সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৫ পি.এম
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ফ্রান্স সরকার ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য নতুন একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ সোমবার এ তথ্য জানান, যখন দেশটির সর্বোচ্চ সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ পূর্ববর্তী প্রস্তাবটি বাতিল করে।
আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে ফ্রান্সের সাংবিধানিক পরিষদ পূর্বের আইনটি বাতিল করেছে। পরিষদ জানায়, আইনটির একটি অংশ ব্যক্তিদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি প্যারিস থেকে এ খবরটি প্রকাশ করেছে।
মাখোঁ সোমবার এক্স-এ লিখেছেন, ‘কঠোর কৌশলগত কাজের পর সরকার আজ নতুন খসড়াটি ইউরোপীয় কমিশনকে অবহিত করছে।’
এই অবহিতকরণটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে যে, প্রস্তাবিত আইনটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইন অনুযায়ী কি না।
শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা মাখোঁর অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি চান, আগামী বছর তার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হোক।
তিনি একই ধরনের আইন পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে চালুর জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন।
ইইউর প্রধান উরসুলা ফন ডার লিয়েন চলতি সপ্তাহে ব্রাসেলসে শিশুদের জন্য পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা নিয়ে বক্তব্য দেবেন।
বিশ্বের আরও অনেক দেশ শিশুদের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সতর্কতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে শিশুদের প্রবেশাধিকার সীমিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সুনামগঞ্জ জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে আজ একটি সভা আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগিতা করতে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। সকল প্রকার চাঁদাবাজি বন্ধে, মাদক, চুরি, চোরাচালান দমনে প্রয়োজনে জনগণকে সাথে নিয়ে দাঁড়াতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কৃষি, সমাজসেবা, বন বিভাগ, মৎস্য অধিদপ্তরসহ সকল সরকারি অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য আহ্বান জানান। জেলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
আসন্ন দূর্গাপুজাকে যেন কেউ ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে, সে দিকে নজর দিতেও তিনি পরামর্শ দেন।
সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। সভাটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ -৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ, সুনামগঞ্জ -৪ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ -৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, সুনামগঞ্জ -১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার এ বি এম জাকির হোসেন, পিপিএম, ২৮ বর্ডার গার্ড সুনামগঞ্জ এর অধিনায়ক এ কে এম জাকারিয়া কাদির, স্থানীয় সরকার সুনামগঞ্জের উপ-পরিচালক অসীম চন্দ্র বনিক, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আলী আশরাফ সোহাগ, সিভিল সার্জন ডা. চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ, পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড. মল্লিক মঈন উদ্দিন সুহেল, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. শাহাদত হোসেন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের কড়া নজরদারি ও বাধাবিপত্তি উপেক্ষা করে বন্দর অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের লাভজনক ও প্রধান স্থাপনা নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটি এবং চিটাগং কন্টেইনার টার্মিনাল সিসিটি বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দীর্ঘ মেয়াদি ইজারা চুক্তিতে ছেড়ে দেওয়ার পাঁয়তারার বিরুদ্ধে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের ডাকে আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন বারিক বিল্ডিং মোড়ে সমাবেশ এবং বন্দর অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।
এতে চট্টগ্রাম বন্দর শ্রমিক কর্মচারী, রাজনৈতিক, সামাজিক, ছাত্র, পেশাজীবি সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, "চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি সিসিটি প্রতিদিন সোনার ডিম পাড়া হাঁস। এই মূল্যবান হাঁসকে গলাটিপে মেরে ফায়দা লুটের জন্য একটি চক্রান্তকারী সিন্ডিকেট উঠেপড়ে লেগেছে। দেশের জনগণ শ্রমিক কর্মচারীদের সাথে নিয়ে একযোগে এসব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে। জনগণের সম্পদ বন্দর সম্পদ রক্ষায় আন্দোলন আরও জোরালো করা হবে।"
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ও চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার উদ্যোগের প্রতিবাদে উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রাম।
দুপুর নাগাদ চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন নগরীর বারিক বিল্ডিং মোড় থেকে বন্দর অভিমুখে এ বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল শুরুর আগে বারিক বিল্ডিং মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা এনসিটি ও সিসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের জোরালো দাবি জানান।
বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহসম্পাদক ইব্রাহীম ফরাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান, ডক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন, সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান, ন্যাপ নেতা মিটুন দাশ, চা বাগান শ্রমিক নেতা প্রদীপ দাশ, বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম, কমিউনিটি সেন্টার ও ডেকোরেশন কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. পারভেজ, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ (ইনসাব) নেতা দেলোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, "চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এই বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই দেশের স্বার্থে হতে পারে না। বন্দরের সক্ষমতা ও পরিচালনার সঙ্গে শ্রমিকদের স্বার্থও জড়িত। তাই এনসিটি ও সিসিটি ইজারা দেওয়ার আগে দেশের স্বার্থ, শ্রমিকদের অধিকার এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।"
তারা আরও বলেন, "চট্টগ্রাম বন্দরের সম্পদ ও অবকাঠামো জনগণের সম্পদ। এসব সম্পদ দীর্ঘমেয়াদি ইজারার মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার যেকোনো উদ্যোগের বিরুদ্ধে শ্রমিক ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।"
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন বলেন, "চট্টগ্রাম বন্দর শুধু একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি দেশের অর্থনীতি, জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এনসিটি ও সিসিটি পরিচালনার নামে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়া হলে ভবিষ্যতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।"
তিনি বলেন, "দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় বন্দর পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। বন্দরের আয় ও সক্ষমতা বৃদ্ধির নামে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়, যাতে শেষ পর্যন্ত দেশের জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এনসিটি ও সিসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে।"
শ্রমিকদলের নেতা সাবেক বন্দর সিবিএ সেক্রেটারি কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার বলেন, "স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নেওয়া জনস্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সুযোগ নেই। চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। এই বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল এনসিটি ও সিসিটি বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের হাতে দীর্ঘমেয়াদে ইজারা দেওয়া দেশের জনগণ মেনে নেবে না।"
তিনি আরও বলেন, "বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো, আধুনিকায়ন ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার নামে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে দেওয়া কোনো সমাধান হতে পারে না। বরং বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সংযোজন এবং দক্ষ জনবল নিয়োগের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব।"
এনসিটি ও সিসিটি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এসব টার্মিনাল ইজারা দেওয়া হলে রাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদে বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হতে পারে। একই সঙ্গে বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মসংস্থান, চাকরির নিরাপত্তা ও অধিকারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।
সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারী শ্রমিক জনতা 'গো ব্যাক ডিপি ওয়ার্ল্ড', 'জীবন দেবো বন্দর দেবো না', 'ডিপি ওয়ার্ল্ডের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান' ইত্যাদি স্লোগানে বন্দর সংলগ্ন এলাকা ও রাজপথ মুখরিত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে যে, সউদী আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে তারা বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। খামিস মুশাইত শহরের এই বিমানঘাঁটিতে হামলার ফলে সরাসরি আঘাত হানার দাবি তারা করেছে। তবে, হুথিদের এই দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়গুলোতে সউদীর দক্ষিণাঞ্চলে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সউদী কর্তৃপক্ষ আবহা, খামিস মুশাইত, জিজান ও নাজরানসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলার খবর জানিয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর রিয়াদ জানিয়েছিল যে, এসব হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে, দেশের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনাতেও হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর, হুথিরা খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটি ও সউদীর কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনার ওপর হামলার দাবি করেছিল। আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হুথিরা আবহা, নাজরান ও জিজানের পাশাপাশি খামিস মুশাইতের বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছিল।
এদিকে, ইয়েমেনে হুথিদের সঙ্গে সরকারপন্থী বাহিনীর সংঘর্ষ তীব্র হয়েছে। সউদী-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনী হুথিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করেছে। লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকায় হুথিদের অগ্রসর হওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের কাছাকাছি কয়েকটি কৌশলগত এলাকা দখলের ঘটনায় আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
হুথিদের অগ্রযাত্রা বাব আল-মান্দাব প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই নৌপথ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে তেল সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন নিয়ে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
একই সময়ে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রস্তাবিত বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে। আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যে বৈঠকটি পিছিয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন যে, বর্তমান সরকার সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না।
তিনি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, "সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না সরকার। প্রয়োজনে প্রচলিত আইনকে আরও শক্তিশালী করা হবে।"
তিনি উল্লেখ করেন যে, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ইয়াবা চোরা কারবারিরা বর্ডারের ওপারে বসে পরিকল্পনা করছে। ড্রোনের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় মাদক পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আইনমন্ত্রী বলেন, "মাদক এখন আর শুধুমাত্র খুলনার সমস্যা নয়। সে কারণে সারাদেশে ডোপ টেস্টের ওপরে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।"
মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনার বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য, বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ সুপার, কেসিসি ও জেলা পরিষদ প্রশাসকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় খুলনার আইনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা এবং সন্ত্রাস দমনের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ