শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:০৮ পি.এম
বরিশাল মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে নগরীর চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখা পৃথকভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্যমতে, অভিযানে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে ৭১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় একজন, নিয়মিত মামলায় তিনজন এবং বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সব মিলিয়ে পৃথক অভিযানে মোট ১৬ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর পুলিশ।
বিএমপি জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার এবং অপরাধ দমনে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে বিএমপি।
তথ্যসূত্র: বিএমপি মিডিয়া সেল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের ডাসার এলাকায় স্বর্ণালংকারসহ আনুমানিক ৭ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে রুপা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তার সৌদি প্রবাসী স্বামী করেছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পরেও ওই গৃহবধূর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তার পরিবার ডাসার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।
নিখোঁজ রুপা আক্তার ডাসার উপজেলার পশ্চিম কোমলাপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী আশিক মাতুব্বরের স্ত্রী এবং বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামের ফেরদাউস মোল্লার মেয়ে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, রুপা আক্তার মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। এরপর আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ করা হলেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
রুপার বাবা ফেরদাউস মোল্লা পরে তাকে না পেয়ে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ডাসার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
আশিক মাতুব্বর জানান, রুপা আক্তার স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে গেছেন এবং তিনি তার সন্ধান চেয়ে থানায় জিডি করেছেন।
ডাসার থানার ওসি মো. সোলায়মান মাহমুদ এ বিষয়ে জানিয়েছেন, গৃহবধূ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের বিরুদ্ধে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও দীর্ঘদিনের নির্বাচনি প্রতীক ব্যবহারে কমিশনের নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন করেছেন তিনি। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য উল্লেখ করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তী নির্দেশে জানায়, তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের পরিচয় ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। সেই বিরোধের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষই পুরোনো দলীয় নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই এই অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরদিন দুই গোষ্ঠীর জন্য নতুন নাম ও প্রতীক নির্ধারণ করে কমিশন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীকে দেওয়া হয় মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক। অন্যদিকে অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীকে দেওয়া হয় গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং খাম প্রতীক। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত অবশ্য তৃণমূলের মূল নাম বা জোড়াফুল প্রতীকের চূড়ান্ত মালিকানা কার, সেই প্রশ্নের নিষ্পত্তি নয়।
কমিশন জানিয়েছে, দুই পক্ষের দাবি নিয়ে পৃথকভাবে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া চলবে। অর্থাৎ আপাতত উপনির্বাচনের জন্যই নতুন নাম ও প্রতীকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনে কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা এবং দলীয় সংগঠন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য বিবেচনার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
তার পক্ষের দাবি, দলের সাংগঠনিক কাঠামো এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অবস্থান যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। বিদ্রোহী বিধায়কদের বিরুদ্ধে বিধানসভায় চলতে থাকা অযোগ্যতা সংক্রান্ত আবেদনগুলিও এখনও নিষ্পত্তি হয়নি বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর মমতা জানিয়েছিলেন, তিনি দলীয় নাম ও প্রতীক ফিরে পাওয়ার জন্য রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। এবার সেই লড়াই পৌঁছাল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।
অন্যদিকে ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে আইনি এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন বাড়ছে। সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে কোনো পরিবর্তন আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ