প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরগুনায় পুলিশ এক রিকশাচালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে পাথরঘাটা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে মিজানুর রহমানের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মিজানুর রহমান (৪০) পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের মৃত সফেজ উদ্দিনের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মিজানুর রহমান তার বাসার সামনে রিকশা চার্জে রেখে রাত ১১টার দিকে ঘরে ফিরেছিলেন। রাতের খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। তবে গভীর রাতে কখন তিনি ঘর থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন, তা পরিবারের কেউ টের পাননি।
এরপর শনিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর স্থানীয়রা বাড়ির সামনের সড়কে মিজানুর রহমানের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে, পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
মিজানুরের স্ত্রী পারভীন আক্তার জানান, রাতে স্বাভাবিকভাবে সবাই ঘুমাতে যান এবং তারা সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে স্বামীর মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।
এদিকে নিহতের বড় ভাই শাহজাহান মিয়া অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর আগে প্রতিপক্ষ নিজেদের ঘরে আগুন দিয়ে তাদের পরিবারকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলাও চলমান রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই মিজানুর রহমানকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
ঘটনার খবর পেয়ে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) শাহেদ আহমেদ চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এনাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন