ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কারাবন্দি ধনকুবেরের ব্যাগ-গাড়ি বিক্রি করেও মিলছে না গ্রাহকদের পাওনা


কারাবন্দি ধনকুবেরের ব্যাগ-গাড়ি বিক্রি করেও মিলছে না গ্রাহকদের পাওনা

বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম জালিয়াতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত ভিয়েতনামের ব্যবসায়ী ট্রুং মাই ল্যানের বিলাসবহুল গাড়ি, হ্যান্ডব্যাগ ও ইয়ট একের পর এক নিলামে তোলা হচ্ছে। তবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পদ বিক্রি করেও ভুক্তভোগী গ্রাহকদের পাওনা কোটি কোটি ডলারের কানাকড়ি শোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এক সময় ভিয়েতনামের অন্যতম শীর্ষ ধনী এই নারী ব্যবসায়ী এবং তার সহযোগীরা দেশটির একটি বড় ব্যাংক থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ৪৪ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করেছিলেন। এই অপরাধে ল্যানকে দুটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের একটি রায়ে ১২ বিলিয়ন ডলার আত্মসাতের অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। শর্ত ছিল, আত্মসাৎ করা অর্থের তিন-চতুর্থাংশ ফেরত দিতে পারলে তার সাজা কমতে পারে। ল্যানের জালিয়াতির বিশাল মাত্রা বিবেচনা করে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতেই আদালত তখন এই কঠোর রায় দিয়েছিল। তবে গত বছর ভিয়েতনাম সরকার আত্মসৃতি সহ আটটি অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বিলুপ্ত করায় ল্যানের সেই সাজা কমে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হয়। সাজা কমলেও ভুক্তভোগীদের পাওনা ২৭ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার লক্ষ্য থেকে তিনি এখনো অনেক দূরে রয়েছেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

গত মে মাসে ল্যানের সংগ্রহে থাকা বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড হার্মিসের দুটি বারকিন হ্যান্ডব্যাগ অনলাইন নিলামে প্রায় ৫ লাখ ৩৯ হাজার ডলারে বিক্রি করা হয়। ল্যান নিজে ইতালি থেকে একটি ব্যাগ কিনেছিলেন এবং অন্যটি তাকে মালয়েশিয়ার এক ধনকুবের উপহার দিয়েছিলেন। ব্যাগ দুটি যেন তার সন্তান ও নাতি-নাতনিদের জন্য স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়, ল্যানের এমন আকুল আবেদন সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা নিলামে চড়ায়। এ ছাড়া গত মাসে তার তিনটি বিলাসবহুল গাড়িও নিলামের হাতুড়ির নিচে পড়ে। এর মধ্যে একটি চার আসনের সাদা মেবাখ গাড়ি প্রায় ৬ লাখ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়। অন্য দুটি গাড়ি ছিল একটি নীল বিএমডব্লিউ এবং একটি কালো লেক্সাস।

ল্যানের সাবেক আইনজীবী নগুয়েন থি হুয়েন ট্রাং সিএনএন-কে জানিয়েছেন, এই নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ প্রথমে আদালতের আইনি খরচ ও নিলাম প্রক্রিয়ার ব্যয় মেটাতে ব্যবহার করা হবে। ল্যান এখন পর্যন্ত মাত্র ৪ লাখ ৫৫ হাজার ডলার ফেরত দিতে পেরেছেন এবং হো চি মিন সিটির রায় বাস্তবায়ন সংস্থা তার অন্যান্য সম্পত্তি প্রক্রিয়াকরণ করছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে ল্যানের ‘দ্য রেভারি সাইগন’ নামের একটি বিলাসবহুল ইয়ট প্রায় ২০ লাখ ডলারে নিলামে তোলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কোনো ক্রেতা না পাওয়ায় এর প্রারম্ভিক মূল্য ১৮ শতাংশ কমানো হয়েছে। এ ছাড়া তার আরও দুটি জাহাজও ক্রেতার অভাবে বিক্রি করা যায়নি। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভিয়েতনামে সাধারণত জব্দ করা সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করা বেশ কঠিন এবং কিছু জিনিস ১০ বারের বেশি চেষ্টা করেও বিক্রি করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে ৬৯ বছর বয়সী ল্যান জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার আগে ভিয়েতনামে বিলাসবহুল বাড়ি ও বাণিজ্যিক রিয়েল এস্টেটের এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। তদন্তকারীরা জানান, তিনি শত শত ভুয়া কোম্পানি এবং সহযোগীদের মাধ্যমে ৪৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ ও নগদ অর্থ হাতিয়ে নেন এবং এই জালিয়াতি ঢাকতে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে বিপুল পরিমাণ ঘুষ দিয়েছিলেন। ১২ বিলিয়ন ডলারের জালিয়াতি মামলা ছাড়াও অবৈধ অর্থ পাচার, জালিয়াতির মাধ্যমে সম্পত্তি দখল ও সীমানা পেরিয়ে অবৈধভাবে টাকা স্থানান্তরের অন্য আরেকটি মামলায় তাকে দ্বিতীয়বারের মতো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সূত্র: সিএনএন

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শর্ত ছাড়াই পুনরায় হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে আইইএ’র আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


শর্ত ছাড়াই পুনরায় হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে আইইএ’র আহ্বান

বিশ্বের জ্বালানি বাজারের ওপর প্রভাব ফেলেছে হরমুজ প্রণালী। এই প্রণালী পুনরায় খোলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তির প্রতি সমর্থন জানিয়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান ফাতিহ বিরল দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, যে কোনো শর্ত ছাড়াই এই জলপথ খুলে দেওয়ার আহ্বান ইস্তাম্বুলে আয়োজন করা অনুষ্ঠানে তিনি করেছেন।

ফাতিহ বিরল এ সময় উল্লেখ করেছেন, কিছু দেশ তাদের জ্বালানি নীতি পুনর্মূল্যায়ন করছে। কারণ, এটি স্পষ্ট যে, হরমুজ প্রণালী আবার বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যেমনটি ইরান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় করেছে।

তিনি বলেন, এই সংকট বৈশ্বিক জ্বালানির মানচিত্র বদলে ফেলেছে এবং আইইএ বিভিন্ন দেশের সাথে নতুন কৌশল নিয়ে আলোচনা করবে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এটাও তিনি বলেছেন।

চুক্তির আওতায় রয়েছে তেহরান কর্তৃক গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীটির পুনরায় খুলে দেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করা। এই পদক্ষেপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনার শেষের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

‘আমরা এখন চুক্তির বিস্তারিত বিবরণ, আলোচনার প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী ঘটনাবলী দেখব। সম্পর্কের ফাটল ভেঙে গেছে। এখন সকল পক্ষ জানে যে, হরমুজ প্রণালী একবার বন্ধ হয়েছিল এবং এটি আবারও বন্ধ হতে পারে।’

সূত্র : আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“বিদ্যুৎ সংকটে নাকাল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনজীবন”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


“বিদ্যুৎ সংকটে নাকাল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনজীবন”

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গ্যাস সংকটের কারণে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলস্বরূপ, চালু থাকা কেন্দ্রগুলোর উৎপাদনও কমে যাচ্ছে। ২০টির মধ্যে অন্তত ৯টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ইতোমধ্যে বন্ধ থাকলেও, সীমান্ত পেরিয়ে প্রতি দিন প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। তবুও খুলনা-বরিশালসহ পদ্মার এপারের ২১ জেলার মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং সহ্য করছে।এই অঞ্চলে উৎপাদিত ও আমদানি করা বিদ্যুতের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে ঢাকা এবং অন্যান্য এলাকায় সরবরাহ করা হয়। ফলে, যদিও রোগা বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, তবুও এখানকার বাসিন্দাদের অন্ধকারে থাকতে হচ্ছে।স্থানীয় নাগরিক নেতারা অভিযোগ করছেন, এটি শুধু উৎপাদনের অভাব নয়, বরং দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ বণ্টনে বৈষম্যের আরেকটি উদাহরণ।ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি (ওজোপাডিকো) থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, গ্যাস স্বল্পতার কারণে ৪১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ভেড়ামারা নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার প্লান্ট কয়েকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ১১৫ মেগাওয়াটের খুলনা কেপিসিএল, ২২৫ মেগাওয়াটের নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার প্লান্ট, ১০৫ মেগাওয়াটের রূপসা ওরিয়ন পাওয়ার প্লান্টসহ বেশ কয়েকটি কেন্দ্র উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। পাশাপাশি, চালু থাকা কেন্দ্রগুলোর বেশিরভাগ তাদের সক্ষমতার নিচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।ওজোপাডিকোর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ৩৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতার খুলনা পাওয়ার প্লান্ট মাত্র ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদন করেছে। এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদন করেছে ৫১০ মেগাওয়াট এবং ১৫০ মেগাওয়াটের পায়রা ইউনাইটেড পাওয়ার প্লান্ট থেকে এসেছে মাত্র ১৭ মেগাওয়াট।৫০০ মেগাওয়াটের খুলনা পাওয়ার প্লান্ট থেকেও উৎপাদন এসেছে ৮৫ মেগাওয়াট। ওই দিন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কেন্দ্রগুলো থেকে মোট ৪,৪১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হলেও, ওজোপাডিকোর গ্রাহকদের জন্য মাত্র দুই হাজার ৩১৫ মেগাওয়াট সরবরাহ করা হয়েছে, বাকী দুই হাজার ১০৪ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় নাগরিক সমাজের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে, কারণ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো এখানে অবস্থিত হলেও এখানকার জনগণ পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাচ্ছে না। কেন্দ্রীয় লোড ডেসপাস সেন্টার (এলডিসি) বিদ্যুৎ বণ্টন নিয়ন্ত্রণ করছে, তাই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে তুলনামূলকভাবে কম বিদ্যুৎ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি উঠছে।ওজোপাডিকো এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একাধিক সূত্র জানায়, খুলনা ও বরিশাল জোনে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়। দুই জোনের চাহিদা ৬০০ থেকে ৭০০ মেগাওয়াট হলেও, সরবরাহ ১৫০ থেকে ২০০ মেগাওয়াটের ঘাটতিতে রয়েছে। ফলে অনেক এলাকায় দিনে আট থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল এবং ভিআইপি ফিডারের বাইরের এলাকায় লোডশেডিং বেশি দেখা যাচ্ছে।এদিকে, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রভাব পড়ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, কোল্ড স্টোরেজ, আইটি সেবা, হাসপাতাল এবং উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো জেনারেটরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, ফলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কার্যত অর্ধেক সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে।ওজোপাডিকোর প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল মজিদ জানান, 'ওজোপাডিকো কেবল বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান। এলডিসির মাধ্যমে পিডিবি থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, তা-ই বিতরণ করা হয়। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হলে কিছু এলাকায় লোডশেডিং করতেই হয়। তবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে ফিরলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।'বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান অভিযোগ করেছেন, খুলনা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার। এখানে যথেষ্ট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হলেও তার বড় অংশ অন্য অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। যার কারণে স্থানীয় জনগণকে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি সহ্য করতে হচ্ছে। অপরদিকে, পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের সভাপতি অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা বিদ্যুৎ সংকট মোকাবেলার জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, 'খুলনা সিটি করপোরেশনের সোনাডাঙ্গা সোলার পার্কটি অল্প ব্যয়ে সচল করা হলে স্থানীয়ভাবে কিছু বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। একই সঙ্গে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে সরকারি উদ্যোগ নিলে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপও কমবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে প্রাথমিক চক্ষু স্বাস্থ্য পরিচর্যা বিষয়ক কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


আমতলীতে প্রাথমিক চক্ষু স্বাস্থ্য  পরিচর্যা বিষয়ক কর্মশালা

বরগুনার আমলেীতে ইসপাহানি  ইসলামিয়া  চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল ,আমতলী  আই সার্জারি সেন্টারের আয়োজনে এবং দি ফ্রেড  হলোজ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায়, কমিউনিটি লিডার এব্ং প্রান্তিক লিডার ও প্রান্তিক নারী – পুরুষ নিয়ে এক সচেতনতামূলক কর্মশালা বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় অনুষ্ঠিত হয় । কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ,আমতলী  আই সেন্টারের কনসালট্যান্ট ইন চার্জ ডা: খান এ সায়েম ।  কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন , আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: সফিউল আলম, এন,এস,এস,এর নির্বাহী পরিচালক অ্যাড, শাহাবুদ্দিন পানন্না , আমতলী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: রেজাউল করিম , সাংবাদিক জাকির হোসেন , প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মোসা: বেবী নাজনীন ,আউটরিচ ম্যানেজার মো: সাইফুল ইসলাম , প্রধান শিক্ষক মো: শাহ আলম কবির ,মোয়জ্জেম হোসেন ,  গাজী গোলাম ফারুক , মাহাবুবুর রহমান, আওলাদ হোসেন (প্রমুখ) । দি ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন বরিশাল ভিশন :২০৩০ ইনক্লসিভ অ্যান্ড এলিমিনেশন অব ক্যাটারাক্ট  ব্যাকলক প্রজেক্ট এর আওতায় বরগুনা জেলাকে ছানিমুক্ত করার লক্ষ্যে কার্য্ক্রম চলমান রয়েছে। ইসপাহানী ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট আমতলী আই সেন্টরের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এ উদ্যেগের মাধ্যমে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মানসম্মত  ও সহজলভ্য চক্ষু চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে কর্মশালায় জানানো হয় । 

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে ২ লাখ ৩৩ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিট, কর্মরত ৫ লাখের বেশি জনবল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩২ পি.এম


রাজশাহীতে ২ লাখ ৩৩ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিট, কর্মরত ৫ লাখের বেশি জনবল

রাজশাহী জেলায় মোট ২ লাখ ৩৩ হাজার ২৭৫টি অর্থনৈতিক ইউনিট বিদ্যমান, যেখানে কর্মরত জনবল সংখ্যা ৫ লাখ ১ হাজার ৭৮৭ জনেরও বেশি।

জেলার অর্থনৈতিক ইউনিটগুলোর মধ্যে ৪৯ দশমিক ৮২ শতাংশ জাতীয় প্রতিষ্ঠান, ৪ দশমিক ৫১ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ৪৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ অর্থনৈতিক খানা। বৃহস্পতিবার সকালবেলা রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় পরিসংখ্যান দপ্তর পরিচালিত ‘অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এর চূড়ান্ত ফলাফল অবহিতকরণ ও স্ট্যাটিস্টিক্যাল বিজনেস রেজিস্টার বিষয়ক সেমিনারে’ এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ রেজাউল আলম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিভাগীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের যুগ্মপরিচালক মো. আব্দুল হালিম। প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্মসচিব মো. জাকির হোসেন।

সেমিনারে উল্লেখ করা হয়, সারাদেশে মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ১ কোটি ১৭ লাখ, যেখানে নিয়োজিত জনবল প্রায় ৩ কোটি ৬ লাখ। এসব ইউনিটের মধ্যে ৩৭ শতাংশ শহরাঞ্চলে এবং ৬৩ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত। জাতীয় পর্যায়ে কর্মরত জনবলের ৮৩ শতাংশ পুরুষ এবং ১৭ শতাংশ নারী।

রাজশাহী বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ১৬ লাখ ৮১ হাজার এবং নিয়োজিত জনবল ৩৪ লাখ ৯ হাজার। বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে ৩ লাখ ৩৭ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিট নিয়ে বগুড়া শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, ৮৭ হাজার ৮৩২টি অর্থনৈতিক ইউনিট নিয়ে জয়পুরহাট সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। নওগাঁ ও সিরাজগঞ্জ যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে এসেছে। রাজশাহী জেলার অবস্থা চতুর্থ।

এই অনুষ্ঠানে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের প্রধান, শিল্প ও কলকারখানার মালিক, চেম্বার প্রতিনিধিসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে বক্তারা সঠিক পরিসংখ্যান প্রণয়নের জন্য জরিপকারীদের কাছে সঠিক তথ্য প্রদানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তারা বলেন, নির্ভুল ও হালনাগাদ তথ্য দেশের পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%