ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগের চোরাগোপ্তা নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে মশাল মিছিলের তীব্র গর্জন


সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগের চোরাগোপ্তা নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে মশাল মিছিলের তীব্র গর্জন

সীতাকুণ্ডে, চট্টগ্রামে, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দেশবিরোধী চক্রান্ত এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে চোরাগোপ্তা হামলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে এক অভূতপূর্ব ও বিশাল বিক্ষোভ মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মশাল মিছিল চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডকে কেঁপে তুলেছে। অন্ধকার রাতের মধ্যে হাজার হাজার প্রজ্জ্বলিত মশাল, এবং স্বৈরাচারবিরোধী স্লোগানের তীব্র গর্জনে রাজপথ একটি উত্তাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।

চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মজলুম জননেতা আসলাম চৌধুরীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় সোমবার রাতের এই মশাল মিছিলের আয়োজন করা হয়। সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এই বিশাল মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিল থেকে দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা হুঙ্কার দিয়ে জানান, মজলুম জননেতা আসলাম ভাইয়ের স্পষ্ট ঘোষণা হলো, সীতাকুণ্ডের পবিত্র মাটিতে কোনো বিশৃঙ্খলাকারী ও সন্ত্রাসীর ঠাঁই হবে না।

সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ঐতিহাসিক বার-আউলিয়া এলাকা থেকে শুরু হওয়ার পর মুহূর্তের মধ্যেই এলাকাটি আপামর জনতা ও দলীয় নেতাকর্মীদের ঢল নামে। মিছিলের সময় হাজার হাজার মশাল হাতে জাগ্রত জনতা পুরো এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এই পরিস্থিতিতে পুরো সীতাকুণ্ডের আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে মিছিলকারীরা পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী শাসক ও তাদের দোসরদের উদ্দেশ্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে স্লোগান তোলেন, ‘গোপালগঞ্জের গোলাপী, আর কতকাল জ্বালাবি’। বিগত ফ্যাসিবাদের জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের দ্বারা সৃষ্ট এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ পুরো মিছিলটিকে আরও বেগবান ও শক্তিশালী করে তুলে।

আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে ৫ নং ঘাট পরিদর্শন

মশাল মিছিল শেষে বার-আউলিয়া বাজারে এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশে সোনাইছড়ি ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ এবং তাদের নিষিদ্ধ অঙ্গ সংগঠনগুলো চোরাগোপ্তা হামলা ও অপপ্রচার চালিয়ে দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র বিনষ্টের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তবে জননেতা আসলাম চৌধুরীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সীতাকুণ্ডে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। তারা আবারও যদি সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করে, তবে তৃণমূলের জাগ্রত জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথেই তার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।

স্বৈরাচারের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর, ভাটিয়ারী, কুমিরা, মুরাদপুর, বাড়বকুণ্ড এবং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নসহ প্রতিটি ইউনিয়নে এবং পৌর সদরেও বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। যা পুরো উপজেলায় দলের সাংগঠনিক শক্তিমত্তা ও ব্যাপক জনসমর্থনের প্রকাশ ঘটায়।

পরিশেষে, বক্তারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অর্জিত গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং যেকোনো অপশক্তিকে রুখে দিতে দলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনসাধারণকে সর্বদা ঐক্যবদ্ধ ও রাজপথে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়া এই বিশাল প্রতিবাদী কর্মসূচি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

আরও পড়ুন: কালীগঞ্জের নলতা কালীবাড়ি শারদীয় দূর্গা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মিছ কাওছার আজিজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীতাকুণ্ডে উন্নয়ন, মানবসেবা ও জনআস্থার প্রতীক হিসেবে আসলাম এমপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


সীতাকুণ্ডে উন্নয়ন, মানবসেবা ও জনআস্থার প্রতীক হিসেবে আসলাম এমপি

রাজনীতির মাপকাঠি কেবল ক্ষমতা বা পদ-পদবি নয়, বরং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, জনকল্যাণে সম্পৃক্ততা এবং কঠিন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সক্ষমতায় নির্ধারিত হলে, তখন সীতাকুণ্ডের মানুষের আলোচনায় বারবার উঠে আসে সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলহাজ্ব আসলাম চৌধুরী এফসিএর নাম। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, প্রতিকূলতা ও কারাবাসের অ্যাডভেঞ্চার অতিক্রম করে জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক অটুট রাখা এই নেতাকে অনেকেই সীতাকুণ্ডের উন্নয়ন ও মানবসেবার অন্যতম মুখ হিসেবে বিবেচনা করেন।

স্থানীয়দের মতে, তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা আসলাম চৌধুরী সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়ার চেষ্টা করেছেন। তার রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে সামাজিক, শিক্ষামূলক এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় উপস্থিতি তাকে জনমানুষের নেতা হিসেবে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।

শিল্পসমৃদ্ধ জনপদ সীতাকুণ্ডের অর্থনৈতিক বিকাশে তার অবদান নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। শিল্প ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে বিভিন্ন সময় তার ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা। তাদের মতে, শিল্পাঞ্চল হিসেবে সীতাকুণ্ডের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য তিনি বরাবরই উৎসাহ দিয়ে আসছেন।

শিক্ষা খাতেও তার বিশেষ অবদান রয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং শিক্ষা বিস্তারে তার পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত। অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মনে করেন, শিক্ষাকে মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে দেখার কারণে তিনি এ খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

মানবিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রেও তিনি নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন। করোনাকালে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহযোগিতা এবং সামাজিক সংকটে দ্রুত সাড়া দেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

দীর্ঘদিন কারাবাসের পর এলাকায় ফিরে আসার সময় তার প্রতি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও সমর্থনের বহিঃপ্রকাশও ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু একজন নেতার প্রত্যাবর্তন নয়, বরং জনগণের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন।

স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, সীতাকুণ্ড বর্তমানে শিল্পায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে জনমুখী নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে। তাদের বিশ্বাস, সংসদ সদস্য হিসেবে আসলাম চৌধুরী জনগণের প্রত্যাশা পূরণে উন্নয়ন ও কল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবেন।

তাদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণে কাজ করাই একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় পরিচয়। আর সেই পরিচয়কে ধারণ করেই অধ্যাপক আলহাজ্ব আসলাম চৌধুরী সীতাকুণ্ডের উন্নয়ন, মানবসেবা ও জনআস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহিপুরে দেড় কেজি গাজাসহ দম্পতি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২০ পি.এম


মহিপুরে দেড় কেজি গাজাসহ দম্পতি গ্রেপ্তার
 
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মহিপুরে  অভিযান চালিয়ে দেড় কেজি গাজাসহ ইব্রাহিম (৫২) নামের এক মাদক কারবারি ও তার স্ত্রী শারমিন ( ৪২)কে গ্রেপ্তার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার  ৯জুন  দুপুরের পরে মহিপুর থানা থেকে ৫০০ গজের মধ্যে টিএন্ডটি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। সেখানে দুজন গ্রেফতার হয়। গ্রেপতারকৃত ইব্রাহিম, মহিপুর সদর ইউনিয়নের মহিপুর গ্রামের মৃত্যু মোসলেস হাওলাদার ছেলে।
 
মংগলবার বিকেলে সরেজমিনে গেলে স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এসআই জাকির হোসন,এসআই মাসুদ খান,এসআই আজাদ সহ সঙ্গীও ফোর্স অভিযান পরিচালনা করেন।  নিজেস্ব তথ্য ও সোর্সের মাধ্যমে তথ্য পেয়ে তার দোকান ও বাসা তল্লাশি করে  ১কেজি ৫০০গ্রাম গাজা, ৩৬,৪০০টাকা।পুরিয়া তৈরির সরঞ্জাম একটি কাঁচি সহ গ্রেফতার করেন।পুলিশের সাথে এ কাজে স্হানীয় জনগণ সহযোগিতা করে। 
 
এদিকে পুলিশের এ সফল অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশের নজরদারি আরো জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।আরো বলেন মাদক নির্মুলে আমরা এলাকাবাসী আপনাদের সাথে আছি।
 
অভিযান পরিচালনাকারী মহিপুর থানার এস আই জাকির হোসেন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ধারা ২০১৮ এর ১৯(ক) অনুযায়ী মহিপুর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরো জানান,গ্রেপ্তারকৃত ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পূর্বে একাধিক মামলা রয়েছে। স্হানীয় লোকজন আমাদের কে সহয়তা করেছে।
 
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো, শামীম হাওলাদার জানান, মাদক মুক্ত মহিপুর গড়ার লক্ষে ও মাদক নির্মূলে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তারই সাথে থানা প্রশাসন স্হানীয় জনগণের সহযোগিতা চান।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদগাঁওতে অভিযোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বার্ষিক সমন্বয় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২১ পি.এম


ঈদগাঁওতে অভিযোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বার্ষিক সমন্বয় সভা

 

অভিবাসী কর্মীদের জন্য কমিউনিটি-ভিত্তিক অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামোকে আরো কার্যকর ও টেকসই করতে কক্সবাজারে সিমস্ প্রকল্পের উদ্যোগে জিএমসি কেস্ ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯ জুন মঙ্গলবার ঈদগাঁও উপজেলার জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে উপজেলা পরিষদের কার্যালয়ের অস্থায়ী সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভাটির আয়োজন সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে, হেলভেটাস বাংলাদেশ এর কারিগারি সহযোগিতা ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা "প্রত্যাশী"র মাধ্যমে করা হয়েছে।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাশী জানায় যে, তারা অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অভিবাসন-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিরোধ ও অভিযোগের দ্রুত, সহজলভ্য ও গ্রহণযোগ্য সমাধান প্রদানে কাজ করছে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলার সিনিয়র সিভিল জজ এবং লিগ্যাল এইড অফিসার অভিজিৎ চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা দেলোয়ার হোছাইন।

এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন রশিদা খাতুন, জেলা সমন্বয়কারী, সিমস্ প্রকল্প, প্রত্যাশী, এবং একই সংস্থা ও প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার সুলতান মাহমুদ, প্রজেক্ট অফিসার তৌহিদা জান্নাত শিমু, ঈদগাঁও উপজেলা সমন্বয়কারী মোহাম্মদ আজগরসহ জিএমসির চেয়ারপার্সন, সদস্য সচিব, নারী সদস্যবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

অভিযোগ ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া, মামলা পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিনিময়, চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ, রেফারেল ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় জোরদার করার বিষয়গুলো নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রধান অতিথি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার অভিজিৎ চৌধুরী বলেন, 'মধ্যস্থতার মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে দ্রুত, সহজ ও গ্রহণযোগ্য উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সৃষ্টি করা।'

তিনি উল্লেখ করেন যে, গ্রিভ্যান্স ম্যানেজমেন্ট কমিটি (জিএমসি)-র মাধ্যমে অভিবাসন-সংক্রান্ত প্রতারণা ও বিরোধের অনেক ঘটনাই স্থানীয় পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।

যদি কোনো অভিযোগ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি না হয়ে থাকে, তবে ইউনিয়ন পরিষদের অফিসিয়াল প্যাডে সুপারিশসহ তা লিগ্যাল এইড অফিসে প্রেরণ করে বিষয়টি অধিক গ্রহণযোগ্যতা লাভ করতে পারে। প্রয়োজনীয় নথিপত্রের ঘাটতি থাকলেও, তা একটি নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, 'বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩' সম্পর্কে প্রাপ্য জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি নেতা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে অভিবাসন-সংক্রান্ত প্রতারণার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

তিনি সম্প্রতি সিমস্ (ঝওগঝ) প্রকল্পের অ্যাডভোকেসি উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের লিগ্যাল এইড সেবার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জানান যে, এর ফলে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ অভিবাসন-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি ও প্রতারণা প্রতিরোধে আরো কার্যকর ভূমিকায় থাকবে।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা মাঠ পর্যায়ে অভিযোগ নিষ্পত্তির নানা অভিজ্ঞতা, সফলতা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে, জটিল ও আদালত-সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর জন্য কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা, মানসম্মত ডকুমেন্টেশন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা জিএমসির কার্যকারিতা বৃদ্ধি, অভিযোগ ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়ন, স্থানীয় প্রশাসনের সম্প জড়িত বৃদ্ধি এবং অভিবাসী কর্মীদের জন্য আরো কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদের সাথে নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি, বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ করা এবং সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের বিস্তার রোধে করণীয় শীর্ষক বিষয়ের ওপর এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনা নাছরীন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ। তিনি এলাকা ভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, "সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছাতে সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।" তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং জনসেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব দেন। মাদকাসক্তি নির্মূলে সুশীল সমাজকে বিশেষভাবে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান।

এ সময় তিনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাহেল আহমেদ, নাসিরনগর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ রমজান আলী, থানার অফিসার ইনচার্জ শাহীনুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান শাকিল, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহিমুল আরেফিন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: অদিতি রায়, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন রোমান খান, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পুতুল রানী দাস, দাতঁমন্ডল এরফানিয়া সিনিয়র আলীম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ইলিয়াছ মিয়া, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল কাদির, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কেএম বসির উদ্দিন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক একেএম আমিনুল ইসলাম, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আবদুস সাত্তার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা মাহবুবুর রহমান, প্রেস ক্লাব সভাপতি আসমত আলী, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আকতার হোসেন ভূইয়া এবং এনজিও প্রতিনিধি আবু সাঈদ খানসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের বক্তব্য শুনেন।

এই সভায় উপস্থিত শিল্পীরাও নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং স্থানীয় সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও মাদক ও এলাকার উন্নয়ন, অবকাঠামো ও জনসেবার বিভিন্ন বিষয়ের উপর তাদের মতামত উপস্থাপন করেন। জেলা প্রশাসক সকলের বক্তব্য মনোযোগের সঙ্গে শোনেন এবং উত্থাপিত বিষয়গুলো সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। সভায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সুধীজন এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%