগে সরকারের অর্থায়নের প্রধান উৎস ছিল বহুপাক্ষিক ও দ্বিপাক্ষিক ঋণ, স্থানীয় অর্থায়ন এবং কর রাজস্ব। কিন্তু বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তনের কারণে এসব উৎসের ব্যয় বেড়েছে। আগে বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলো ১ শতাংশেরও কম সুদে ঋণ দিত। এখন অনেক ক্ষেত্রে তা ২ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যাংক ঋণের সুদের হারও তুলনামূলক বেশি, আর কর-জিডিপি অনুপাত এখনও নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ বলেন, সরকারি অর্থায়ন কাঠামোকে নতুন করে মূল্যায়ন ও পুনর্বিবেচনা করার প্রয়োজন রয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোয় যে পরিবর্তন এসেছে, তা বিশ্বের সব দেশের অর্থনীতিকেই প্রভাবিত করেছে। তবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি। এ কারণে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি ভিন্নধর্মী আর্থিক কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি যোগ করেছেন, সরকারের পক্ষে সব ধরনের ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠান সরকারি মালিকানাধীন হলেও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেগুলোর সরকারের অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীল থাকা উচিত নয়। এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রকৃত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মতো পরিচালিত হতে হবে। নিজেদের প্রয়োজনীয় অর্থ বাজার থেকে সংগ্রহ করতে হবে এবং নিজেদের আয় দিয়েই পরিচালিত হতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত হয়, তাহলে সেটিকে ব্যবসার নিয়ম মেনেই চলতে হবে। একদিকে সরকারি মালিকানা থাকবে, অন্যদিকে লোকসান হলে সরকারি কোষাগার থেকে সহায়তা দেয়া হবে; এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর নয় এবং অতীতেও কার্যকর ছিল না। বাংলাদেশেও এমন ব্যবস্থার নানা উদাহরণ রয়েছে। তাই সরকারি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নিজস্ব অর্থায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনায় রিকশাচালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪৪ পি.এম


বরগুনায় রিকশাচালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

বরগুনায় পুলিশ এক রিকশাচালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে পাথরঘাটা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে মিজানুর রহমানের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মিজানুর রহমান (৪০) পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের মৃত সফেজ উদ্দিনের ছেলে।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মিজানুর রহমান তার বাসার সামনে রিকশা চার্জে রেখে রাত ১১টার দিকে ঘরে ফিরেছিলেন। রাতের খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। তবে গভীর রাতে কখন তিনি ঘর থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন, তা পরিবারের কেউ টের পাননি।

এরপর শনিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর স্থানীয়রা বাড়ির সামনের সড়কে মিজানুর রহমানের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে, পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

মিজানুরের স্ত্রী পারভীন আক্তার জানান, রাতে স্বাভাবিকভাবে সবাই ঘুমাতে যান এবং তারা সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে স্বামীর মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।

এদিকে নিহতের বড় ভাই শাহজাহান মিয়া অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর আগে প্রতিপক্ষ নিজেদের ঘরে আগুন দিয়ে তাদের পরিবারকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলাও চলমান রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই মিজানুর রহমানকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

ঘটনার খবর পেয়ে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) শাহেদ আহমেদ চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এনাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%