বুলবুল আহম্মেদ বুলু বদলগাছী নওগাঁ প্রতিনিধি
০১:০৩ পি.এম
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কোলা ইউনিয়নের আলফা কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক শফিউল আলম দিপুর বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের জেরে মঙ্গলবার (৪ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যালয়ের অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণ করবে। আগামীকাল বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
ক-মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এ তথ্য জানিয়ে বলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও থাকবে।
জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবল তারকা নেইমার জুনিয়র। তার অভিযোগ, ভিত্তিহীন ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশের ফলে ফুটবলারদের মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় নেইমার জুনিয়র প্রজেক্ট ইনস্টিটিউটের ষষ্ঠ নিলাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ মন্তব্য করেছেন সান্তোসের ফরোয়ার্ড নেইমার।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম নিয়ে ক্ষুব্ধ। বিশ্বকাপ থেকে ফেরার পর তার ক্যাসিনোতে যাওয়ার খবর প্রকাশ এবং সান্তোসের ড্রেসিংরুমের কিছু ঘটনার সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই তার অসন্তোষ বৃদ্ধি পেয়েছে।
নেইমার এসব গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করেছেন। তার বক্তব্য, সান্তোসের ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে তার সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে নেইমার বলেন, "আমার মনে হয় ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমের একটি বড় অংশ সব ফুটবলারকে অসুস্থ করে ফেলবে।" তিনি উল্লেখ করেন, এটি সবচেয়ে পরিচিত পেশার মধ্যে একটি, তবে একই সময়ে এটি সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকারও হয়।
নেইমার আরও যোগ করেন, "এজন্য সংবাদ প্রকাশের আগে আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। কারণ বেশিরভাগ খবরই সত্য নয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন খেলোয়াড়, তাদের পরিবার, ভক্ত এবং পেশাগত জীবন।"
তিনি খেলোয়াড়দের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিও তুলে ধরেন। নেইমার বলেন, "একজন ফুটবলারের মানসিকভাবে শক্ত হওয়া প্রয়োজন।" তার মতে, "আমার মানসিকতা হয়তো শক্ত, কিন্তু সবার ক্ষেত্রে তা নয়। কেউ বেশি কষ্ট পায়, কেউ কম।"
বিশেষ করে তিনি সব সাংবাদিককে অনুরোধ করেন, "হাতে মাইক্রোফোন থাকলেই যেন যা খুশি বলা না হয়। কারণ পরদিন খবরটি ভুল প্রমাণিত হলেও অনেক সময় তার কোনো সংশোধন হয় না।" নেইমার বলেন, "এসব একসময় সীমা ছাড়িয়ে যায়।"
দেশের সাংবাদিকতার দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়ে নেইমার মনে করেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই খেলোয়াড়দের মানসিক সুস্থতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ৪ আগস্ট ২০২৬ : চট্টগ্রাম বন্দরের নৌ চ্যানেলে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে রিটেইনিং ওয়ালের ওপর উঠে যাওয়া কন্টেইনার জাহাজ ‘সিএনসি ইউরেনাস’কে রাতভর অভিযান চালিয়ে সফলভাবে সরানো হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সমস্বিত প্রচেষ্টায় মাল্টার পতাকাবাহী কন্টেইনার জাহাজ এমভি সিএনসি ইউরেনাসকে সরিয়ে নিরাপদে ‘বি’ (ব্রাভো) অ্যাঙ্করেজে নোঙর করানো হয়েছে। ফলে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের নৌ চলাচল ও পণ্য খালাস কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম। তিনি বলেন, ‘সমন্বিত উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে জাহাজটিকে নিরাপদে ব্রাভো অ্যাঙ্করেজে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে বন্দর চ্যানেল সম্পূর্ণ সচল ও নিরাপদ রয়েছে এবং বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত আছে।’ বন্দর সচিব জানান, গতকাল সোমবার বেলা সোয়া ২টার দিকে ২০১৭ সালে নির্মিত ১৭০ মিটার দীর্ঘ কন্টেইনারবাহী জাহাজ এমভি সিএনসি ইউরেনাস কর্ণফুলী নদীর চ্যানেলে প্রবেশের সময় হঠাৎ স্টিয়ারিং বিকল হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। পরে জাহাজটি ২ নম্বর লাল বয়ার সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে নদী মোহনার সংলগ্ন রিটেইনিং ওয়ালে আছড়ে পড়ে এবং গ্রাউন্ডেড হয়ে যায়। চীনের শিকৌ বন্দর থেকে আসা জাহাজটির ড্রাফট ছিল ৯.৫০ মিটার। এতে মোট ১,২৮২ টিইইউএস পণ্য এবং মাস্টারসহ ২৪ জন নাবিক ছিলেন। জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট এপিএল (বাংলাদেশ)। বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দুর্ঘটনার পরপরই চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সমন্বয়ে জরুরি উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। উদ্ধারকাজে অংশ নেয় বন্দরের টাগবোট ‘কান্ডারী-২’, ‘কাণ্ডারি-৪’, ‘কাণ্ডারি-৬’ ও ‘কাণ্ডারি-১১’। পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর টাগবোট ‘শিবসা’, টানেল টাগবোট এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের টাগবোট ‘প্রমত্ত’ অভিযানে যুক্ত হয়। তিনি বলেন, ‘এটি ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি অপারেশন। উদ্ধারকারী দল রাতভর নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছে। প্রয়োজনে জাহাজের ড্রাফট কমাতে সাময়িকভাবে কিছু কন্টেইনার খালাসের প্রস্তুতিও রাখা হয়েছিল। তবে সমন্বিত সব সংস্থার প্রচেষ্টায় অতিরিক্ত জটিলতা ছাড়াই জাহাজটিকে নিরাপদ স্থানে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।’ বন্দর সূত্র জানায়, গভীর রাতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় জাহাজটিকে সফলভাবে ব্রাভো অ্যাঙ্করেজে নেওয়া হয়। পুরো উদ্ধার অভিযানের সময় বন্দর চ্যানেল নৌ চলাচলের উপযোগী ও সম্পূর্ণ নিরাপদ ছিল। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া পাইলট, টাগ ক্রু, নৌ বিভাগের কর্মী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সদস্যদের অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের মতে, জাহাজটিকে দ্রুত নিরাপদে ব্রাভো অ্যাঙ্করেজে স্থানান্তর করাতে পারাই এই অভিযানের সবচেয়ে বড় সাফল্য। এতে জাতীয় বাণিজ্যের স্বার্থ সুরক্ষিত হয়েছে এবং চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের মোট আমদানি-রপ্তানি পণ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ পরিচালনা করে। তাই জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিয়ে জাহাজটি উদ্ধার এবং নিরাপদে স্থানান্তরের ঘটনাকে বন্দরের আপদকালীন প্রস্তুতি ও উচ্চ পেশাদারিত্বের গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জ ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে পার্সেল পাঠিয়ে কাফনের কাপড় ও চিরকুটে প্রাণনাশের হুমকিদাতাদের অবশেষে প্রাথমিক ভাবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। গত ১৯ জুলাইয়ের ওই চাঞ্চল্যকর ঘটনার তদন্তে নেমে সিসিটিভি ফুটেজ, কল ট্র্যাকিং ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভৈরব পৌরসভারই কর্মরত একটি স্বার্থান্বেষী চক্রের জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আজ মঙ্গলবার ভৈরব পৌরসভা, ভৈরব থানা পুলিশ সহ কয়েকটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে এই তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথা জানা যায়।
জিডির তদন্ত কর্মকর্তা,ভৈরব শহর ফাঁড়ি পুলিশের উপ- পুলিশ পরিদর্শক এসআই নুরুল হুদা জানান, আমরা ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করিতেছি,ইতিমধ্যেই পুলিশের বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে কয়েকজনকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে।, আরো যারা সম্পৃক্ত আছে তাদের কে চিহ্নিত করার কাজ চলমান রয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তার কাজে বাধা সৃষ্টি এবং তাকে মানসিকভাবে আতঙ্কিত করতে ভৈরব পৌরসভারই একটি চক্র এই কান্ড ঘটিয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাদের নাম এখনই আমরা বলতে চাচ্ছি না।
পুলিশ সূত্রে আরো জানাযায়, গত ১৯ জুলাই ভৈরব এসএ পরিবহণের মাধ্যমে পাঠানো হুমকি সংবলিত পার্সেলটির উৎস অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। কুরিয়ার তথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পৌরসভা কার্যালয়ে সক্রিয় একটি বিশেষ চক্র এই ঘটনার নেপথ্যে মূল ভূমিকা পালন করেছে। অনিয়ম ও অনৈতিক সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে তারা ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে ভয়ভীতি দেখাতে এই পথ বেছে নিয়েছেন যাতে তাদের উদ্দেশ্য সফল করার জন্য।
দীর্ঘ চার বছর ধরে ভৈরব পৌরসভায় সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসা ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফারুক বলেন, পৌরসভার কোন বেআইনি আবদার ও দুর্নীতি প্রশ্রয় না দেওয়ায় একটি সুবিধাবাদী চক্র ক্ষিপ্ত হয়ে এই জঘন্য কান্ডটি ঘটিয়েছে। পুলিশ অপরাধীদের চিহ্নিত করায় আমি এবং আমার পরিবার স্বস্তি বোধ করছি, সে যেই হোক দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি করছি।
অপরদিকে, এই কর্মকর্তাকে হুমকি দাতাদের নাম পুলিশ এবং পৌর কর্মকর্তা না বলতে চাইলেও বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যাদের নাম তারা হলেন, ভৈরব পৌরসভা ট্রেড লাইসেন্স শাখার কম্পিউটার অপারেটর ১। মোঃ আল-আমিন ও পৌর অডিটোরিয়ামের ইনচার্জ
রাকিব হাসান সহ আরো একজনের নাম মূল অভিযুক্তকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, ঘটনার পর হইতে এই তিনজন সহ আরো বেশ কয়েকজন পৌরসভায় অনুপস্থিত রয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে পুলিশের গ্রেপ্তারের ভয়ে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
ভৈরব পৌর সভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে,এম মামুনুর রশিদ জানান, অপরাধী যারা তাদের তথ্য পাওয়া গিয়েছে, বিষয়টি আইনগত ভাবে ব্যবস্হ্যা নিতে পুলিশ প্রশাসন কে বলা হয়েছে, পাশাপাশি পৌরসভার প্রসাশনের পক্ষ থেকে পৌর আইনে তাদেরকে যে প্রক্রিয়ায় বাতিল করা যায় আমরা সেই দিকে আগাচ্ছি।
উল্লেখ্য, গত ১৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়া এলাকায় মোঃ ফারুকের স্ত্রীর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে আশুগঞ্জের হরিদাস নামে এক ব্যক্তির প্রেরিত এসএ পরিবহণের একটি পার্সেল আসে। ঐ সময় এই কর্মকর্তা তার দাপ্তরিক কাজে ভৈরব পৌরসভায় ব্যস্ত ছিলেন। তাঁর ছেলে পার্সেলটি গ্রহণ করে খুলে ভেতরে ১ গজ সাদা কাফনের কাপড়, গোলাপ জল, আগরবাতি এবং এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে না দিলে ‘পরিণতি ভয়ংকর হবে’ সংবলিত একটি চিরকুট পায়। ঘটনার পরপরই ভৈরব থানায় উক্ত পৌরসভার কর্মকত্তা একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন যার নং - ৮৮০/১৯-০৭-২৬ইং।
এলাকার স্থানীয়রা বলছে পৌরসভার এই ধরনের ঘটনা এই প্রথম, এদেরকে যদি শাস্তির আওতায় না আনা হয় তাহলে ভবিষ্যতে আরো বড় ধরনের অপরাধ সংগঠিত হতে পারে বলে মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ