ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সীতাকুণ্ডে উন্নয়ন, মানবসেবা ও জনআস্থার প্রতীক হিসেবে আসলাম এমপি


সীতাকুণ্ডে উন্নয়ন, মানবসেবা ও জনআস্থার প্রতীক হিসেবে আসলাম এমপি

রাজনীতির মাপকাঠি কেবল ক্ষমতা বা পদ-পদবি নয়, বরং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, জনকল্যাণে সম্পৃক্ততা এবং কঠিন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সক্ষমতায় নির্ধারিত হলে, তখন সীতাকুণ্ডের মানুষের আলোচনায় বারবার উঠে আসে সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলহাজ্ব আসলাম চৌধুরী এফসিএর নাম। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, প্রতিকূলতা ও কারাবাসের অ্যাডভেঞ্চার অতিক্রম করে জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক অটুট রাখা এই নেতাকে অনেকেই সীতাকুণ্ডের উন্নয়ন ও মানবসেবার অন্যতম মুখ হিসেবে বিবেচনা করেন।

স্থানীয়দের মতে, তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা আসলাম চৌধুরী সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়ার চেষ্টা করেছেন। তার রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে সামাজিক, শিক্ষামূলক এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় উপস্থিতি তাকে জনমানুষের নেতা হিসেবে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।

শিল্পসমৃদ্ধ জনপদ সীতাকুণ্ডের অর্থনৈতিক বিকাশে তার অবদান নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। শিল্প ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে বিভিন্ন সময় তার ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা। তাদের মতে, শিল্পাঞ্চল হিসেবে সীতাকুণ্ডের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য তিনি বরাবরই উৎসাহ দিয়ে আসছেন।

আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

শিক্ষা খাতেও তার বিশেষ অবদান রয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং শিক্ষা বিস্তারে তার পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত। অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মনে করেন, শিক্ষাকে মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে দেখার কারণে তিনি এ খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

মানবিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রেও তিনি নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন। করোনাকালে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহযোগিতা এবং সামাজিক সংকটে দ্রুত সাড়া দেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

দীর্ঘদিন কারাবাসের পর এলাকায় ফিরে আসার সময় তার প্রতি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও সমর্থনের বহিঃপ্রকাশও ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু একজন নেতার প্রত্যাবর্তন নয়, বরং জনগণের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন।

স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, সীতাকুণ্ড বর্তমানে শিল্পায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে জনমুখী নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে। তাদের বিশ্বাস, সংসদ সদস্য হিসেবে আসলাম চৌধুরী জনগণের প্রত্যাশা পূরণে উন্নয়ন ও কল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবেন।

আরও পড়ুন: স্বাধীনতার পরও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ

তাদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণে কাজ করাই একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় পরিচয়। আর সেই পরিচয়কে ধারণ করেই অধ্যাপক আলহাজ্ব আসলাম চৌধুরী সীতাকুণ্ডের উন্নয়ন, মানবসেবা ও জনআস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহিপুরে দেড় কেজি গাজাসহ দম্পতি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২০ পি.এম


মহিপুরে দেড় কেজি গাজাসহ দম্পতি গ্রেপ্তার
 
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মহিপুরে  অভিযান চালিয়ে দেড় কেজি গাজাসহ ইব্রাহিম (৫২) নামের এক মাদক কারবারি ও তার স্ত্রী শারমিন ( ৪২)কে গ্রেপ্তার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার  ৯জুন  দুপুরের পরে মহিপুর থানা থেকে ৫০০ গজের মধ্যে টিএন্ডটি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। সেখানে দুজন গ্রেফতার হয়। গ্রেপতারকৃত ইব্রাহিম, মহিপুর সদর ইউনিয়নের মহিপুর গ্রামের মৃত্যু মোসলেস হাওলাদার ছেলে।
 
মংগলবার বিকেলে সরেজমিনে গেলে স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এসআই জাকির হোসন,এসআই মাসুদ খান,এসআই আজাদ সহ সঙ্গীও ফোর্স অভিযান পরিচালনা করেন।  নিজেস্ব তথ্য ও সোর্সের মাধ্যমে তথ্য পেয়ে তার দোকান ও বাসা তল্লাশি করে  ১কেজি ৫০০গ্রাম গাজা, ৩৬,৪০০টাকা।পুরিয়া তৈরির সরঞ্জাম একটি কাঁচি সহ গ্রেফতার করেন।পুলিশের সাথে এ কাজে স্হানীয় জনগণ সহযোগিতা করে। 
 
এদিকে পুলিশের এ সফল অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশের নজরদারি আরো জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।আরো বলেন মাদক নির্মুলে আমরা এলাকাবাসী আপনাদের সাথে আছি।
 
অভিযান পরিচালনাকারী মহিপুর থানার এস আই জাকির হোসেন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ধারা ২০১৮ এর ১৯(ক) অনুযায়ী মহিপুর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরো জানান,গ্রেপ্তারকৃত ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পূর্বে একাধিক মামলা রয়েছে। স্হানীয় লোকজন আমাদের কে সহয়তা করেছে।
 
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো, শামীম হাওলাদার জানান, মাদক মুক্ত মহিপুর গড়ার লক্ষে ও মাদক নির্মূলে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তারই সাথে থানা প্রশাসন স্হানীয় জনগণের সহযোগিতা চান।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদগাঁওতে অভিযোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বার্ষিক সমন্বয় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২১ পি.এম


ঈদগাঁওতে অভিযোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বার্ষিক সমন্বয় সভা

 

অভিবাসী কর্মীদের জন্য কমিউনিটি-ভিত্তিক অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামোকে আরো কার্যকর ও টেকসই করতে কক্সবাজারে সিমস্ প্রকল্পের উদ্যোগে জিএমসি কেস্ ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯ জুন মঙ্গলবার ঈদগাঁও উপজেলার জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে উপজেলা পরিষদের কার্যালয়ের অস্থায়ী সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভাটির আয়োজন সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে, হেলভেটাস বাংলাদেশ এর কারিগারি সহযোগিতা ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা "প্রত্যাশী"র মাধ্যমে করা হয়েছে।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাশী জানায় যে, তারা অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অভিবাসন-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিরোধ ও অভিযোগের দ্রুত, সহজলভ্য ও গ্রহণযোগ্য সমাধান প্রদানে কাজ করছে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলার সিনিয়র সিভিল জজ এবং লিগ্যাল এইড অফিসার অভিজিৎ চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা দেলোয়ার হোছাইন।

এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন রশিদা খাতুন, জেলা সমন্বয়কারী, সিমস্ প্রকল্প, প্রত্যাশী, এবং একই সংস্থা ও প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার সুলতান মাহমুদ, প্রজেক্ট অফিসার তৌহিদা জান্নাত শিমু, ঈদগাঁও উপজেলা সমন্বয়কারী মোহাম্মদ আজগরসহ জিএমসির চেয়ারপার্সন, সদস্য সচিব, নারী সদস্যবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

অভিযোগ ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া, মামলা পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিনিময়, চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ, রেফারেল ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় জোরদার করার বিষয়গুলো নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রধান অতিথি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার অভিজিৎ চৌধুরী বলেন, 'মধ্যস্থতার মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে দ্রুত, সহজ ও গ্রহণযোগ্য উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সৃষ্টি করা।'

তিনি উল্লেখ করেন যে, গ্রিভ্যান্স ম্যানেজমেন্ট কমিটি (জিএমসি)-র মাধ্যমে অভিবাসন-সংক্রান্ত প্রতারণা ও বিরোধের অনেক ঘটনাই স্থানীয় পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।

যদি কোনো অভিযোগ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি না হয়ে থাকে, তবে ইউনিয়ন পরিষদের অফিসিয়াল প্যাডে সুপারিশসহ তা লিগ্যাল এইড অফিসে প্রেরণ করে বিষয়টি অধিক গ্রহণযোগ্যতা লাভ করতে পারে। প্রয়োজনীয় নথিপত্রের ঘাটতি থাকলেও, তা একটি নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, 'বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩' সম্পর্কে প্রাপ্য জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি নেতা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে অভিবাসন-সংক্রান্ত প্রতারণার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

তিনি সম্প্রতি সিমস্ (ঝওগঝ) প্রকল্পের অ্যাডভোকেসি উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের লিগ্যাল এইড সেবার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জানান যে, এর ফলে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ অভিবাসন-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি ও প্রতারণা প্রতিরোধে আরো কার্যকর ভূমিকায় থাকবে।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা মাঠ পর্যায়ে অভিযোগ নিষ্পত্তির নানা অভিজ্ঞতা, সফলতা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে, জটিল ও আদালত-সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর জন্য কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা, মানসম্মত ডকুমেন্টেশন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা জিএমসির কার্যকারিতা বৃদ্ধি, অভিযোগ ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়ন, স্থানীয় প্রশাসনের সম্প জড়িত বৃদ্ধি এবং অভিবাসী কর্মীদের জন্য আরো কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদের সাথে নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি, বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ করা এবং সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের বিস্তার রোধে করণীয় শীর্ষক বিষয়ের ওপর এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনা নাছরীন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ। তিনি এলাকা ভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, "সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছাতে সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।" তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং জনসেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব দেন। মাদকাসক্তি নির্মূলে সুশীল সমাজকে বিশেষভাবে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান।

এ সময় তিনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাহেল আহমেদ, নাসিরনগর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ রমজান আলী, থানার অফিসার ইনচার্জ শাহীনুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান শাকিল, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহিমুল আরেফিন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: অদিতি রায়, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন রোমান খান, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পুতুল রানী দাস, দাতঁমন্ডল এরফানিয়া সিনিয়র আলীম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ইলিয়াছ মিয়া, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল কাদির, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কেএম বসির উদ্দিন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক একেএম আমিনুল ইসলাম, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আবদুস সাত্তার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা মাহবুবুর রহমান, প্রেস ক্লাব সভাপতি আসমত আলী, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আকতার হোসেন ভূইয়া এবং এনজিও প্রতিনিধি আবু সাঈদ খানসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের বক্তব্য শুনেন।

এই সভায় উপস্থিত শিল্পীরাও নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং স্থানীয় সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও মাদক ও এলাকার উন্নয়ন, অবকাঠামো ও জনসেবার বিভিন্ন বিষয়ের উপর তাদের মতামত উপস্থাপন করেন। জেলা প্রশাসক সকলের বক্তব্য মনোযোগের সঙ্গে শোনেন এবং উত্থাপিত বিষয়গুলো সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। সভায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সুধীজন এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়াসের-তাবিথের ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ কাটল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ব্ল্যাকআউটের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


ইয়াসের-তাবিথের ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ কাটল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ব্ল্যাকআউটের শঙ্কা

বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই বাঙালির রাত জেগে উন্মাদনা, পাড়ায় পাড়ায় প্রিয় দলের পতাকা ওড়ানো এবং চায়ের কাপে ঝড় তোলা। অথচ বিশ্বমঞ্চের লড়াইয়ের কাছাকাছি সময়েও দেশের কোটি ফুটবলপ্রেমীর কপালে দেখা দিয়েছিল চিন্তার ভাঁজ। প্রশ্ন উঠছিল, এবার কি তাহলে টেলিভিশনে দেখা যাবে না ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ?

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে স্বস্তির খবর এসেছে। বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দেখতে পাবে, বিষয়টি এখন পুরোপুরি নিশ্চিত। আর এই ‘ব্ল্যাকআউট’ বা খেলা দেখতে না পাওয়ার শঙ্কা দূর করার পেছনে সবচেয়ে বড় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ খেলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তাঁর দূরদর্শী সিদ্ধান্ত এবং বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সহায়তায় খাদের কিনারা থেকে আলোর মুখ দেখেছে বাংলাদেশের কোটি ফুটবল ভক্ত।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত কয়েক সপ্তাহ আগে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্প্রিংবক পিটিই লিমিটেড প্রাথমিকভাবে ফিফার কাছ থেকে বাংলাদেশের মিডিয়া স্বত্ব পেয়েছিল। কিন্তু বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে কেনা এই স্বত্ব তারা স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে ব্যর্থ হয় এবং শেষ মুহূর্তে এসে চুক্তিটি সমর্পণ করে। ফলে বিশ্বকাপ শুরুর দুই সপ্তাহেরও কম সময় আগে দেশে কোনো ব্রডকাস্টার বা সম্প্রচারকারী মাধ্যম ছিল না। বিশাল আকাশচুম্বী দাম, সীমিত বাণিজ্যিক সুযোগ এবং ম্যাচের প্রতিকূল সময়ের কারণে স্থানীয় কোনো ব্রডকাস্টারই এই স্বত্ব কিনতে সাহস বা আগ্রহ না দেখাচ্ছিল।

কিন্তু কোটি মানুষের এই আবেগ ও প্রত্যাশাকে মাঠে ভেস্তে যেতে দেননি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি মন্ত্রণালয় থেকে এই সংকট সমাধানের পুরো উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন।

মন্ত্রণালয়ের জরুরি তোড়জোড়ের মধ্যেই পাশে এসে দাঁড়ান নবনির্বাচিত বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল। এই চুক্তি সফল করার পেছনে ফিফার সঙ্গে সরাসরি সেতু বন্ধন তৈরিতে তাবিথ আউয়াল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহায়ক ভূমিকা পালন করেছেন।

ফিফার সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সানকে তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘বিষয়টি বাফুফে সংক্রান্ত নয়; বরং বাফুফে সভাপতি হিসেবে ফিফাই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। বিটিভিসহ (বাংলাদেশ টেলিভিশন) স্থানীয় অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গে যেন একটি ফলপ্রসূ যোগাযোগ অথবা সমন্বয় তৈরি করা যায়, সেই লক্ষ্যেই তারা আমার দ্বারস্থ হয়।’

বাফুফে সভাপতি আরও যোগ করেন, ‘বাংলাদেশে যদি বিশ্বকাপ ফুটবল সঠিকভাবে সম্প্রচার করা না হতো, তা দেশের কোটি ফুটবল ভক্ত এবং সাধারণ মানুষের জন্য চরম হতাশাজনক হতো। একই সঙ্গে এটাও সত্যি, যদি সবচেয়ে যৌক্তিক বাণিজ্যিক শর্ত মেনে এই সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা না যায়, তা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জন্য একটি যৌথ ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য হবে।’

পরিস্থিতির ভয়াবহতা আঁচ করে মন্ত্রণালয় ও বাফুফে যৌথভাবে কোমর বেঁধে মাঠে নামে। একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, তাঁরা একসঙ্গে বিভিন্ন স্পোর্টস চ্যানেল, জাতীয় মিডিয়া হাউস, টেলিকম সংস্থা এবং বেশ কয়েকটি ওটিটি (ওটিটি) প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ডিজিটাল ও টেলিকম টাই-ইনের মতো নতুন আয়ের উৎসগুলো চিহ্নিত করেন, যা আগের কোনো বিশ্বকাপ চক্রে কখনো অন্বেষণ করা হয়নি।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান স্পষ্ট জানান, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল বিটিভিকে কোনো ধরনের লোকসানের মুখে না ফেলেই তাঁরা এই চুক্তিটি সম্পন্ন করতে পেরেছেন। অতীতের ‘অস্বচ্ছ’ ও চড়া দামের বাজারকে পাশ কাটিয়ে কীভাবে দেশের টাকা বাঁচানো গেছে, তার বিশদ বিবরণ দেন তিনি।

ইয়াসের বলেন, ‘যখন আমরা সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করি, তখন ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে একটি অদ্ভুত গোলকধাঁধা তৈরি ছিল। ফিফার কাছ থেকে স্বত্ব কেনা একটি প্রতিষ্ঠান প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা দাবি করেছিল। এটি ছিল করদাতাদের টাকার ওপর একটি বড় ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা। কিন্তু আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলাম—শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সৈনিকেরা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় জনগণের টাকার অপচয় বা কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করবে না। ফলস্বরূপ, সেই অযৌক্তিক ক্রয়ের প্রস্তাবটি পাস হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছে—যেখানে অন্যায়, দুর্নীতি এবং কর্তৃত্ববাদী মানসিকতার কোনো স্থান নেই। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই আপসহীন অবস্থান এবং জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার ত্যাগের অনুপ্রেরণা আসে আমাদের নেতা, এ দেশের কোটি তরুণের স্পন্দন, যুবসমাজের অহংকার—মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব থেকে। তিনি আমাদের স্পষ্টভাবে শিখিয়েছেন যে যেকোনো মূল্যে জনগণের আমানত রক্ষা করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনকল্যাণে নিয়োজিত করতে হবে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, অতীতের জটিলতা ভেঙে সরাসরি বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে কথা বলার কারণেই এসেছে এই অভূতপূর্ব সাফল্য। তিনি বলেন, ‘তাঁর নির্দেশনায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এই ফিফা বিষয়ে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সরাসরি ফিফার সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেয়। এই প্রক্রিয়ায় আমরা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালকে সম্পৃক্ত করি। দিনের পর দিন ম্যারাথন বৈঠক, জটিল আলোচনা এবং কঠোর দরকষাকর্ষির মাধ্যমে আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি। কর্তৃত্ববাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সততা এবং জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতার এটি একটি বড় বিজয়।’

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বিগত সরকারের আমলে হওয়া চুক্তির উদাহরণ টেনে আনেন। তাঁর মতে, আগে যেখানে বিটিভি কোটি কোটি টাকা খরচ করেও কোনো মুনাফা তুলতে পারেনি, এবার সেখানে এক টাকাও লোকসান গুনতে হবে না রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে।

তীব্র যুক্তি দিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ইয়াসের বলেন, ‘বিটিভি আরও বেশি ব্যবসা করতে পারত বলতে কী বোঝাচ্ছেন? তারা বিটিভি-কে ২০০ কোটি টাকার প্রস্তাব দিচ্ছিল—তার মানে এই নয় যে তারা এটি ২০০ কোটি টাকায় কিনেছিল। বিষয়টি আপনাদের বুঝিয়ে বলি—এটি আসলে খুব ভালো একটি প্রশ্ন, যদিও আমি এটির উত্তর আপনার প্রত্যাশার চেয়ে ভিন্নভাবে দেব। গতবার বিটিভি ৯৬ কোটি টাকায় স্বত্ব কিনেছিল—বিটিভি কত টাকা লাভ করেছিল? জিরো (শূন্য)। বিগ জিরো। ডাবল জিরো। ট্রিপল জিরো। এবার কি বিটিভি-কে শেষ পর্যন্ত কোনো টাকা দিতে হবে? বিটিভি-র কি কোনো খরচ হবে? না। তাহলে পার্থক্যটা নিজেই বুঝতে পারছেন।’

সহজ একটি উদাহরণ দিয়ে দুর্নীতির চক্রটি ব্যাখ্যা করেন ইয়াসের, ‘২০০ কোটি টাকার প্রস্তাবটি বিটিভির উপার্জনের জন্য ছিল না। তারা বলছিল বিটিভি ২০০ কোটি টাকায় কিনবে—কিন্তু আসল ব্যবসাটা করবে অন্য কেউ। তারা লাভ নিয়ে চলে যেত, আর বিটিভির ঝুলিতে থাকত শূন্য। তা হতে পারে না। বিষয়টি এভাবে ভাবুন, এই ফোনের একটি নির্দিষ্ট মূল্য আছে—ধরুন ১ হাজার টাকা। আপনি এটি যার কাছেই বিক্রি করুন না কেন, এর চেয়ে বেশি পাবেন না। আপনি যদি এটি আমার কাছে ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন এবং আমি অন্য কারও কাছে যাই, তারা কি ১ হাজার টাকার বেশি দেবে? সুতরাং, বিটিভিকে দিয়ে ২০০ কোটি টাকায় কিছু কেনানো আর অন্য কেউ ব্যবসা করে লাভ নিয়ে যাওয়া—এতে বিটিভি-র হাত খালিই থাকে। আমরা জনগণের টাকার অপচয় এবং দুর্নীতি বন্ধ করেছি।’

এই যৌথ আলোচনার চূড়ান্ত ফল দাঁড়িয়েছে অত্যন্ত ইতিবাচক। ৩টি জাতীয় টেলিভিশনের সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে এখন নিশ্চিত হয়েছে সম্প্রচার স্বত্ব।

প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে চুক্তির ফাইনাল সংখ্যাটি প্রকাশ করে বলেন, ‘আজ আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে—অতীতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা লুটের গন্ধ থাকা প্রাথমিক ২০০ কোটি টাকার দাবির ফাঁদ এড়িয়ে, আমরা অত্যন্ত সাশ্রয়ী ও যুক্তিসঙ্গত মূল্যে ফিফার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছি।’

তিনি টাকার হিসাব দিয়ে বলেন, ‘একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবং বাংলাদেশের নীতিমালা অনুযায়ী, এ বছরের ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের চূড়ান্ত চুক্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৩৮.৫ লাখ মার্কিন ডলার—যা বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ৪৭ কোটি টাকা।’

সবচেয়ে স্বস্তির জায়গা হলো, এই ৪৭ কোটি টাকা বিটিভিকে তার নিজের তহবিল থেকে দিতে হচ্ছে না। বিভিন্ন স্পনসরশিপ ও উপ-স্বত্ব বিক্রির মাধ্যমেই এই টাকা উঠে আসবে।

জনগণকে আশ্বস্ত করে ইয়াসের বলেন, ‘জনগণের জন্য সুখবর— এবং আমি আবারও বলছি, জনগণের জন্য সুখবর হলো, বিটিভিকে এই টাকা নিজে দিতে হবে না। এর অর্থ হলো, নীতিমালা অনুযায়ী বিজ্ঞাপন এবং টেলিকম কোম্পানি, স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোর কাছে স্বত্ব বিক্রি করে আমরা প্রায় পুরো অর্থই তুলে নিতে সক্ষম হয়েছি। বিটিভি নামমাত্র খরচে ফিফা ২০২৬ সম্প্রচার করবে। এই খরচ শুধু আগের সরকারের আমলের চেয়ে কমই নয়—এটি প্রমাণ করে যে উদ্দেশ্য যদি সৎ হয়, তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা যে সততা দেখিয়েছি, তা দিয়ে দেশের টাকা বাঁচানো এবং জনগণকে বিশ্বের সেরা সেবা দেওয়া সম্ভব।’

যেকোনো করপোরেট ও পলিসি মেকিংয়ের মাপকাঠিতে এই সমঝোতা ছিল একটি অবিশ্বাস্য ‘মাস্টারস্ট্রোক’। যার হাত ধরে কোনো লোকসান ছাড়াই, সম্পূর্ণ সাশ্রয়ী মূল্যে বাংলাদেশের ড্রয়িংরুম ও ডিজিটাল স্ক্রিনে পৌঁছাতে যাচ্ছে ফুটবলের বিশ্বমঞ্চ। আর এই পুরো দৃশ্যপটের নেপথ্য কারিগর হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%