বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪২ পি.এম
বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতকে পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্যে গঠিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন স্কিমের বাস্তবায়নে নতুন নির্দেশনা প্রদান করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাক-অর্থায়ন গ্রহণের বিপরীতে ৪ শতাংশ হারে সুদ প্রদান করবে। অন্যদিকে, গ্রাহক পর্যায়ে এই স্কিমের আওতায় ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’ বা ‘ক্লোজড ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড সার্ভিস সেক্টর ফ্যাসিলিটেশন প্রি-ফাইন্যান্স স্কিম’-এর আওতায় ২০ হাজার কোটি টাকার একটি স্কিম গঠন করা হয়েছে। এর আগে গত ৪ জুন ও ৭ জুলাই পৃথক সার্কুলার ও সার্কুলারের মাধ্যমে এই স্কিম-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রদান করা হয়েছিল। এবার স্কিমটির কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য কয়েকটি নির্দেশনা সংশোধন ও সংযোজন করা হয়েছে।
বড় শিল্প নয়, ‘শিল্প’ হিসেবে বিবেচনা
সংশোধিত নির্দেশনায় প্রথমেই পরিভাষায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্বের নির্দেশনার বিভিন্ন স্থানে ব্যবহৃত ‘বৃহৎ শিল্প’ শব্দদ্বয়ের পরিবর্তে শুধুমাত্র ‘শিল্প’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট নির্দেশনায় ‘বৃহৎ শিল্প’ উল্লেখ থাকার জায়গায় এখন ‘শিল্প’ শব্দটি প্রযোজ্য হবে।
ব্যাংক পর্যায়ে সুদ ৪ শতাংশ
স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে প্রাক-অর্থায়ন গ্রহণ করবে, তার বিপরীতে ৪ শতাংশ হারে সুদ পরিশোধ করতে হবে। তবে প্রাক-অর্থায়ন গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে এ সুদ পরিশোধ শুরু হবে না। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রাক-অর্থায়ন গ্রহণের ছয় মাস পর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ প্রদান শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও পরিশোধ করতে হবে। ফলে স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলোর প্রাক-অর্থায়নের ক্ষেত্রে ছয় মাসের একটি সময় সুবিধা রয়েছে।
গ্রাহক পর্যায়ে সুদ সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ
গ্রাহক পর্যায়ে এই স্কিমের আওতায় ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো এই স্কিমের আওতায় গ্রাহকদের যে ঋণ দেবে, তার সুদের হার ৭ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, আলোচ্য প্যাকেজের আওতায় ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড দেওয়ার লক্ষ্যে ঋণ বিতরণের ছয় মাস পর থেকে সুদ আদায় শুরু করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও আদায়ের আওতায় থাকবে।
গ্রেস পিরিয়ড শেষে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধের জন্য ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধের ক্ষেত্রেও সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধ করতে হবে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাক-অর্থায়ন নিয়ে তা সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করার পর নির্ধারিত ছয় মাসের সময়সুবিধা পাবে। এরপর নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধ করতে হবে।
তিন বছরের মধ্যে আবেদন করার সুযোগ
নতুন নির্দেশনায় স্কিমের মেয়াদ ও প্রাক-অর্থায়ন সুবিধা গ্রহণের আবেদনের সময়সীমা সম্পর্কেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্কিমের আওতায় তহবিলের প্রাপ্যতা থাকা সাপেক্ষে স্কিমের মেয়াদ কালীন অর্থাৎ তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময় প্রাক-অর্থায়ন সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদন করা যাবে। ফলে স্কিম চালুর পর নির্দিষ্ট একটি স্বল্প সময়ের মধ্যেই আবেদন করতে হবে—এমন বাধ্যবাধকতা থাকছে না। তহবিলের প্রাপ্যতা এবং স্কিমের তিন বছরের মেয়াদের মধ্যে যোগ্য আবেদনকারীরা এ সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, সংশ্লিষ্ট সার্কুলার ও সার্কুলার লেটারের মাধ্যমে ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’-এর নীতিমালা জারি করা হয়েছে। এখন স্কিমটির কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য সংশোধিত নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করেছে। সার্কুলার লেটারে বলা হয়েছে, এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে। নতুন নির্দেশনার ফলে বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের জন্য গঠিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন স্কিমে ব্যাংক ও গ্রাহক—উভয় পর্যায়ের সুদহার, সুদ আদায়ের সময় এবং আবেদন করার সময়সীমা আরও স্পষ্ট হলো। বিশেষ করে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদ এবং ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড নির্ধারণের ফলে স্কিমটির আওতায় ঋণ বিতরণের কাঠামো নির্দিষ্ট করা হয়েছে। একই সঙ্গে তহবিলের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে ধর্মহীনতার বিরুদ্ধে এবং ধর্ম ব্যবসার বিরুদ্ধে কথা বলে। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিএনপি বামের ডানে এবং ডানের বামে মধ্যম পন্থার একটি রাজনৈতিক দল। এটি লাল সবুজের পতাকা ও সবুজ পাসপোর্টের ধারক এবং মূল্যায়ন করতে সবসময় বদ্ধপরিকর।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা আইনজীবী সমিতি কর্তৃক আয়োজিত পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “আমরা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করতে চাই না। ধর্ম আমার বিশ্বাসের জায়গা, ধর্ম আমার শ্রদ্ধার জায়গা, ধর্ম আমার ইহকাল-পরকালের জায়গা। কিন্তু সেই ধর্ম রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নিয়ে এসে মানুষের রক্তপাত আমরা ঘটাতে চাই না।”
আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনারা (আইনজীবীরা) এখানে অনেক মুসলিম সমাজের আইনজীবী আছেন, হিন্দু সমাজের আইনজীবী আছেন, কেউ কেউ খ্রিস্টান সমাজের আইনজীবী আছেন। কিন্তু যখন আপনি আদালতের সামনে দাঁড়ান, তখন আপনার পরিচয় কিন্তু মুসলিম কিংবা খ্রিস্টান কিংবা হিন্দু নয়। তখন আপনি কালো কোর্ট পরা একজন আইনজীবী।”
তিনি আরো বলেন, “একটি সাম্প্রদায়িকতাহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য ক্ষেত্রমতো যেখানে যেরকম আচরণ করা প্রয়োজন আমরা সে ধরনের আচরণ করব।”
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, “সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থানের ভিত্তিতে যে ধরনের একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব, আমরা সেটি নিয়ে এগিয়ে যাব। যে বাংলাদেশে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ভূমি হিসেবে গড়ে যেতে পারব।”
অনুষ্ঠানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম, মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাহবুবুর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, বীর উত্তম, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎকালে কাদের সিদ্দিকী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। এ সময় রাষ্ট্রপতি কাদের সিদ্দিকীকে ধন্যবাদ জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি কাদের সিদ্দিকীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। তারা একে অপরের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন এবং দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় খেলার সুযোগ তৈরি করা এবং ক্রীড়া চর্চাকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া সরকারের প্রতিশ্রুতি। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা খেলার মাঠগুলো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠ (আবাহনী মাঠ) এবং ধানমন্ডি মাঠের সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমঝোতা স্মারকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খান, এনডিসি স্বাক্ষর করেন।
গণপূর্তমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ঢাকা ও বড় শহরগুলোতে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাব রয়েছে। যদি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা মাঠগুলোকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় দেওয়া হয়, তবে এগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জাকারিয়া তাহের জানান, রাজধানীর খেলার মাঠগুলোতে শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীসহ সকল স্তরের মানুষের জন্য খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য। এতে মানুষের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, গত ১৭ বছরে ক্লাবগুলোর রাজনৈতিকীকরণ দূর করে নিরপেক্ষ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া অবকাঠামো তৈরি এবং মাঠগুলো সাধারণ মানুষ ও তরুণদের জন্য উন্মুক্ত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, ধানমন্ডি মাঠে আর্চারি ও শুটিংয়ের অবকাঠামো এবং আবাহনী মাঠের খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা সংস্কার করে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। পিপিপি মডেলে এসব উন্নয়নকাজ শুরু হলে ঢাকার অন্যান্য গণপূর্ত মাঠও পর্যায়ক্রমে আধুনিকায়ন করা হবে।
তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণের উদ্যোগ তুলে ধরে আমিনুল হক জানান, দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে ১০টি ইভেন্টে দল গঠন করা হচ্ছে। দ্বিতীয় আসরে ইতোমধ্যে ১৫ লাখের বেশি অনলাইন নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এ সংখ্যা ২০ লাখে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ধানমন্ডি মাঠে আবাহনী অনুশীলন ও ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম সমঝোতা স্মারকের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। তাঁরা উল্লেখ করেন, মাঠ দুটি দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আগামী পাঁচ বছর মাঠ দুটি সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির মেয়াদ নবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ হাসানসহ দুই মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তারা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ চার বছরের প্রেমের পর, অবশেষে এক হওয়ার সময় এসেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে, আগামী ৪ ডিসেম্বর লখনউয়ের একটি হোটেলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার রিংকু সিং এবং দেশটির লোকসভার সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য প্রিয়া সরোজ।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের পাশাপাশি বিশেষ অতিথি হিসেবেও অনেকেই বিয়েতে উপস্থিত থাকবেন। রিংকুর বিয়ের অনুষ্ঠানে ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদেরও অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে একটি সাক্ষাৎকারে রিংকু প্রিয়ার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছিলেন। তিনি জানান, সমাজবাদী পার্টির সামাজিক মাধ্যমে প্রিয়ার ছবি দেখে তিনি প্রেমে পড়েন। তবে প্রিয়াকে বার্তা পাঠানোর ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। কিন্তু প্রিয়া তার ছবিতে ‘লাইক’ করার পর বিষয়টি এগোতে শুরু করে।
রিংকু বলেছিলেন, করোনাকালীন সময়ে আইপিএল মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তখন গ্রামের একটি ভোটের সময় তিনি প্রিয়ার ছবি একটি ফ্যান পেজে দেখেছিলেন। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, প্রিয়া তার জন্য একদম সঠিক। তবে নিজে থেকে বার্তা পাঠানোর ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। কিন্তু প্রিয়া তার দুই-একটি ছবিতে লাইক করার পর তিনি তাকে বার্তা পাঠান। এভাবেই তাদের প্রেমের শুরু। এরপর তারা নিয়মিত কথা বলতে শুরু করেন। ম্যাচের আগেও তাদের কথা হতো। ২০২২ সাল থেকে তিনি প্রিয়ার প্রতি ভালোবাসা অনুভব করতে শুরু করেন।
প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর ১৯৯৮ সালে প্রিয়া সরোজের জন্ম। তিনি উত্তর প্রদেশের একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী। তিনি তফশিলি জাতি সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত মছলিশহর লোকসভা আসনের সংসদ সদস্য। ২০২৪ সালে ভারতীয় সাধারণ নির্বাচনে উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী পার্টির প্রতিনিধিত্ব করে নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যদিকে, ১২ অক্টোবর ১৯৯৭ সালে উত্তর প্রদেশের আলীগড়ে জন্মগ্রহণ করেন রিংকু সিং। তিনি বর্তমানে ভারতীয় দলের নিয়মিত মুখ। আইপিএলে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে তিনি ভারতীয় দলে সুযোগ পান। ইতোমধ্যে তিনি ৪৮টি টি-টোয়েন্টি এবং দুটি ওয়ানডে ম্যাচে অংশ নিয়ে ভারতের জয় নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ