ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাশিয়ার ২১টি ট্যাংকারে হামলার দাবি ইউক্রেনের


রাশিয়ার ২১টি ট্যাংকারে হামলার দাবি ইউক্রেনের

আজভ সাগরে রাশিয়ার ২১টি তেলবাহী জাহাজে রাতভর ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী। বার্তা সংস্থা রয়টার্স রিপোর্টে জানাচ্ছে, দখলকৃত ইউক্রেনীয় অঞ্চলে অবস্থানরত রুশ বাহিনীকে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত করতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানায়, ট্যাংকারগুলোর সাথে ৪টি টাগবোট, ২টি কার্গো জাহাজ এবং একটি ড্রেজারেও হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। ইউক্রেনের দাবির ভিত্তিতে বলা হয়েছে, এসব জাহাজ রাশিয়ার সামরিক রসদ পরিবহন এবং বন্দর অবকাঠামোকে সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছিল। তবে এ বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে, কিয়েভে শনিবার ভোরে রাশিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই হামলার ফলে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলা এমন একটি সময়ে ঘটলো, যখন ইউক্রেন নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা গোলাবারুদের জন্য অপেক্ষা করছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতির কারণে কিয়েভ রুশ হামলার মুখে আরো বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। রয়টার্সের একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, বিমান হামলার সতর্কতা জারি হওয়ার পূর্বে শনিবার ভোরে একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। সূত্র: কিয়েভ পোস্ট, মস্কো টাইমস

আরও পড়ুন: বগুড়ার কারাগারে নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতার হৃদরোগে মৃত্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্য প্রাণী রক্ষায় মধুপুর গড়াঞ্চলে নির্মাণ হচ্ছে রোপওয়ে করিডর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


বন্য প্রাণী রক্ষায় মধুপুর গড়াঞ্চলে নির্মাণ হচ্ছে রোপওয়ে করিডর

টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়াঞ্চল এলাকায় বানরসহ বিভিন্ন বন্য প্রাণীর নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করতে বন বিভাগ দ্বারা পাঁচটি রোপওয়ে করিডর নির্মাণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগ দ্রুতগতির যানবাহনের ধাক্কায় বন্য প্রাণীর অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ও দুর্ঘটনারোধ করার জন্য নেওয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইল বন বিভাগের সূত্রে জানা যায়, এই পাঁচটি রোপওয়ে করিডর মধুপুর জাতীয় উদ্যান সদর রেঞ্জের আওতাধীন আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে রাস্তাঘাটের দুই পাশের সুউচ্চ গাছের সঙ্গে শক্ত দড়ি সংযুক্ত করে বিশেষ কৌশলে তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে বানর, হনুমান, কাঠবিড়ালিসহ অন্যান্য বৃক্ষবাসী প্রাণীরা মাটিতে না নেমেই বন থেকে অন্য পাশে নিরাপদে যাতায়াত করতে পারছে।

বন্য প্রাণী গবেষকদের মতে, বর্তমানে মধুপুর জাতীয় উদ্যানে প্রায় ১৯০ প্রজাতির বন্যপ্রাণীর আবাস রয়েছে। এর মধ্যে ২১ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৪০ প্রজাতির পাখি এবং ২৯ প্রজাতির সাপ ও অন্যান্য প্রাণী রয়েছে। বিশেষ করে, পূর্বে সিলেট ও চট্টগ্রামের চিরহরিৎ বনের অধিবাসী হিসেবে পরিচিত আইইউসিএনের লাল তালিকাভুক্ত মহাবিপন্ন ‘বাংলা লজ্জাবতী বানর’-এর বিচরণ সম্প্রতি মধুপুরের শালবনেও লক্ষ্য করা গেছে। নিশাচর ও লাজুক স্বভাবের এই বিরল প্রাণীটি মূলত গাছের মগডালে বা বাঁশঝাড়ে বাস করে। বন সংকোচন ও মহাসড়কের কারণে এদের স্বাভাবিক বিচরণ ও খাদ্য সংগ্রহের পথ খুব বেশি বিঘ্নিত হচ্ছিল।

টাঙ্গাইল বন বিভাগের একাধিক সূত্র জানায়, মধুপুর গড়াঞ্চলের বুক চিরে আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণের ফলে প্রাকৃতিকভাবেই বন্য প্রাণীদের আবাসস্থল খণ্ডিত হয়ে পড়েছে। খাদ্যসংকট ও বংশবৃদ্ধির প্রয়োজনে রাস্তা পার হতে গিয়ে দ্রুতগতির যানবাহনের নিচে চাপা পড়ে প্রায়ই লজ্জাবতী বানরসহ বিভিন্ন বিরল প্রজাতির প্রাণী প্রাণ হারাত। নতুন এই রোপওয়ে করিডর চালুর ফলে এই ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলেও আশা করা হচ্ছে। পরীক্ষামূলকভাবে নির্মিত পাঁচটি রোপওয়ে করিডরের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণের পর ইতিবাচক ফল পাওয়া গেলে বনাঞ্চলের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে একই ধরনের রোপওয়ে নির্মাণ করা হবে।

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ এস এম সাইফুল্লাহ জানিয়েছেন, বনাঞ্চল সংলগ্ন মহাসড়কে এ ধরনের বন্য প্রাণী বান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ করলে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমবে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বন্য প্রাণীর নিরাপদ চলাচলের জন্য রোপওয়ে করিডর ব্যবহৃত হচ্ছে এবং সেখান থেকে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মধুপুর জাতীয় উদ্যান সদর রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মধুপুর শালবন প্রতিষ্ঠা প্রকল্পের আওতায় পঁচিশ মাইল থেকে রসুলপুর বাজার পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে পাঁচটি রোপওয়ে করিডোর নির্মাণ করা হয়েছে। এতে বণ্যপ্রাণির মৃত্যুহার অনেক কমে আসবে। টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, মধুপুর শালবন প্রতিষ্ঠা প্রকল্পের আওতায় রোপওয়ে করিডর নির্মাণের ফলে বানর, হনুমান, সিভেটসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী নিরাপদে চলাচল করতে পারছে। গত জুন মাসে পাঁচটি রোপওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে যানবাহনের নিচে পিষ্ট হয়ে বন্য প্রাণীর মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুবাইদা রহমানকে পাশে বসিয়ে মেডিকেলে নিয়ে আসতাম: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


জুবাইদা রহমানকে পাশে বসিয়ে মেডিকেলে নিয়ে আসতাম: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ডিএমসি) কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলের শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে আনন্দঘন কিছু সময় কাটিয়েছেন।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টায় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’- এর উদ্বোধনের পর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলে যান।

ডা. জুবাইদা রহমান, ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার সময় এই হোস্টেলেই থাকতেন।

উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে, প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দোয়া করি, আপনারা নিজ নিজ অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত হোন।"

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে, হোস্টেলের মূল ফটকের সামনে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন শিক্ষার্থীরা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানকে কাছে পেয়ে, তারা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।

এ সময় স্মৃতিচারণ করে, প্রধানমন্ত্রী বলেন, " আগে যখন জুবাইদা রহমানকে মেডিকেলে নিয়ে আসতাম, তখন তাকে সামনের সিটে আমার পাশে বসিয়ে নিয়ে আসতাম। আজও আসার সময় তাকে বলেছি সামনের সিটে বসতে। পাশে বসিয়েই আপনারা কাছে নিয়ে এসেছি।"

নিজের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, "আজ অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। এই ক্যাম্পাসে আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনেকটা সময় কেটেছে। আজ সেই দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ছে।"

বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "আমাদের সবসময় সামনের দিকে তাকাতে হবে। জীবনের টানাপোড়েনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত আসবে। মনের ভেতর রাগ-ক্ষোভ পুষে রাখলে চলবে না। উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে হবে।"

তিনি বলেন, "মেডিকেল কলেজকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে, যাতে সারা বিশ্ব এখানকার চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জানতে পারে। একদিন যেন এই মেডিকেল কলেজ নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি।"

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে সেলফি তোলেন শিক্ষার্থীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের পরমাণু ইস্যু ঘিরে জাতিসংঘের বৈঠকে উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


ইরানের পরমাণু ইস্যু ঘিরে জাতিসংঘের বৈঠকে উত্তেজনা

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীন এবং রাশিয়ার বিরোধিতার মধ্যে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক শেষ হয়েছে।

বৈঠকে অধিকাংশ সদস্য দেশ সতর্ক করেছে যে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা তেহরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর কার্যকর নজরদারির সক্ষমতা হারিয়েছে। এর ফলস্বরূপ, পরমাণু বিস্তার রোধের বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু মস্কো ও বেইজিং দাবি করেছে, ২০১৫ সালের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবের আইনি কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে এ বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের আর যৌক্তিকতা নেই। আলোচনার বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের বিরোধিতা সত্ত্বেও নিরাপত্তা পরিষদের ইউরোপীয় সদস্য বাহরাইন এবং ইউরোপীয় অঞ্চলের পাঁচটি দেশ ডেনমার্ক, ফ্রান্স, গ্রিস, লাটভিয়া ও যুক্তরাজ্য বৈঠকের আহ্বান করেছিল।

বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে ১১টি সদস্য দেশের সমর্থন, দুটি দেশের বিরোধিতা এবং দুটি সদস্য রাষ্ট্রের ভোটদানে বিরত থাকার মধ্য দিয়ে একটি পদ্ধতিগত ভোটাভুটির পর। এটি ছিল ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ইরান সম্পর্কিত নিরাপত্তা পরিষদের তিন নম্বর বৈঠক। চলতি বছরের মার্চ ও জুন মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল আগের দুটি বৈঠক, যা কোনো আনুষ্ঠানিক ফলাফল ছাড়াই শেষ হয়েছিল।

ইরান এবং পি৫+১ শক্তিগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন’ (জেসিপিওএ)-কে অনুমোদন দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১৫ সালে গৃহীত ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবটির মেয়াদ ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর শেষ হবে।

এক্ষেত্রে তেহরান, মস্কো এবং বেইজিংয়ের অবস্থান হলো, প্রস্তাবটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল বিধান, বিধিনিষেধ এবং নিরাপত্তা পরিষদের দায়িত্বও অবসান ঘটেছে। এর ফলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর নিরাপত্তা পরিষদের কোনও আইনি কর্তৃত্ব নেই।

তারা আরও যুক্তি দিয়েছে, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি কর্তৃক তথাকথিত ‘স্ন্যাপব্যাক’ প্রক্রিয়া কার্যকর করার প্রচেষ্টা আইনি ও পদ্ধতিগতভাবে অকার্যকর, কারণ প্রস্তাবটির মেয়াদ আগেই শেষ হয়েছে।

বৈঠকের আগে নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য রাখার সময় জাতিসংঘে রাশিয়ার উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি আনা এভস্টিগনিয়েভা বলেছিলেন, ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবটির কার্যকারিতা শেষ হওয়ায় এ সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনার কোনো ম্যান্ডেট নিরাপত্তা পরিষদের নেই।

তিনি পরিষদের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠিত নিয়মকানুন উপেক্ষা করার অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এমন একটি বিষয় নিয়ে বারবার বৈঠক ডাকা হচ্ছে, যা এখন আর নিরাপত্তা পরিষদের আলোচ্যসূচিতে নেই।

এভস্টিগনিয়েভা আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে চলা উত্তেজনা বৃদ্ধি বা নিরাপত্তা পরিষদকে রাজনৈতিক সংঘাতের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহারের যে অযৌক্তিক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে, রাশিয়া তা প্রত্যাখ্যান করে। তিনি যোগ করেন, ‘স্ন্যাপব্যাক’ প্রক্রিয়া কার্যকর করা হয়েছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

জাতিসংঘে চীনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি সান লেই মস্কোর অবস্থানের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেছেন, ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবের মেয়াদ ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর শেষ হয়েছে এবং এর ফলে নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের পারমাণবিক ইস্যু সংক্রান্ত আলোচনা শেষ হয়েছে।

সান যুক্তি দেন, নিরাপত্তা পরিষদের আলোচনা থেকে বাদ পড়া কোনো বিষয় নিয়ে বারবার বৈঠকের আয়োজন করা কূটনৈতিক আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশকে ক্ষুণ্ণ করে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের ভেতরে ক্রমবর্ধমান রাজনীতিকরণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনকে আরও গভীর করে এবং রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর পথে বাড়তি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবিরাম বৃষ্টিতে পানিবন্দি আশ্রয়ণ প্রকল্পের দুই শতাধিক পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


অবিরাম বৃষ্টিতে পানিবন্দি আশ্রয়ণ প্রকল্পের দুই শতাধিক পরিবার

টানা বৃষ্টির কারণে নওগাঁর মান্দা উপজেলার মৈনম ইউনিয়নের বর্দ্দপুর গ্রামে অবস্থিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর প্লাবিত হয়েছে। শনিবার তোলা। কালের কণ্ঠ।

অবস্থার কারণে প্রকল্পের ২০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। স্থানীয়বাসিন্দাদের মতে, তাদের ঘরে পানি ঢুকে পড়ার ফলে তিন দিন ধরে অনেক পরিবারের চুলায় আগুন জ্বলেনি। তারা রান্না করা খাবারের পরিবর্তে শুকনো খাবার খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। জলাবদ্ধতার মাঝেই সাপ ও জোঁকের উপদ্রব বেড়ে গেছে যা তাদের আতঙ্কে দিন কাটাতে বাধ্য করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও উপজেলা প্রশাসনের সূত্র মতে, গত বুধবার (৮ জুলাই) রাতে ভারি বৃষ্টি শুরু হয় যা উজানের কয়েকটি উপজেলা থেকে আসা পানির কারণে আশ্রয়ণ প্রকল্প প্রাঙ্গণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আশ্রয়ণের ঘরে পানি ঢুকতে শুরু করে। বর্তমানে পুরো এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমেছে এবং পানিতে ঘরের মেঝে ডুবে গেছে, যার ফলে বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়ে চলেছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অনেক ঘরে পানি ঢুকেছে। রান্না করার সুযোগ না থাকায় বাকি শুকনো খাবারই বাসিন্দাদের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। হঠাৎ জলাবদ্ধতায় পুরো এলাকায় সাপ ও জোঁকের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তার শঙ্কায় নারী ও শিশুরা পানিতে নামতে ভয় পাচ্ছে। সাপের আতঙ্কে অনেক পরিবারে নির্ঘুম রাত কাটছে।

প্রকল্পের বাসিন্দা বায়োজিদ হোসেন মন্তব্য করেন, ‘বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘরে পানি ঢুকতে শুরু করে। এখন পুরো এলাকায় হাঁটুসমান পানি। রান্নার চুলা ডুবে গেছে, ঘরেও পানি উঠেছে। তিন দিন ধরে রান্না করা খাবার খেতে পারিনি। খুব কষ্টে দিন কাটছে।’

অন্যদিকে, বাসিন্দা মরিয়ম বেগম বলেন, ‘ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে গেছে। চুলা তলিয়ে যাওয়ায় রান্না করা যাচ্ছে না। আমরা অনেক কষ্টে আছি।’

এদিকে, আজ শনিবার দুপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপুর নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পানিবন্দি ২০০ পরিবারের মধ্যে স্যালাইন, মোমবাতি ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সার্থী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, মৈনম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছার রহমান, মৈনম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাহারুল ইসলাম প্রমুখ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সার্থীর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘বন্যা নয়, হঠাৎ ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে শুক্রবার এলাকা পরিদর্শন করা হয়। সংসদ সদস্যের তাৎক্ষণিক নির্দেশনায় আজ (শনিবার) পানি বন্দি পরিবারগুলোর মাঝে স্যালাইন, মোমবাতি ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%