০৮:৫৩ এম
দলিত পরিবার থেকে উঠে এসেছেন, ভারতের জাতীয় রাজনীতির আলোচনায়। তিনি এখন সামাজিক মাধ্যম ও ডিজিটাল প্রচারণার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আলোচিত তরুণ মুখ। অধ্যয়নরত অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের অভিজ্ঞতা মিলিয়ে গড়ে তুলেছেন ককরোচ জনতা পার্টি। যেখানে সামাজিক অসন্তোষকে প্রতিবাদের ভাষায় রূপ দেন।
মহারাষ্ট্রের এক দলিত পরিবারে তাঁর জন্ম। সেখানে বৈষম্য ও সামাজিক বঞ্চনা ছিল নিত্যসঙ্গী। সেই অবস্থান থেকে ভারতে অভিজিৎ দীপক এখন এক নাটকীয় উত্থানের নাম। তিনি দলিত পরিবারের এই সন্তান দেশটির কোটি তরুণের ক্ষোভ ও হতাশার ভাষা হয়ে উঠেছেন।
বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি অকপটে নিজের শৈশবের কথা শেয়ার করেছেন। তাঁর আশেপাশে এমন কোন রোল মডেল ছিল না, যাকে দেখে জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার স্বপ্ন দেখা যায়।
আরও পড়ুন: শত্রুদের পরাজিত করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মোদির
প্রথাগত ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনার পথ থেকে তিনি সরে এসে বেছে নেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতাকে। পুনেতে সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতক সম্পূর্ণ করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাবলিক রিলেশনস বিষয়ে স্নাতকোত্তর পড়ার সময় রাজনৈতিক যোগাযোগ, জনমত গঠন এবং ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আধুনিক কৌশলের সঙ্গে পরিচিত হন।
ভারতে অবস্থানকালে তিনি আম আদমি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া টিমে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেও কাজ করেছেন। সেখান থেকেই তিনি মিম, ব্যঙ্গ এবং ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহার করে রাজনৈতিক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার দক্ষতা অর্জন করেন। দিল্লি নির্বাচনে দলটির অনলাইন প্রচারণার অংশ হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা, বেকারত্ব এবং নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে ক্ষোভের প্রতি মনযোগ দিয়ে তিনি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ধারণাটি উপস্থাপন করেন। এই উদ্যোগ অল্প সময়ের মধ্যেই কোটি তরুণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিজিৎ দীপকের উত্থান, ভারতের রাজনীতিতে নতুন এক প্রবণতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। যেখানে প্রথাগত রাজনৈতিক পরিবার ও অর্থনীতির বাইরে ডিজিটাল যোগাযোগের দক্ষতা এবং সামাজিক অসন্তোষকে প্রতিবাদের ভাষায় রূপ দিতে পারার ক্ষমতা গুরুত্ব পাচ্ছে।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে হুথি বিদ্রোহীদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জরুরি সতর্কতা জারি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন