বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৩৩ পি.এম
রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তায় যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরব।
কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ) এবং ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা কক্সবাজারে একযোগে সফরের মাধ্যমে এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। দুই দেশের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত মানবিক কার্যক্রমগুলো পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে তারা সেখানে যান।
আজ ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সফরকালে প্রতিনিধিরা মানবিক সহায়তাকারী সহযোগী সংস্থা, রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগণের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সময়ে তারা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) সেবা প্রদানকারী প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করেন।
দুই দেশ সম্মিলিতভাবে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং ইন্টিগ্রেটেড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট এফোর্ট (আইএসডিই) ইত্যাদি বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ৭.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সংগঠিত ‘যুক্তরাজ্য-সৌদি আরব কৌশলগত সহায়তা সংলাপ’-এ এই তহবিলটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
২০০৫ সালের ডিসেম্বরে লন্ডনে একটি যৌথ বিবৃতি স্বাক্ষর করার পর, এই সফরটি সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার গভীর মানবিক অংশীদারিত্বের একটি প্রতিনিধিত্ব করে।
ওই বিবৃতিতে উল্লিখিত হয় যে, দুই পক্ষই বাংলাদেশ ও ইয়েমেনে মানবিক সহযোগিতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সফরকারী প্রতিনিধিদল মানবিক সংস্থাগুলি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে সরাসরি জানার সুযোগ পান, কীভাবে এই কর্মসূচিগুলো জরুরি সেবা পৌঁছাচ্ছে, জীবনযাত্রার মান উন্নত করছে এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।
কেএসরিলিফ-এর অপারেশন ও প্রোগ্রাম বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারভাইজার জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার আহমেদ বিন আলী আল-বাইয বলেন, তার সংস্থা যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও)-এর সাথে অংশীদারিত্বকে উচ্চমূল্য দেয়।
আল-বাইয জানান, তারা এফসিডিও এর সাথে সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেন কারণ এটি সুবিধাবঞ্চিত জনগণের ক্ষমতায়ন করতে একসাথে কাজ করেছে। যুক্তরাজ্যের সাথে এই অংশীদারিত্ব রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের কাছে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছানোর ক্ষমতাকে আরো বৃদ্ধি করেছে।
এটি কার্যকর ও সহানুভূতিশীল মানবিক পদক্ষেপের মাধ্যমে মানুষের কষ্ট লাঘব এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য তাদের যৌথ প্রতিশ্রুতিই পুনর্ব্যক্ত করে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী, স্থানীয় জনগণ এবং অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছানোতে কেএসরিলিফ-এর সাথে অংশীদারিত্ব করতে পেরে যুক্তরাজ্য গর্বিত।
তিনি আরও বলেন, এই সফর আমাদের মানবিক অংশীদারিত্ব ও সংকটে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে আমাদের যৌথ অঙ্গীকারের প্রকাশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের খাদ্য ও স্যানিটেশন কর্মকর্তা দীপক মজুমদারের বিরুদ্ধে চলছে আর্থিক অনিয়ম, প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে আলোচনা। বিভিন্ন অভিযোগের মধ্যে রয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অসঙ্গতি এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রের তথ্যমতে, সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে, এসব অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহলে আলোচিত হয়ে আসছে কিন্তু বিষয়গুলো নিয়ে এখনও তদন্ত হয়নি।
এছাড়া, জন্মনিবন্ধন ও মৃত্যু নিবন্ধনসংক্রান্ত সেবা, বিভিন্ন প্রশাসনিক ব্যয় এবং ভাউচার ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, কিছু ক্ষেত্রে আর্থিক ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নিরীক্ষা লব্ধ হওয়া উচিত।
আরো একটি আলোচিত অভিযোগ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ঘিরে আবির্ভূত হয়েছে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, মুক্তিযোদ্ধা কোটার ব্যবহার নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে এবং নিয়োগসংক্রান্ত নথি সংরক্ষণ ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায়ও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিকের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে এমন সংক্রান্ত অভিযোগ উঠলে তা দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জনস্বার্থের দাবি।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে দীপক মজুমদারের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হলে, তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতাল চত্বর থেকে এক নারীসহ দালাল চক্রের ১৪ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হাসপাতালকে দালালমুক্ত রাখতে র্যাব-১৪ এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত হাসপাতাল চত্বরে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে।
সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে মোবাইল কোর্ট দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারায় তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করে। সাজাপ্রাপ্তদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
র্যাব-১৪, সদর কোম্পানি, ময়মনসিংহের কোম্পানি কমান্ডার মো. সামসুজ্জামান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এ সময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু হাসান।
গ্রেফতারকৃত দালাল চক্রের সদস্যরা হলেন, মো. আতিকুল ইসলাম (৪০), মোহাম্মদ রফিক আলী (৪৫), ইমরান বাদশা (৩০), আসাদ (৪৭), আহসান উল্লাহ (৩৭), মনির (৪৫), টুটুল আমিন (৪০), আনিস হোসেন (৪০), মো. রানা (৩০), মো. সোহাগ মিয়া (৩১), মনির হোসেন (৩৭), শিলা আক্তার (৫১), জীবন হোসেন (২৮) এবং আক্তার হোসেন (৩১)।
মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা যায়, এই দালালরা দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বহির্বিভাগ ও প্রবেশ পথে অবস্থান নিয়ে রোগী ও তাদের স্বজনদের টার্গেট করত। বিশেষ করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের ভুল তথ্য দিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিভ্রান্ত করে। পরে উন্নত ও দ্রুত চিকিৎসার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করত।
র্যাব-১৪-এর কোম্পানি কমান্ডার মো. সামসুজ্জামান বলেন, ‘শুধু অভিযান চালিয়ে কোনো স্থায়ী সমাধান হবে না। এসব দালালকে একাধিকবার গ্রেফতার করা হলেও জামিনে বা অন্যভাবে ছাড়া পেয়ে তারা আবার একই কাজে জড়িয়ে পড়ে। তাদের খপ্পরে পড়ে গ্রামের নিরীহ মানুষ প্রতারিত হচ্ছেন। রোগীদের বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করা হয়। এ ধরনের প্রতারণার কারণে অনেক রোগী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। চিকিৎসার অবহেলায় মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। তাই এদের বিরুদ্ধে কঠোর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।’
দালালচক্রের প্রতারণার শিকার ত্রিশাল উপজেলার কোনাবাড়ী গ্রামের বাবুল হোসেন বলেন, ‘আমার ছেলের পায়ে তারকাঁটা লাগার পর তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি। হাসপাতালে আসার পরই দালালের খপ্পরে পড়ি। তারা আমাকে বলে, হাসপাতালে ভালো চিকিৎসা হবে না। পরে বিভিন্ন কথা বলে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখানে অপারেশনের কথা বলে পর্যায়ক্রমে আমার কাছ থেকে ৩৯ হাজার টাকা আদায় করা হয়।’
হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্র দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালকে কেন্দ্র করে সক্রিয় রয়েছে। তারা রোগীদের বিভিন্ন কৌশলে প্রলুব্ধ করে হাসপাতালের বাইরে নিয়ে যায়। এতে একদিকে রোগীদের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসা বিলম্বিত হওয়ার কারণে রোগীদের দুর্ভোগও বাড়ছে।
র্যাব জানায়, হাসপাতালে ভেতর ও আশপাশের এলাকায় দালালচক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনদের নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কোনো ব্যক্তি দালালচক্রের তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রাদেবীর রথযাত্রা মহোৎসব-২০২৬ উৎফুল্ল পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার ধামুসা শ্রীশ্রী জগন্নাথ মন্দির (ইসকন) দীনবন্ধু সংঘাশ্রমের আয়োজনের মাধ্যমে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন। তিনি বলেন, "বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের জন্যই এ জুলাই। আমরা আমাদের দেশে কোনো ধর্ম বা গোত্রের মানুষের মধ্যে বৈষম্য দেখতে চাই না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই আমরা দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই।"
তিনি আরও বলেন, "আপনারা ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আমাকে বিজয়ী করেছেন। তাই আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এ দেশের সম্পদ। তাদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে আমরা সবসময় কাজ করে যাব।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক সর্বাজ্ঞ গোবিন্দ দাসাধিকারী, ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান মাহমুদ, সিনিয়র অ্যাডভোকেট চিত্তরঞ্জন বল, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব স্বপন কুমার সরকার এবং শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ দূর্বালন্দ বাড়ৈসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
মাদারীপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রাণতোষ মণ্ডল এই সম্পর্কে বলেন, জেলার আটটি স্থানে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি স্থানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে রয়েছে। বিশেষ করে এমপি খোকন তালুকদার প্রতিটি ধর্মীয় আয়োজনে অংশ নিয়ে সহযোগিতা করে আসছেন।
এদিকে কালকিনি পৌরসভার মেয়র প্রার্থী কামাল হোসেন বেপারী বলেন, জেলার বিভিন্ন স্থানে রথযাত্রার অনুষ্ঠান ঘুরে তারা সম্প্রীতির চিত্র দেখেছেন। অপর মেয়র প্রার্থী মামুন বেপারী বলেন, "হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা আমাদের ভাই। আমরা সবসময় তাদের পাশে আছি।"
ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, কীর্তন, পূজা ও রথ টানার মাধ্যমে দিনব্যাপী এই মহোৎসব উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক ভক্ত, সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে একজন মুসলমান নাগরিক সরকারের কাছ থেকে যে সুযোগ-সুবিধা পান, সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও ঠিক একই সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি এই বক্তব্যটি বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে পঞ্চগড় পৌরসভার চানপাড়া ইসকন মন্দিরে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'বিএনপি সরকার একটি অসাম্প্রদায়িক সরকার। আমরা সব ধর্মকে সম্মান করি এবং সব ধর্মের মানুষকে ধারণ করি।'
নেতা আরও জানান, 'ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার- এই স্লোগানকে সামনে রেখে সরকার আগামীতে এগিয়ে যাবে।'
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন, পুলিশ সুপার আবু সাইমসহ বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ। আলোচনা সভা শেষে চানপাড়া ইসকন মন্দির থেকে একটি বর্ণাঢ্য রথযাত্রা বের করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ