প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তায় যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরব।
কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ) এবং ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা কক্সবাজারে একযোগে সফরের মাধ্যমে এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। দুই দেশের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত মানবিক কার্যক্রমগুলো পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে তারা সেখানে যান।
আজ ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সফরকালে প্রতিনিধিরা মানবিক সহায়তাকারী সহযোগী সংস্থা, রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগণের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সময়ে তারা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) সেবা প্রদানকারী প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করেন।
দুই দেশ সম্মিলিতভাবে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং ইন্টিগ্রেটেড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট এফোর্ট (আইএসডিই) ইত্যাদি বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ৭.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সংগঠিত ‘যুক্তরাজ্য-সৌদি আরব কৌশলগত সহায়তা সংলাপ’-এ এই তহবিলটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
২০০৫ সালের ডিসেম্বরে লন্ডনে একটি যৌথ বিবৃতি স্বাক্ষর করার পর, এই সফরটি সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার গভীর মানবিক অংশীদারিত্বের একটি প্রতিনিধিত্ব করে।
ওই বিবৃতিতে উল্লিখিত হয় যে, দুই পক্ষই বাংলাদেশ ও ইয়েমেনে মানবিক সহযোগিতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সফরকারী প্রতিনিধিদল মানবিক সংস্থাগুলি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে সরাসরি জানার সুযোগ পান, কীভাবে এই কর্মসূচিগুলো জরুরি সেবা পৌঁছাচ্ছে, জীবনযাত্রার মান উন্নত করছে এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।
কেএসরিলিফ-এর অপারেশন ও প্রোগ্রাম বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারভাইজার জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার আহমেদ বিন আলী আল-বাইয বলেন, তার সংস্থা যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও)-এর সাথে অংশীদারিত্বকে উচ্চমূল্য দেয়।
আল-বাইয জানান, তারা এফসিডিও এর সাথে সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেন কারণ এটি সুবিধাবঞ্চিত জনগণের ক্ষমতায়ন করতে একসাথে কাজ করেছে। যুক্তরাজ্যের সাথে এই অংশীদারিত্ব রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের কাছে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছানোর ক্ষমতাকে আরো বৃদ্ধি করেছে।
এটি কার্যকর ও সহানুভূতিশীল মানবিক পদক্ষেপের মাধ্যমে মানুষের কষ্ট লাঘব এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য তাদের যৌথ প্রতিশ্রুতিই পুনর্ব্যক্ত করে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী, স্থানীয় জনগণ এবং অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছানোতে কেএসরিলিফ-এর সাথে অংশীদারিত্ব করতে পেরে যুক্তরাজ্য গর্বিত।
তিনি আরও বলেন, এই সফর আমাদের মানবিক অংশীদারিত্ব ও সংকটে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে আমাদের যৌথ অঙ্গীকারের প্রকাশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন