ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘খুনি ও ধর্ষক প্রতিরোধ দিবসে’ জাবিতে মৌন মিছিল ও প্রদীপ প্রজ্বালন


‘খুনি ও ধর্ষক প্রতিরোধ দিবসে’ জাবিতে মৌন মিছিল ও প্রদীপ প্রজ্বালন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ‘খুনি ও ধর্ষক প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে মৌন মিছিল ও প্রদীপ প্রজ্বালন করার কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীদের একটি দল।

রবিবার (২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে একটি মৌন মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হলে শিক্ষার্থীরা সেখানে প্রদীপ প্রজ্বালন করেন। পরে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয় এবং প্রতিবাদী গান পরিবেশনের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি প্রমা রাহা বলেন, ১৯৯৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ‘তৎকালীন আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা ধর্ষণের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছিল। সেই আন্দোলনে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল।’

আরও পড়ুন: রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৮৪ জন

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে প্রমা রাহা বলেন, ‘আজও ক্যাম্পাসে নিপীড়নের ঘটনা ঘটছে। প্রশাসন কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। আমাদের এই মৌন মিছিল নীরবতা নয়, বরং ভেতরের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের প্রতীক। আমরা বিশ্বাস করি, এই প্রতিবাদের শক্তি ধর্ষক, তাদের সহযোগী এবং অন্যায়ের পক্ষে অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে বার্তা পৌঁছে দেবে।’

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক সেমন্তী রোদসী বলেন, ২৭ বছর আগে এই দিনে ধর্ষণের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিচার নিশ্চিত হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়েও ক্যাম্পাসে নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু আন্দোলন-সংগ্রাম হওয়ার পরও এখনও বিচার নিশ্চিত হয়নি। এর জন্য প্রশাসনের গাফিলতি যেমন দায়ী, তেমনি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘমেয়াদি ঐক্যের অভাবও একটি কারণ।’

তিনি আরো বলেন, ‘গান, কবিতা কিংবা সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে সবাইকে একত্রিত হয়ে অধিকার আদায়ের সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা সম্ভব।’ ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী লামিশা জামান বলেন, ১৯৯৯ সালের আন্দোলন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তিনি বলেন, ‘আজ ২৭ বছর পরও বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণ, নিপীড়ন ও বিচারহীনতার অভিযোগ রয়েছে। এই বাস্তবতায় জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে আমরা মৌন মিছিল ও প্রদীপ প্রজ্বালনের আয়োজন করেছি। সংস্কৃতির ভাষায় আমরা সব ধরনের অন্যায়, অবিচার, ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সোচ্চার থাকব।’

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নতুন সরকার এলে ফিলিস্তিনিদের ভাগ্য কতটা পাল্টাবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে তীব্র সমালোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ এম


ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে তীব্র সমালোচনা

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে এবার কড়া সমালোচনা করেন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) সাবেক বিপণনপ্রধান মাইকেল পেইন। তার দাবি হলো, ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব এখন ‘বিষাক্ত’ হয়ে উঠেছে এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে ফিফার প্রধান হিসেবে তার টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে পেইন মন্তব্য করেন, ফিফার নতুন বাণিজ্যিক পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার পর ইনফান্তিনোর প্রতি আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি জানাচ্ছেন, এমন দ্রুত কোনো ক্রীড়া প্রশাসকের জনপ্রিয়তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা হ্রাস পাওয়ার ঘটনা খুবই কম দেখা যায়।

সম্প্রতি ফাঁস হওয়া এক নথিতে উঠে এসেছে, ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই)’ নামে একটি নতুন প্রতিষ্ঠান গঠন করে এর প্রায় ২০ শতাংশ শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল ফিফার। এর মাধ্যমে তারা প্রায় ৪২০ কোটি ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করে রেখেছিল। পাশাপাশি ২১১টি সদস্য ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে এককালীন দুই কোটি ডলার করে দেয়ার প্রস্তাবও ছিল।

যখন পরিকল্পনাটি প্রকাশিত হয়, তখন বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। চাপের মুখোমুখি হয়ে ইনফান্তিনো শেষ পর্যন্ত এই উদ্যোগ স্থগিত করেন। তবে তাতেও বিতর্ক থামতে দেখা যায়নি।

পেইনের ভাষাতে, কয়েক দিন আগে কঠিন বিশ্বকাপ আয়োজনের সফলতার কারণে ইনফান্তিনো শক্ত অবস্থানে ছিলেন। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত তার নেতৃত্বের ভিত্তি নড়িয়ে দিয়েছে বলেই মনে হয়। তিনি মনে করেন, এখন অলৌকিক কিছু না ঘটলে ইনফান্তিনোর পক্ষে পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন হবে।

ইতোমধ্যে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা এবং উত্তর ও মধ্য আমেরিকা অঞ্চলের সংস্থা কনকাক্যাফও ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। পেইনের সতর্কবার্তা হলো, ইনফান্তিনো দায়িত্বে থাকলে বড় ফুটবল শক্তিগুলো আলাদা অবস্থান নিতে পারে, এমনকি ভবিষ্যতে বয়কটের মতো ঘটনাও ঘটে যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিতর্কের জেরে রাবির সেই বিলবোর্ড অপসারণের সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৫ এম


বিতর্কের জেরে রাবির সেই বিলবোর্ড অপসারণের সিদ্ধান্ত

বিতর্ক ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে টাঙানো ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ শিরোনামের বিলবোর্ডটি মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রবিবার (২ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে বিলবোর্ডটি সরিয়ে নিতে অনুরোধ করা হয়েছিল। তবে তিনি সম্মতি না দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিজ উদ্যোগে বিলবোর্ডের ছবি মুছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দুই দিন আগে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের পরিচালিত সংগঠন ‘নোভোকালচার’ ক্যাম্পাসে ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ শিরোনামের বিলবোর্ডটি টাঙায়। এতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাসেম আলী, আব্দুল কাদের মোল্লা, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি প্রদর্শন করা হয়।

 

বিলবোর্ডটি অপসারণের দাবিতে রবিবার বিকেলে কয়েকটি ছাত্রসংগঠন প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে প্রশাসন বিলবোর্ডটি মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত জানালে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।

নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদেক রহমান বলেন, রাবিতে চিহ্নিত রাজাকারদের স্বাভাবিক করার একটি চেষ্টা চালানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা এই স্বাভাবিকীকরণের সুযোগ দেব না। প্রশাসন আজ রাতের মধ্যেই বিলবোর্ডটি সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। তাই আপাতত কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি। তবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে আমরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব।

শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল বলেন, রাবি কিংবা বাংলাদেশের কোথাও রাজাকারদের কোনো ধরনের স্বাভাবিকীকরণ আমরা মেনে নেব না। যুদ্ধাপরাধের প্রশ্নটি বাংলাদেশের মৌলিক জাতীয় ইস্যু। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের আন্দোলন কিংবা ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে যুদ্ধাপরাধী মতাদর্শ বা তাদের পুনর্বাসনের কোনো সুযোগ নেই।

বিলবোর্ডটি টাঙানোর পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। সর্বশেষ প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পর আপাতত আন্দোলন স্থগিত হলেও বিলবোর্ড ইস্যুতে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক ও আদর্শিক বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুরি ও অনিয়মের অভিযোগে ইবির ১৩ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইবি প্রতিনিধি

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ এম


চুরি ও অনিয়মের অভিযোগে ইবির ১৩ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ১৩টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হয়েছে। গবেষণাপত্রে লেখকত্ব বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় নিয়ে সমস্যা, তথ্যসূত্র বা রেফারেন্স সংক্রান্ত সমস্যা, চিত্র সংক্রান্ত অসঙ্গতি বা ডুপ্লিকেশন, সংশয়যুক্ত ফলাফল বা উপসংহার সহ নানা চুরি ও অনিয়মের অভিযোগে এই প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিকভাবে গবেষণাপত্র প্রত্যাহার ও সংশ্লিষ্ট সম্পাদকীয় নোটিশ সংরক্ষণকারী রিট্রাকশন ওয়াচ ডাটাবেইজে সম্প্রতি অনুসন্ধান করলে এ তালিকা পাওয়া যায়। তালিকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. সাদেক আলী, অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল ও ড. মো. সজিব আলী সহ একাধিক বিভাগের বর্তমান ও প্রাক্তন গবেষকদের নাম রয়েছে।

বৈশ্বিক জার্নাল সূত্রে জানা গেছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) মোট ১৩টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার (রিট্র্যাক্ট) করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্রগুলোর মধ্যে বিশ্বসেরা ২শতাংশ গবেষকের তালিকাভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ড. হাবিবুর রহমানের ২টি গবেষণাপত্রও রয়েছে।

মোট ১৩টি গবেষণা রেকর্ডের মধ্যে ১২টি পিয়ার রিভিউড জার্নাল আর্টিকেল এবং একটি রিট্রেকটেড প্রিপ্রিন্ট রয়েছে। ১২টি জার্নাল আর্টিকেল ভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল; দুটি প্রিপ্রিন্ট রিসার্স স্কয়ারে পোস্ট করা হয়েছিল। লেখকভিত্তিক হিসাবে ১৩টি পৃথক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-সংযুক্ত পরিচয় এবং ১৭টি লেখক-রেকর্ড উপস্থিতি পাওয়া গেছে। চারজনের দুটি করে এবং নয়জনের একটি করে রেকর্ড রয়েছে। বিভাগভিত্তিকভাবে গণিত ৪টি, এনএফটি ৩টি, আইসিটি ২টি, সিএসই ২টি এবং বাকি তিনটি প্রকাশিত বিভাগীয় লেবেলে একটি করে রেকর্ড রয়েছে।

প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্রগুলোর মধ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২টি, যার দুইটিই ড. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে সহলেখক ইমরান হাসান রয়েছেন। এছাড়া গণিত বিভাগের ৪টি প্রত্যাহারকৃত গবেষণাপত্রের মধ্যে ড. মো. মোস্তফা কামালের ২টি এবং ড. মো. সজিব আলীর ২টি রয়েছে।

অ্যাপ্লাইড নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি বিভাগের ২টি গবেষণাপত্রের মধ্যে ড. কামরুজ্জামানের একটি, আতিকুর রহমান ও সাবেক শিক্ষার্থী আলমগীর হোসেনের যৌথ আরেকটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী শাহেদুর রহমান ও আসিফ ইকবালের যৌথ ১টি গবেষণাপত্রও প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের ৩টি গবেষণাপত্রের মধ্যে একটি শিক্ষার্থী এন. গাফারের এবং অপর দুইটি বিভাগের শিক্ষক ড. মো. সাদেক আলীর।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যারা কাজ করে তাদের ত্রুটি বিচ্যুতি হয়, আর যারা কাজ করে না তাদের ভুল ত্রুটির সম্ভবনা থাকে না। গবেষকদের উৎসাহিত করা উচিত। তবে কেউ জেনে শুনে অন্যের লেখা চুরি করে বা বিভিন্ন মাধ্যমে কপি করে চালিয়ে দেয় তাহলে আগামী প্রজন্মের জন্য হুমকি স্বরূপ। রিসার্স পেপারগুলো দেখেই জীবনের উৎকর্ষতা আনে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে ভুল গবেষণার ফল আমাদে্র সমাজে বা বায়ুমন্ডলে ভুল কিছু বয়ে আনবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগরে সালাম বাজারে হাডুডু খেলা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৮ এম


নাসিরনগরে সালাম বাজারে হাডুডু খেলা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ঐতিহ্যবাহী হাডুডু (কাবাডি) খেলা শেষ হওয়ার পর দুই দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের ফলে খেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য উসমানসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এর আগে, শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের সালাম বাজার মাঠে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে যে, নাসিরনগরের ধরমন্ডল ও মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের শিমুলঘর গ্রামের দুটি দলের মধ্যে একটি প্রীতি হাডুডু খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। খেলার শেষ পর্যায়ে ধরমন্ডল দল ৩-০ পয়েন্টের ব্যবধানে শিমুলঘর দলকে পরাজিত করে।

অভিযোগ রয়েছে, খেলা শেষ হওয়ার পর শিমুলঘর দলের কয়েকজন খেলোয়াড় বিজয়ী দলের দুই খেলোয়াড়কে ঘিরে ধরে আটকানোর চেষ্টা করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই দলের সমর্থকরাও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে মাঠজুড়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটে।

এই সংঘর্ষের ঘটনায় খেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য উসমানসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৪ থেকে ৫ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে এবং তাদের বেশিরভাগের মাথায় আঘাত রয়েছে। ঘটনার পর উভয় দলের খেলোয়াড়রা এলাকা ছেড়ে চলে যান।” তিনি আরও যোগ করেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%