বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:১৯ পি.এম
শুক্রবার দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি), কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার প্রেক্ষিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনে ‘পুলিশি বর্বরতার’ প্রতিবাদে।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি বার্তায়, দলটি তাদের সমর্থক, ছাত্রসংসদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদেরকে প্রতি শহরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের আয়োজনের জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
সিজেপি বিক্ষোভের আয়োজকদের উদ্দেশে বলেছে, ‘পুরো সমাবেশের সামনে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো উচ্চস্বরে পড়ে শোনান। অনুমতি ও আনুষঙ্গিক বিষয়গুলোর জন্য ছাত্রসংগঠন ও অন্য সংগঠনগুলোকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
অন্যদিকে, দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার আলোচনা জন্য চারবার সিজেপির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে কিন্তু কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি মন্তব্য করেছেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনা দরজা সব সময় খোলা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চারবার তাদের সঙ্গে কথা বলার উদ্যোগ নিয়েছি, কিন্তু কোনো উত্তর পাইনি। আন্দোলনকারীরা চাইলে আলোচনা করার জন্য জে পি নাড্ডার বাসভবন কিংবা কার্যালয়ে আসতে পারেন।’
দেশের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে উল্লেখ করেছে, দিল্লিতে সিজেপির ‘চলো সংসদ’ মার্চের সময় সংঘর্ষ এবং বিভিন্ন রাজ্যে পুলিশি হামলার প্রতিবাদ হিসাবে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এসব ঘটনা আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়ার সংকল্পকে আরো দৃঢ় করেছে।
যদিও বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে, দিল্লি পুলিশ দাবি করেছে যে মার্চ চলাকালীন বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে ওঠে এবং তারা পুলিশ সদস্যদের উপর আক্রমণ করে এবং সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করে। দেশব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসাবে সংগঠনটি স্থানীয় আয়োজকদের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি), প্রচারসামগ্রী এবং স্মারকলিপির একটি টেমপ্লেট প্রকাশ করেছে।
নির্দেশিকার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিক্ষোভকারীদের নির্দিষ্ট স্থানে জমায়েত হয়ে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো জনসমক্ষে পাঠ করতে হবে, সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় তথাকথিত পুলিশি বর্বরতার শিকার ব্যক্তিদের প্রতি সংহতি জানাতে হবে এবং জেলা কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার জবাবদিহির দাবিতে দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভ শুরু হয়।
এছাড়া আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সমর্থনে অ্যাক্টিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক বিক্ষোভে যোগ দিয়ে আমরণ অনশন শুরু করার পর এই আন্দোলন আরো গতিশীল হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় প্রবর শ্রী-শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব আগামীকাল শুক্রবার উল্টো রথ টানার মাধ্যমে শেষ হবে। এর আগে গত ১৬ জুলাই ৯ দিনব্যাপী রথযাত্রা উৎসব শুরু হয়।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে রয়েছে বিশ্বাস যে, জগন্নাথ দেব হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। এখানে, জগত বলতে বোঝানো হচ্ছে বিশ্বকে এবং নাথ বলতে বোঝানো হচ্ছে ঈশ্বরকে। তাই বলাই যায়, জগন্নাথ হলেন জগতের ঈশ্বর। তার অনুগ্রহ লাভের মাধ্যমে মানুষের মুক্তিলাভ হয় এবং জীব রূপে তাকে আর জন্ম নিতে হয় না। এই বিশ্বাস থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা রথের ওপর জগন্নাথ দেবের প্রতিমা রেখে রথযাত্রার আয়োজন করেন।
উল্টো রথযাত্রার অনুষ্ঠানের উপলক্ষে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন এবং মন্দিরে বিভিন্ন মাঙ্গলিক আয়োজন করা হয়েছে। আগামীকাল শুক্রবার সকালে মাঙ্গলিক আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এ অনুষ্ঠানে অন্তর্ভুক্ত থাকবে হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্ব শান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্রী যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা, ভাগবত কথা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠ।
রাজধানী ঢাকায় আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) উল্টো রথযাত্রার উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার বিকেলে বিশাল এক শোভাযাত্রা বের করবে। উল্টো রথযাত্রার উদ্বোধনী উপলক্ষ্যে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের মেলা প্রাঙ্গণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। আলোচনা সভা শেষে উল্টো রথযাত্রার উদ্বোধন করবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন স্বামীবাগ আশ্রমের অধ্যক্ষ ও ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক নিতাই স্বামী মহারাজ।
বর্ণাঢ্য সাজে তিনটি বিশাল রথে জগন্নাথ দেব, শুভদ্রা ও বলরামের প্রতিকৃতিসহ শোভাযাত্রা বের করা হবে। শোভাযাত্রা যাবে পলাশীমোড়, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, জাতীয় প্রেসক্লাব, মতিঝিল, শাপলা চত্বর, ইত্তেফাক মোড়, টিকাটুলি, রাজধানী সুপার মার্কেট ও জয়কালী মন্দির হয়ে স্বামীবাগের ইসকন মন্দিরে গিয়ে শেষ হবে।
একটি সনাতনী রীতি অনুসারে, প্রতি বছর চন্দ্র আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে শুরু হয়ে থাকে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা। এটি পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির থেকে শুরু হয়। বাংলাদেশেও এই রথযাত্রা হিন্দুদের একটি পবিত্র উৎসব হিসেবে পরিচিত। সাভারের ধামরাইয়ে এটি পরিচিত যশোমাধবের রথযাত্রা নামে। ভারতের ঊড়িষ্যা রাজ্যের যশোমাধবের রথযাত্রা ও মহেশের জগন্নাথ দেবের রথযাত্রাও উপমহাদেশে বিখ্যাত। ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর মধ্যে রথযাত্রার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে।
বাংলাদেশের পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারের জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দির, জয়কালী রোডের রামসীতা মন্দির এবং শাঁখারীবাজার কমিটিসহ রাজধানীর বিভিন্ন মন্দির ও দেশের অন্যান্য মন্দিরে উল্টো রথ টানার উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিল্লির যন্তর-মন্তরে চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে, এবারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতায় কর্মসূচি পালনের ঘোষণা প্রদান করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। চিকিৎসা শিক্ষায় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে কলকাতার রাজপথে মিছিল ও সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সংগঠনটি।
কর্মসূচি পালন করার জন্য ইতিমধ্যে কলকাতা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু, পুলিশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অনুমতি প্রদান করা হয়নি বলে দলটির সূত্র নিশ্চিত করেছে।
কলকাতা পুলিশের সদর ও অপরাধ দমন শাখার সূত্রে তথ্য পাওয়া গেছে যে, গত ১৯ ও ২১ জুলাই যৌথ কমিশনারদের কাছে ই-মেইলের মাধ্যমে অনুমতি চেয়ে আবেদন পাঠিয়েছেন সংগঠনের সদস্য দেদীপ্য গঙ্গোপাধ্যায়। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শুক্রবার বিকেল চারটায় শহরের ঐতিহ্যবাহী কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু করে রানি রাসমণি সড়ক পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রায় দেড় হাজার তরুণ ও শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।
কলকাতা পুলিশ আবেদন গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। তবে শহরের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে যথেষ্ট পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সংগঠনের সদস্য দেদীপ্য গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পুলিশের সঙ্গে অনুমতির বিষয়ে আলোচনা চলছে। যদি অনুমতি না মেলে, তবে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে তারা বৈঠক করবেন। একই সঙ্গে দুর্নীতিমুক্ত ভাবমূর্তির সাধারণ শিক্ষার্থী ও তরুণদের এই মিছিলে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষায় অনিয়মের জেরে রাজধানী দিল্লিতে শুরু হওয়া এই যুব অসন্তোষ ইতিমধ্যে দেশটির অন্যান্য বড় শহরে ছড়িয়ে পড়ছে। দিল্লির সংসদ ভবনমুখী মিছিলে সংঘর্ষ ও সহিংসতার পর, মুম্বাই ও চেন্নাইয়ে শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমেছেন। এবার কলকাতার কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি এবং শিক্ষাঙ্গনে নতুন উত্তাপ দেখা দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভুলবশত ট্রেনে ফেলে আসা একটি ট্রাভেল ব্যাগ ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’-এ ফোন করে ফিরে পেয়েছেন জাকারিয়া নামের এক যাত্রী।
এই ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁও রেলস্টেশনে।
জাকারিয়া জানান, তিনি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বলেন যে, ঢাকা থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জগামী তিস্তা কমিউটার ট্রেনে জয়দেবপুর থেকে উঠার পর গফরগাঁও স্টেশনে নেমে যান। এরপর তিনি বুঝতে পারেন যে, ট্রেনের ‘ড’ বগির ৫/৬ নম্বর আসনের উপর তাঁর ট্রাভেল ব্যাগটি রেখে নেমে গেছেন।
ব্যাগটির ভেতরে কয়েক হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোন, দরকারি কাগজপত্র ও কাপড় ছিল। এই কারণে তিনি ব্যাগটি উদ্ধার করার জন্য ৯৯৯-এর কাছে অনুরোধ জানান।
অভিযোগ পাওয়ার পর ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে রেলওয়ে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, ময়মনসিংহ রেলস্টেশন এবং জামালপুর রেলওয়ে থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অবহিত করে। কলটি গ্রহণ করেন ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল আমির হোসেন। পুরো উদ্ধার কার্যক্রমের তদারকি ও সমন্বয় করেন ৯৯৯-এর ডিসপ্যাচার এসআই মো. মহিউদ্দিন মুন্না।
পরে জামালপুর রেলওয়ে থানার একটি দল দেওয়ানগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছানো তিস্তা কমিউটার ট্রেনে তল্লাশি চালিয়ে ‘ড’ বগি থেকে ব্যাগটি উদ্ধার করে এবং থানায় নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে জাকারিয়াকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি জামালপুর রেলওয়ে থানায় উপস্থিত হয়ে সেখানে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম তার হাতে উদ্ধার করা ব্যাগটি বুঝিয়ে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইয়েমেনভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের যেকোনও হামলার জন্য ইরানকে সরাসরি দায়ী করা হবে।
তিনি মন্তব্য করেন, হুথিরা মূলত ইরানের ‘প্রক্সি’ হিসেবে কাজ করে এবং তাদের হামলার দায় তেহরানকেই বহন করতে হবে।
ট্রাম্প বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রায় এক বছর আগে হুথিদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত শক্তিশালী সামরিক অভিযান চালিয়েছে। তাঁর দাবি, ওই অভিযানের পর হুথিরা দীর্ঘ সময় তুলনামূলকভাবে সংযত আচরণ করেছে।
তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা আবারও হামলা শুরু করেছে। গত রাতে তারা সৌদি আরবের দু’টি জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে।”
তিনি আরও জানান, “যদি তারা আবার এমন হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকেই এর জন্য দায়ী করবে। কারণ হুথিরা ইরানের প্রতিনিধি বা প্রক্সি বাহিনী হিসেবে কাজ করে। সেক্ষেত্রে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অবশ্যই হুথিরাও তার পরিণতি ভোগ করবে।”
ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পেয়েছে। ওয়াশিংটন দীর্ঘকাল ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে, ইরান হুথিদের অস্ত্র, প্রশিক্ষণ ও গোয়েন্দা সহায়তা প্রদান করে। যদিও তেহরান সরাসরি সামরিক নিয়ন্ত্রণ বা হামলার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হুথিদের যেকোনও নতুন হামলার জন্য ইরানকে সরাসরি দায়ী করার ট্রাম্পের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। কারণ এ ধরনের অবস্থান ভবিষ্যতে হুথিদের হামলার জবাবে শুধুমাত্র ইয়েমেনেই নয়, বরং ইরানের ভেতরেও মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের পথ প্রশস্ত করতে পারে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে লোহিত সাগর ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে হুথিদের হামলা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এর মধ্যেই ট্রাম্পের সর্বশেষ হুঁশিয়ারি ইঙ্গিত করছে যে, পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক প্রতিক্রিয়া জানাতেও প্রস্তুত থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ