ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কিশোরগঞ্জে ফুটবল খেলা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে ১৩ জন আহত


কিশোরগঞ্জে ফুটবল খেলা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে ১৩ জন আহত

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ফুটবল খেলার কারণে সংঘর্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৫টায় উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের তুলাকান্দি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। খবর পাওয়ার পর ভৈরব থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন: সেলিম মিয়া, দুলাল মিয়া, মগল মিয়া, আলাল মিয়া, সুমন মিয়া এবং দুলাল মিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও, জালাল মিয়া ও রশিদ মিয়া উপজেলা কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. শাহরিয়ার।

আরও পড়ুন: কমলনগরে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ শিকারের দায়ে চারজনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

তিনি জানিয়েছেন, ‘বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১০ জন চিকিৎসা নিয়েছেন।’

এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের তুলাকান্দি এলাকার যুবকদের মধ্যে বিবাহিত ও অবিবাহিত দুটি পক্ষের মধ্যে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে সন্ধ্যায় হারজিত নিয়ে বাকবিতণ্ডা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। স্থানীয়রা ঘটনাটি মীমাংসা করলেও, মারামারির বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে একটি পক্ষ তৈরি হয়।

এর মধ্যে এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন নীল মিয়া ও সালাউদ্দিন মিয়া। অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেন মোয়াজ্জেম মিয়া ও বাছির মিয়া। ওই দিন রাতে নীল মিয়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার সময় অপর পক্ষের লোকজন তাকে আটকিয়ে মারধর করে। এ সময় নীল মিয়াসহ দুজন আহত হন। রাতের দিকে এ ঘটনায় ভৈরব থানায় লীল মিয়া অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ মোয়াজ্জেম মিয়া (৫৫), সেলিম মিয়া (৪০) এবং তার ১৮ বছরের ছেলেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।

২০ জুন এক যুবক মোয়াজ্জেম মিয়া এবং বাছির মিয়ার বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে মারধর করা হয়। এই ঘটনার সূত্র ধরে দুপক্ষ ইটপাটকেল, লাঠিসোঁটা এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উভয় পক্ষের ১৩ জন আহত হন।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে সাংবাদিক হত্যার ২৪ ঘণ্টা পর স্ত্রীর মামলা, আসামি ৮ জনই অজ্ঞাত

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নীল মিয়া বলেছিলেন, ‘কিশোরদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়েছে। আমি তো জানি না। আমাকে কেন আটক করে মারধর করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি আইনি সহায়তা নিয়েছি।’

এ বিষয়ে লিটন মিয়া জানান, ‘দুই কিশোরের ফুটবল খেলা নিয়ে মারামারি হয় তারই ফলস্বরূপ আজ বিকালে হঠাৎ করে দুই বংশ সংঘর্ষে লিপ্ত হলে আমি ফিরতে গিয়ে আহত হয়েছি।’

ভৈরব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লিমন বোস বলেন, ‘গত ১৯ জুন একটি তুচ্ছ ঘটনায় তুলাকান্দি গ্রামে ঝগড়া হলে নীল মিয়া নামে এক ব্যক্তি থানায় অভিযোগ করেন। রাতেই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। ২০ জুন একই বিষয় নিয়ে মারামারি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় ৪ দিন পর ১১ বছরের শিশু ফাহিমকে উদ্ধার করলো পুলিশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে ৯৬ বোতল ভারতীয় মদসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০২ এম


সুনামগঞ্জে ৯৬ বোতল ভারতীয় মদসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ভারত থেকে চোরাইপথে আনা ৯৬ বোতল মদসহ একটি মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৯। গ্রেপ্তারকৃতের নাম সালমান ফকির (২৮)। শনিবার (২০ জুন) বিকেলে বিশ্বের ধনপুর ইউনিয়নের গামাইরতলা এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সালমান ফকির গামাইরতলা গ্রামের মো. আব্বাস আলীর ছেলে। র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধনপুর ইউনিয়নের গামাইরতলা এলাকার একটি বাড়িতে মাদক কেনাবেচার জন্য কয়েকজন ব্যক্তি অবস্থান করছে বলে খবর পায় র‍্যাব। এরপরে, র‍্যাব-৯ এর একটি অভিযানিক দল সেখানে পৌঁছায় এবং অভিযান চালায়।

র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে একজনকে আটক করা সম্ভব হয়। পরে তার হেফাজতে থাকা একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা তল্লাশি করে ৯৬ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সালমান ফকির নিশ্চিত করেন যে, তিনি এবং পলাতক সহযোগী সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এসব মাদক সংগ্রহ করেছিলেন এবং বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন। র‍্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে এবং জব্দ করা আলামত বিশ্বম্ভরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে র‍্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহিপুরে মাছ ধরতে গিয়ে ২ শিশুর অকাল মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৫ এম


মহিপুরে মাছ ধরতে গিয়ে ২ শিশুর অকাল মৃত্যু
 
পটুয়াখালীর মহিপুরে মাছ ধরতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ২০ জুন দুপুরে মহিপুর থানার সদর মহিপুর ইউনিয়নের বিপিনপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো: বিপিনপুর গ্রামের মো. আলম হাওলাদারের মেয়ে মেহেরিমা (৮) এবং একই এলাকার ভাড়াটিয়া আল আমিনের মেয়ে নাজিয়া (৭)।
 
স্থানীয় সূত্র, পরিবার ও পুলিশ জানায়, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে দুই শিশু মাছ ধরার বরশি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পূর্ব পাশে আবুল কালামের মালিকানাধীন একটি ডোবার পানিতে মাছ ধরার বরশির ছিপ ভাসতে দেখে সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে দুই শিশুকে উদ্ধার করে দ্রুত কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
 
কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল বাতেন জানান, দুপুর ২টার দিকে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল।
 
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে জানা গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে নির্যাতন, হাসপাতালে জীবন সংকটাপন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎জাকির হোসেন পাটোয়ারী, রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ এম


রাজবাড়ীতে প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে নির্যাতন, হাসপাতালে জীবন সংকটাপন্ন

‎রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়াডের  চামটা ১৫ পল্লী মহাশ্মশান কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

‎শনিবার (২০ জুন) সকালে মন্দির এলাকায় প্রতিমার কিছু অংশ ভাঙা দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দার কাছ থেকে জানতে পারা যায়, আঃ হাই এর ছেলে ও তার পরিবারের আরেক সহ শফিউদ্দিন (৩৮)-  মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী, বালিয়াকান্দি বাজার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শফিউদ্দিন নামে এ পাগল অনেকদিন যাবত বালিয়াকান্দির বাজার এলাকায় চলাফেরা করতেন বলে জানা যায়।   তবে সন্দেহভাজন হিসেবে বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়াডের চামটা ১৫ পল্লী মহাশ্মশান এলাকা থেকে তাকে দিয়ে আটক করা হয়। এ বিষয়ে বালিয়াকান্দি বাজারের এসো এলাকার লোকজনের অভিযোগ রয়েছে, তাকে মন্দিরের একটি সিমেন্টের পিলারের সঙ্গে বেঁধে লাকড়ি ও কলাগাছের ডাটা দিয়ে মারধর করা হয়।

‎এঘটনায় মন্দির কমিটির সাবেক সভাপতি ও শিক্ষক পলাশ কুমার বিশ্বাস জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি মারধরের বিষয়টি দেখতে পান এবং পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ আহত যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

‎ঘটনার খবর পেয়ে বালিয়াকান্দি থানার ওসি আব্দুর রহমান তালুকদার ও রাজবাড়ী সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাহিদুল ইসলাম ও বালিয়াকান্দি সহকারী কমিশনার (ভূমি) এহসানুল হক শিপন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

‎তবে বর্তমানে শফিক উদ্দিন পাগলের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

‎তবে স্থানীয় সূত্রে জানা যায় বিগত ৮-১০ মাস ধরে এ পাগল বাজার কেন্দ্রিক চলাফেরা করতেন ও তার পারিবারিক ও এলাকাবাসীর জানান সে ও তার পরিবারের কয়েকজনই মানসিক ভারসাম্যহীন  রোগী।

‎এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার সুশীল সমাজের জনগণের জানিয়েছেন,  একটা অরক্ষিত মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর বিষয়কে কেন্দ্র করে এ ধরনের মানসিক ভারসাম্মহীন একজন মানুষকে এ ধরনের মারধর বিষয়টি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন, ও এই ঘটনার সাথে জড়িতদের প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।  পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

‎বালিয়াকান্দি থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রব তালুকদার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত  চলিতেছে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারের সৈকত থেকে ৭ টন বর্জ্য পরিষ্কার করলেন স্বেচ্ছাসেবীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ এম


কক্সবাজারের সৈকত থেকে ৭ টন বর্জ্য পরিষ্কার করলেন স্বেচ্ছাসেবীরা

আন্তর্জাতিক সমুদ্র দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে কক্সবাজারের লাবনী এবং ইনানি সৈকত থেকে ৭ টন বর্জ্য সরানো হয়েছে।

শুক্রবার ও শনিবার (১৯ জুন ও ২০ জুন) দুই দিনব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কেওক্রাডং বাংলাদেশ’। এই অভিযানে সংগঠনটির সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সামাজিক সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা অংশগ্রহণ করেন।

এসময়ে তারা সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে সংগৃহীত ৭ টন অপচনশীল ময়লা-আবর্জনা, যার মধ্যে প্লাস্টিক বোতল, চিপসের প্যাকেট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, সংগ্রহ করেন। পরে এই ময়লাগুলো কক্সবাজার পৌরসভা ডাম্পিং স্টেশনে ফেলা হয়।

আয়োজকরা জানান, প্লাস্টিক এবং অপচনশীল জাতীয় বর্জ্যের কারণে সৈকতের সৌন্দর্য ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। সৈকতকে তার আগের রূপে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য এবং পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ‘কেওক্রাডং বাংলাদেশ’ দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্র দিবসের সাথে সম্পৃক্ত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। দুই দিনের এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সমুদ্রসৈকত এলাকা থেকে প্রায় ৭ টন প্লাস্টিক ও অপাচনশীল বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণকারী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিআরএফ ইয়ুথ ক্লাব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মাখদুম মন্তব্য করেন, ‘সমুদ্র দিবসের প্রেক্ষাপটে আমরা পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছি। সৈকত এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় বর্জ্যের বিশাল পরিমাণ দেখে আমরা খুবই অবাক হয়েছি। সচেতন হলে টুরিস্টরা আমাদের সাগরকে সুন্দর রাখতে সাহায্য করতে পারেন।’

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিতে আসা সৃজিতা রায় জানান, ‘সমুদ্র দিবস উদযাপনের জন্য কক্সবাজারে আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিবার জন্য আমি ভারত থেকে এসেছি। আমরা যখন সমুদ্রে ঘুরতে আসি তখন প্লাস্টিক জাতীয় অনেক বর্জ্য সেখানে ফেলে দেই। যদি আমরা নিজেদের তৈরি আবর্জনাগুলো নির্দিষ্ট স্থানে রাখি, তা হলে সেগুলো পুনর্ব্যবহার করা সহজ হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষ প্লাস্টিক ব্যবহার করে বেশি। সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে প্লাস্টিক আবর্জনা কমে আসবে।’

কেওক্রাডং বাংলাদেশের পরিচালক মুনতাসির মামুন জানান, ‘প্রায় ২০ বছর ধরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। আন্তর্জাতিক সমুদ্র দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্যে এবার আমরা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ইনানি ও লাবনী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছি। বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে এত পরিমাণ ময়লা আবর্জনা থাকা উচিত নয়। যে দেশগুলোতে জনসংখ্যা কম, সেখানে ময়লা আবর্জনা তোলার জন্য মানুষের অভাব নেই।’

তিনি আরো বলেন, ‘যদি সবাই ব্যক্তিগতভাবে এই কাজটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে তাহলে ময়লা আবর্জনার স্তূপ পড়ে থাকার সম্ভাবনা কমে যাবে। আমাদের আবর্জনা সমস্যার সমাধান রাষ্ট্রের দায়িত্ব, কিন্তু এর জন্য আমাদেরও দায়িত্ব নিয়ে ভাবা উচিৎ। জনবহুল দেশে আবর্জনা সমস্যার সমাধান আমাদের ব্যক্তিগত দায়িত্বের ওপর নির্ভরশীল।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%