বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৩ পি.এম
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় খেলার সুযোগ তৈরি করা এবং ক্রীড়া চর্চাকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া সরকারের প্রতিশ্রুতি। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা খেলার মাঠগুলো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠ (আবাহনী মাঠ) এবং ধানমন্ডি মাঠের সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমঝোতা স্মারকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খান, এনডিসি স্বাক্ষর করেন।
গণপূর্তমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ঢাকা ও বড় শহরগুলোতে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাব রয়েছে। যদি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা মাঠগুলোকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় দেওয়া হয়, তবে এগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জাকারিয়া তাহের জানান, রাজধানীর খেলার মাঠগুলোতে শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীসহ সকল স্তরের মানুষের জন্য খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য। এতে মানুষের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, গত ১৭ বছরে ক্লাবগুলোর রাজনৈতিকীকরণ দূর করে নিরপেক্ষ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া অবকাঠামো তৈরি এবং মাঠগুলো সাধারণ মানুষ ও তরুণদের জন্য উন্মুক্ত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, ধানমন্ডি মাঠে আর্চারি ও শুটিংয়ের অবকাঠামো এবং আবাহনী মাঠের খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা সংস্কার করে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। পিপিপি মডেলে এসব উন্নয়নকাজ শুরু হলে ঢাকার অন্যান্য গণপূর্ত মাঠও পর্যায়ক্রমে আধুনিকায়ন করা হবে।
তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণের উদ্যোগ তুলে ধরে আমিনুল হক জানান, দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে ১০টি ইভেন্টে দল গঠন করা হচ্ছে। দ্বিতীয় আসরে ইতোমধ্যে ১৫ লাখের বেশি অনলাইন নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এ সংখ্যা ২০ লাখে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ধানমন্ডি মাঠে আবাহনী অনুশীলন ও ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম সমঝোতা স্মারকের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। তাঁরা উল্লেখ করেন, মাঠ দুটি দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আগামী পাঁচ বছর মাঠ দুটি সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির মেয়াদ নবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ হাসানসহ দুই মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তারা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ চার বছরের প্রেমের পর, অবশেষে এক হওয়ার সময় এসেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে, আগামী ৪ ডিসেম্বর লখনউয়ের একটি হোটেলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার রিংকু সিং এবং দেশটির লোকসভার সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য প্রিয়া সরোজ।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের পাশাপাশি বিশেষ অতিথি হিসেবেও অনেকেই বিয়েতে উপস্থিত থাকবেন। রিংকুর বিয়ের অনুষ্ঠানে ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদেরও অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে একটি সাক্ষাৎকারে রিংকু প্রিয়ার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছিলেন। তিনি জানান, সমাজবাদী পার্টির সামাজিক মাধ্যমে প্রিয়ার ছবি দেখে তিনি প্রেমে পড়েন। তবে প্রিয়াকে বার্তা পাঠানোর ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। কিন্তু প্রিয়া তার ছবিতে ‘লাইক’ করার পর বিষয়টি এগোতে শুরু করে।
রিংকু বলেছিলেন, করোনাকালীন সময়ে আইপিএল মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তখন গ্রামের একটি ভোটের সময় তিনি প্রিয়ার ছবি একটি ফ্যান পেজে দেখেছিলেন। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, প্রিয়া তার জন্য একদম সঠিক। তবে নিজে থেকে বার্তা পাঠানোর ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। কিন্তু প্রিয়া তার দুই-একটি ছবিতে লাইক করার পর তিনি তাকে বার্তা পাঠান। এভাবেই তাদের প্রেমের শুরু। এরপর তারা নিয়মিত কথা বলতে শুরু করেন। ম্যাচের আগেও তাদের কথা হতো। ২০২২ সাল থেকে তিনি প্রিয়ার প্রতি ভালোবাসা অনুভব করতে শুরু করেন।
প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর ১৯৯৮ সালে প্রিয়া সরোজের জন্ম। তিনি উত্তর প্রদেশের একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী। তিনি তফশিলি জাতি সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত মছলিশহর লোকসভা আসনের সংসদ সদস্য। ২০২৪ সালে ভারতীয় সাধারণ নির্বাচনে উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী পার্টির প্রতিনিধিত্ব করে নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যদিকে, ১২ অক্টোবর ১৯৯৭ সালে উত্তর প্রদেশের আলীগড়ে জন্মগ্রহণ করেন রিংকু সিং। তিনি বর্তমানে ভারতীয় দলের নিয়মিত মুখ। আইপিএলে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে তিনি ভারতীয় দলে সুযোগ পান। ইতোমধ্যে তিনি ৪৮টি টি-টোয়েন্টি এবং দুটি ওয়ানডে ম্যাচে অংশ নিয়ে ভারতের জয় নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, কর্মী, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন, "বাংলাদেশের সাথে ভিয়েতনামের পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।" এই সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার জন্য এবং উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অংশীদারিত্বের ক্ষেত্র সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন রাষ্ট্রপতি। ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এই লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।
আজ সকালে বঙ্গভবনে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে আসা বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং-এর সাথে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসস-কে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত। তিনি রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে ভিয়েতনাম সফরের আমন্ত্রণও জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান।
রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপন, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন এবং উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতি ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর ভিয়েতনাম সফরের কথা স্মরণ করেন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, "দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যকে আরো ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।" এসময় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, বাইসাইকেল, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানিযোগ্য পণ্যের আমদানি বৃদ্ধির জন্য ভিয়েতনামের প্রতি আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বিদায়ী রাষ্ট্রদূতকে তাঁর সফল কর্মকাল এবং বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম সম্পর্ক উন্নয়নে অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, রাষ্ট্রদূত নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরেও দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবেন।
রাষ্ট্রপতি ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূতের সুস্বাস্থ্য ও সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করেন এবং ভিয়েতনামের জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিববৃন্দ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভিয়েতনাম দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ত্রিশাল-ফুলবাড়িয়া সড়কের খানাখন্দে ভোগান্তিতে রয়েছে লক্ষাধিক মানুষ দুই উপজেলার। দীর্ঘ সময় ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থা যানবাহন চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংস্কারকাজ শুরু হলেও তিন কিলোমিটারের মধ্যে দেড় কিলোমিটার কাজ শেষ করে বাকি অংশ ফেলে রাখায় ভোগান্তি আরো বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কে বড় গর্তে আটকা পড়েছে একটি মালবোঝাই ট্রলি। প্রতিদিন গর্তে পড়ে অটোরিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। স্থানীয় স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ত্রিশাল উপজেলা সদর থেকে ফুলবাড়িয়া উপজেলা পর্যন্ত ত্রিশাল-ধুরধুরিয়া সড়কটি কয়েক বছর ধরে খানাখন্দ ও ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। সড়কটির তিন কিলোমিটার সংস্কারের জন্য চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রায় দুই কোটি টাকা চুক্তিমূল্যে মেসার্স সাইফুল ইসলামকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ঠিকাদার মে মাস পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষ করে বাকি অংশ ফেলে রাখেন।
সরেজমিনে আরো দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও পিচ উঠে গিয়ে বেরিয়ে পড়েছে মাটি ও খোয়া। খানাখন্দে ভরা সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় যানবাহন দুলতে থাকে। গর্তে পড়ে প্রায়ই অটোরিকশা ও সিএনজি উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে যাত্রী ও চালকদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বড় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ থাকায় মালামাল পরিবহনও ব্যাহত হচ্ছে।
সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ছলিমপুর এলাকার দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে শিক্ষকরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় অনেক শিক্ষার্থী অটোরিকশা ও ভ্যানে না গিয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার হেঁটে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা।
ছলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সোমাইয়া সাদমিন বলেন, ‘সড়কটির অবস্থা এতটাই খারাপ যে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার সময় আমাদের আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। অটোরিকশা বা সিএনজিতে চলাচলের সময় কোথায় গাড়ি উল্টে যায়, সেই ভয় থাকে। অনেক সময় গর্তে পড়ে গাড়ি কাত হয়ে যায়।’
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিনই আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। খানা-খন্দ ও বড় বড় গর্তের কারণে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে অটোরিকশা ও সিএনজি প্রায়ই গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার না হলে দুর্ভোগ আরো বাড়বে।’
এ বিষয়ে ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি অর্ধেকেরও বেশি রাস্তার কাজ শেষ করে জুন মাসে ৫০ লাখ টাকা বিলের আবেদন করেছি। এখন পর্যন্ত আমাকে এক টাকাও বিল দেওয়া হয়নি। তাছাড়া বিটুমিন না পাওয়ায় কাজ করা যাচ্ছে না। বৃষ্টি-বাদল শেষ হলে দ্রুতই কাজ শেষ করে ফেলব।’
উপজেলা প্রকৌশলী জুবায়েত হোসেন জানান, ‘ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য একাধিকবার তাগিদপত্র দিয়েছি। বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় বিটুমিনের কাজ করা কঠিন।’
বিলের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে অর্থ ছাড় না পাওয়ায় ঠিকাদারের বিল দেওয়া সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দুই শতাব্দীরও অধিক সময় ধরে মার্কিন সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন নীতি ও গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের ওপর আলোকপাত করে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস’ উদযাপন করেছে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস।
সিনেট হলে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালাম, সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
অনুষ্ঠানে ক্রিস্টেনসেন উল্লেখ করেন, অব্যাহত বিতর্ক এবং ঐকমত্যে পৌঁছানোর নিরন্তর প্রচেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের দৃঢ়তা ও স্থায়িত্ব বজায় রাখতে সহায়ক হয়েছে।
মার্কিন মিশনের মুখপাত্র পূর্ণিমা রাইয়ের দেওয়া এক বিবৃতিতে, তিনি সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ— যেমন ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সংশোধনী আনার সুযোগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, এসব সাংবিধানিক নীতি দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে মার্কিন সংবিধানকে টিকিয়ে রাখতে এবং বিশ্বের বিভিন্ন গণতন্ত্রকে অনুপ্রাণিত করতে সহায়তা করেছে।
অনুষ্ঠানমালায় অন্তর্ভুক্ত ছিল একটি উন্মুক্ত সভা, প্যানেল আলোচনা, রচনা প্রতিযোগিতা, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং ‘আমেরিকান ফাউন্ডার্স মিউজিয়াম’ শীর্ষক প্রদর্শনী।
গণতন্ত্রের ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। এর অংশ হিসেবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ